ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এক লাখ স্বাস্থ্যসেবাকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, ৮০ শতাংশই হবেন নারী : প্রধানমন্ত্রী


এক লাখ স্বাস্থ্যসেবাকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে, ৮০ শতাংশই হবেন নারী : প্রধানমন্ত্রী

সরকার সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যসেবাকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, এই নিয়োগের মধ্যে ৮০ শতাংশ নারীকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে সরকার এই এক লাখ স্বাস্থ্যসেবাকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই নারী হিসেবে নিয়োগ পাবেন।

শনিবার (৩ অক্টোবর) ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এ প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ভাষণে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস)।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা, স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় রেফারেল সেবা প্রদান করা হবে। তিনি মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন: ঘোষণা দিয়েও নিরাপত্তার কারণে ঢাকা-রিয়াদ সরাসরি ফ্লাইট চালু করতে পারল না সৌদি এয়ারলাইন্স

জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিপুল জনম্যান্ডেট নিয়ে বাংলাদেশে একটি নতুন নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। জনগণের সেই ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের অগ্রাধিকার হলো জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা, নীতিমালার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার। এখন প্রতিশ্রুতি থেকে সরাসরি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় এসেছে।

সামাজিক সুরক্ষার জন্য ফ্যামিলি, কৃষক ও হেলথ কার্ডের বিষয়েও মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলো এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষেরা অগ্রাধিকার পান। ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে, যা সবচেয়ে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ডিএনসিসির উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত: প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ডিএনসিসির উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত: প্রশাসক

নগরবাসীর চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দখল হয়ে থাকা ফুটপাত পর্যায়ক্রমে দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত থাকবে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন জানিয়েছেন, যদি কেউ পুনরায় ফুটপাত দখলের চেষ্টা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের সময় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির অঞ্চল-৫-এর সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, ডেঙ্গু ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, রেড ক্রিসেন্ট ও বিডি ক্লিনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং সাংবাদিকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য সিটি কর্পোরেশনে পরিণত করার বিষয়ে তিনি বলেন, নগরের বিভিন্ন চলাচলের পথ দখল করে মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। কিছু ব্যবসায়ী ও হকার ফুটপাত দখল করে চকি-মাচা ও অন্যান্য স্থাপনা বসিয়ে নগরবাসীর চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, উদ্যোগ নিয়ে সম্প্রতি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সবচেয়ে বেশি ফুটপাত দখলের জায়গাগুলোর একটি ১০ নম্বর থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। এ কাজে এলাকার সাধারণ মানুষ সহযোগিতা করেছেন বলেও তিনি জানান।

ফুটপাত দখলমুক্ত করার পর সাধারণ মানুষের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে শফিকুল ইসলাম বলেন, অনেকে জানিয়েছেন, ১৩ থেকে ২০ বছর ধরে তারা ওইভাবে ঢাকার রাস্তায় হাঁটতে পারেননি। ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় ফুটপাত দখল করে রাখা হয়েছে, সেসব জায়গায়ও পর্যায়ক্রমে দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হবে। ফুটপাত দখলমুক্ত করার এই কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং কেউ পুনরায় ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখা হবে।

দখলমুক্ত করা ফুটপাত যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে জন্য মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। স্থানীয় জনগণ, সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের যৌথ উদ্যোগে গঠিত এই টিম প্রতিদিন সকাল, দুপুর, বিকাল ও সন্ধ্যায় ফুটপাত এলাকায় পর্যবেক্ষণ করছে। পাশাপাশি মাইকিং করে ফুটপাতে কাউকে বসতে না দেওয়ার বিষয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, ফার্মগেটসহ বিভিন্ন এলাকায় এখনও কিছু ফুটপাত দখল রয়েছে। সেখানে আগেও একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং কিছু জায়গা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব জায়গাতেও দখলমুক্ত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

ফুটপাত দখল নিয়ে রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ সিটি কর্পোরেশনই নিচ্ছে। তিনি নিজে বিএনপির একজন কর্মী উল্লেখ করে বলেন, নিজের উদ্যোগে সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হচ্ছে।

ফুটপাত দখলমুক্ত করার জন্য কাউকে আগে জানানো প্রয়োজন আছে কিনা- এমন প্রশ্নের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নগরবাসীর চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী যেখানে ফুটপাত দখলমুক্ত করা দরকার, সেখানে কাউকে জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন নেই।

তিনি আরও বলেন, যে এলাকায় প্রয়োজন হবে, সেখানেই ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে। দীর্ঘদিনের অবৈধ দখল, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের প্রতিও আহ্বান জানান তিনি।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, কিছু কুচক্রী মহল সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্টদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি। দলের ভেতরে ও বাইরে যারা দুষ্কৃতিকারী হিসেবে কাজ করছে, তাদেরও ছাড় দেওয়া হবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এ সময় সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম নিয়ে গণমাধ্যমে যেভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, একইভাবে জনগণের প্রতিক্রিয়াও তুলে ধরতে হবে। জনগণের প্রতিক্রিয়া গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে এ বিষয়ে মানুষের মধ্যে আরও সচেতনতা তৈরি হবে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, নগরবাসী সচেতন হলে এবং সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করলে বিভিন্ন এলাকার ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং নগরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা সহজ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাম বদলে টুম্পা থেকে ইধিকা হলেন শাকিবের ‘প্রিয়তমা’ তারকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৮ পি.এম


নাম বদলে টুম্পা থেকে ইধিকা হলেন শাকিবের ‘প্রিয়তমা’ তারকা

শাকিব খানের ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার মাধ্যমে বাংলাদেশের দর্শকদের কাছে পরিচিতি অর্জন করেছেন ওপার বাংলার অভিনেত্রী ইধিকা পাল। বর্তমানে তিনি দুই বাংলার দর্শকদের কাছে একটি পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিত। শাকিবের সঙ্গে ‘বরবাদ’ এবং দেবের সঙ্গে ‘খাদান’-এ অভিনয়ের পর তার ক্যারিয়ারে যোগ হয়েছে বেশ কিছু আলোচিত কাজ। তবে, জানলে অবাক হতে পারেন যে, ইধিকা নামটি তার অভিনয়জগতে পথচলা শুরু করার সময় ছিল না।

অভিনয়ের শুরুতে ইধিকার নাম ছিল টুম্পা পাল। ‘আরব্য রজনী’, ‘কপালকুণ্ডলা’ ও ‘রিমলি’র মতো ধারাবাহিকে কাজ করার সময় তিনি এই নামেই পরিচিত ছিলেন। পরবর্তীতে বড় পর্দায় নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করার উদ্দেশ্যে তিনি নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন।

‘টুম্পা’ নামটি বেশ প্রচলিত হওয়ায় ইন্ডাস্ট্রিতে একটু আলাদা পরিচিতি গড়ার জন্য নতুন নাম খুঁজছিলেন অভিনেত্রী। সেই ভাবনা থেকেই তিনি ‘ইধিকা’ নামটি বেছে নেন। এক সাক্ষাৎকারে ইধিকা নিজেই জানিয়েছেন, তার আগের নাম ছিল টুম্পা পাল এবং নতুন নামটি তিনি নিজেই রেখেছেন।

নাম পরিবর্তনের পর ধীরে ধীরে বড় পর্দায় জায়গা করে নেন ইধিকা। শাকিব খান ও দেবের মতো জনপ্রিয় তারকার বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে এখন দুই বাংলাতেই তার পরিচিতি তৈরি হয়েছে। সামনে নির্মাতা সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘কুইন ভিক্টোরিয়া ও গোয়েন্দা কানাইচরণ’ সিনেমায় তাকে দেখা যাওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া, অভিনেতা জিতের বিপরীতেও একটি নতুন সিনেমায় অভিনয়ের আলোচনা চলছে, যদিও সেটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাঁজাসহ আটক তিন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৮ পি.এম


গাঁজাসহ আটক তিন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের তিন শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গাঁজাসহ আটক হওয়া এই শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দিনের স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।

সাময়িকভাবে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন—গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের দ্বিতীয় বর্ষের কাজী রিয়াজুস ছলেহীন, এস এম তৌফিক আলম এবং মো. মুশফিক উল ইসলাম।

বিজ্ঞপ্তি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক দপ্তরের নিয়মিত টহল কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে ৪ নম্বর একাডেমিক ভবনে ওই তিন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। তাদের তল্লাশি করার পর গাঁজা পাওয়া যায় বলে দাবি করেন ছাত্রবিষয়ক পরিচালক দপ্তরের সদস্যরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের ৬(খ) ও ২৪ ধারা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সহকারী ছাত্রবিষয়ক পরিচালক এহসান মজিদ মোস্তফাকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দিন বলেন, "নিয়মিত টহল কার্যক্রমের সময় তিন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয় এবং তাদের কাছে মাদকদ্রব্য পাওয়া গেছে। আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর শৃঙ্খলা কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বামীর পরকীয়া জেনেও ১২ বছর সংসার করলেন জিনাত আমান, বিচ্ছেদ চাননি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪৯ পি.এম


স্বামীর পরকীয়া জেনেও ১২ বছর সংসার করলেন জিনাত আমান, বিচ্ছেদ চাননি

বলিউডের একজন সাহসী ও স্বতন্ত্র অভিনেত্রী হিসেবে পরিচিত জিনাত আমানের ব্যক্তিগত জীবনও কম আলোচিত নয়। বিশেষ করে অভিনেতা মাজহার খানের সঙ্গে তার দাম্পত্য জীবন নিয়ে আলোচনা বহু বছর পরও অব্যাহত রয়েছে। বিয়ের প্রথম বছরেই সম্পর্ক নিয়ে সংশয়ে পড়েছিলেন জিনাত। স্বামীর অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্কের খবর জানার পরও বিচ্ছেদের পথে তিনি হাঁটেননি। বরং নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন তিনি।

এক পুরনো সাক্ষাৎকারে সিমি গারেওয়ালের সঙ্গে আলাপচারিতায় জিনাত তার দাম্পত্য জীবনের নানা অজানা অধ্যায় তুলে ধরেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, বিয়ের এক বছরের মধ্যেই তার মনে হয়েছিল, সেই সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল। সেই সময় তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

এর মধ্যেই মাজহারের অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কের খবর প্রকাশিত হয় ‘স্টারডাস্ট’ পত্রিকায়। বিষয়টি জিনাতের কাছেও গোপন ছিল না। স্বামীর পরকীয়ার খবর জানার পরও তিনি সংসার ছেড়ে বেরিয়ে আসেননি।

জিনাতের পেছনে একটি বিশেষ যুক্তিও ছিল। পরিবারের আপত্তি অগ্রাহ্য করেই তিনি মাজহারকে বিয়ে করেছিলেন। তাই সম্পর্কটি ভেঙে দেওয়ার বদলে সেটিকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করতে চেয়েছিলেন অভিনেত্রী।

তবে সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়ে ওঠে। মাজহার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে জিনাতের ভূমিকা বদলে যায়। বিচ্ছেদের কথা না ভেবে বরং স্বামীর চিকিৎসা ও পরিচর্যার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন তিনি।

পরবর্তী প্রায় পাঁচ বছর মাজহারের চিকিৎসাই হয়ে ওঠে জিনাতের জীবনের অন্যতম বড় দায়িত্ব। তিনি স্বামীর জন্য সম্ভাব্য সবকিছু করার চেষ্টা করেছিলেন। মুম্বাইয়ের একের পর এক হাসপাতালে ছুটেছেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছেন। চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশেও যেতে হয়েছিল তাকে।

শুধু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াতেই থেমে থাকেননি জিনাত। বাড়িতে অসুস্থ স্বামীর দেখভালের জন্য প্রয়োজনীয় নানা কাজও নিজে শিখে নিয়েছিলেন। কঠিন সেই সময়ে ব্যক্তিগত কষ্ট ও দাম্পত্যের জটিলতার ঊর্ধ্বে উঠে মাজহারের পাশে থাকার চেষ্টা করেছিলেন তিনি।

জিনাত ও মাজহারের দাম্পত্য জীবন স্থায়ী হয়েছিল ১২ বছর। সম্পর্কের শুরুতেই নানা টানাপোড়েন থাকলেও বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেননি অভিনেত্রী। বরং জীবনের শেষ কঠিন সময়ে স্বামীর পাশে থেকে তার চিকিৎসা ও পরিচর্যায় নিজেকে উজাড় করে দিয়েছিলেন।

১৯৯৮ সালে মাজহার খান মারা যান। তার মৃত্যুর পরও জিনাতের দাম্পত্য জীবনের এই অধ্যায় বলিউডের আলোচিত ব্যক্তিগত গল্পগুলোর একটি হয়ে আছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%