প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কারিগরি ত্রুটি মেরামত সম্পন্ন হয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ পর কক্সবাজারের মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে আবারও গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তথ্য জানিয়েছে।
জানা গেছে, কারিগরি ত্রুটির কারণে মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে থাকার ফলে দেশে গ্যাস সংকট দেখা দেয়। এই সংকটের প্রভাব শিল্প, বিদ্যুৎ ও আবাসিক খাতের গ্রাহকদের গ্যাসের স্বল্পচাপ এবং সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। পরে দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি বয়লার মেরামত করা হয়। এর ফলে অতিরিক্ত ২০০ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। তবে অপর বয়লার মেরামত করতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগবে।
এদিকে, গত কয়েক দিনের তীব্র সংকটের পর চট্টগ্রামে গ্যাস পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি ঘটেছে। বুধবার রাত থেকে গ্যাসের সরবরাহ ও চাপ বাড়ানোর ফলে সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলোর ভোগান্তি অনেকটাই কমে গেছে।
গ্যাস নিতে আসা গাড়িচালকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত কয়েকদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও প্রয়োজনীয় গ্যাস পাওয়া যায়নি। তবে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে এবং এখন মাত্র ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করেই গ্যাস সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে।
সিএনজি স্টেশনগুলোর কর্মচারীরা জানান, বুধবার রাত থেকেই গ্যাসের চাপ ও সরবরাহ স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে গেছে। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষমাণ যানবাহনগুলোতে গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। গ্যাসের চাপ ভালো থাকায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে স্টেশনগুলোতে তেমন কোনো যানজটও দেখা যায়নি।
এছাড়া, বুধবার সকালে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানিয়েছিলেন, সন্ধ্যার পর মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে অতিরিক্ত ২০০ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন