পারভিন আক্তার স্টাফ রিপোর্টার নারায়ণগঞ্জ জেলা,
০২:০৫ পি.এম
নারায়ণগঞ্জ জেলার পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উন্নয়ন লক্ষ্যে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন সাধনের জন্য একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এই সভায় পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য জেলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা চলে।
উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির। সভায় অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।
স্থান: জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ, নারায়ণগঞ্জ || তারিখ: ২১ জুলাই, ২০২৬ খ্রি.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে কেন্দ্র করে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে। প্রথমদিকে দল-সংশ্লিষ্ট একটি প্ল্যাটফর্ম ভিডিওটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করলেও, পরে জামায়াতের স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন যে ভিডিওতে দেখা যাওয়া তরুণী এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল সোয়া ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও দলটির মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মাওলানা আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, এমপি গাজী নজরুল ইসলাম তাদের জানিয়েছেন যে ভিডিওতে থাকা তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তিনি আরও বলেন, প্রথম স্ত্রীর সম্মতিক্রমে এটি সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) রাত থেকে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং সিসিটিভি ফুটেজে গাজী নজরুল ইসলামকে এক তরুণীর সঙ্গে কক্ষে অবস্থান করতে দেখা যায়। ফুটেজের বিভিন্ন অংশে তাকে কখনও মোবাইল ফোনে কথা বলতে, আবার কখনও ওই নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা গেছে।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের মিডিয়া সেল-সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম ‘ক্রাইম বার্তা’ একাধিক পোস্টে দাবি করেছে, এটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি একটি ভুয়া ভিডিও।
তবে তথ্য যাচাইকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক বিশ্লেষণে ভিডিওটিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার বা ডিজিটাল কারসাজির কোনো সুস্পষ্ট আলামত পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়েছে। তাদের মতে, ভিডিওটিতে এআই-নির্মিত কনটেন্টের সাধারণ সীমাবদ্ধতাগুলোও দেখা যায়নি।
সিসিটিভি ফুটেজে থাকা টাইমস্ট্যাম্প অনুযায়ী, ভিডিওটি ২০২৩ সালের ১০ জুলাই ধারণ করা হয়েছিল। তবে ঘটনাস্থল সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মাওলানা আজিজুর রহমান বলেন, ভিডিওটি কীভাবে এবং কার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে, তা আমরা খতিয়ে দেখছি।
দ্বিতীয় বিয়ে কবে হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিয়ের সুনির্দিষ্ট তারিখ তিনি জানেন না। তবে বেশ কিছুদিন আগেই বিয়েটি সম্পন্ন হয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।
এদিকে ভিডিওতে দেখা যাওয়া তরুণীর বয়স নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চলছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তার বর্তমান বয়স প্রায় ১৮ বছর ২ মাস। এছাড়া তিনি ২০২৬ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
তথ্যসূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, তরুণীর বয়স, শিক্ষাগত তথ্য এবং ভিডিও-সংক্রান্ত অন্যান্য দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষ বা কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংযুক্ত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহে ট্রাক ও অটোরিকশার মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় একজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে নগরীর শম্ভুগঞ্জ-কিশোরগঞ্জ সড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সুজাউদ্দিন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। গুরুতরভাবে আহত তিনজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজন মারা যান। আহত অপর একজন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এসআই সুজাউদ্দিন আরও জানিয়েছেন, নিহতদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি এবং তাদের পরিচয় শনাক্তের জন্য চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক নারীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি সোমবার (২০ জুলাই) রাতে ভাইরাল হওয়ার পর রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
এদিকে, গাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গে এক নারীর ব্যক্তিগত যে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়েছে, সেটিকে আসল বলে জানিয়েছে ফ্যাক্ট চেক প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার। প্রতিষ্ঠানটি মঙ্গলবার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এ তথ্য জানায়।
রিউমর স্ক্যানার জানিয়েছে, সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াত দলীয় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের ভাইরাল হওয়া ব্যক্তিগত ভিডিওকে এআই বলে দাবি করে অসংখ্য পোস্ট দেখা যাচ্ছে। তবে রিউমর স্ক্যানারের অনুসন্ধানে তারা দেখতে পেয়েছে, ভিডিওটি আসল এবং এটি কোনো এআই নয়।
ভাইরাল হওয়া দীর্ঘ ভিডিওটিতে কোনো অসামঞ্জস্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। উল্টো, অডিওতেও কোনও অসংগতি নেই। কনটেন্টের উপাদানগুলো পৃথকভাবে বিশ্লেষণ করে এই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এর আগে, যখন ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়, তখন জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল যে এটি একটি ফেক ও এআই ভিডিও। কিন্তু, ফ্যাক্ট চেক প্রতিষ্ঠানগুলো ভিডিওটি আসল হিসেবে চিহ্নিত করার পর জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে মেয়েটিকে এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী বলা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মেয়াদ ফাঁকে ফাঁকে পাঁচ মাস অতিক্রম করে গেছে। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশে ঘটেছে নজিরবিহীন সব ইতিবাচক পরিবর্তন, যা বিগত কোনো সরকারের আমলেই কল্পনা করা সম্ভব হয়নি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তারেক রহমান ধারাবাহিকভাবে জনগুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন এবং নজিরবিহীন একাধিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এই সরকারের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আঙ্গিনায় ব্যাপক প্রশংসা পাচ্ছে। তবে, এই সফলতার কারণে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে মাঠে নামতে শুরু করেছে।
অপরদিকে, আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আসার ঘোষণা দিয়েছেন পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা। সেই সাথে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা তার সঙ্গে দেশে ফিরবেন, এমন একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ‘ডিসেম্বর টু মার্চ’ রূপরেখা বা রোডম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। শেখ হাসিনার নির্দেশে, রাজনীতির ময়দানে অস্থিরতা সৃষ্টির লক্ষ্যে তার দোসররা মাঠে নেমেছে। বর্তমান সরকারের স্বার্থে জনসাধারণের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি করতে তারা পরিকল্পিতভাবে নানা ধরনের প্রোপাগান্ডা ও অপপ্রচার চালাচ্ছে।
দুর্ভাগ্যবশত, ষড়যন্ত্রকারীদের চক্রান্তে জড়িয়ে পড়ছেন বিএনপির কিছু অসাধু ও সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তি। সরকারের মধ্যে সুবিধা করতে ব্যর্থ হওয়া কিছু বিতর্কিত ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীকে দুর্বল করতে তার বিশ্বস্ত সহযোগীদের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নিয়ে ‘পেইড’ প্রোপাগান্ডায় লিপ্ত হয়েছেন।
একটি দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে পরিচালিত এই পেইড প্রোপাগান্ডার পেছনে বর্তমান সরকারের একটি মন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিবের (এপিএস) প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে। তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ‘রিউমার স্ক্যানার’-এর তথ্যানুসারে, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে ৩৫১টি এবং প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমানকে কেন্দ্র করে ৫০টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন গুজব রটানো হয়েছে। Social media platforms-এ প্রতিদিন প্রধানমন্ত্রীসহ তার আস্থাভাজনদের বিরুদ্ধে ভীষণ অপপ্রচার হচ্ছে। সাম্প্রতিক পরিকল্পিত এই অপপ্রচারের শিকার হয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম এবং শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন। মূলত, সরকারকে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কের মুখে ফেলতে এবং অসন্তোষ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে এই দুই প্রভাবশালী মন্ত্রীকে টার্গেট করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিগত ১৭ বছর ধরে দেশের প্রশাসনিক কাঠামো ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে দলীয় বিবেচনায় নিজস্ব লোক নিয়োগ দিয়েছিল বিদায়ী আওয়ামী লীগ সরকার। তৎকালীন সরকারকে বেআইনিভাবে টিকিয়ে রাখা, ভোটচুরি থেকে শুরু করে যাবতীয় অপকর্মে তারা মূল ভূমিকা পালন করেছে। বিগত সরকারের আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী এখনো প্রশাসনের নানা স্তরে আছেন। তারা মূলত বর্তমান সরকারকে বিপদে ফেলতে এবং শেখ হাসিনাকে ফের ক্ষমতায় আনতে একটি চক্রান্তের অংশ হিসেবে কাজ করছে, যাতে তাদের পূর্বের দুর্নীতি ও লুটপাটের সাম্রাজ্য পুনর্বাসিত হয়।
শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশে অস্থিরতা তৈরি করতে তারা বিএনপির মন্ত্রী ও এমপিদের বিতর্কিত করার মিশন অব্যাহত রেখেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম এবং শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন এই প্রশাসনিক চক্রান্তের শিকার।
সম্প্রতি এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত অথবা পুনর্বিন্যাস নিয়ে গঠন হওয়া আন্দোলনটি এই ষড়যন্ত্রের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। আন্দোলনটির পেছনে উসকানি দিয়ে তারা ফায়দা নিতে চাচ্ছে। তারা যখন সড়ক অবরোধের মাধ্যমে আন্দোলন সৃষ্টি করেছে, তখন দেখা গেছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের চেয়ে অছাত্র, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতি বেশি ছিল।
জানা গেছে, শুরু থেকেই চক্রান্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর কিছু আমলের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন। এই কারণে একটি আমলাতান্ত্রিক চক্র বিরক্ত হয়ে ওঠে। পাশাপাশি বিএনপির একটি অংশও মীর শাহ আলমের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তাকে ঈর্ষা করে। ফলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তাকে বিতর্কিত ও অসৎ হিসেবে উপস্থাপন করতে একটি মহল মরিয়া হয়ে ওঠে।
মীর শাহ আলম তার পরিবারের কারো নামে কোনো প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনা না করার জন্য লিখিত নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো সত্ত্বেও, তার পরিবারের সদস্যের নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব পাঠানো হয়। পরে সেই ভুল ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তাকে ট্রোল ও অপপ্রচারের শিকার হতে হয়। না বুঝে এবং প্রকৃত তথ্য না জানার কারণে বিএনপির কিছু নেতাকর্মীও সেই অপপ্রচারে গা ভাসিয়ে সমালোচনা শুরু করেন। শুধু দেশে নয়, বিদেশ থেকেও কিছু ব্লগার অর্থের বিনিময়ে প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এই প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছেন, যার পেছনে সরকারের একটি মন্ত্রীর এপিএস নাম উঠে এসেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বড় গাছকে উপড়ে ফেলতে হলে আগে তার ডালপালা ছাঁটাই করতে হয়। পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগীরা বর্তমান সরকারকে দুর্বল করার জন্য এই কৌশলে এগোচ্ছে। সেজন্যই তারা প্রধানমন্ত্রীর চারপাশের বিশ্বস্ত মানুষদের টার্গেট করে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যাতে সার্বিকভাবে সরকারের ওপর থেকে জনসাধারণের আস্থা উঠে যায়।
কারণ, প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মানুষের বিরুদ্ধে যদি কোনো অপপ্রচার চালানো হয়, সাধারণ মানুষ সহজেই তা বিশ্বাস করে নেয়। প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শক্তি এই দুর্বলতা ব্যবহার করে।
সম্প্রতিক বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী মন্তব্য করেন, ‘আমি মনে করি এটা এক ধরনের গভীর ষড়যন্ত্র। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ও অপপ্রচার ছড়ানো অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ। যারা এসব কাজ করে, তারা মানসিকভাবে হীনমন্য এবং পরশ্রীকাতর। সরকারের উচিত অবিলম্বে এসব প্রোপাগান্ডাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।’
বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও বক্তা মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে বলেন, তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া কারোর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়িয়ে দেয়া সমাজে বিভ্রান্তি, ফিতনা ও পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি ঘটায়। ইসলামে এ ধরনের কাজকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গুজব ছড়ানোকে অশ্লীলতা ও ফিতনার শামিল মনে করা হয়।
এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের জুলাই পদযাত্রার সময়সূচিতে পরিবর্তন। ‘গুজব ও প্রোপাগান্ডা থেকে বেঁচে থাকার বিষয়ে ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশনা হলো- যেকোনো সংবাদ সত্য কি না তা ভালোভাবে যাচাই করা, সত্য ছাড়া মিথ্যা কিছু না বলা, অন্যের সম্মান রক্ষা করা এবং অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা থেকে বিরত থাকা। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা: স্পষ্ট বাণী দিয়েছেন “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের প্রতি ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অথবা চুপ থাকে”। তাই আমাদের সবার উচিত এ ধরনের বিভ্রান্তিকর প্রোপাগান্ডা থেকে নিজেদের মুক্ত রাখা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ