মোঃ জিয়াউর রহমান ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি বালিয়াডাঙ্গী
১২:০৬ এম
শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বেচ্ছায় রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে স্বপ্নযাত্রী ফাউন্ডেশন ঠাকুরগাঁও শাখার উদ্যোগে বিনামূল্যে আজ ৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার) রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মসূচিতে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে নিজেদের রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করায়। এ সময় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবকরা প্রায় দু’শতাধিক শিক্ষার্থীদের রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের পাশাপাশি নিরাপদ রক্তদান, রক্তের প্রয়োজনীয়তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে রক্তদাতার ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতামূলক পরামর্শ দেন।
ঠাকুরগাঁও শাখার আহ্বায়ক মোঃ জিয়াউর রহমান জানান, অনেক শিক্ষার্থীই নিজেদের রক্তের গ্রুপ সম্পর্কে জানে না। ফলে জরুরি মুহূর্তে রক্তের প্রয়োজন হলে নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। এ বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
স্বপ্নযাত্রী ফাউন্ডেশন ঠাকুরগাঁও শাখার সদস্য সচিব রাসেল রানা মেহেদী, জানান একজন সচেতন শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে একজন নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদাতা হতে পারেন। তাই শিক্ষাজীবন থেকেই রক্তদানের গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। মানবিক সমাজ গঠনে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
এ ধরনের আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়ে স্বপ্নযাত্রী ফাউন্ডেশন ঠাকুরগাঁও শাখার একনিষ্ঠ সদস্য (যুগ্ন আহ্বায়ক) প্রবাসী মোঃ হারুন অর রশিদ জানান এ ধরনের সকল মানবিক কাজগুলো ঠাকুরগাঁও শাখার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ুক এবং সকল অবহেলিত মানুষের পাশে থাকুক। হারুন অর রশিদ সবসময় স্বপ্নযাত্রীর সাথে ও পাশে থেকে কাজ করে যাবেন,
তিনি আরও বলেন বিদেশে পাড়ি দিয়েও এমন কাজ দেখে তিনি সেখান থেকে প্রশান্তি খোজে পান।
কর্মসূচিতে ফাউন্ডেশনের ঠাকুরগাঁও আহ্বায়ক, সদস্য, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবক, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা এ ধরনের উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উল্লেখ করে নিয়মিত এ ধরনের আয়োজনের দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়াইর নেতানিয়াহু জন্মদাতা পিতার দেওয়া নাম পরিবর্তন করেছেন। বর্তমানে তিনি ‘ইয়নাথান হুন’ নাম গ্রহণ করেছেন। তিনি তিন ভাই-বোনের মধ্যে দ্বিতীয়। অতীতে তিনি ‘হুন’ পদবি ব্যবহার করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নিজেকে ‘ইয়াইর হুন’ নামেও পরিচয় দিতেন।
বুধবার (৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইস্যু করা কর-সংক্রান্ত নথিতে তার নাম ছিল ‘ইয়াইর নেতানিয়াহু’। তবে চলতি বছরের নথিতে একই পরিচয়সংক্রান্ত তথ্যের সঙ্গে নতুন নাম ‘ইয়োনাথান হুন’ ব্যবহার করা হয়েছে। সেখানে ঠিকানা হিসেবে আগের মতোই ‘বালফোর ০’ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঠিকানা ‘কাল্পনিক’ বলেই বেশি পরিচিত।
হারেৎজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এমন সময় ইয়াইর নেতানিয়াহুর এই নাম পরিবর্তনের তথ্য সামনে এলো, যখন নেতানিয়াহু পরিবার দেশ-বিদেশে রাজনৈতিক ও আইনি নানা বিতর্কের মুখে রয়েছে।
গাজায় যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে পারিবারিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক ও ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে অতীতে ইয়াইরও বিতর্কের মুখে পড়েছেন।
২০১৮ সালে ইসরাইলি টেলিভিশনে প্রচারিত একটি অডিও রেকর্ডিংয়ে ইয়াইরকে একটি স্ট্রিপ ক্লাবের বাইরে বলতে শোনা যায়, তার বাবা এক ধনকুবেরের স্বার্থে বহু বিলিয়ন ডলারের একটি গ্যাস চুক্তি এগিয়ে নিতে সহায়তা করেছিলেন। ওই রেকর্ডিং প্রকাশের পর ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
এরপর থেকে ইয়াইর যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন এবং বিভিন্ন রক্ষণশীল ও উগ্র-ডানপন্থি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এদিকে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নিজেও ইসরাইলের একাধিক দুর্নীতির মামলার বিচারপ্রক্রিয়ার মুখোমুখি রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ মন্তব্য করেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় এসে জনগণের হাতে বিদ্যুতের পরিবর্তে হারিকেন ও মোমবাতি ধরিয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভা চত্বরে এনসিপি আয়োজিত ‘জুলাই পদযাত্রা’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এই মন্তব্য করেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “জুলাইয়ের পক্ষের শক্তি হিসেবে আমরা মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে যারা রক্ত দিয়েছেন, সেই রক্তের দায়িত্ব আমরা যথাযথভাবে পালন করতে পারিনি।”
এনসিপির এই নেতা অভিযোগ করেছেন, দেশে এখনো মাদক, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বেকারত্বের সমস্যা এখনও কমেনি, দ্রব্যমূল্যের চাপও কমেনি। তাঁর দাবি, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন সরকার এলেও সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভাজনের রাজনীতি এখনো বিদ্যমান।
তিনি অভিযোগ করেছেন, “চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির পরিবর্তন চাওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে শুধু পক্ষের পরিবর্তন হয়েছে।” সোনাগাজীতে আগে এক পক্ষ বালুর ব্যবসা করত, কিন্তু এখন আরেক পক্ষ করছে; আগে এক পক্ষ মামলা বাণিজ্য করত, কিন্তু এখন অন্য পক্ষ করছে।
কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম কারণ ছিল বেকারদের কর্মসংস্থানের দাবি। কিন্তু এখনো বেকারদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। সরকারপ্রধান এক কোটি কর্মসংস্থানের কথা বললেও গত ছয় মাসে প্রত্যাশিত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়নি।
বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় এসে জনগণের হাতে বিদ্যুতের পরিবর্তে হারিকেন ও মোমবাতি ধরিয়ে দিয়েছে।” জনগণের প্রকৃত অবস্থা বুঝতে হলে সাধারণ মানুষের কাছে যেতে হবে। শিক্ষিত বেকার যুবকদের হাতে চাকরি তুলে দেওয়ার পরিবর্তে সমাজে মাদক ও জুয়ার বিস্তার ঘটছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা ২ দিনের ভারি বর্ষণ এবং ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ফলে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে খোয়াই নদী। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।
এতে অন্তত ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানির প্রবল স্রোতে নিম্নাঞ্চলের বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। হঠাৎ করে পানি ঢুকে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে বাঁধের একটি অংশ ভেঙে যাওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই বন্যার পানি আশপাশের গ্রামগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
অনেক পরিবারের ঘরে কোমর পর্যন্ত পানি ওঠে। পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠলে নারী, পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধরা প্রয়োজনীয় আসবাব, কাপড়-চোপড় ও মূল্যবান জিনিসপত্র ও গবাদিপশু নিয়ে নিরাপদ স্থানে যেতে দেখা যায়। কেউ কেউ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছেন, আবার অনেকে স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবস্থান নিয়েছেন।
বাঁধ ভেঙে যাওয়ার খবর পেয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মইনুল ইসলাম, হবিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আবু জাহেরসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে আসেন।
তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন।
পরে স্থানীয় একটি মাদ্রাসা থেকে মাইকিং করে প্লাবিত এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্র ও নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে শিশু, নারী, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
এদিকে বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হবিগঞ্জ-মিরপুর সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি উঠে গেছে।
অনেক অংশ পানির নিচে চলে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পানি আরও বাড়লে সড়কটিতে সম্পূর্ণ যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার সঙ্গে মিরপুর ও আশপাশের এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ভাঙনরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা এবং নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কায় পুরো এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মইনুল ইসলাম বলেন, ইতোমধ্যে অন্তত ১০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। আমরা কন্ট্রোল রুম চালু করেছি ও ঘটনাস্থলে রয়েছি। দুর্যোগ মোকাবেলায় আমরা সচেষ্ট রয়েছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা ভারি বর্ষণ, বন্যা, পাহাড়ধস এবং জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাচ্ছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, শুক্রবার (১০ জুলাই) চট্টগ্রাম সফরে তিনি।
এই সফরের সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলবেন, চলমান উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের খোঁজ নেবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান মুহাম্মদ শাহজাহান। তিনি জানান, শুক্রবার সকাল ৮টার ফ্লাইটে ডা. শফিকুর রহমান চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন। সেখান থেকে তিনি প্রথমে বাঁশখালী উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন। পরে তিনি চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতাকবলিত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন।
দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে বিকেলের ফ্লাইটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন।
গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম মহানগর উপজেলায় ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ি ঢলে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, লোহাগাড়া ও চন্দনাইশসহ বিভিন্ন এলাকা তলিয়ে গেছে। এতে লাখো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
এ ছাড়া মহানগর এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনায় প্রাণহানির পাশাপাশি বহু পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে দুর্ভোগে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ