শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২২ পি.এম
ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ সংরক্ষণ এবং প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়কও।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার নেতৃত্বে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে তুলে আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
আজ (শুক্রবার) বিকেলে শরীয়তপুরের সখিপুরের হাবিব উল্যাহ ডিগ্রি কলেজ মাঠে হাবিব উল্যাহ চোকদার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আমিনুল হক।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মাঠে বিপুলসংখ্যক দর্শকের উপস্থিতি প্রমাণ করে, দেশের ফুটবল ও খেলাধুলার প্রতি মানুষের আগ্রহ এখনো অনেক বেশি। এই আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের খেলাধুলাকে আরও এগিয়ে নিতে চাই।’
তিনি উল্লেখ করেন, দেশে ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়ন রয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ সংরক্ষণের মাধ্যমে খেলাধুলার সুযোগ তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কার্যক্রমও চলছে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছি। তৃণমূল থেকে নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনতে চাই। শুধু রাজধানী বা বড় শহর নয়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাবান তরুণদেরও জাতীয় পর্যায়ে সুযোগ করে দিতে হবে।’
আমিনুল হক খেলাধুলার মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, খেলাধুলার পাশাপাশি তরুণদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে হবে। এতে তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণ ও মানবিক মূল্যবোধ তৈরি হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার মধ্য দিয়ে আমাদের যুবসমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজের দিকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা একটি সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।’
অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন, এর মধ্যে সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ ও সাঈদ আহমেদ আসলাম উল্লেখযোগ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় নিখোঁজ থাকা ইউপি সদস্য রঞ্জন চাকমা (৪৮) এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিন দিন নিখোঁজ থাকার পর শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ২ নম্বর দুল্লাছড়ি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
রঞ্জন চাকমা ভারত মোহন চাকমার ছেলে, যিনি ওই এলাকার বাসিন্দা।
লক্ষ্মীছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সোহাগ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ইউপি সদস্য রঞ্জন চাকমা গত তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় তার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। শুক্রবার বিকেলে খবর আসে যে, একটি গাছের সঙ্গে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
ওসি আরও জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যানমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, দেশের কোথাও সারের কোনো ঘাটতি বা অভাব নেই। তিনি উল্লেখ করেন যে, কিছু সার ডিলার সঠিকভাবে বণ্টন করেন না, যা সমস্যা সৃষ্টি করে। তিনি সবাইকে সতর্ক করে বলেন, সারের জন্য অতিরিক্ত টাকা পয়সা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সরকার নির্ধারিত দামেই সারের মূল্য প্রদান করতে হবে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার রতনপুর স্কুলমাঠে বিএনপি আয়োজিত নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষকরা যেন সঠিকভাবে সার পেতে পারেন, সেজন্য সরকার নতুন করে সারের ডিলার নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। তিনি জানান, কে কতটুকু সার তুলছে এবং কোন ইউনিয়নে কতটুকু সার বিতরণ করা হচ্ছে, সেগুলো টাঙিয়ে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে কৃষকরা বুঝতে পারবেন, কে সার তুলছে এবং কে সার তুলছে না। সার বিতরণে যাতে কোনো ধরনের সমস্যা না হয় এবং কেউ সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে না পারে, সেই লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, সরকারের ৭ মাসের মধ্যে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা কৃষি ঋণের সুদ মওকুফ করা হয়েছে। অক্টোবরের মধ্যবর্তী সময় থেকে সকল পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবেন এবং কেউ ফ্যামিলি কার্ডের আওতার বাইরে থাকবে না। আগামী বছর থেকে কৃষক কার্ড পাওয়ার পর কৃষকদের সার, বীজ, বালাইনাশক এবং কৃষি ঋণের জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে হবে না।
মন্ত্রী ঘোষণা করেন, আগামী চার বছরের মধ্যে প্রত্যেকটি মসজিদ, মন্দির, গির্জার ঈমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব, পুরোহিত এবং ফাদারদের আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হবে। এছাড়া, আগামী বছর থেকে প্রত্যেকটি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য মিড-ডে মিল চালু করা হবে। ছেলে বা মেয়ে হোক, মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে, যা বিএ পর্যন্ত নয় বরং বিদেশে উচ্চ শিক্ষার সুযোগও প্রদান করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৭ সাল থেকে ব্রাজিলের ঐতিহাসিক মারাকানার পিচ পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। এই স্টেডিয়ামের মাঠের ব্যাপক সংস্কারের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সম্প্রতি, মাঠের খারাপ অবস্থার কারণে ব্রাজিলের ক্লাব ফ্ল্যামেঙ্গো ও ফ্লুমিনেন্সের খেলোয়াড়দের তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হতে হয়েছে স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষকে। এই সমালোচনার প্রেক্ষিতে অবশেষে ঘাস পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মাঠ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ‘ফ্লা-ফ্লু কনসোর্টিয়াম’।
বর্তমানে ব্যবহৃত ঘাসের পরিবর্তে এবার স্টেডিয়ামে বসানো হবে আধুনিক প্রযুক্তির ‘সেলিব্রেশন হাইব্রিড’ ঘাস। মূলত, ঘনঘন ম্যাচ খেলার চাপ সামলানো এবং আগামী মৌসুমে পিচের স্থায়িত্ব ও টেকসই ক্ষমতা অনেকাংশে বৃদ্ধি করাই এই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য।
মারাকানা স্টেডিয়ামে বর্তমানে ‘বারমুডা সেলিব্রেশন’ ঘাস ব্যবহার করা হচ্ছে, তবে ২০২৭ সালের জন্য বেছে নেওয়া হচ্ছে আরও উন্নত ‘সেলিব্রেশন হাইব্রিড’ ঘাস। এই নতুন ঘাস প্রচলিত ঘাসের তুলনায় অনেক বেশি টেকসই এবং পিচ দ্রুত মেরামত ও নিয়মিত পরিচর্যার জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
আগামী ডিসেম্বরে ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ৩৮তম বা শেষ রাউন্ডের খেলা শেষ হওয়ার পরই সংস্কার কাজ শুরু হবে। পুরনো ঘাস সম্পূর্ণরূপে তুলে ফেলে ওই মাসেই নতুন ঘাস রোপণের কাজ শুরু হবে।
তবে মাঠের এই পরিবর্তনের কারণে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি জিকোর বার্ষিক চ্যারিটি ম্যাচ ‘গেম অব স্টার্স’ বড় ধাক্কা খেয়েছে। মাঠ প্রস্তুত না থাকায় এবার বড়দিনের সপ্তাহে এই ঐতিহ্যবাহী ইভেন্টটি আয়োজন করা যাচ্ছে না। আয়োজকরা এখন নতুন তারিখের সন্ধানে ব্যস্ত—হয়তো লিগ শেষ হওয়ার আগেই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে, নতুবা ঘাস রোপণ সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী বছরে!
মারাকানা স্টেডিয়ামের খারাপ অবস্থার পেছনে মাঠ রক্ষণাবেক্ষণের পাঁচটি মূল বিষয় চিহ্নিত করেছে কর্তৃপক্ষ, যার মধ্যে ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে চারটির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে।
সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে আবহাওয়া ও ঠাসা সূচি থেকে। ম্যাচের দিন বা খেলা শুরুর ২৪ ঘণ্টা আগে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে ম্যাচ খেলার হার এক লাফে ২৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সঙ্গে পরপর দুটি ম্যাচের মধ্যকার বিরতিও কমে গেছে। ফলে মাঠে ঘাসের প্রাকৃতিক ঘনত্ব ও সজীবতা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এ বছর তুলনামূলক কম ম্যাচ হলেও অস্বাভাবিক আবহাওয়া পিচের ওপর বড় আঘাত হেনেছে। অস্বাভাবিক গরম শীতকাল এবং ভারী বর্ষণের যৌথ প্রভাবে ঘাসের আস্তরণ পাতলা ও অতিরিক্ত স্যাঁতসেঁতে হয়ে পড়েছে। আর ক্ষয়ক্ষতি সামলে ঘাস আবার স্বাভাবিক হওয়ার মতো পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় পিচের গুণমান পুরোপুরি তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।
ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবোকে’ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মারাকানার সিইও ফ্রেড নান্তেস স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, পিচ পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত নারী বিশ্বকাপের সাথে সম্পর্কিত নয়—যদিও টুর্নামেন্টটির ৯টি ম্যাচ আয়োজিত হবে এই মারাকানাতেই। তার মতে, মাঠের ঘাস বদলানোর প্রক্রিয়ায় নারী বিশ্বকাপের আয়োজক কমিটির কোনো ভূমিকা ছিল না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লাদাখের পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা, সাংবিধানিক সুরক্ষা সহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে স্পষ্ট আশ্বাস না পেলে ফের বড় ধরনের আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক।
তিনি জানান, আগামী ১৯ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন আন্দোলনের কর্মসূচি নেওয়া হতে পারে। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে লাদাখের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপকমিটির বৈঠকের পর ওয়াংচুক আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।
ওয়াংচুকের অভিযোগ, বৈঠকে লাদাখের দাবিগুলো নিয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি। লেহ আপেক্স বডি এবং কার্গিল গণতান্ত্রিক জোটের নেতারাও ৯ সেপ্টেম্বরের বৈঠক নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন বলে জানান তিনি। লাদাখের প্রতিনিধিদের প্রত্যাশা ছিল, প্রস্তাবিত আইনসভা, তার ক্ষমতা ও অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বিস্তারিত খসড়া দেওয়া হবে। কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। লাদাখকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া এবং সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছে। পরিবেশ রক্ষা, স্থানীয় মানুষের অধিকার এবং প্রশাসনিক ক্ষমতা বৃদ্ধির দাবিও রয়েছে আন্দোলনকারীদের।
এদিকে, গত বছরের আন্দোলনে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের এবং গ্রেফতার হওয়া আন্দোলনকারীদের স্মরণে সেপ্টেম্বর মাসকে শহীদ মাস হিসেবে পালন করছে লাদাখের বিভিন্ন সংগঠন। ১০ সেপ্টেম্বর কার্গিল থেকে লেহ পর্যন্ত পদযাত্রার কর্মসূচি ছিল। তবে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার কারণে আপাতত সেই কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছে।
ওয়াংচুক জানিয়েছেন, আলোচনায় সন্তোষজনক অগ্রগতি না হলে ফের পদযাত্রা শুরু হতে পারে। ২৪ সেপ্টেম্বরের প্রায় পাঁচ দিন আগে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। তিনি বলেন, লাদাখের মানুষ, পরিবেশ এবং দেশের সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের স্বার্থে সারা দেশের মানুষকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হবে। সীমান্তে বসবাসকারী মানুষকে যদি অন্যায্য আচরণের শিকার হতে হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা ছাড়া আর কোনো পথ থাকবে না।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে লাদাখে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় চারজনের মৃত্যু হয় এবং বহু মানুষ আহত হন। ওই সময় ওয়াংচুককে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার করা হয়েছিল। প্রায় ছয় মাস যোধপুরের কারাগারে থাকার পর চলতি বছরের মার্চে মুক্তি পান তিনি। ওয়াংচুক আরও জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে গত বছরের সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা নিয়ে তাদের কাছে থাকা তথ্যও প্রকাশ্যে আনা হতে পারে। ২৪ সেপ্টেম্বরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ