০৮:২০ এম
ইরানের দারখোভিন অঞ্চলে নির্মাণাধীন একটি পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানোর জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে দেশটির আণবিক শক্তি সংস্থা। তারা জানিয়েছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণকাজ একেবারে শুরুর পর্যায়ে ছিল। এই হামলার বিষয়ে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা তদন্ত করছে।
আণবিক শক্তি সংস্থার একটি বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে এই হামলা একটি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। যুক্তরাষ্ট্রের চরিত্রই হলো অন্যায়ভাবে ক্ষমতার দাপট দেখানো।
আল জাজিরার উদ্ধৃতি দিয়ে সংস্থাটি বলেছে, মার্কিন সরকার, যা সন্ত্রাসী ও অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত, তাদের প্রকৃতি হলো নিপীড়ন ও আইনহীনতার প্রতীক। তারা এই আগ্রাসী ও বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে।
আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা
ইরান এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন বিবেচনা করে এটিকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও বর্বরোচিত আগ্রাসন’ বলে অভিহিত করেছে।
হরমুজ এলাকায় পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে নিউজনেশনকে ট্রাম্প বলেছেন, তাদের লক্ষ্য হলো ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা। এই লক্ষ্যের কথা ওয়াশিংটন আগে থেকেই ঘোষণা করেছে। তবে ট্রাম্পের নতুন বক্তব্যের মধ্যে গত শনিবারের অষ্টম রাতের হামলায় ইরানের দারখোভিন অঞ্চলে নির্মাণাধীন একটি পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা করা হয়।
মার্কিন সেনাবাহিনী সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, শনিবার রাতের হামলার লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সক্ষমতা কমিয়ে দেওয়া এবং জর্ডানে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলার জন্য ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরকে শাস্তি দেওয়া।
এদিকে, ইরানের সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘বিধ্বংসী জবাব’ দেওয়ার হুমকি দিয়েছে।
আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ
ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের কমান্ডার মেজর-জেনারেল আলী আবদুল্লাহি যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছেন যে, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন বা বর্বরতার উত্তর হবে একটি চূড়ান্ত ও বিধ্বংসী জবাব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন