ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাড়ি থেকেই বের হতে পারছি না: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ


বাড়ি থেকেই বের হতে পারছি না: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সহিংসতা ও এসআইআর নিয়ে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বুধবার দিল্লিতে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠকে এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন।

মমতা অভিযোগ করেন, রাজ্যে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, ডিম ও পাথর ছোড়ার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে তিনি নিরাপদে বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি রাজ্যে অরাজকতা ও স্বৈরাচার চালাচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। দলীয় সূত্র জানায়, বৈঠকে মমতা বলেন, ‘আমি এখন আমার বাড়ি থেকেই বের হতে পারছি না’।

সম্প্রতি হুগলিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলা, ডিম ছোড়া ও পথ আটকানোর ঘটনা রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বিজেপির দাবি, এসব ঘটনা সাধারণ মানুষের ক্ষোভের প্রকাশ। তবে তৃণমূলের অভিযোগ, এসবের পেছনে বিজেপির ষড়যন্ত্র রয়েছে। বৈঠকে এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করেন মমতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ব্যঙ্গ করে তিনি ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলেন।

আরও পড়ুন: মালদ্বীপের স্পিকারের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, আলোচনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে

মমতা অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনের সফটওয়্যার টিমের সঙ্গে মিলে কোটি কোটি বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এসআইআর প্রক্রিয়া তিনি ত্রুটিপূর্ণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেন। একই সঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের অপসারণের দাবি জানান তিনি।

বৈঠকে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ বিরোধী জোটের বিভিন্ন দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব উপস্থিত থাকতে না পারায় তার দলের দুই সাংসদ হরেন্দ্র মালিক ও মৌলানা মহিবুল্লাহ নদভি বৈঠকে যোগ দেন।

এদিকে, বিরোধীদের অভিযোগ নির্বাচন কমিশন খারিজ করেছে। কমিশনের দাবি, ভোটার তালিকা থেকে ভুয়া, মৃত ও ঠিকানা পরিবর্তন করা ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে তালিকা সঠিক করাই এসআইআরের উদ্দেশ্য। এটি একটি আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া বলেও জানিয়েছে কমিশন।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুটপাত দখলমুক্ত হবে, আমার লাশের উপর দিয়েও : ডিএনসিসি প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫১ পি.এম


ফুটপাত দখলমুক্ত হবে, আমার লাশের উপর দিয়েও : ডিএনসিসি প্রশাসক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেছেন, "আমার লাশের ওপর দিয়ে হলেও ফুটপাত দখলমুক্ত হবে।"

তিনি উল্লেখ করেন, রাজধানীর মিরপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত থাকবে, যাতে নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা যায়।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মিরপুর ১০ নম্বর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে এ কথা বলেন।

ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, নগরবাসীর সুবিধা নিশ্চিত করতে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আজও মিরপুর-১০ এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ফুটপাত দখলে থাকা ব্যক্তিরা এবং তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে সিটি করপোরেশনের পরিবহন, সাংবাদিক ও কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ফুটপাত দখল ও হামলার পেছনে ‘ফ্যাসিবাদের আমলের সুবিধাভোগী ও তাদের দোসররা’ জড়িত।

অরাজকতা সৃষ্টির অভিযোগ তুলে প্রশাসক বলেন, "আজ পরিকল্পিতভাবে ফ্যাসিবাদের দোসররা মসজিদে আগুন দিয়ে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের ছাড় দেওয়া হবে না। পুলিশ ও ডিএনসিসির পক্ষ থেকে পৃথক মামলা করা হচ্ছে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।"

শফিকুল ইসলাম মিল্টন বলেন, স্থানীয় সাধারণ জনগণের প্রতিরোধের মুখে তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন, নগরসেবার জন্য নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত উদ্ধারের যে কর্মসূচি রয়েছে, তা চলমান থাকবে।

পরিদর্শনকালে ডিএনসিসি প্রশাসকের সঙ্গে মিরপুর জোনের বিভাগীয় উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার, কাফরুল ও মিরপুর থানার ওসি, ডিএনসিসির প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মইনুল হাসান এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েসসহ সিটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়েটে শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫২ পি.এম


চুয়েটে শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান আন্দোলনের নবম দিনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা দৃশ্যমান উদ্যোগ না নেওয়ার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল করেছেন।

অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে এই আন্দোলনের নবম দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিবাদ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে, দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি সমাধানের জন্য কার্যকর কোনো উদ্যোগ বা ভ্রুক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।

এই প্রতিবাদের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিলে অংশ নেন। মিছিলে তারা উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে অংশ নেন, যা প্রশাসনের নীরবতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন তারা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্র সংলগ্ন সড়ক ধরে স্বাধীনতা চত্বরকে প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহিদ মিনারে এসে শেষ হয়।

মিছিল চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘প্রশাসন নীরব কেন, জবাব চাই, জবাব চাই’, ‘ভিসি স্যার, ভিসি স্যার, সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’, ‘মোদের দাবি একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নাইম হাওলাদার বলেন, "গত আট দিন ধরেই আমাদের এই আন্দোলন চলমান রয়েছে। আমরা দেখছি সরকার আসলে আমাদের এই বিষয়ে কোনো ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। কোনো ধরণের আশ্বাস বা কোনো ধরণের পদক্ষেপও আমাদের জানাচ্ছে না। তো সেই প্রেক্ষিতে আমরা আজকে প্রতীকী প্রতিবাদ জানিয়েছি চোখে কালো কাপড় বেঁধে, যা আসলে বোঝায় যে আমাদের এই ক্ষেত্রে কেন প্রশাসন নীরব। আমাদের দাবি ১০টা না, ৫টা না, আমাদের দাবি মাত্র একটা—আমরা আমাদের পূর্বের ভিসিকে পুনর্বহাল চাই। তো সরকারের কাছে আমাদের এই আকুল আবেদন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন আমাদের এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃতের সংখ্যা ১১০৮

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫২ পি.এম


হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃতের সংখ্যা ১১০৮

ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সারাদেশে হাম উপসর্গের কারণে গত ২৪ ঘণ্টায় চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম ও হাম উপসর্গে মৃত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১০৮ জন।

আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২২১ জন এবং ১৫ মার্চ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর মোট সংখ্যা ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৩১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১২৮ জন। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৫২০ জন।

১৫ মার্চ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮০০ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৮৭৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ১ হাজার ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে হিলি বন্দরে পণ্যবাহী ট্রাকের ভাড়া বেড়েছে ৩-৬ হাজার টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫৪ পি.এম


জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে হিলি বন্দরে পণ্যবাহী ট্রাকের ভাড়া বেড়েছে ৩-৬ হাজার টাকা

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পরিবহন খাতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। নতুন দাম অনুযায়ী, গন্তব্যভেদে পণ্যবাহী ট্রাকের ভাড়া ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে বন্দরের আমদানিকারকদের জন্য বাড়তি পরিবহন ব্যয় গুনতে হচ্ছে। পাশাপাশি, এই পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সপ্তাহে ছয় দিন ভারত থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করা হয়। ভারতীয় ট্রাক থেকে পণ্য খালাসের পর, সেগুলো বাংলাদেশি পণ্যবাহী ট্রাকে করে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হয়।

সম্প্রতি, সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা করে বাড়ানোর ফলে পরিবহন খাতে এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে। জ্বালানি খরচ বেড়ে যাওয়ায়, মালিকরা আগের ভাড়ায় ট্রাক চালাতে আগ্রহী নন। ফলে, গন্তব্য এবং দূরত্ব অনুযায়ী ট্রাকের ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্বে যে গন্তব্যে পণ্য পরিবহনের জন্য নির্ধারিত ভাড়া ছিল, বর্তমানে সেখানে জ্বালানি খরচ বৃদ্ধির কারণে অতিরিক্ত ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। এর ফলে আমদানিকারকদের পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। এই বাড়তি ব্যয় শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামেও প্রভাব ফেলছে।

এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে ট্রাক মালিকদের পরিচালন ব্যয় বেড়ে গেছে। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাড়তি ভাড়া সমন্বয় করেও তারা লোকসানের মুখে পড়ছেন। তাদের দাবি, যদি জ্বালানি তেলের দাম না কমানো হয়, তবে পরিবহন খাতে ব্যয় আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

সরকার জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর ফলে ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, পেট্রলের দাম ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা এবং অকটেনের দাম ১৪৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৬৫ টাকা করা হয়েছে।

নতুন দামের সঙ্গে সমন্বয় করে হিলি স্থলবন্দরে গন্তব্যভেদে পণ্যবাহী ট্রাকের ভাড়া ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে আমদানিকারকদের পণ্য পরিবহনে বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

ট্রাকচালক রফিকুল ইসলাম বলেছেন, "আগে যে ভাড়ায় আমরা বিভিন্ন গন্তব্যে পণ্য নিয়ে যেতাম, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর সেই ভাড়ায় গাড়ি চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তেলের পেছনেই এখন বেশি টাকা খরচ হচ্ছে। এর সঙ্গে গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ, চালক ও শ্রমিকের খরচ তো আছেই। তাই বাধ্য হয়েই মালিকরা ভাড়া বাড়িয়েছেন।"

বাসচালক আজিজার রহমান মন্তব্য করেছেন, "জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে শুধু ট্রাক নয়, সব ধরনের পরিবহনেই খরচ বেড়ে যায়। তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের খরচও বাড়ছে। এতে পরিবহন শ্রমিক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবাইকে বাড়তি ব্যয়ের চাপ নিতে হচ্ছে।"

ট্রাক মালিক আনন্দ জানিয়েছেন, "জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় গাড়ি চালানোর খরচ অনেক বেড়েছে। আগের ভাড়ায় পণ্য পরিবহন করলে অনেক ক্ষেত্রে লাভ তো দূরের কথা, খরচই ওঠে না। তাই দূরত্ব ও গন্তব্য অনুযায়ী ভাড়া ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়াতে হয়েছে। এরপরও পরিবহন খাতে ব্যয় সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।"

আমদানিকারক নুর-ইসলাম বলেছেন, "জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে পণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। এতে আমাদের আমদানি খরচ বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্ষেত্রে পরিবহন ব্যয় বাড়লে সেটার প্রভাব সরাসরি বাজারদরে পড়ে। শেষ পর্যন্ত এই বাড়তি খরচের চাপ ভোক্তাদেরই বহন করতে হয়।"

হিলি স্থলবন্দর ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী জানিয়েছেন, "জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে পরিবহন খাতে ব্যয় অনেক বেড়েছে। নতুন দামের সঙ্গে সমন্বয় করে গন্তব্যভেদে ট্রাকের ভাড়া ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে শুধু ভাড়া বাড়ালেই মালিকদের খরচ পুরোপুরি সমন্বয় হচ্ছে না। জ্বালানি তেলের দাম কমানো বা পরিবহন খাতের ব্যয় নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%