শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৯ পি.এম
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরে একটি দেশে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনের বিষয়ে সম্মত হয়েছে পাঁচটি ইইউভুক্ত দেশ। এই ‘রিটার্ন হাব’-এ আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়া অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর জন্য তাদের রাখা হবে।
ডেনমার্কের এক মন্ত্রী শুক্রবার জানিয়েছেন, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে এ উদ্যোগ শুরু করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, ইউরোপের বাইরে প্রত্যাবাসনকেন্দ্র স্থাপনের জন্য কোপেনহেগেনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ডেনমার্ক, গ্রিস, অস্ট্রিয়া, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস এই উদ্যোগে একমত হয়েছে।
ডেনমার্কের অভিবাসনমন্ত্রী মর্টেন বোডস্কভ বলেন, “নতুন বছরের কাছাকাছি সময়ে আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের একটি অংশীদার দেশের সঙ্গে এ বিষয়ে একটি অভিন্ন সমঝোতায় পৌঁছানোর আশা করছি।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এসব দেশ ইইউর আশ্রয় ও অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আনছে।
উগান্ডা ও রুয়ান্ডাকে সম্ভাব্য অংশীদার দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
গ্রিসের অভিবাসন ও আশ্রয়বিষয়ক মন্ত্রী থানস প্লেভরিস জানান, লক্ষ্য হলো ২০২৭ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের কোনো একটি দেশে ‘রিটার্ন হাব’ চালু করা।
এ বিষয়ে আলোচনা বর্তমানে ‘অগ্রসর পর্যায়ে’ রয়েছে বলেও তিনি জানান।
এদিকে, শুক্রবার ডেনমার্ক জানিয়েছিল, এ ধরনের ‘রিটার্ন হাব’-এ আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত ব্যক্তিদের ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ পাঠানোর জন্য তারা প্রস্তুত থাকবে। অর্থাৎ, এটি বছরের শুরুতে নয়, বরং ২০২৭ সালের শেষ দিকে শুরু হতে পারে।
গত জুনে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট কঠোর অভিবাসন নীতির অনুমোদন দেয়, যার ফলে কর্তৃপক্ষের আটক করার ক্ষমতা বাড়ানো হয় এবং ইউরোপের বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনের সুযোগ তৈরি হয়।
তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছে।
এর আগে, যুক্তরাজ্য অবৈধ অভিবাসীদেরকে রুয়ান্ডায় পাঠানোর একটি পরিকল্পনা বাতিল করে।
অন্যদিকে, ইতালির উদ্যোগে আলবেনিয়ায় অভিবাসীদের প্রক্রিয়াকরণের জন্য স্থাপিত কেন্দ্রগুলো আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এবং সেখানে প্রত্যাশার তুলনায় খুব কমসংখ্যক অভিবাসী পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিউবায় অন্ত্রের রোগ ও ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার কারণে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) হাভানায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ভ্রমণকারী ও বাসিন্দাদের জন্য স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র দ্বীপটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ আটকে রেখেছে।
সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, কিউবায় ডায়রিয়াজনিত রোগের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে, যা পানি ও জ্বালানি অবকাঠামোর ক্রমাগত অবনতির সাথে সম্পর্কিত। এই অবনতি পানি সরবরাহ এবং খাদ্য সংরক্ষণ ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে।
ট্রাম্প প্রশাসন এই কমিউনিস্ট শাসিত দ্বীপটিতে জ্বালানি অবরোধ আরোপ করার নয় মাস পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই সতর্কতা এল। এই অবরোধের ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ব্যাপকভাবে বেড়েছে এবং বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে খাবার সংরক্ষণ ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখার বিষয়টি জটিল হয়ে পড়েছে। জাতিসংঘ-নিযুক্ত মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্পের এই জ্বালানি অবরোধকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন। আগস্ট মাসে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের একটি দল সতর্ক করেছিল, যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা কঠোর করার ফলে দ্বীপটিতে রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানবিক পরিণতি ইতোমধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ সংকটের রূপ নিচ্ছে, যা স্বাস্থ্য, জীবন, খাদ্য ও উন্নয়নের অধিকারকে হুমকির মুখে ফেলছে। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, দ্বীপটির সরকার পরিবর্তনে বাধ্য করার জন্য এই নিষেধাজ্ঞা জরুরি। ১৯৫৯ সালে ফিদেল কাস্ত্রোর বিপ্লবের পর থেকেই এটি যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের লক্ষ্য। ট্রাম্প কিউবাকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
কিউবার বাসিন্দারা বেশ কয়েক মাস ধরে ব্যাপক অসুস্থতার অভিযোগ করে আসছেন; এসব অসুস্থতার ফলে কয়েক দিন ধরে ডায়রিয়া, জ্বর ও শরীর ব্যথা দেখা দিচ্ছে এবং অনেকে শয্যাশায়ী হয়ে পড়ছেন। ক্যারিবীয় অঞ্চলের ভ্যাপসা গরমের সময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বা ফ্যান ছাড়া ঘুমানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে রেফ্রিজারেশন বা হিমায়ন ব্যবস্থা ছাড়া খাবার সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি অবরোধের কারণে দিনের পর দিন বিদ্যুৎহীন থাকা এখন সেখানে একটি সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে।
শুক্রবার জারি করা মার্কিন স্বাস্থ্য সতর্কবার্তায় কিউবার ভ্রমণকারী ও বাসিন্দাদের সংরক্ষিত পচনশীল খাবারের পাশাপাশি এবং দীর্ঘ সময় ধরে তাপমাত্রায় রাখা খাবার পরিহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলার ফলে সৃষ্ট ধ্বংসাবশেষের মাঝে মানবিক সংকটের সমাধানের জন্য ব্রিটেনকে ‘আরও বড় ও চূড়ান্ত পদক্ষেপ’ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড।
তিনি একটি ভিডিও বার্তায়, যা ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা হয়েছে, উল্লেখ করেন, ‘গাজায় সরাসরি অবস্থান করছেন এবং সম্প্রতি সেখান থেকে ঘুরে এসেছেন-এমন ব্যক্তিদের সাথে গাজা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করে এইমাত্র বের হলাম। সত্যি বলতে, সেখানে যা ঘটছে তা অত্যন্ত ভয়াবহ।’
এছাড়া, তিনি জানান, বিশেষজ্ঞরা তাঁকে সতর্ক করে বলেছেন যে ‘ওষুধ পৌঁছাতে বাধা দেওয়া হচ্ছে’ এবং ‘জরুরি জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসার অপেক্ষায় থেকে শিশুদের মৃত্যু হচ্ছে।’
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যুক্তরাজ্য সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমাদের অবশ্যই কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে এবং এখন পর্যন্ত যা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার চেয়েও আরও জোরালো ও দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে হবে।’
সূত্র: আল-জাজিরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেইমার জুনিয়রের জন্য খারাপ সময় যেন শেষ হচ্ছে না। নতুন করে বড় ধরনের চোটে আক্রান্ত হয়ে মাঠের বাইরে চলে গেছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।
ডান ঊরুর ইনজুরির কারণে তাকে আগামী চার থেকে আট সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হতে পারে, যা নিশ্চিত করেছে তার শৈশবের ক্লাব সান্তোস।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী, নেইমারের ডান ঊরুর ‘রেক্টাস ফেমোরিস’ পেশিতে ‘টাইপ ২বি’ মাত্রার চোট ধরা পড়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, পুরোপুরি সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরতে সর্বোচ্চ দুই মাস পর্যন্ত পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে যেতে হবে এই ব্রাজিলিয়ান পোস্টার বয়কে।
গত বুধবার কোপা দো ব্রাজিলের কোয়ার্টার ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পালমেইরাসের বিপক্ষে ড্র হওয়া ম্যাচে এই চোট পান নেইমার
ম্যাচের প্রথমার্ধে ডান ঊরুতে তীব্র অস্বস্তি অনুভব করেন তিনি, যার ফলে বিরতির পর আর ঝুঁকি না নিয়ে তাকে তুলে নেওয়া হয়।
তবে এই চোটের পরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন নেইমার। চোট পাওয়ার পেছনে সান্তোসের ঐতিহ্যবাহী হোম গ্রাউন্ড ‘ভিলা বেলমিরো’র বেহাল দশাকে সরাসরি দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় নিখোঁজ হওয়ার পাঁচ দিন পর ৩৩ বছর বয়সী রাজ কুমার দিয়ালির একটি হাতের সন্ধান পেয়েছেন তার স্বজনরা। রাজ কুমারের হাতটি কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়েছে।
গত ২৬ আগস্ট ভোতেকোশি নদীর ভয়াবহ বন্যায় রাজ কুমার তার স্ত্রী শ্রীতি দিয়ালি (৩০) এবং চার বছরের ছেলে সিরাজকে নিয়ে নিখোঁজ হন। এরপর থেকে স্বজনরা চিতওয়ান ও নাওয়ালপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় তাদের সন্ধানে তল্লাশি চালান। কাদা ও পাথরের স্তূপ সরিয়ে মরদেহ খুঁজলেও কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।
পরিবারের সদস্যদের মধ্যে তখনও ক্ষীণ আশা ছিল—হয়তো তারা জীবিত অবস্থায় ফিরে আসবেন। তবে সময়ের সাথে সাথে সেই আশা ফিকে হয়ে আসে।
বন্যার পাঁচ দিন পর রাজ কুমারের ভাতিজা অবিনাশ নাওয়ালপুরে ভেসে আসা একটি মানুষের হাত দেখতে পান। হাতটি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে তিনি মনে করেন, এটি তার চাচার হাত হতে পারে। পরে তিনি হোয়াটসঅ্যাপে হাতটির ছবি আমৃত দিয়ালিকে পাঠান।
রাজ কুমারের ভাই আমৃত জানান, ছবিটি দেখার পর তারও মনে হয়েছে হাতটি তার ভাইয়ের। আঙুল ও নখের আকৃতিসহ বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রাজ কুমারের হাতের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে।
তবে বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য মঙ্গলবার হাতটির নমুনা ডিএনএ পরীক্ষার জন্য কাঠমান্ডুর ন্যাশনাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার নমুনাটি বর্তমানে ১৮২তম সিরিয়ালে রয়েছে। ফলে ফল পেতে আরও সময় লাগতে পারে।
আমৃত বলেন, ‘আমরা এখন আর অন্য কিছু পাওয়ার আশা করছি না। ওই হাতটি যদি আমার ভাইয়েরও হয়, অন্তত আমরা নিশ্চিত হতে পারব।’
রাজ কুমার রাসুয়া জেলার স্যাফ্রুবেশিতে প্রায় ১৫ বছর ধরে গয়নার ব্যবসা করতেন। ওই এলাকায় তিনিই ছিলেন একমাত্র গয়না ব্যবসায়ী। ব্যবসা ভালো চলছিল।
বন্যার সময় রাজ কুমারের ভাতিজা শচীন খাতি ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান। বন্যার মাত্র কয়েক মিনিট আগে রাজ কুমার তাকে চিলিমেতে বন্ধক রাখা গয়না পৌঁছে দিতে পাঠিয়েছিলেন। শচীন গয়না পৌঁছে দিয়ে ফেরার সময় দেখেন, পানির প্রবল স্রোতে পুরো গ্রাম ভেসে গেছে।
রাজ কুমারের বোন রমা দিয়ালি বলেন, ‘তারা শুধু উৎসবের সময় বাড়িতে আসত, এরপর আবার ফিরে যেত। এখনও আমরা রাস্তার দিকে তাকিয়ে থাকি, ভাবি কখন আমার ভাই বাড়ি ফিরবে।’
বন্যার কয়েক দিন আগে রাজ কুমার স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে কাঠমান্ডু গিয়েছিলেন কাপানে একটি জমি কেনার জন্য অগ্রিম টাকা দিতে। তবে জমির মালিক না আসায় চুক্তির বিষয়টি পরে করার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর ২৪ আগস্ট ভোরে তারা রাসুয়ার উদ্দেশে রওনা হন। সেটিই ছিল ভাইয়ের সঙ্গে আমৃতের শেষ দেখা।
শেষবারের সেই স্মৃতি এখনো তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে আমৃতকে। তিনি জানান, কাঠমান্ডুতে খাওয়ার পর রাজ কুমারের ছেলে তাকে বলেছিল, ‘চাচা, আমার হাত-মুখটা ধুয়ে দাও।’ শিশুটি তার ফুফু রমার কাছ থেকে দুটি মোরগ এনে দেওয়ার কথাও বলেছিল।
রাজ কুমার দ্রুত রাসুয়ায় ফিরতে চেয়েছিলেন। গোসাইকুণ্ডে যাওয়া পর্যটকদের দেওয়ার জন্য তার কাছে কিছু গয়না ও পণ্য ছিল। অর্ডারগুলো পৌঁছে না দিয়ে তিনি থাকতে চাননি। তিনি জানিয়েছিলেন, ৩০ বা ৩১ আগস্টের দিকে আবার কাঠমান্ডুতে ফিরবেন।
কিন্তু তার আগেই নেমে আসে ভয়াবহ বন্যা। এরপর রাজ কুমার, তার স্ত্রী ও চার বছরের সন্তান নিখোঁজ হন।
এখন পরিবারের অপেক্ষা শুধু ডিএনএ পরীক্ষার ফলের জন্য। স্বজনদের আশা, অন্তত রাজ কুমারের দেহের কোনো অংশের সন্ধান মিললে তারা জানতে পারবেন, ভয়াবহ বন্যার পর তার পরিবারের সঙ্গে আসলে কী ঘটেছিল। তথ্যসূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ