বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:৫৩ এম
দেশের বাজারে সর্বশেষ ৫ দফা দাম সমন্বয়ের ফলে ৩ বার স্বর্ণের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে টানা ২ দফায় ১২ হাজার ৭২ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
বুধবার (৬ আগস্ট) সকালে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) টানা ২য় দফা স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এই দফায় ভরিতে ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা বাড়ানোর চিন্তা করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারের তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। অন্যদিকে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী কোনো সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইনের উপর ভিত্তি করে মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজারের পূর্ববর্তী নিয়ম বহাল থাকবে।
এর আগে, ৩১ জুলাই সকাল ১০টার সময় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। ওইদিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধির ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকায় বাড়ানো হয়।
এ নিয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৯৮ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৪৯ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
স্বর্ণের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের বাজারে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ২৯২ টাকা বেড়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৩৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এ নিয়ে চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত দেশের বাজারে রুপার দাম ৬১ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩১ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং বাকি ৩০ দফা কমানো হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছিল এবং কেবল ৩ বার কমেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কারিগরি ত্রুটি মেরামত সম্পন্ন হয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ পর কক্সবাজারের মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে আবারও গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তথ্য জানিয়েছে।
জানা গেছে, কারিগরি ত্রুটির কারণে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে থাকার ফলে দেশে গ্যাস সংকট দেখা দেয়। এই সংকটের প্রভাব শিল্প, বিদ্যুৎ ও আবাসিক খাতের গ্রাহকদের গ্যাসের স্বল্পচাপ এবং সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। পরে দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি বয়লার মেরামত করা হয়। এর ফলে অতিরিক্ত ২০০ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। তবে অপর বয়লার মেরামত করতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগবে।
এদিকে, গত কয়েক দিনের তীব্র সংকটের পর চট্টগ্রামে গ্যাস পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটেছে। বুধবার রাত থেকে গ্যাসের সরবরাহ ও চাপ বাড়ানোর ফলে সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলোর ভোগান্তি অনেকটাই কমে গেছে।
গ্যাস নিতে আসা গাড়িচালকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত কয়েকদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও প্রয়োজনীয় গ্যাস পাওয়া যায়নি। তবে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে এবং এখন মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করেই গ্যাস সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে।
সিএনজি স্টেশনগুলোর কর্মচারীরা জানান, বুধবার রাত থেকেই গ্যাসের চাপ ও সরবরাহ স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে গেছে। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষমাণ যানবাহনগুলোতে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। গ্যাসের চাপ ভালো থাকায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে স্টেশনগুলোতে তেমন কোনো যানজটও দেখা যায়নি।
এছাড়া, বুধবার সকালে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানিয়েছিলেন, সন্ধ্যার পর মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে অতিরিক্ত ২০০ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় বিবাহের অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ আহম্মেদ বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছেন। গতকাল বুধবার, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিবাহ কার্যক্রম বন্ধ করে দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের কালুপাড়া গ্রামের মনির আকনের একমাত্র কন্যা লিজা আক্তার (১৪)-এর সঙ্গে একই উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বেলুহার গ্রামের সৌদি প্রবাসী রাজন মীরের বিবাহের আয়োজন চলছিল। উল্লেখ্য, লিজা আক্তার গোসল মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বিবাহের পর কনের চাচা মানিক আকন ও এনায়েত আকনের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। এই মুচলেকায় তারা অঙ্গীকার করেছেন, লিজা আক্তারের আইনগত বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে তার বিয়ে দেওয়া হবে না।
এছাড়া, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্দেশ দেন, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত প্রতি রবিবার লিজা আক্তারকে নিয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হতে হবে।
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ভবিষ্যতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৯টি থানায় গত ২৪ ঘণ্টায় মাদকবিরোধী ও বিভিন্ন অপরাধ দমনে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে মোট ৪৪ জনকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) জেলা পুলিশের গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৫ আগস্ট জেলার বিভিন্ন থানায় পরিচালিত পৃথক অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত ২১ জন, নিয়মিত মামলার ১৮ জন এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত আরও ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই মাসজুড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪৫৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৬ জন নিহত হয়েছেন। একই সময় আহত হয়েছেন ৬২৯ জন।
নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা যথাক্রমে ৫৭ জন এবং ৪৮ জন। দুর্ঘটনার সংখ্যা ও প্রাণহানির দিক থেকে ঢাকার বিভাগ শীর্ষে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে এটি প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ১০৬ জন পথচারী, যা মোট প্রাণহানির ২৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ হিসাবে গণ্য হচ্ছে।
এছাড়া, জুলাই মাসে ১৫৯টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৮ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। মোট দুর্ঘটনার ৩৪ দশমিক ৭১ শতাংশ মোটরসাইকেলের সঙ্গে সম্পর্কিত, আর মোট প্রাণহানির ৩৩ দশমিক ১৭ শতাংশ এই দুর্ঘটনাগুলি থেকে দেখা যাচ্ছে।
যানবাহনভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, থ্রি-হুইলার দুর্ঘটনায় ৯৪ জন, বাস দুর্ঘটনায় ২১ জন, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ ও ট্রলির দুর্ঘটনায় ১৯ জন, নসিমন, ভটভটি ও অন্যান্য স্থানীয় যানবাহনের দুর্ঘটনায় ২৬ জন এবং মাইক্রোবাস ও অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনায় সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন। রিকশা ও বাইসাইকেল দুর্ঘটনায় পাঁচজনেরও মৃত্যু হয়েছে।
সড়কের ধরন অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা জাতীয় মহাসড়কে ঘটেছে। মোট ১৬৯টি দুর্ঘটনা বা ৩৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ১৫৫টি বা ৩৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ আঞ্চলিক সড়কে, ৬৬টি বা ১৪ দশমিক ৪১ শতাংশ শহরের সড়কে, ৬১টি বা ১৩ দশমিক ৩১ শতাংশ গ্রামীণ সড়কে এবং সাতটি দুর্ঘটনা অন্যান্য স্থানে ঘটেছে।
সময়ের ভিত্তিতে বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে বেশি ২৮ দশমিক ৮২ শতাংশ দুর্ঘটনা সকাল বেলা ঘটেছে। রাতে দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ, দুপুরে ১৭ দশমিক ২৪ শতাংশ, বিকেলে ১৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ, সন্ধ্যায় ১২ দশমিক ২২ শতাংশ এবং ভোরে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
ঢাকা বিভাগে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির উভয় ক্ষেত্রে শীর্ষস্থানে রয়েছে। এ বিভাগে ১৩৩টি দুর্ঘটনায় ১২৫ জন নিহত হয়েছেন। মোট দুর্ঘটনার ২৯ দশমিক ৩ শতাংশ এবং মোট প্রাণহানির ৩০ দশমিক ৪ শতাংশই এই বিভাগে ঘটেছে। বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেখানে ২৮টি দুর্ঘটনায় ২৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
চট্টগ্রাম বিভাগে মোট দুর্ঘটনার ২১ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং প্রাণহানির ১৯ দশমিক ২৩ শতাংশ, রাজশাহী বিভাগে যথাক্রমে ১১ দশমিক ৩৫ ও ১২ শতাংশ, রংপুর বিভাগে ৯ দশমিক ৮২ ও ১১ দশমিক ২৯ শতাংশ, খুলনা বিভাগে ৭ দশমিক ৮৬ ও ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ, সিলেট বিভাগের ক্ষেত্রে ৬ দশমিক ৭৬ ও ৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৭ দশমিক ৪২ ও ৭ দশমিক ২১ শতাংশ দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি রেকর্ড করা হয়েছে।
রাজধানী ঢাকা অঞ্চলে, জুলাই মাসের মধ্যে ৩৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮ জন নিহত এবং ৪৭ জন আহত হয়েছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার পিছনে ১১টি প্রধান কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, অতিরিক্ত গতি, চালকদের অদক্ষতা, অসুস্থতা ও বেপরোয়া মানসিকতা, নির্ধারিত বেতন ও কর্মঘণ্টার অভাব, মহাসড়কে ধীরগতির যানবাহনের চলাচল, তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, ট্রাফিক আইন অমান্য, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএর সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা এবং পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ