সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫২ পি.এম
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিমন্স বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল-ফ্রি স্কলারশিপ প্রদান করছে। কোটজেন স্কলারশিপের আওতায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের জন্য এই স্কলারশিপের সুযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
কোটজেন স্কলারশিপের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল দক্ষতা উন্নয়ন করা। সিমন্স ইউনিভার্সিটি ১৮৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি পোশাক প্রস্তুতকারক জন সিমন্স দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০১৮ সালে কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।
সুযোগ-সুবিধাসমূহ
• সম্পূর্ণ টিউশন ফি প্রদান করা হবে।
• বিনামূল্যে একটি রুম সুবিধা প্রদান করা হবে।
• ৩ হাজার ডলার এর উপবৃত্তি প্রদান করা হবে।
• স্কলারশিপের মেয়াদ ৪ বছর।
আবেদনের যোগ্যতা
• শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক পাস হতে হবে।
• একাডেমিক ফলাফল ভালো হতে হবে।
• মেধার ভিত্তিতে এই স্কলারশিপ প্রদান করা হবে, যেখানে ন্যূনতম ৩.৩ সিজিপিএ ধরে রাখতে হবে।
• আইইএলটিএস ও টোয়েফল স্কোর জমা দিতে হবে।
আবেদনের শেষ সময়: ১ ডিসেম্বর, ২০২৬।
আবেদনের প্রক্রিয়া: আবেদন করতে হবে অনলাইনে। আবেদন করার জন্য দেখুন এখানে ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের আসামের গৌহাটি শহরে স্ত্রীকে হত্যার পর বিচ্ছিন্ন মাথা ফ্রিজে রাখার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া এক ব্যক্তি পুলিশের গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন। মৃত ওই ব্যক্তির নাম রামানুজ গোস্বামী (৩০) বলে জানা গেছে।
এনডিটিভির একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে চিকিৎসা পরীক্ষার পর পুলিশ তাকে গৌহাটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল (জিএমসিএইচ) থেকে হাতিগাঁও থানায় নিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় নারকাসুর পাহাড় এলাকায় হঠাৎ তিনি পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে চলন্ত গাড়ি থেকে লাফ দেন।
পুলিশের গাড়ি থেকে পড়ে যাওয়ার পর তিনি একটি গভীর খাদে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গত ৩ সেপ্টেম্বর গৌহাটির একটি ফ্ল্যাটে নিজের স্ত্রী রিয়া তালুকদার (২৫)-কে হত্যার অভিযোগে গোস্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পুলিশ দাবি করেছে, স্ত্রী অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্কিত—এমন সন্দেহ থেকেই তিনি তাকে হত্যা করেছিলেন বলে পরে জানান।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ার পর প্রতিবেশীরা পুলিশকে খবর দিলে। এরপর পুলিশ ফ্ল্যাটের ফ্রিজে রাখা একটি কালো পলিথিনের ব্যাগ থেকে রিয়ার কাটা মাথা ও আঙুল উদ্ধার করে বলে জানায়।
গত ৬ সেপ্টেম্বর পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন গোস্বামী। এরপর তাকে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। ৮ সেপ্টেম্বর পুলিশ তাকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গেলে হত্যার ঘটনায় তার মধ্যে কোনো অনুশোচনা দেখা যায়নি বলে কর্মকর্তারা জানান। বরং তিনি হত্যার জন্য কোনো দুঃখ বা ক্ষমা চাননি বলেও অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, গোস্বামী এক ব্যক্তিকে তার স্ত্রীর ‘সুগার ড্যাডি’ বলে উল্লেখ করে দাবি করেন, জেল থেকে ছাড়া পেলে ব্যক্তিকেও তিনি হত্যা করবেন।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা একটি দা উদ্ধার করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই অস্ত্র দিয়েই গোস্বামী তার স্ত্রীকে হত্যা করেন।
কর্মকর্তারা আরও জানান, গোস্বামী তাদের বলেছিলেন যে হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। তার ফ্ল্যাট থেকে খালি মদের বোতলও উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে রিয়ার পরিবারের অভিযোগ, গোস্বামীর মাদকাসক্তির ইতিহাস ছিল। তার কিছু শারীরিক সমস্যাও তিনি গোপন করেছিলেন এবং ২০১৯ সালে আর্থিক প্রতারণার একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বলেও পরিবার দাবি করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের এসব অভিযোগও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হবে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে জানিয়ে দিয়েছে যে, এরপর আর সময় বৃদ্ধি করা হবে না।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে হজ নিবন্ধনের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৭ সালে হজে অংশগ্রহণের ইচ্ছুক ব্যক্তি, হজ এজেন্সি, এবং হজ কার্যক্রমে যুক্ত ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো হচ্ছে, গত ২৭ জুলাই থেকে হজের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর এই কার্যক্রম শেষ হবে। নির্ধারিত এই সময়ের পর আর সময় বৃদ্ধির কোনো সুযোগ নেই।
সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, হজ নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ থেকে চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা অনুযায়ী সৌদি পর্বের অর্থ প্রেরণ, মেডিকেল চেকআপ, ফিটনেস সনদ, টিকাদান, প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের হজযাত্রী কোটা ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত মোট নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যা ৩ হাজার ৭৪১ জন। সরকারি মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন ১ হাজার ৬৫ জন এবং বেসরকারি মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন ২ হাজার ৬৭৬ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালকে শিগগিরই জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রূপান্তরিত করা হবে। এর ফলে যক্ষ্মা রোগের চিকিৎসা, নিয়ন্ত্রণ, রোগ নির্ণয়, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে এবং চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা উন্নত হবে। তিনি উল্লেখ করেন, যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে আধুনিক, সমন্বিত ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে হাসপাতালটিকে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট টিবি হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শূন্যপদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়ন ও কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে জনবল সংকট দূর করা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে শূন্যপদগুলো দ্রুত পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রোগীদের মানসম্মত ও নিরবচ্ছিন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের সেবার পরিধি ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে হাসপাতালের সামনের ফুটপাত দখলমুক্ত করে রোগী ও সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন এবং রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। তিনি রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শোনেন এবং তা সমাধানে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং চিকিৎসাসেবার মান আরও উন্নত করতে তাদের দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। এ সময় তিনি হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা, ওষুধ সরবরাহ এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন।
তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা প্রতিটি রোগীর প্রতি মানবিক ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। রোগীদের যেন কোনো ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে না হয়, সে বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসচিব ও উপপরিচালক ডা. আয়শা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সমাজসেবা অধিদপ্তর এবং হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এখন থেকে নিজ কার্যালয়ে বসেই ডিজিটাল হাজিরার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি নিয়মিতভাবে মনিটরিং করবেন।
আজ সোমবার সচিবালয়ে নিজ অফিসকক্ষে তিনি ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নরসিংদীর বেলাবো ও রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বান্দরবানের লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডিজিটাল হাজিরা পর্যবেক্ষণ করেন।
পর্যবেক্ষণকালে কয়েকটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অনুপস্থিতির বিষয়টি মন্ত্রীর নজরে আসে। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। এছাড়া, বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিতদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার নির্দেশও দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, "স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মস্থলে উপস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণ যাতে নিজ নিজ এলাকার স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সেবা পায়, তা নিশ্চিত করতে উপস্থিতি মনিটরিং আরো জোরদার করা হবে।"
এ সময় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ ন ম বজলুর রশীদ এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজী উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ