০৫:২৬ পি.এম
রংপুরে নাস্তা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে বাকপ্রতিবন্ধী এক কিশোরকে (১৭) বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে আব্দুল মতিন (৬১) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গণধোলাই দিয়েছে। ঘটনার পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।
এদিকে, ভুক্তভোগী কিশোরকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আব্দুল মতিন রংপুর সিটি করপোরেশনের হারাগাছ থানাধীন চাঁদকুঠি সদবাজার এলাকার মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে।
আরও পড়ুন: সরকার আন্তর্জাতিক মানের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভুক্তভোগীর স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার (১ নভেম্বর) রাতে বাক-প্রতিবন্ধী কিশোর নগরীর সদবাজারে ঘোরাফেরা করছিল। রাত নয়টার দিকে নাস্তা খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে আব্দুল মতিন তাকে চাঁদকুঠি সদবাজারের একটি গোডাউনের খালি মাঠে নিয়ে যান। সেখানে কিশোরটির ওপর তিনি বলৎকার করেন।
পরে ছেলেটিকে সদবাজারের কাছে রেখে পালানোর চেষ্টা করেন আব্দুল মতিন। এ সময় কিশোরটির কান্না শুনে এবং লুঙ্গিতে রক্ত দেখে স্থানীয়রা তাকে জিজ্ঞাসা করলে ঘটনা সম্পর্কে সে জানায়। এরপর স্থানীয় লোকজন আব্দুল মতিনকে আটক করে গণধোলাই দেয়। এক পর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পুলিশ খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে ভুক্তভোগী কিশোরকে উদ্ধার করে। স্বজনরা জানতে পেরে প্রথমে কিশোরকে হারাগাছ ৩১ শয্যা হাসাপাতলে এবং পরে রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অশোক চৌহান জানান, ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা বাদী হয়ে আব্দুল মতিনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর স্থানীয়দের গণধোলাইয়ে অভিযুক্ত আসামি আব্দুল মতিন আহত হয়ে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি হন। খবর পেয়ে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘বিয়ে না করেই’ ২৫ বছরের মুন্নার সঙ্গে ৩২ বছরের নারীর দুই বছর, ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার যুবক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন