১০:৩৯ এম
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আটটি সামরিক স্থাপনায় সফলভাবে হামলা চালিয়ে সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার মাধ্যমে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানায় যে, এসব হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন।
আইআরজিসির দাবি, ইরানের সিরিক এবং কেশমে অবস্থিত স্থাপনাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিশোধ হিসেবে এই অভিযানটি পরিচালিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৪৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল
শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের আগের হামলার জবাবে মার্কিন বাহিনী ইরানের সামরিক নজরদারি অবকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আকাশ প্রতিরক্ষা স্থাপনা, ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং সমুদ্রে মাইন পাতা সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
মার্কিন হামলার পর নৌবাহিনী নতুন করে একটি কঠোর হুঁশিয়ারি দেয়। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, 'মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো নরকযন্ত্রণা ভোগ করবে।'
আইআরজিসি নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, সিরিক শহরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণকে দুর্বল করতে পারেনি।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'নিয়ম ভঙ্গকারী জাহাজগুলোর ওপর আমাদের গুলি চালানো অন্য জাহাজগুলোর জন্যও একটি স্পষ্ট বার্তা— কোন পথে নিরাপদে চলাচল করতে হবে।'
আরও পড়ুন: কসোভোতে মুসলিম দেশ হিসেবে অন্য এক দৃষ্টান্ত: ক্যাথলিক নারী নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট
এতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, 'অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর বিষয়টি আলাদা। আগামী দিনগুলোতে তারা নরকযন্ত্রণা ভোগ করবে।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন