ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জনগণের মতামতেই নির্ধারিত হয় বাংলাদেশের গতিপ্রবাহ : তথ্যমন্ত্রী


জনগণের মতামতেই নির্ধারিত হয় বাংলাদেশের গতিপ্রবাহ : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাস, রাজনীতি ও রাষ্ট্রচিন্তার গতিপ্রবাহ জনগণের মতামতে নির্ধারিত হয়। জনগণের অভিজ্ঞতা, সংগ্রাম, ইতিহাস ও আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের বক্তব্যই সব কৃত্রিমতার বয়ান ভেঙে ফেলবে এবং গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য ও রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রাকে শক্তিশালী করবে।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানী ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ‘আমরা বাংলাদেশি’ আয়োজিত দেশ পুনর্গঠনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: বিএনপির সমর্থক দাবি করলেন ময়মনসিংহের নারী উদ্যোক্তা হনুফা আক্তার সাথী

তিনি বলেন, বাংলাদেশে মানুষ নিজের ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি স্বতন্ত্র জাতিসত্তা গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশের স্বকীয়তা এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এই দেশের ইতিহাস ও বাস্তবতায় নিহিত রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের স্বতন্ত্র পরিচয়কে রাজনৈতিক দর্শনে পরিণত করেছিলেন। ভাষাগত, সাংস্কৃতিক, নৃতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই জাতীয়তাবাদ এখনও বাংলাদেশের রাষ্ট্রচিন্তার অন্যতম ভিত্তি।

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে, মন্ত্রী বলেন, সব নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রবিন্দু হতে হবে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থেই। আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য সার্ক এবং বৈশ্বিক পরিসরে জাতিসংঘের কাঠামোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ তার মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানকে আরো সুদৃঢ় করতে পারে।

তিনি দক্ষিণ এশিয়ার ২২০ কোটিরও বেশি মানুষের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সার্ককে আরো কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: জেলের মাথায় ঋণের বোঝা, মনে দস্যুর আতঙ্ক

সৈয়দ এহসানুল হুদার সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুবুল্লাহ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নুর, সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান। উপস্থিত বক্তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে চেতনা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় স্বার্থভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তা প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় ঐতিহ্যবাহী পলো দিয়ে মাছ ধরার উৎসবে মানুষের ঢল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২২ পি.এম


কুমিল্লায় ঐতিহ্যবাহী পলো দিয়ে মাছ ধরার উৎসবে মানুষের ঢল

কুমিল্লা নগরীর নোয়াপাড়া এলাকায় ঐতিহ্যবাহী পলো দিয়ে মাছ ধরা উৎসব অনুষ্ঠিত হলো। শনিবার (১৩ জুন) স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমধর্মী উৎসবে মোট ২২০ জন মৎস্যশিকারী অংশ নিয়েছিলেন। উৎসবকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছিল।

দুপুরে শুরু হওয়া এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা পলো নিয়ে পুকুরে নেমে মাছ ধরতে যান। মাছ ধরার পাশাপাশি উৎসব দেখতে অনেক দর্শনার্থী ভিড় করেন। বিভিন্ন বয়সী মানুষ, বিশেষ করে শিশুরা, গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই মাছ ধরার পদ্ধতি কাছে থেকে দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

মৎস্যশিকারী নজির আহমেদ জানিয়েছেন, কুমিল্লায় পলো দিয়ে মাছ ধরার পাঁচটি দল সক্রিয় রয়েছে। তারা বিভিন্ন এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে মাছ শিকারে জড়িত। তিনি আরো উল্লেখ করেন, আজ এখানে ২২০ জন মাছ শিকারি অংশ নিয়েছেন। জনপ্রতি টিকিটের মূল্য ছিল ১ হাজার ৫০০ টাকা। আমি প্রায় ১০ কেজি মাছ ধরতে সক্ষম হয়েছি।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. বাশার বলেন, এখানে আনন্দটাই মাছ ধরার চেয়ে বেশি। আমরা মাছে-ভাতে বাঙালি। নতুন প্রজন্মকে আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করার জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ একসময় বাংলার গ্রামাঞ্চলে পলো দিয়ে মাছ ধরা ছিল একটি জনপ্রিয় লোকজ ঐতিহ্য। বর্ষা মৌসুমে গ্রামের মানুষ দলবদ্ধভাবে খাল-বিল, জলাভূমি ও ডোবা-নালায় পলো নিয়ে মাছ ধরতে বের হত। এটি শুধুমাত্র জীবিকার অংশই ছিল না, বরং সামাজিক সম্প্রীতি, পারস্পরিক সহযোগিতা ও গ্রামীণ বিনোদনেরও উল্লেখযোগ্য অনুষঙ্গ ছিল। আধুনিক সময়ে এ ঐতিহ্যের অনেকটাই বিলুপ্তির পথে চলে গেছে। এজন্য এমন আয়োজন পুরোনো সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মত।

উৎসবটির আয়োজন করেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর কাজী মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার উদ্দেশ্যেই এ আয়োজন। বর্তমান প্রজন্মকে আমাদের শেকড়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে চাই। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়দের মতে, পলো দিয়ে মাছ ধরা উৎসব কেবল বিনোদনের আয়োজন নয়, বরং হারিয়ে যেতে বসা বাংলার লোকজ সংস্কৃতিকে সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হলে নতুন প্রজন্ম নিজেদের ঐতিহ্য সম্পর্কে আরও সচেতন হবে এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বাংলাদেশের সফট পাওয়ার বৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বাংলাদেশের সফট পাওয়ার বৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কূটনীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, জাতীয় পরিচিতি ও সফট পাওয়ারের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

আজ শনিবার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, ঢাকায় আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কনফারেন্স ২০২৬’-এর ‘বিষয়ভিত্তিক তিন: নতুন পর্যায়- সরকারি নীতি, এআই, সৃজনশীল শিল্প এবং খেলাধুলা’ শীর্ষক প্লেনারি সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) রেহান আসিফ আসাদ।

এ সময় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র অর্থনৈতিক হিসাবের ওপর নির্ভর করে না, বরং একটি দেশের সাংস্কৃতিক পরিচয়, মূল্যবোধ ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম আরও বলেন, বাংলাদেশের সংগীত, সাহিত্য, চলচ্চিত্র, ঐতিহ্য ও সৃজনশীল শিল্প আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গঠনে এবং দীর্ঘমেয়াদি সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল শিল্প এখন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের অন্যতম প্রধান খাত। বাংলাদেশ তার সাংস্কৃতিক সম্পদকে অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদার ও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে সৃজনশীল শিল্প, সাংস্কৃতিক পর্যটন ও যৌথ উদ্যোগে অংশগ্রহণের আহ্বানও জানান।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, কূটনীতিক, সরকারি কর্মকর্তা, অর্থনীতিবিদ এবং সৃজনশীল ও ক্রীড়া খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আসন্ন সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। কারণ তারা এমন কোনো চুক্তিতে আগ্রহী নয় যা যুদ্ধের অবসান ঘটাবে। শনিবার আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ ধরনের তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে যে, ইসরায়েল কর্তৃক নির্ধারিত এবং ইসরায়েলি জনগণের সামনে উপস্থাপিত কৌশলগত লক্ষ্যটি, ইরানে শাসনব্যবস্থা বহাল রাখার মতো কোনো চুক্তির চেয়ে অনেক বেশি উচ্চাভিলাষী ছিল। এই বিষয় নিয়ে ইসরায়েলি গণমাধ্যমে আলোচনা চলছে।

লেবাননের বিষয়টি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য আরও বেশি কৌশলগত ও তাৎক্ষণিক। কারণ এটি উত্তর ইসরায়েলের বাসিন্দাদের তাঁদের নিজ শহরে থাকার ক্ষমতার সাথে সরাসরি জড়িত।

ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলার পরিপ্রেক্ষিতে লেবানন সীমান্তের কাছে এবং উত্তর ইসরায়েলে সেনা ও সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে একযোগে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী। এর ফলে উত্তর ইসরায়েলের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আল-জাজিরা বলছে, এটি এমন একটি বিষয় যা নির্বাচনের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে, এবং মনে হচ্ছে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী মাঠ পর্যায়ে যতটা সম্ভব সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপের রেফারিদের পারিশ্রমিক কেমন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


বিশ্বকাপের রেফারিদের পারিশ্রমিক কেমন

চার বছরের বিরতির পর আবারও শুরু হয়েছে বিশ্বকাপের উন্মাদনা। আর বিশ্বকাপ মানে কোটি কোটি ডলারের খেলা। এই খেলায় প্রতিটি খেলোয়াড় বিপুল পারিশ্রমিক পেয়ে থাকেন। একইসঙ্গে রেফারিরা ও মোটা পারিশ্রমিক পান।

দ্য মিররসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, একজন রেফারি একটি বিশ্বকাপ থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন। এর পাশাপাশি যদি বিশ্বকাপের শেষ পর্ব পর্যন্ত ম্যাচ পরিচালনার সুযোগ পান, তবে অতিরিক্ত বোনাসও পান।

সম্প্রতি ডেইলি মেইলের একটি পডকাস্টে বিশ্বকাপ ও ইউরোতে ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছিলেন প্রিমিয়ার লিগের প্রাক্তন রেফারি মার্ক ক্ল্যাটেনবার্গ।

তিনি জানান, রেফারিদের বিশ্বকাপ পরিচালনার পারিশ্রমিক দীর্ঘদিন ধরে প্রায় একই অবস্থানে রয়েছে। তার হিসাব অনুযায়ী, ফাইনালসহ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করলে একজন রেফারির মোট আয় ৬০ থেকে ৭০ হাজার ডলারের মধ্যে হতে পারে। এর সাথে দৈনিক ভাতা জুড়ে দিলে রেফারিরা আরও বেশি আয় করেন।

ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসরে রেফারিরা শুধুমাত্র পারিশ্রমিকই পান না, বরং বিশ্বের সেরা রেফারিরা উল্লেখযোগ্য আর্থিক পুরস্কারও পেয়ে থাকেন।

২০২৬ বিশ্বকাপে মোট ৫২ জন রেফারি, ৮৮ জন সহকারী রেফারি এবং ৩০ জন ভিডিও ম্যাচ অফিসিয়াল (ভিএআর) দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের বাছাই করা হয়েছে বিশ্বের ছয়টি কনফেডারেশন ও ৫০টি সদস্য দেশ থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%