১১:৩৩ এম
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় আশুলিয়া সেতু অপসারণের প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে। এর ফলে নৌচ্যানেল অস্বাভাবিকভাবে সংকীর্ণ ও বাঁকযুক্ত হয়ে পড়েছে।
এ কারণে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) আশুলিয়া নৌপথে চলাচলকারী সব নৌযানকে বিশেষ সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করার নির্দেশ দিয়েছে।
আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৮৫ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল দুই দিনে আসবে
বিশেষ করে তেলবাহী ট্যাংকারসহ বড় ও ভারী নৌযানকে কর্তৃপক্ষের পাইলট নিয়ে চলাচল করতে বলা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএর নৌপথ শাখা থেকে সম্প্রতি এক বিশেষ নৌ-সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এতে উল্লেখ করা হয়, আশুলিয়া সেতুর ভাটিতে নদীর উভয় তীরে পাইল স্থাপন ও স্টেজিং নির্মাণের কার্যক্রম চলছে।
একই সঙ্গে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ড্রেজার এবং অন্যান্য কর্মযান নৌপথের কাছাকাছি অবস্থান করায় সক্ষম নৌচ্যানেল অস্বাভাবিকভাবে সংকীর্ণ ও বাঁকযুক্ত হয়ে পড়েছে।
এ কারণে বিশেষ করে তেলবাহী ট্যাংকারসহ বড় এবং ভারী নৌযানের নিরাপদ মোড় নেওয়া এবং ওই এলাকা অতিক্রম করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সংকীর্ণ চ্যানেলে স্রোতের গতি ও চাপ বৃদ্ধি, দৃষ্টির সীমানা কমে যাওয়া, পাইল বা স্টেজিংয়ের সঙ্গে সংঘর্ষ এবং নৌযানের নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইসরায়েলে রাজনৈতিক অচলাবস্থা: সরকার গঠনের তিন সম্ভাব্য পথ
এ পরিস্থিতির ফলে আশুলিয়া সেতু অপসারণের পর নৌপথ পুরোপুরি সচল না হওয়া পর্যন্ত সব নৌযানকে বিআইডব্লিউটিএর নির্ধারিত পাইলট নিয়ে এবং নির্ধারিত ড্রাফট মেনে, বিশেষ সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া, দক্ষ নাবিক বা ড্রাইভার দিয়ে নৌযান পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদি প্রতিকূল আবহাওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে নৌযান নিরাপদ স্থানে ভিড়িয়ে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও নির্দেশ দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। এই ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে রয়েছে, বাতি জ্বালানো, ফগ সিগন্যাল এবং ঘণ্টা বাজানোর নির্দেশনা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন