ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙে ৭ গ্রাম প্লাবিত


ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙে ৭ গ্রাম প্লাবিত

 

টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, উপজেলার ইসলামপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের ৭-১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

রাস্তা ডুবে গেছে, এমনকি বাড়ি-ঘরেও প্রবেশ করেছে পানি। এর ফলে কয়েক হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত মুক্তার দাফন সম্পন্ন

বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে ইসলামপুর ইউনিয়নের মখাবিল এলাকার পুরাতন মসজিদের সামনে বাঁধটি ভেঙে গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধলাই নদীর বাঁধ ভাঙার ফলে মখাবিল, শ্রীপুর ও ভান্ডারীগাঁও, আদমপুরের কোনাগাও, মধ্যভাগের আশপাশের ৭-১০টি গ্রাম বন্যায় তলিয়ে গেছে।

পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে বিভিন্ন গ্রাম।

এ ছাড়া ভান্ডারীগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ে হাঁটু পানি জমা হয়েছে। ফলে, আজকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে, এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধান শিক্ষক খুরশেদ আলী।

আরও পড়ুন: মা হারালেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পপি

স্থানীয় বাসিন্দা কবির মিয়া ও শাব্বীর এলাহী জানিয়েছেন, বুধবার রাত ১০টার দিকে ধলাই নদীর বাঁধটি হঠাৎ করেই ভেঙে যায়।

ভাঙনের পরিধি প্রায় ১০০ মিটার। এতে ইতোমধ্যে কয়েকটি গ্রাম পানিতে ডুবে গেছে।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ‘বন্যায় কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছেন। বন্যার্তদের সহায়তায় প্রশাসন তাদের পাশে থাকবে। ধলাই নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।’

মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন ওয়ালিদ জানিয়েছেন, ‘ধলাই নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিএসএফের বাধার কারণে মখাবিলের এই অংশটুকুতে পুরোপুরি কাজ করা সম্ভব হয়নি। প্রতিকূলতার মধ্যেই যতটুকু কাজ করা সম্ভব কর্তৃপক্ষ ততটুকু করেছে।’

আরও পড়ুন: দেশে ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জনগণের কাছে যেতে পুলিশ-আর্মির সহায়তা লাগলে সেই দলের অবস্থান ভাবা উচিত’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১২ এম


‘জনগণের কাছে যেতে পুলিশ-আর্মির সহায়তা লাগলে সেই দলের অবস্থান ভাবা উচিত’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোকছেদুল ইসলাম বলেছেন, যদি একটি রাজনৈতিক দল জনগণের কাছে যাওয়ার সময় ভয় পায় এবং তার পুলিশ প্রটেকশন অথবা আর্মি প্রটেকশনের প্রয়োজন হয়, তাহলে সেই রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক অবস্থান খানিকটা ভেবে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। সম্প্রতি বাংলানিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ বিষয়গুলি উল্লেখ করেছেন।

মোকছেদুল ইসলাম বলেছেন, সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পথযাত্রায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছিল—এটি তিনি সমর্থন করেন না। কোন রাজনৈতিক দল যখন তার কর্মসূচি পালন করার সময় অন্য রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে বাধা দেয়, তখন এটি তিনি মোটেও সমর্থন করেন না। এমন পরিস্থিতিতে এনসিপিরও শিক্ষা নিয়ে নিতে হবে, কারণ অন্য রাজনৈতিক দলও যখন তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে চাইবে, তখন তাদের বাধা দেওয়া উচিত নয়।

তিনি আরও বলেছেন, সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতবার যখন টুঙ্গিপাড়ায় গিয়েছিল, তখন তারা মুজিববাদ মুর্দাবাদ, মুজিববাদ মুর্দাবাদ স্লোগান দিয়েছিল—এ ধরনের উস্কানিমূলক বক্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন তিনি।

সুপ্রিম কোর্টের এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বলেছেন, জনগণের কাছে পৌঁছানোর জন্য যদি কোন রাজনৈতিক দলকে ট্যাংকের ভেতরে ঢুকে পালিয়ে আসতে হয় কিংবা তাদের আর্মির প্রয়োজন হয় বা পুলিশের প্রয়োজন হয়, তাহলে তাদের রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু, সেটিও যাচাই করা উচিত।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে রাজনীতিতে গুজব একটি বড় বিষয়। সর্বত্র গুজব দিয়েই আমরা রাজনীতি করি। আমরা চাঁদে কারোর মুখ দেখি বা বিভিন্ন ধরনের অজুহাত দিয়েই জনগণকে প্রতারণা করছি।

বর্তমানে ফেসবুকে অথবা বিভিন্ন লোকের মুখে শুনতে পাচ্ছি যে যাঁরা এই ককটেল ফুটিয়েছেন, তাঁরা এনসিপির কর্মী ছিলেন। যদি এনসিপি সত্যিই এই ধরনের কোন ঘটনা ঘটিয়ে নিজেদের জন্য আর্মি বা পুলিশ চায়, তাহলে এটি তাদের প্রতারণার একটি পরিকল্পনা ছাড়া আর কিছু নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে স্বর্ণের দামে আবারও বড় পতন, ভরিতে কমল কত?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৭ এম


দেশে স্বর্ণের দামে আবারও বড় পতন, ভরিতে কমল কত?

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরেক দফা কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবার ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে সংগঠনটি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। উল্লেখ্য, নতুন এই দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। এই কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন-ইসরাইলের অবৈধ হামলাই কি ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরিতে বাধ্য করছে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এম এ সাঈদ

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৯ এম


মার্কিন-ইসরাইলের অবৈধ হামলাই কি ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরিতে বাধ্য করছে?

মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক যুদ্ধ শুধু ইরান, ইসরাইল কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার একটি সামরিক সংঘাত নয়; এটি আন্তর্জাতিক আইন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতারও কঠিন পরীক্ষা। প্রশ্নটি আজ আর কেবল তেহরানের নয়, বরং বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রের সামনে—যদি কোনো দেশ আন্তর্জাতিক চুক্তি মেনে চলে, তবুও তার ওপর হামলা হয়, তাহলে সে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কীভাবে?

গত কয়েক বছরে ইরান একদিকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পশ্চিমা চাপের মুখে পড়েছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ধারাবাহিক সামরিক ও গোয়েন্দা অভিযান, নিষেধাজ্ঞা, বিজ্ঞানী হত্যা এবং সরাসরি হামলারও শিকার হয়েছে। পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, এখন অনেক বিশ্লেষকই প্রশ্ন তুলছেন—ওয়াশিংটন ও তেলআবিবের নীতিই কি শেষ পর্যন্ত ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে ঠেলে দিচ্ছে?


আন্তর্জাতিক রাজনীতির বাস্তবতা নির্মম। যে রাষ্ট্রের হাতে শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে, তার বিরুদ্ধে হামলার আগে সবাই দশবার চিন্তা করে। উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পর বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর রাষ্ট্রও তার বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযান চালানোর সাহস দেখাতে পারেনি। বিপরীতে, ইরাক, লিবিয়া কিংবা সিরিয়ার অভিজ্ঞতা দেখায়—যেসব রাষ্ট্রের প্রতিরোধ সক্ষমতা দুর্বল, তারা বহিরাগত হস্তক্ষেপের শিকার হয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei বারবার বলেছেন, পারমাণবিক অস্ত্র ইসলামি নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং ইরান এমন অস্ত্র তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়নি। কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইতিহাস দেখায়, রাষ্ট্রগুলো অনেক সময় আদর্শ নয়, বরং নিরাপত্তার কঠিন বাস্তবতা দ্বারা পরিচালিত হয়।

যদি একটি রাষ্ট্র বারবার হামলার শিকার হয়, তার সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হন এবং শান্তি ও কূটনৈতিক উদ্যোগগুলো বারবার ভেঙে পড়ে, তাহলে সেই রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের সামনে দুটি পথ খোলা থাকে—অসীম অনিশ্চয়তা মেনে নেওয়া অথবা এমন প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করা, যা ভবিষ্যৎ হামলার মূল্যকে অত্যন্ত ব্যয়বহুল করে তুলবে।

এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি উঠে আসে—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল কি নিজেদের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের পরিবর্তে উল্টো ফল তৈরি করছে?

ইরানের বিরুদ্ধে প্রতিটি সামরিক অভিযান, প্রতিটি নতুন নিষেধাজ্ঞা এবং প্রতিটি হামলা তেহরানের অভ্যন্তরে একটি শক্তিশালী যুক্তিকে আরও জোরালো করে তুলতে পারে: "যদি আমাদের হাতে চূড়ান্ত প্রতিরোধ ক্ষমতা না থাকে, তাহলে আমাদের সার্বভৌমত্ব কখনোই নিরাপদ হবে না।"

এটি কেবল ইরানের প্রশ্ন নয়। আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার জন্যও এটি একটি বিপজ্জনক বার্তা। কারণ যদি বিশ্ব এই ধারণায় উপনীত হয় যে, পারমাণবিক অস্ত্রই কেবল নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, তাহলে আরও অনেক রাষ্ট্র একই পথ অনুসরণ করতে উৎসাহিত হতে পারে। তখন বৈশ্বিক নিরস্ত্রীকরণ ব্যবস্থা, পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তাররোধ চুক্তি এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ভিত্তিই দুর্বল হয়ে পড়বে।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংকট তাই একটি গভীর বাস্তবতার দিকে ইঙ্গিত করছে। শক্তি প্রয়োগ করে কোনো রাষ্ট্রকে স্থায়ীভাবে নিরাপত্তাহীন রাখা যায় না। বরং অবিরাম সামরিক চাপ অনেক সময় সেই রাষ্ট্রকে আরও কঠোর এবং আরও বিপজ্জনক প্রতিরোধ কৌশল বেছে নিতে বাধ্য করে।

আজকের বাস্তবতায় প্রশ্নটি নতুন করে উচ্চারিত হচ্ছে—ইরান কি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায়, নাকি ধারাবাহিক সংঘাত, অবিশ্বাস এবং সামরিক চাপ তাকে সেই পথে ঠেলে দিচ্ছে?

এই প্রশ্নের উত্তর যাই হোক না কেন, একটি বিষয় স্পষ্ট: যদি কূটনীতির দরজা বন্ধ হয় এবং যুদ্ধই একমাত্র ভাষা হয়ে ওঠে, তাহলে মধ্যপ্রাচ্য আরও অস্থিতিশীল হবে এবং বিশ্ব হয়তো এমন এক নতুন পারমাণবিক বাস্তবতার দিকে এগিয়ে যাবে, যার দায় শুধু তেহরানের নয়, বরং সেই সব শক্তিরও, যারা সংঘাতের আগুনকে নিভানোর পরিবর্তে বারবার তাতে নতুন করে জ্বালানি যোগাচ্ছে।  জ্বালানি যোগাচ্ছে।
লেখকঃ সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ কমাতে চালু হচ্ছে যানজট শুল্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৫ এম


ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ কমাতে চালু হচ্ছে যানজট শুল্ক

ট্রাফিকজ্যাম কমানোর উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট রুটে ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য যানজট শুল্ক চালু হচ্ছে। এই শুল্কটি গণপরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করে করিডোর ভিত্তিক ধার্য করা হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি বিকল্পভাবে শক্তিশালী গণপরিবহন ব্যবস্থা চালু না হয় তবে সুফল পাওয়া যাবে না। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ জানায়, যানজটমুক্ত শহর গঠনে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উন্নত বিশ্বের বিপরীতে অনেক দেশেই কনজেশন চার্জ বা যানজট শুল্ক কার্যকর আছে। মূলত পিক আওয়ার বা ব্যস্ততম সময়ে সড়কে গাড়ির চাপ কমানোর জন্য এই শুল্ক ধার্য করা হয়ে থাকে। বিকল্প হিসাবে, যদি পর্যাপ্ত গণপরিবহন সুবিধা থাকে, তবে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বের হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্দিষ্ট ফি কেটে নেয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালি, সুইডেন এবং সিঙ্গাপুরের মতো অনেক দেশে নির্দিষ্ট সড়কে এই শুল্ক ব্যবস্থার প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, এসব অভিজ্ঞতার আলোকে রাজধানী ঢাকায়ও যানজট শুল্ক চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। সেসব এলাকায় যেখানে গণপরিবহন ব্যবস্থা উন্নত, সেখানে করিডোর ধরে প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল ও ট্রাকের ওপর নির্দিষ্ট শুল্ক নির্ধারণ করা হবে। মেট্রোরেল, বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট এবং উন্নত বাস সেবা থাকলে সেসব জায়গাকে এই শুল্কের আওতায় আনা হবে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিকল্প হিসেবে পর্যাপ্ত গণপরিবহন ব্যবস্থা তৈরির ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। অর্থায়ন এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ বড় বাধা হতে পারে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান বলেন, "জনসাধারণকে আগে বিকল্প দিতে হবে। মেট্রোরেলসহ গণপরিবহনের বিভিন্ন সংস্করণ তাদের জোগান দিতে হবে। সবাইকে গণপরিবহনে নেয়ার ক্যাপাসিটিও থাকতে হবে।" তিনি অতিরিক্ত বলেন, "ট্রাকের ওপর শুল্ক ধার্য করাকে আমি প্রহসন হিসেবে দেখছি।"

এদিকে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, যানজটমুক্ত রাজধানী গড়তে সরকারের সবগুলো সংস্থা একসাথে সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। বিকল্প হিসেবে শক্তিশালী গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মসিউর রহমান বলেন, "ঢাকা নগরী ও এর চারপাশকে যানজট মুক্ত করতে আমরা ২০ বছর মেয়াদি একটি পরিকল্পনা নিয়েছি। এমআরটি-১ থেকে ৬ পর্যন্ত লাইনগুলো যখন পর্যায়ক্রমে শুরু করবো, তখন কিছু করিডোরে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো ডিজিটাল চার্জ নেয়ার ব্যবস্থা করবে। তবে বর্তমানে আমরা কোন করিডোরে কত টাকা নেবো তা নির্ধারণ করতে পারিনি।"

অর্থায়নসহ সব বাধা অতিক্রম করে প্রকল্পটি দ্রুত আলোর মুখ দেখবে বলে আশাবাদী ডিটিসিএ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%