০৯:১৪ এম
চট্টগ্রামে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলা হয়েছে।
সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলায় প্রায় 80 শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে এবং সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছেন।
এছাড়া, জেলার চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, ফটিকছড়ি, রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব স্থানে বিশুদ্ধ পানি এবং খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: প্লাস্টিক দূষণ বন্ধের এখনই সময়: বরিশালে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে আলোচনা
জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সকল ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য।
একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে 24 ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।
জেলার 15 উপজেলায় প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জানান, সাতকানিয়া ও বাঁশখালী উপজেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধার এবং ত্রাণ বিতরণসহ সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।
এদিকে, সাতকানিয়া উপজেলায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এ উপজেলার প্রায় 80 শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। মানুষের বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।
আরও পড়ুন: বরিশাল বিএম কলেজের শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন