ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

বকশীগঞ্জে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত


বকশীগঞ্জে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত

"দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে জামালপুরের বকশীগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।

রবিবার (১ নভেম্বর) সকাল ১১টায় দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন এবং যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে একটি যুব র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালিটি পৌর শহরের বিভিন্ন প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুরাদ হোসেনের সভাপতিত্বে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুর রহমান, উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধো কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা নওশেদ আলী, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

আরও পড়ুন: শিবালয়ে চার হাজার পিস ইয়াবাসহ কক্সবাজারের যুবক হেলাল উদ্দিন গ্রেপ্তার

আলোচনা সভায় বক্তারা যুবকদের দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরে, যুবকদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে দুই যুবককে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা করে যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউ ইয়র্কে রোববার মিটার পার্কিং ফ্রি, জরিমানা এড়াতে যা জানা দরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৬ পি.এম


নিউ ইয়র্কে রোববার মিটার পার্কিং ফ্রি, জরিমানা এড়াতে যা জানা দরকার

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে গাড়ি পার্কিংয়ের খরচ কমানোর সুযোগ রয়েছে, যদি চালকেরা নির্দিষ্ট সময় ও পার্কিংয়ের নিয়ম সম্পর্কে সচেতন থাকেন। শহরের মিটারযুক্ত পার্কিং স্পটগুলোতে সাধারণত রবিবার পার্কিং ফি দিতে হয় না। পাশাপাশি অনেক আবাসিক এলাকায় মিটারবিহীন স্ট্রিট পার্কিংয়ের সুযোগ রয়েছে।

তবে ফ্রি পার্কিং মানেই সব ধরনের পার্কিং নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় নয়। রাস্তার সাইনবোর্ড ও নির্ধারিত নিয়ম না মানলে জরিমানা কিংবা গাড়ি টো করার ঝুঁকি রয়েছে।

নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্টেশন এবং এনওয়াইসি ৩১১-এর পার্কিং নির্দেশনা অনুযায়ী, শহরের পার্কিং মিটারগুলো রোববার কার্যকর থাকে না। ফলে যেসব জায়গায় অন্য কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই, সেখানে রোববার মিটার ফি ছাড়াই গাড়ি রাখা যায়। তবে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নো স্ট্যান্ডিং, নো স্টপিং কিংবা অন্য কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকলে তা মেনে চলতে হবে।

নিউইয়র্কে গাড়ি চালানো বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ম্যানহাটন, কুইন্স, ব্রুকলিন ও ব্রঙ্কসে বসবাসকারী কিংবা কাজের প্রয়োজনে নিয়মিত যাতায়াতকারীরা পার্কিংয়ের জন্য উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করেন। ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায় গ্যারেজের খরচ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অনেকে স্ট্রিট পার্কিংয়ের ওপর নির্ভর করেন। সঠিক নিয়ম জানা থাকলে অপ্রয়োজনীয় পার্কিং ফি এড়ানো সম্ভব।

শহরের পার্কিং ব্যবস্থায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অল্টারনেট সাইড পার্কিং বা এএসপি। মূলত রাস্তা পরিষ্কারের জন্য নির্দিষ্ট দিন ও সময়ে রাস্তার এক পাশ থেকে গাড়ি সরিয়ে রাখতে হয়। কোন দিন এবং কতক্ষণ এই নিয়ম কার্যকর থাকবে, তা সংশ্লিষ্ট ব্লকের সাইনবোর্ডে উল্লেখ থাকে। এএসপি কার্যকর থাকা অবস্থায় নিয়ম না মানলে চালককে পার্কিং টিকিট দেওয়া হতে পারে।

রোববার সাধারণত নিউইয়র্ক সিটিতে অল্টারনেট সাইড পার্কিং কার্যকর থাকে না। তবে এটি অন্যান্য পার্কিং বিধিনিষেধ বাতিল করে না। একইভাবে শহরের নির্ধারিত ছুটির দিনগুলোতে এএসপি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হলেও সব ছুটিতে মিটার পার্কিং ফ্রি হয় না।

ফলে কোনো ছুটির দিনে গাড়ি পার্ক করার আগে সেদিন মিটার ও অন্যান্য পার্কিং বিধিনিষেধ কার্যকর আছে কি না, তা আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

নিউ ইয়ার্স ডে, মেমোরিয়াল ডে, ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে, লেবার ডে, থ্যাংকসগিভিং ডে এবং ক্রিসমাস ডের মতো প্রধান ছুটির দিনগুলোতে নিউইয়র্ক সিটির পার্কিং নিয়মে বিশেষ ছাড় থাকে।

এসব দিনে এএসপি স্থগিত থাকার পাশাপাশি মিটার পার্কিং এবং নির্দিষ্ট স্ট্রিট ক্লিনিং বিধিনিষেধেও ছাড় প্রযোজ্য হতে পারে। তবে সব ধরনের নো পার্কিং, নো স্ট্যান্ডিং বা নো স্টপিং নিষেধাজ্ঞা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয় না।

রোববারের বাইরে ফ্রি পার্কিংয়ের আরেকটি উপায় হলো মিটারবিহীন আবাসিক রাস্তা খুঁজে নেওয়া। ম্যানহাটনের ইনউড, ওয়াশিংটন হাইটস এবং ব্রুকলিনের বে রিজসহ বিভিন্ন এলাকায় মিটারবিহীন স্ট্রিট পার্কিং পাওয়া যেতে পারে। কুইন্স ও ব্রঙ্কসের অনেক আবাসিক এলাকাতেও একই ধরনের সুযোগ রয়েছে। তবে কোনো নির্দিষ্ট রাস্তার সব ব্লকে কিংবা সব সময় ফ্রি পার্কিং পাওয়া যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

বিশেষ করে ইনউডের ওয়েস্ট ২১৮তম স্ট্রিট, ওয়াশিংটন হাইটসের ১৮৭তম স্ট্রিট এবং বে রিজের ৭২তম স্ট্রিটের মতো এলাকায় পার্কিং খোঁজার আগে স্থানীয় সাইনবোর্ড যাচাই করা জরুরি। একই রাস্তার এক ব্লকে মিটার না থাকলেও পাশের ব্লকে আলাদা নিয়ম থাকতে পারে। রাস্তা পরিষ্কার, নির্মাণকাজ, স্কুল জোন কিংবা অন্যান্য কারণে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পার্কিং নিষিদ্ধ থাকতে পারে।

নিউইয়র্কে পার্কিংয়ের ক্ষেত্রে ফায়ার হাইড্র্যান্টের নিয়ম বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। শহরের নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণভাবে ফায়ার হাইড্র্যান্টের দুই পাশে ১৫ ফুটের মধ্যে গাড়ি পার্ক করা যায় না। তবে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে লাইসেন্সধারী চালক গাড়ির ভেতরে থেকে প্রয়োজন হলে তাৎক্ষণিকভাবে সরিয়ে নেওয়ার শর্তে সাময়িকভাবে দাঁড়াতে পারেন। নিয়ম না মেনে গাড়ি রেখে চলে গেলে জরিমানা হতে পারে।

এ ছাড়া নিউইয়র্ক সিটির রাস্তায় একই স্থানে টানা সাত দিনের বেশি গাড়ি পার্ক করে রাখা নিষিদ্ধ। গাড়িটি মিটারবিহীন কোনো বৈধ পার্কিং স্পটে রাখা হলেও এই সময়সীমা প্রযোজ্য হতে পারে। তাই দীর্ঘদিনের জন্য গাড়ি রেখে বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে আগে বিকল্প ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

রাতের পার্কিংয়ের ক্ষেত্রেও সময়ভিত্তিক সাইনবোর্ড গুরুত্বপূর্ণ। কোনো এলাকায় রাত দুইটা থেকে সকাল ছয়টা পর্যন্ত নো পার্কিং নির্দেশনা থাকলে ওই সময় গাড়ি রাখা যাবে না। তবে বাকি সময় পার্কিং বৈধ কি না, তা নির্ভর করবে একই স্থানে থাকা অন্যান্য নির্দেশনার ওপর। শুধু একটি নিষেধাজ্ঞার সময় শেষ হয়েছে বলেই জায়গাটি ফ্রি বা সীমাহীন সময়ের জন্য ব্যবহারযোগ্য হয়ে যায় না।

যারা নিয়মিত ম্যানহাটনে যাতায়াত করেন, তাদের জন্য পার্ক অ্যান্ড রাইড ব্যবস্থা খরচ কমানোর একটি বিকল্প হতে পারে। শহরের বাইরে বা ট্রানজিট স্টেশনের কাছে গাড়ি রেখে বাস কিংবা ট্রেনে গন্তব্যে যাওয়া যায়। নিউইয়র্ক স্টেটের বিভিন্ন পার্ক অ্যান্ড রাইড লোকেশনে বিনামূল্যে পার্কিংয়ের সুযোগ থাকলেও সব জায়গায় একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। কোনো স্থানে সময়সীমা, পারমিট কিংবা নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীদের জন্য আলাদা শর্ত থাকতে পারে।

নিউ জার্সির হোবোকেন ও জার্সি সিটি থেকেও পাথ ট্রেনে ম্যানহাটনে যাতায়াত করা যায়। তবে এসব এলাকার পার্কিং স্পট সব সময় সস্তা বা বিনামূল্যের নয়। গ্যারেজের ফি, স্ট্রিট পার্কিংয়ের নিয়ম এবং ট্রেনভাড়া হিসাব করে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। শুধু ম্যানহাটনের বাইরে গাড়ি রাখলেই খরচ কমবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

পার্কিংয়ের নিয়ম যাচাই করতে এনওয়াইসি ৩১১ এবং নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব ট্রান্সপোর্টেশনের প্রকাশিত তথ্য ব্যবহার করা যায়। এনওয়াইসি ৩১১ থেকে অল্টারনেট সাইড পার্কিং স্থগিত থাকার ঘোষণা এবং ছুটির দিনের নিয়ম জানা যায়। পার্কএনওয়াইসি অ্যাপ মূলত নির্ধারিত মিটার পার্কিংয়ের ফি পরিশোধে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে স্পটহিরো ও বেস্টপার্কিংয়ের মতো সেবায় বিভিন্ন পেইড পার্কিংয়ের বিকল্প ও মূল্য তুলনা করা যায়।

নিউইয়র্ক সিটিতে পার্কিং টিকিটের জরিমানা নিয়মভেদে ভিন্ন হয়। সব ধরনের ভুল পার্কিংয়ের জন্য একই অঙ্কের জরিমানা ধার্য করা হয় না। কোথাও নির্ধারিত সময়ের বেশি গাড়ি রাখা, কোথাও স্ট্রিট ক্লিনিংয়ের নিয়ম ভঙ্গ করা কিংবা নিষিদ্ধ স্থানে পার্কিংয়ের কারণে আলাদা অঙ্কের টিকিট দেওয়া হতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে গাড়ি টো করার অতিরিক্ত খরচও যোগ হতে পারে।

নিউইয়র্কে গাড়ি ব্যবহারকারী বাংলাদেশিদের জন্য সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো পার্কিংয়ের আগে সংশ্লিষ্ট ব্লকের সব সাইনবোর্ড ভালোভাবে পড়া, রোববার ও ছুটির দিনের নিয়ম যাচাই করা এবং এএসপি সাসপেনশনের সর্বশেষ ঘোষণা দেখে নেওয়া। এতে পার্কিং খরচ কমানোর পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় জরিমানা এড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের সামরিক প্রতিনিধিদল মানামা ডায়ালগে অংশ নিতে বাহরাইনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৭ পি.এম


বাংলাদেশের সামরিক প্রতিনিধিদল মানামা ডায়ালগে অংশ নিতে বাহরাইনে

বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের একটি সামরিক প্রতিনিধিদল বাহরাইন সফরে রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সম্মেলন আইআইএসএস মানামা ডায়ালগ ২০২৬-এ অংশগ্রহণ করছে।

৩০ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত বাহরাইনের রাজধানী মানামায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলন। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, সামরিক কর্মকর্তা, কূটনীতিক, নীতিনির্ধারক ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনের আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ।

এই সফরের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ মাইনুর রহমান এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশীদ চৌধুরী উপস্থিত রয়েছেন।

বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে বাহরাইন (অনিবাসী) ও কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিবুল করিম চৌধুরীসহ অন্যান্য সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অন্তর্ভুক্ত আছেন।

বাহরাইন সফরের অংশ হিসেবে গত ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ দূতাবাস, মানামা পরিদর্শন করেন সামরিক প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। এ সময় দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাদের আন্তরিক অভ্যর্থনা ও আতিথেয়তা প্রদান করা হয়।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ মাইনুর রহমান দূতাবাসের আতিথেয়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই সফর বাংলাদেশ ও বাহরাইনের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে এবং দ্বিপক্ষীয় সামরিক, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা উন্মোচনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শত্রুরা ফের হামলা চালালে সংঘাত কখন শেষ হবে ঠিক করবে ইরান: খামেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৮ পি.এম


শত্রুরা ফের হামলা চালালে সংঘাত কখন শেষ হবে ঠিক করবে ইরান: খামেনি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যদি আবারও হামলা চালায়, তাহলে সংঘাতের শেষ কিভাবে এবং কখন হবে, তা তেহরানই নির্ধারণ করবে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রচারিত এক বিবৃতিতে খামেনি এই কথা বলেন। খবরটি এসেছে আনাদোলু’র মাধ্যমে।

মোজতবা খামেনি বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ‘শত্রুরা যদি আবারও সামরিক বা সন্ত্রাসী হামলা চালায়, তাহলে সেগুলোর সমাপ্তির সময় ও শর্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী এবং ইরানি জনগণই নির্ধারণ করবে।’

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমটির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এই বিবৃতি দেন।

এ সময় তিনি সামরিক কমান্ডারদের নির্দেশ দেন যে, সম্ভাব্য যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে ‘ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই তাৎক্ষণিক ও কার্যকর জবাব’ দিতে হবে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সব সম্পদ ও স্থাপনাকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর আঘাতের আওতায় আনতে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদ করার নির্দেশও দেন মোজতবা খামেনি।

এর আগে শনিবার ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প যদি ইসরাইলের সঙ্গে মিলে এ অঞ্চলে আবার কোনো সামরিক অভিযান চালান, তাহলে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধ আরও বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়বে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওই হামলার জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থানে পাল্টা হামলা চালায়।

পরবর্তীতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক উদ্যোগ এবং জুনে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। বিশেষ করে আঞ্চলিক নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: মিডলইস্ট মনিটর, আনাদোলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউ ইয়র্ক পুলিশের ইউনিফর্মে যুক্ত হলো ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেবেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৮ পি.এম


নিউ ইয়র্ক পুলিশের ইউনিফর্মে যুক্ত হলো ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেবেল

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সুপরিচিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের (এনওয়াইপিডি) সদস্যদের পোশাকে যুক্ত হয়েছে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেবেল। এনওয়াইপিডির ইউনিফর্মে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের উপস্থিতি প্রকাশিত হওয়ার পর, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ, আবেগ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে।

বাংলাদেশের নাম বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় একটি পুলিশ বাহিনীর পোশাক সরবরাহের সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়া দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের বৈশ্বিক সুনামের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সিএসবিনিউজের একটি প্রতিবেদনে নিউইয়র্ক পুলিশের পোশাকে বাংলাদেশের নাম থাকার বিষয়টি প্রথম গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। এনওয়াইপিডি সদস্যরা নিউইয়র্ক সিটির রাজপথে নিয়মিত টহল, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং অপরাধ দমনে কঠোর নিয়মানুবর্তিতার মধ্যে দায়িত্ব পালন করেন। এই বাহিনীর সদস্যদের বিশেষায়িত পোশাক ও সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হয় অত্যন্ত কঠোর মানদণ্ড ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে।

এভাবে, একটি গুরুত্বপূর্ণ বাহিনীর পোশাকে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেবেল থাকা আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের পোশাক প্রস্তুতকারকদের পেশাদারি সক্ষমতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার অনন্য প্রমাণ। যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ বাজার। সাধারণত আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে শার্ট, প্যান্ট কিংবা জ্যাকেটের মতো সাধারণ বাণিজ্যিক পোশাক সেখানে রপ্তানি হয়ে থাকে। তবে রাষ্ট্রীয় বিশেষায়িত বাহিনীর ইউনিফর্ম তৈরির ক্ষেত্রে বাড়তি গুণগত মান ও সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয়, যা সাধারণ পোশাকের তুলনায় ভিন্ন।

নিউইয়র্ক সিটিতে বর্তমানে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী বসবাস করছেন, যাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ খোদ এনওয়াইপিডিতে কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। যে শহরের সুরক্ষায় প্রবাসীরা অবদান রাখছেন, সেই শহরের মূল পুলিশ সদস্যদের পোশাকে নিজ দেশের নাম দেখে সাধারণ প্রবাসীরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন।

এনওয়াইপিডির সুনির্দিষ্ট কোন ধরনের পোশাকে এই লেবেল রয়েছে বা ঠিক কত পরিমাণ পোশাকের চালান বাংলাদেশ থেকে নেওয়া হয়েছে, তার আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি। তবে বিশেষায়িত কর্মক্ষেত্রের এই সরবরাহ বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাক খাতের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করবে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%