প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সুপরিচিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের (এনওয়াইপিডি) সদস্যদের পোশাকে যুক্ত হয়েছে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেবেল। এনওয়াইপিডির ইউনিফর্মে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের উপস্থিতি প্রকাশিত হওয়ার পর, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ, আবেগ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশের নাম বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় একটি পুলিশ বাহিনীর পোশাক সরবরাহের সঙ্গে জড়িয়ে যাওয়া দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের বৈশ্বিক সুনামের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সিএসবিনিউজের একটি প্রতিবেদনে নিউইয়র্ক পুলিশের পোশাকে বাংলাদেশের নাম থাকার বিষয়টি প্রথম গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। এনওয়াইপিডি সদস্যরা নিউইয়র্ক সিটির রাজপথে নিয়মিত টহল, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং অপরাধ দমনে কঠোর নিয়মানুবর্তিতার মধ্যে দায়িত্ব পালন করেন। এই বাহিনীর সদস্যদের বিশেষায়িত পোশাক ও সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হয় অত্যন্ত কঠোর মানদণ্ড ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে।
এভাবে, একটি গুরুত্বপূর্ণ বাহিনীর পোশাকে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেবেল থাকা আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের পোশাক প্রস্তুতকারকদের পেশাদারি সক্ষমতা ও বিশ্বাসযোগ্যতার অনন্য প্রমাণ। যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ বাজার। সাধারণত আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে শার্ট, প্যান্ট কিংবা জ্যাকেটের মতো সাধারণ বাণিজ্যিক পোশাক সেখানে রপ্তানি হয়ে থাকে। তবে রাষ্ট্রীয় বিশেষায়িত বাহিনীর ইউনিফর্ম তৈরির ক্ষেত্রে বাড়তি গুণগত মান ও সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয়, যা সাধারণ পোশাকের তুলনায় ভিন্ন।
নিউইয়র্ক সিটিতে বর্তমানে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী বসবাস করছেন, যাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ খোদ এনওয়াইপিডিতে কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। যে শহরের সুরক্ষায় প্রবাসীরা অবদান রাখছেন, সেই শহরের মূল পুলিশ সদস্যদের পোশাকে নিজ দেশের নাম দেখে সাধারণ প্রবাসীরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন।
এনওয়াইপিডির সুনির্দিষ্ট কোন ধরনের পোশাকে এই লেবেল রয়েছে বা ঠিক কত পরিমাণ পোশাকের চালান বাংলাদেশ থেকে নেওয়া হয়েছে, তার আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি। তবে বিশেষায়িত কর্মক্ষেত্রের এই সরবরাহ বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাক খাতের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করবে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন