ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বিএনপি কার্যালয়ে ককটেল হামলা, কুষ্টিয়ায় আহত তিনজন


বিএনপি কার্যালয়ে ককটেল হামলা, কুষ্টিয়ায় আহত তিনজন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের বিএনপির একটি কার্যালয়ে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।

রবিবার (৩১ মে) রাতে আনুমানিক ৯টা ৪০ মিনিটের সময় পিয়ারপুর গ্রামের মো. নুরুল ইসলামের বাড়ির সামনে অবস্থিত বিএনপি কার্যালয়ে এই ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পিয়ারপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা জহুরুল করিম বিশ্বাস এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মনিরুজ্জামান মুনতাজের মধ্যে বিরোধের কারণে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এই ঘটনার বিস্তারিত তথ্য অনুসারে জানা যায় রবিবার রাতে পিয়ারপুর গ্রামের মো. ফুরকান কসাই (৫৫), মো. এছেম (৫০) এবং মো. ফিরোজ (৪৮)-সহ মুনতাজের বেশকিছু কর্মী-সমর্থক দলীয় কার্যালয় ও পাশের একটি চায়ের দোকানে অবস্থান করছিলেন। সেই সময় ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল অতর্কিতভাবে কার্যালয় লক্ষ্য করে কয়েকটি ককটেল নিক্ষেপ করে। ককটেলগুলো বিস্ফোরিত হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন: নাগেশ্বরীতে ১,১৭০ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেফতার

এ হামলায় আহত হন পিয়ারপুর এলাকার রহমত মণ্ডলের ছেলে মো. ফুরকান কসাই, হাজেদ্দিনের ছেলে মো. এছেম এবং আতর আলী কবিরাজের ছেলে মো. ফিরোজ। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের হাসপাতালে ভর্তি রাখার নির্দেশ দেন। বর্তমানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাদের স্বাস্থ্যের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও নজরদারি চালাচ্ছেন। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুই বিএনপি নেতার মধ্যে বিরোধের সুত্রেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনার জন্য মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে মনিরুজ্জামান মুনতাজ অভিযোগ করেন, হামলার সঙ্গে জহুরুল করিম বিশ্বাস ও তার সমর্থকরা সরাসরি জড়িত। তিনি জানান, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জহুরুল করিম বিশ্বাস বলেন, তারা নিজেদের কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আমার ও আমার লোকজনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো রকমের সম্পৃক্ততা নেই।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, পিয়ারপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার কিংবা পূর্ব বিরোধের কারণে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে নতুন মুখ, সভাপতি আচ্ছু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মিলন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাগড়াছড়িতে লিচুর ফলনে কৃষকদের মুখে হাসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


খাগড়াছড়িতে লিচুর ফলনে কৃষকদের মুখে হাসি

খাগড়াছড়িতে এ বছরে লিচুর বিপুল উৎপাদন হয়েছে। পৌর শহরে বর্তমানে শুধু লিচু এবং লিচু। চায়না টু ও চায়না থ্রি লিচু এখানেই বেশি পরিমাণে বিক্রির জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। একশ লিচুর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ থেকে আড়াইশো টাকার মধ্যে। পর্যটকরা যখন শহরে আসছেন, তারা পৌর শাপলা চত্বরের ফল বাজারে যাচ্ছেন এবং সেখান থেকে এসব লিচু কিনে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন।

তারা বলেছেন, এখানে উৎপাদিত লিচু ফরমালিনমুক্ত এবং অত্যন্ত সুস্বাদু। তাই তারা এখানে থেকে এসব ফলমূল, বিশেষ করে লিচু কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

কৃষি বিভাগের উপ পরিচালক নাসির উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, এখানে এই বছর ১৯৮৫ হেক্টর জমিতে লিচুর বাগান রয়েছে। এবারের উৎপাদন ১০ হাজার ৯৭১ টন ধরা হয়েছে। প্রকৃতি ভালো থাকার কারণে লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। বাগানীরাও এবারে ভালো দাম পেয়েছে।

খাগড়াছড়ির বাজারে বর্তমানে লিচুর সমারোহ দেখা যাচ্ছে। পাহাড়ের এই ফরমালিনমুক্ত লিচু সমতলের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাঠে বসে ফ্রিতে বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ পাচ্ছেন ১৪ হাজার দর্শক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


মাঠে বসে ফ্রিতে বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ পাচ্ছেন ১৪ হাজার দর্শক

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের টিকিট নিয়ে যখন বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে উচ্চমূল্য নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তখন মেক্সিকোর প্রায় ১৪ হাজার দর্শক একটি ব্যতিক্রমী সুযোগ পাচ্ছেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পরে আদালতের রায়ে তারা বিনা টিকিটে মাঠে বসে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ উপভোগ করার অধিকার ফিরে পেয়েছেন।

আগামী ১২ জুন মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজটেকা স্টেডিয়ামে স্বাগতিক মেক্সিকো এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে একটি ম্যাচের মাধ্যমে শুরু হবে ২০২৬ বিশ্বকাপ। এই স্টেডিয়ামটি তিনটি বিশ্বকাপ আয়োজন করা প্রথম ভেন্যু হিসেবে নতুন ইতিহাস গঠন করতে চলেছে। আর এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সময় ১৪ হাজার আসনের মালিক দর্শকরা বিনামূল্যে গ্যালারিতে বসে থাকবেন।

ঘটনার শুরু হয় প্রায় ছয় দশক আগে। ১৯৬০-এর দশকে যখন স্টেডিয়াম নির্মাণের সময় অর্থসংকট দেখা দেয়, তখন কর্তৃপক্ষ ৬০০টি বক্স এবং প্রায় ৮ হাজার গ্যালারি আসন আগাম বিক্রি করে। ক্রেতাদের কাছে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে ২০৬৫ সাল পর্যন্ত স্টেডিয়ামে আয়োজিত যেকোনো ইভেন্টে তারা অতিরিক্ত টিকিট ছাড়াই প্রবেশ করতে পারবেন।

এই সুবিধার আওতায় বিভিন্ন আয়োজন যেমন বিশ্বকাপ, আন্তর্জাতিক ফুটবল, কনসার্ট ইত্যাদির প্রবেশাধিকার বজায় ছিল। ১৯৮৬ বিশ্বকাপেও ফিফা এই আসনগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি, ফলে মালিকরা তখনও বিনামূল্যে ঐতিহাসিক ম্যাচগুলি উপভোগ করেছিলেন।

২০২৬ বিশ্বকাপের আগে ফিফা এবং স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ সেই আসনগুলো নিজেদের টিকিট ব্যবস্থার আওতায় আনতে চেষ্টা করলে আসন মালিকদের সংগঠন আদালতের দ্বারস্থ হয়। শেষ পর্যন্ত আদালত তাদের পক্ষেই রায় দেয়।

আসন মালিক সংগঠনের মহাসচিব রবার্তো রুয়ানো ওর্তেগা মন্তব্য করেন, "আমাদের অধিকার আদালত স্বীকৃতি দিয়েছে। বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে আমাদের কোনো অর্থ দিতে হবে না।"

মেক্সিকান গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এসব আসন ফিফার জন্য বিক্রি করতে না পারার কারণে স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষকে প্রায় ৫৪ মিলিয়ন ইউরো ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে।

তবে এখনো কিছু জটিলতা কাটেনি। বিশ্বকাপ শুরুর এক সপ্তাহ আগে পর্যন্ত দর্শকদের ইলেকট্রনিক টিকিট হাতে না পৌঁছানোয় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রবেশে বাধা এলে তারা আবারও আদালতের সহায়তা নেবে।

সবকিছু ঠিক থাকলে ইতিহাসের আরেকটি অধ্যায়ের সাক্ষী হতে যাচ্ছেন আজটেকা স্টেডিয়ামের সেই ১৪ হাজার দর্শক, যারা বিনামূল্যে দেখবেন ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে ফুচকা আগে দেওয়ার ঘটনায় সংঘর্ষ, একজন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


ময়মনসিংহে ফুচকা আগে দেওয়ার ঘটনায় সংঘর্ষ, একজন নিহত

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষের একটি ঘটনায় শিপন মিয়া (১৮) নামের আহত এক কিশোরের মৃত্যু হয়ে যায়। তিনি সোমবার (১ জুন) মৃত্যুবরণ করেন।

এ ঘটনায় ইতিমধ্যে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

শিপন মিয়া স্থানীয় মরিচার গ্রামের রমজান আলীর ছেলে। রবিবার (৩১ মে) সংঘর্ষ, বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটের ঘটনায় প্রায় ২০০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলাও দায়ের করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ঈদের দিন বিকালে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর নামক স্থানে ব্রহ্মপুত্র নদীর পাড়ে বেড়াতে আসা হাজার মানুষের ভিড়ে ফুচকা সহ অন্যান্য খাদ্য বিক্রি হচ্ছিল।

ওই সময় স্থানীয় মরিচারচর এলাকার কয়েকজন কিশোর ফুচকার দোকানে গিয়ে ফুচকার অর্ডার দেয়। একই সময় পাশের চরআলগী গ্রামের কয়েকজন কিশোরও ফুচকার অর্ডার দেয়। কিন্তু চরআলগী গ্রামের কিশোরদের আগে ফুচকা দিয়ে দেওয়ায় মরিচার গ্রামের কিশোররা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এর ফলস্বরূপ দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও পরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এ সময় ঘটনাটি মীমাংসা করতে মরিচার চর গ্রামের মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে মো. ইব্রাহিম মিয়া এগিয়ে আসেন। তিনি ঘটনা ফয়সালা করে চলে যান। কিন্তু পরে রাতে ইব্রাহিমকে উচাখিলা বাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ডেকে নিয়ে হামলা চালানো হয়। ঘটনার সময়ে তিনি গুরুতর আহত হন।

ইব্রাহিমের লোকজন এসব ঘটনা জানতে পেরে ক্ষিপ্ত হয়ে রবিবার দুপুরে চরআলগী গ্রামে গিয়ে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় প্রায় অর্ধশতাধিক খড়ের গাদার মধ্যে আগুন ও বাড়িঘরে লুটপাট করা হয়।

এ ঘটনার ফলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সময় কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে মরিচার গ্রামের রমজান আলীর ছেলে শিপন মিয়াকে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুরে তিনি মারা যান।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি রবিউল আযম জানান, বাড়ি-ঘরে হামলার ঘটনায় মামলার পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে, নিহতের ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরগুনায় জেলেদের জালে ধরা পড়ল রহস্যময় যন্ত্র, এলাকায় কৌতূহল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


বরগুনায় জেলেদের জালে ধরা পড়ল রহস্যময় যন্ত্র, এলাকায় কৌতূহল

বরগুনার পাথরঘাটার বলেশ্বর নদীর মোহনায় মাছ ধরার সময় জেলেদের জালে একটি রহস্যময় ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া গেছে, যা ড্রোন অথবা টর্পেডো সদৃশ মনে হচ্ছে। বর্তমানে এই ডিভাইসটি পাথরঘাটা থানার পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

এই ঘটনার কারণে স্থানীয় জেলে ও এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক এবং কৌতূহল বেড়ে গেছে।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে, রোববার (৩১ মে) বিকেলে পাথরঘাটার বাসিন্দা মিরাজ মিয়ার মালিকানাধীন একটি মাছ ধরার ট্রলার বলেশ্বর নদীর মোহনায় জাল ফেলে। ওই সময় ট্রলারে উপস্থিত ৬ জন জেলে হঠাৎ জালে ভারী কিছু অনুভব করেন। জাল তুলে দেখেন একটি অদ্ভুত ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা ড্রোন বা টর্পেডোর মতো দেখতে। নদীর মধ্যে এমন অচেনা ও রহস্যময় ডিভাইস দেখে জেলেরা আতঙ্কিত হয়ে যান। ফলে তারা তৎক্ষণাত মাছ শিকার বন্ধ করে দ্রুত পাথরঘাটার ঘাটে ফিরে আসেন। পরে তারা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ‘৯৯৯’-এ কল করে বিষয়টি পুলিশকে জানিয়ে দেন। খবর পেয়ে পাথরঘাটা থানার একটি পুলিশ দল এসে ডিভাইসটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী জেলেরা জানান, ডিভাইসটি দেখতে সাধারণ কোনো বস্তুর মতো কিছু নয়। এটি অনেকটাই ড্রোন বা সাবমেরিন থেকে ছোঁড়া টর্পেডোর ন্যায়। তারা বলেন, "নদীতে এরকম জিনিস আমরা আগে কখনও দেখিনি। তাই ভয় পেয়ে দ্রুত তীরে চলে আসি।"

এদিকে, পাথরঘাটা থানার পুলিশ জানিয়েছে যে, জেলেদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ডিভাইসটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং এটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে এটি আসলে কোনো ড্রোন না কি সামুদ্রিক গবেষণার কোন যন্ত্র এবং এটি কোন দেশের তৈরি কিংবা কিভাবে ভেসে এসেছে, সেটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিশেষজ্ঞদের যাচাই-বাছাইয়ের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এছাড়া, ডিভাইসটি উদ্ধারের পর সেটি দেখতে স্থানীয় উৎসুক জনতা থানার চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%