শনিবার, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৪ পি.এম
ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান নির্মূলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে আরও দুটি মামলা শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।
ইতোমধ্যেই ৬টি মামলায় রায় ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
যে দুই মামলার রায় ঘোষণা যেকোন দিন:
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ পলাতক সাত আসামির বিরুদ্ধে চব্বিশের জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা যেকোন দিন। উভয় পক্ষের শুনানি ও যুক্তিতর্ক শেষে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই মামলা রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন।
ওবায়দুল কাদেরের পাশাপাশি এ মামলার অপর পলাতক আসামিরা হলেন— আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
অন্যদিকে, চব্বিশের জুলাই আগস্টে গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার জন অপেক্ষমাণ রয়েছে।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন।
মাহবুবউল আলম হানিফের পাশাপাশি এই মামলার অপর আসামিরা হলেন- কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। আসামীরা সবাই পলাতক।
এদিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের ৬টি মামলার রায়ে ১৬ আসামির মৃত্যুদণ্ড ও ১১ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি অপর আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
গত দুই বছরে দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেয়া রায়ের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বাসস’কে বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের বিচারের প্রতিশ্রুতি নিয়ে যে ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠিত হয়েছিল, এখন পর্যন্ত দুটি ট্রাইব্যুনালের দেয়া ছয়টি রায়ের মাধ্যমে সে প্রতিশ্রুতি অনেকাংশে পূরণ হয়েছে।
তিনি বলেন, দুই বছরে ছয়টি মামলার রায় ঘোষণা অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক। এছাড়া আরও দুটি মামলা শুনানি শেষে এখন রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। আমরা অপরাধী সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল বিভাগের অভিযানে ৭২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শুক্রবার এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিএমপি’র মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মতিঝিল থানা ১০, পল্টন থানা ১২, সবুজবাগ থানা সাত, খিলগাঁও থানা ১৫, রামপুরা থানা ১২, শাহজাহানপুর থানা আট ও মুগদা থানা আট জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চলতি মৌসুমে বৃষ্টির সঠিক সময়ে হওয়া এবং অনুকূল আবহাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সোনালি আঁশ হিসেবে পরিচিত পাটের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলস্বরূপ, খরিপ-১ মৌসুমে উৎপাদিত পাটের বাজারমূল্য আশাতীত হওয়ায় জেলার কৃষকরা আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছেন।
বিগত ৫ বছর ধরে পাট চাষের পরিমাণ কমে গেলেও এই বছর ভালো দাম, সরকারি প্রণোদনা এবং পাটের তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী ব্যবহারের কারণে কৃষকরা আগামী মৌসুমে পাট চাষে অধিক আগ্রহী হয়ে উঠবেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২০২২ মৌসুমে জেলায় পাটের আবাদ হয়েছিল ৫,৭২৫ হেক্টর জমিতে, যার ফলস্বরূপ উৎপাদন হয়েছিল ১৫,৫৬০ মেট্রিক টন পাট। পরবর্তী মৌসুমে, ২০২২-২০২৩ এ পাটের আবাদ হয়েছিল ৫,৩৩০ হেক্টর জমিতে, উৎপাদন ১৪,৬৫০ মেট্রিক টন। ২০২৩-২০২৪ মৌসুমে পাটের আবাদ হয়েছে ৪,৫৬০ হেক্টর জমিতে, উৎপাদন ১২,৭১০ মেট্রিক টন। ২০২৪-২০২৫ মৌসুমে আবাদ হয়েছিল ৩,৫৫০ হেক্টর জমিতে, উৎপাদন ৯,৯৬৫ মেট্রিক টন। চলতি ২০২৫-২০২৬ মৌসুমে পাটের আবাদ হয়েছে ৩,১৭০ হেক্টর জমিতে, সম্ভাব্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৮,৯৪০ মেট্রিক টন পাট।
এখন পর্যন্ত জেলার কৃষকরা জমি থেকে পাট কেটে জাগ দিয়ে আঁশ ছাড়িয়ে শুকিয়ে বাজারজাত করতে শুরু করেছেন। মৌসুমের শুরুতেই ভালো দাম পেয়ে কৃষকরা সন্তুষ্ট।
জেলার বিভিন্ন বাজারে শুকনা পাটের প্রতি মণ মূল্য ৩ হাজার ৮শ’ টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠেছে। প্রতি বিঘা পাট চাষে জমি চাষ, বীজ, সার পরিচর্যা, পাট কাটা, জাগ দেয়া, ধোয়া এবং শুকাতে গড়ে খরচ হয়েছে ১৬ হাজার টাকা থেকে ১৭ হাজার টাকা। খরচ বাদ দিয়ে বিঘা প্রতি নিট লাভ হচ্ছে ৩০ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকা।
গত ৫-৬ বছরের মধ্যে পাট চাষ করে কৃষকরা এ বছরই সবচেয়ে ভালো লাভ অর্জন করছেন। পাট যে সোনালি আঁশ, সেই ধারণা আবার ফিরে আসতে শুরু করেছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অধিক পাট ফলনের মাধ্যমে।
বদলগাছী উপজেলার কাষ্টডোব গ্রামের কৃষক মোবারক আলী শঙ্কা নিয়ে এ বছর ১ বিঘা জমিতে পাটের আবাদ করেছেন। তিনি বাসস’কে জানান, সব মিলিয়ে তার খরচ হয়েছে ১৭ হাজার টাকা। তার এক বিঘা জমিতে পাট উৎপাদন হয়েছে ১২ মণ, যার বর্তমান বাজারমূল্য ৪৮ হাজার টাকা। এতে তার নিট লাভ হয়েছে ৩১ হাজার টাকা।
মান্দা উপজেলার বড় বেলালদহ গ্রামের আজিমুদ্দিন কাজী ২ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। তিনি মোট পাট পেয়েছেন ২২ মণ। ৪ হাজার টাকা দর হিসেবে তার পাটের মোট বাজারমূল্য ৮৮ হাজার টাকা। ২ বিঘা পাটের আবাদ করতে মোট খরচ হয়েছে ৩২ হাজার টাকা। খরচ বাদ দিয়ে তিনি দুই বিঘা জমিতে নিট মুনাফা করেছেন ৫৬ হাজার টাকা।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৮শ’ জন কৃষকের প্রত্যেককে ২৩০ টাকা মূল্যের ১ কেজি করে বীজ, ৯৫ টাকা মূল্যের ৫ কেজি ডিএপি সার, ৯০ টাকা মূল্যের ৫ কেজি এমওপি সার, পরিবহন বাবদ নগদ ১৬.৫০ টাকা দেয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রণোদনার আওতায় প্রত্যেক কৃষককে ৪৪২.৫০ টাকার সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। সেই হিসেবে চলতি মৌসুমে পাট চাষিদের ৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকা সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নওগাঁ’র উপ-পরিচালক মো. মনজুর রহমান বাসস’কে বলেন, কৃষি বিভাগ পাটকে আবার সোনালি আঁশ হিসেবে সুপরিচিত করতে পাট চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করছে। এ প্রান্তিক চাষিদের সরকারি প্রণোদনার আওতায় ৮শ’ জন পাটচাষিকে বিনামূল্যে বীজ, সারসহ পরিবহন খরচ ও আনুষাঙ্গিক ও অপ্রত্যাশিত ব্যয়ের জন্য নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ডেঙ্গু সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতি মীর শাহে আলম বলেছেন, "যেকোনো মূল্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হবে।" তিনি উল্লেখ করেছেন যে, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সময়ে অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; বরং সারা বছর নিয়মিতভাবে সম্ভাব্য এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করতে হবে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করেছেন। আজ সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তিন মাসব্যাপী এই অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরপরই প্রতিমন্ত্রী মাঠপর্যায়ে চলমান কার্যক্রম পরিদর্শনে বের হন। তিনি ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়ক ও রাপা প্লাজা এলাকায় পরিচালিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, সম্ভাব্য এডিস মশার প্রজননস্থল এবং আশপাশের পরিবেশ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
এসময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী রাজধানীর সেচ ভবনে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। প্রতিমন্ত্রী আবারও বলেন, "যেকোনো মূল্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হবে।" তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সময়ে অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; বরং সারা বছর নিয়মিতভাবে সম্ভাব্য এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে একটি ধারাবাহিক সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে।" সরকারি সংস্থার পাশাপাশি ব্যক্তি, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মীর শাহে আলম বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী তিন মাসের এ বিশেষ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।" তিনি বলেন, এই কর্মসূচির লক্ষ্য শুধু মশা নিধন নয়; বরং পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতার মাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল সৃষ্টি হওয়ার সুযোগ বন্ধ করা এবং নাগরিকদের মধ্যে স্থায়ী সচেতনতা গড়ে তোলা।
তিনি আরও বলেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।" এডিস মশা যাতে বংশবিস্তার করতে না পারে, সেজন্য বাড়ি-ঘর, নির্মাণাধীন ভবন, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনার আশপাশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, নগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীর সংখ্যা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পরিধি ও সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
নির্মাণাধীন ভবনকে এডিস মশার প্রজননের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ স্থান উল্লেখ করে তিনি বলেন, "নির্মাণাধীন ভবনগুলোতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।" নির্মাণসামগ্রী, ড্রাম, বালতি, গর্ত বা অন্য কোনো স্থানে পানি জমে থাকলে সেখানে এডিস মশার লার্ভা জন্মাতে পারে। তাই ভবন মালিক, নির্মাতা ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়মিতভাবে এসব স্থান পরিষ্কার রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, "সংশ্লিষ্টদের সচেতন ও সতর্ক করার পরও কেউ যদি দায়িত্বে অবহেলা করেন এবং এডিস মশার প্রজননের পরিবেশ সৃষ্টি করেন, তাহলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড এবং প্রয়োজনে কারাদণ্ডের মতো আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।" তবে তিনি সবাইকে শাস্তির পরিবর্তে সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
পরিদর্শনকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং অন্যান্য অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ