ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দ্রুত বদলে যাচ্ছে বিশ্বের ৫ শহর, কেন ঘুরতে যাবেন?


দ্রুত বদলে যাচ্ছে বিশ্বের ৫ শহর, কেন ঘুরতে যাবেন?

নিউইয়র্ক, লন্ডন ও প্যারিসের বাইরে ভ্রমণের নতুন আকর্ষণ হিসেবে তুলুজ, হো চি মিন সিটি, ওয়ারশ, মেডেলিন ও আবুধাবি উঠে এসেছে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, খাদ্য ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের ফলে শহরগুলো পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।

বিশ্বের জনপ্রিয় পর্যটন শহরগুলোর বাইরে নতুন গন্তব্য খুঁজছেন ভ্রমণপিপাসুরা। তাদের জন্য ফ্রান্সের তুলুজ, ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি, পোল্যান্ডের ওয়ারশ, কলম্বিয়ার মেডেলিন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, আধুনিক অবকাঠামো, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং খাবারের বৈচিত্র্যে শহরগুলোর পরিচিতি বদলে যাচ্ছে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের ২০২৬ সালের গ্লোবাল সিটিজ ইনডেক্সে বিশ্বের পরিচিত শহরগুলোর পাশাপাশি নজর দেওয়ার মতো ২৮টি শহর চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখান থেকে পাঁচটি শহর বেছে নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ভ্রমণসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে শহরগুলোর পরিবর্তন ও পর্যটন আকর্ষণ তুলে ধরা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কংগ্রেসকে পরজীবী ও রাহুলকে ব্যর্থ পণ্য আখ্যা দিলেন নরেন্দ্র মোদি

তুলুজ, ফ্রান্স

ফ্রান্সের দ্রুত বর্ধনশীল শহরগুলোর একটি হলো তুলুজ। আগামী চার বছরে শহরটির জনসংখ্যা ৫৭ হাজার বাড়তে পারে। স্বস্তিদায়ক আবহাওয়া, তুলনামূলক কম জীবনযাত্রার ব্যয় ও উন্নত জীবনমানের কারণে তরুণ ও দক্ষ পেশাজীবীদের কাছে শহরটি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

লন্ডনে ১০ বছর থাকার পর তুলুজে ফেরা এলোদি পারামেলের মতে, বড় শহরের প্রাণচাঞ্চল্য ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের পাশাপাশি এখানে শান্ত জীবন উপভোগের সুযোগ রয়েছে। ক্যাফে, ককটেল বার ও ভালো খাবারের জায়গার সংখ্যা বাড়ছে।

প্যারিসে সাত বছর কাটিয়ে তুলুজে ফেরা মেলোদি টাইলার বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শহরটি অনেক বদলেছে। হাঁটা ও সাইকেল চালানোর পরিবেশ আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। ঐতিহাসিক কেন্দ্রের বাইরেও বিভিন্ন এলাকায় উৎসব ও সাংস্কৃতিক আয়োজন হচ্ছে।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানের গোয়াদরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত ৩ সন্ত্রাসী

মহাকাশ ও উড়োজাহাজশিল্পের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত তুলুজ। এখানে এয়ারবাসের বৈশ্বিক সদর দপ্তরসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মহাকাশ সম্পর্কে জানতে পর্যটকেরা সিতে দ্য লেসপাস মহাকাশ জাদুঘর ঘুরে দেখতে পারেন। আর উড়োজাহাজের ইতিহাস জানতে যেতে পারেন অ্যারোস্কোপিয়া জাদুঘরে।

হো চি মিন সিটি, ভিয়েতনাম

ভিয়েতনামের সবচেয়ে বড় শহর হো চি মিন সিটি দ্রুত বদলে যাচ্ছে। অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে শহরটি বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল ৫০টি শহরের মধ্যে জায়গা করে নিতে পারে। ২০৫০ সালের মধ্যে এর অর্থনীতি জার্মানির বার্লিনের সমপর্যায়ে পৌঁছানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।

শহরটির পরিবর্তনের অন্যতম নিদর্শন প্রথম মেট্রোরেল। ২০২৪ সালের শেষ দিকে চালু হওয়া প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথ শহরের কেন্দ্রের বেন থান বাজার থেকে সুয়ি তিয়েন থিম পার্ক পর্যন্ত বিস্তৃত।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের লড়াই বদলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট

আধুনিক অবকাঠামোর পাশাপাশি ঔপনিবেশিক আমলের স্থাপনা ও স্থানীয় সংস্কৃতিও পর্যটকদের আকর্ষণ করে। ঘুরে দেখা যায় সেন্ট্রাল পোস্ট অফিস, অপেরা হাউস ও ওয়ার রেমন্টস জাদুঘর।

খাবারের বৈচিত্র্য উপভোগ করাও ভ্রমণের অন্যতম আকর্ষণ। পর্যটকেরা চেখে দেখতে পারেন ভিয়েতনামি ব্যাগেট স্যান্ডউইচ বান মি, ভাঙা চাল দিয়ে তৈরি কোম তাম ও মুচমুচে প্যানকেক বান সেও।

কেন্দ্রীয় জেলা-১-এর বাইরেও রয়েছে ঘোরার মতো জায়গা। ঐতিহাসিক চায়নাটাউন চো লোনের বাজার, মন্দির ও ওষুধের দোকান যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি থাও দিয়েন এলাকায় রয়েছে বুটিক, গ্যালারি ও স্থানীয় ব্র্যান্ডের দোকান।

ওয়ারশ, পোল্যান্ড

আরও পড়ুন: ইরানের ওপর ভয়াবহ হামলা করেছি, আবারো হামলা চালাব: ট্রাম্প

পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জীবনমানের উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে। অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের গ্লোবাল সিটিজ ইনডেক্সে শহরটি ১০০টির বেশি ধাপ এগিয়ে ৬১তম অবস্থানে উঠেছে। জীবনমানের সূচকে লন্ডন, নিউইয়র্ক ও টোকিওর চেয়েও এগিয়ে রয়েছে শহরটি।

পোলিশ-অস্ট্রেলীয় কনরাড ওয়ারজেচার মতে, গত দুই দশকে ওয়ারশের পরিবর্তন অসাধারণ। নতুন রাস্তা, মহাসড়ক ও আকাশচুম্বী ভবন শহরের চেহারা বদলে দিয়েছে। একই সঙ্গে রাস্তাঘাটের পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তারও উন্নতি হয়েছে।

প্রথমবার ওয়ারশ গেলে প্যালেস অব কালচার অ্যান্ড সায়েন্স থেকে ঘোরাঘুরি শুরু করা যেতে পারে। সেখান থেকে নোভি শভিয়ান্ত সড়ক ধরে পৌঁছানো যায় ঐতিহাসিক পুরোনো শহরে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল।

শহর ঘুরতে ঘুরতে খেয়ে দেখতে পারেন পোলিশ ডোনাট পঁচকি। স্থানীয় বার মিলেচনি বা সাধারণ খাবারের দোকানেও মিলবে ঘরোয়া স্বাদের খাবার। পানীয়সহ তিন পদের খাবারের জন্য খরচ হতে পারে প্রায় ১৩ পাউন্ড, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় দুই হাজার ১০০ টাকা।

আরও পড়ুন: হরমুজে ৭ তেলবাহী জাহাজে হামলার দাবি ইরানের

মেডেলিন, কলম্বিয়া

একসময় বিপজ্জনক শহর হিসেবে পরিচিত মেডেলিন এখন গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন ও ব্যবসাকেন্দ্র হয়ে উঠছে। গত ২০ বছরে শহরটির ব্যবসা ও আর্থিক সেবাখাতে কর্মসংস্থান দ্বিগুণের বেশি হয়েছে।

অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৪০-এর দশকে মেডেলিনের গড় আয় বুয়েনস এইরেস ও সাও পাওলোর চেয়ে বেশি হতে পারে।

গত ১০ বছর ধরে শহরটিতে বসবাস করা প্যাট্রিক কুইন বলেন, একসময় মূলত দুঃসাহসী পর্যটকেরা মেডেলিনে আসতেন। এখন শহরটি পর্যটকদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পাহাড়ি এলাকায় যাতায়াতের জন্য রয়েছে মেট্রোকেবল। খাবার, শিল্প ও নকশার জগতেও বাড়ছে শহরটির পরিচিতি।

আরও পড়ুন: রিয়াদ বিমানবন্দরে লাগেজ হারানো যাত্রীদের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাসের জরুরি বার্তা

শহরের স্থানীয় সংস্কৃতি জানতে পর্যটকেরা যেতে পারেন পেরপেতুও সোকোরো এলাকায়। সেখানে রয়েছে নকশার দোকান, গ্যালারি ও কফির দোকান।

একসময় বিপজ্জনক এলাকা হিসেবে পরিচিত কোমুনা ১৩ এখন পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। স্থানীয় গাইডের সঙ্গে এলাকাটি ঘুরে দেখলে দেয়ালচিত্র, চলন্ত সিঁড়ি ও সংগীতের পেছনের ইতিহাস জানা যায়। এ ছাড়া পবলাদো ও লরেলেস এলাকাও ঘুরে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত

একসময় তেলনির্ভর অর্থনীতির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা আবুধাবি এখন প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, আবাসন ও আর্থিক খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের সূচকে কর্মীদের দক্ষতা ও শিক্ষার দিক থেকে শহরটির অবস্থান ষষ্ঠ। তেলবহির্ভূত অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানেও শহরটি আরও এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবুধাবি ও শারজায় বসবাস করা মার্কিন নাগরিক মুনা আবু-হিজলেহের মতে, দুবাই বা শারজার তুলনায় আবুধাবি বেশি শান্ত ও খোলামেলা। এখান থেকে সহজেই সমুদ্রসৈকত, ম্যানগ্রোভ বন ও নিরিবিলি আবাসিক এলাকায় যাওয়া যায়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করা জেরেমি সাভরির মতে, দুবাইয়ের জাঁকজমকের পাশাপাশি আবুধাবি তুলনামূলক স্থিতিশীল জীবনযাপনের বিকল্প। শহরটিতে সাংস্কৃতিক আয়োজনও বাড়ছে।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবুধাবির সাদিয়াত দ্বীপে ২০২৫ সালে চালু হয়েছে ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম আবুধাবি ও জায়েদ ন্যাশনাল মিউজিয়াম। স্থপতি ফ্র্যাঙ্ক গেরির নকশায় নির্মিত গুগেনহাইম আবুধাবি ২০২৬ সালের ১১ ডিসেম্বর উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

শহরটিকে বুঝতে পর্যটকদের অন্তত এক দিন ধীরেসুস্থে কাটানোর পরামর্শ দিয়েছেন আবু-হিজলেহ। স্থানীয় ক্যাফেতে নাশতা করা কিংবা শপিং মলে ঘোরার মধ্য দিয়েও এখানকার জীবনযাত্রার সঙ্গে পরিচিত হওয়া সম্ভব।

বাইরে থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে অত্যাধুনিক মনে হলেও আকাশচুম্বী ভবন ও বিলাসবহুল হোটেলের আড়ালে মানুষের দৈনন্দিন জীবন অনেকটাই সাধারণ। আবুধাবির এই বৈচিত্র্যও পর্যটকদের জন্য আলাদা অভিজ্ঞতা হতে পারে।

নতুন অভিজ্ঞতার খোঁজে

আধুনিক অবকাঠামো, ঐতিহাসিক স্থাপনা, স্থানীয় খাবার ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য সব মিলিয়ে এই পাঁচ শহর ভ্রমণপিপাসুদের সামনে খুলে দিচ্ছে নতুন সম্ভাবনা। পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের বাইরে গিয়ে স্থানীয় জীবনযাত্রা কাছ থেকে দেখতে চাইলে শহরগুলো ভ্রমণের তালিকায় রাখার মতো গন্তব্য হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্লোবাল টি-টোয়েন্টিতে সাকিব, নাসির ও রনি একই দলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ এম


গ্লোবাল টি-টোয়েন্টিতে সাকিব, নাসির ও রনি একই দলে

কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগে একই দলে খেলতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, নাসির হোসেন এবং রনি তালুকদার। ভ্যাঙ্কুভার গার্ডিয়ান্সে তাদের সঙ্গে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকা, আফগানিস্তান, স্কটল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বেশ কিছু পরিচিত ক্রিকেটার।

ভ্যাঙ্কুভার নাইটসের নতুন নাম ভ্যাঙ্কুভার গার্ডিয়ান্স। এই দলের হয়ে খেলার কথা রয়েছে স্কটল্যান্ডের জর্জ মানসি, দক্ষিণ আফ্রিকার কলিন ইনগ্রাম, আফগানিস্তানের হজরতউল্লাহ জাজাই এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেনার লুইসের। এছাড়া শ্রীলঙ্কার মালিন্দা পুষ্পকুমারা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাহিদ আলীও এই দলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

তবে সাকিবের অংশগ্রহণ নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কারণ একই সময়ে তার নেপাল প্রিমিয়ার লিগে খেলার কথা রয়েছে। অন্যদিকে, নাসির ও রনিকে নিয়মিতভাবে কানাডার ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে দেখা যেতে পারে। নাসির ইতোমধ্যে দেশ ছেড়ে গেছেন।

এবারের গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগের ম্যাচগুলো কানাডার পরিবর্তে অনুষ্ঠিত হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনে। টুর্নামেন্টটি চলবে ২ নভেম্বর পর্যন্ত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইলন মাস্কের ডেমোক্র্যাটদের প্রতি ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ এম


ইলন মাস্কের ডেমোক্র্যাটদের প্রতি ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি

আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে যদি জয়ী হন, তাহলে মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্কের কর্মকাণ্ড এবং কথিত দুর্নীতির তদন্তের উদ্যোগ গ্রহণের পরিকল্পনা করছে ডেমোক্র্যাটরা। এই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই কোটিপতি সহযোগী ডেমোক্র্যাটদের প্রতি সরাসরি হুমকি প্রদান করেছেন।

নিজের মালিকানাধীন সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) মাস্ক মন্তব্য করেন, ‘যে তরবারি দিয়ে আঘাত করবে, সে তরবারির আঘাতেই মরবে।’ ডেমোক্র্যাটদের পরিকল্পনা সম্পর্কিত নিউজ পোর্টাল ‘পলিটিকো’র একটি প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে তিনি এই মন্তব্য করেন।

মাস্ক, যিনি বিভিন্ন সময় ষড়যন্ত্র তত্ত্ব প্রচারের জন্য পরিচিত, আরও লেখেন, ‘যারা আমার সঙ্গে বিরোধে জড়াবে, তাদের বুঝতে হবে যে নেপথ্যে আসলে কে সুতা নাড়াচ্ছে তা আমি খুঁজে বের করব এবং শুধু অনুগত পুতুলদের পেছনে না ছুটে সরাসরি আসল মাথার পেছনেই লাগব।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হিসেবে পরিচিত ইলন মাস্ক, ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির অন্যতম শীর্ষ অর্থদাতা। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা হওয়ার পাশাপাশি তার মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের মাধ্যমে সরকারি চুক্তির বড় অঙ্কের সুবিধাভোগী। এছাড়া, তিনি বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রস্তুতকারী শীর্ষ প্রতিষ্ঠান টেসলারও প্রধান।

২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পকে দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে মাস্ক আর্থিক ও নীতিগত সহায়তা প্রদান করেন। পরে তিনি সরকারি খরচ কমাতে এবং প্রায় তিন লাখ সরকারি কর্মচারীকে ছাঁটাই করার একটি বিতর্কিত প্রকল্পের নেতৃত্ব দেন।

বর্তমানে মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষে, অর্থাৎ উচ্চকক্ষ সেনেট ও নিম্নকক্ষ রিপ্রেজেন্টেটিভসে নিয়ন্ত্রণ রয়েছে রিপাবলিকানদের। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনে নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের কাছে চলে যেতে পারে।

যদি ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তাহলে তারা শক্তিশালী তদন্ত কমিটিগুলোর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে, যার মাধ্যমে কাউকে জবাবদিহিতা ও সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করার ক্ষমতা থাকবে। সে ক্ষেত্রে ইলন মাস্ক তাদের মূল লক্ষ্য হতে পারেন।

পলিটিকোর প্রতিবেদনে প্রভাবশালী ডেমোক্র্যাট সদস্য জো লোফগ্রেনকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, ‘মাস্কের স্বার্থের সংঘাত ও সরকারি পদের অপব্যবহারের যে বিশাল তালিকা সামনে এসেছে, তা এক কথায় স্তম্ভিত করার মতো।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বর্ণের দামে ফের পতন, বাজারে বাড়ছে চাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ এম


স্বর্ণের দামে ফের পতন, বাজারে বাড়ছে চাপ

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আবারও পতনের সম্মুখীন হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) মুদ্রানীতি নির্ধারণী বৈঠক আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যার ফলে সুদের হারের গতিপথ সম্পর্কে নতুন সংকেতের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এই পরিস্থিতিতে স্বর্ণের বাজারে চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে এশিয়ার প্রাথমিক লেনদেনে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৬ শতাংশ কমে যায়। ফলে প্রতি আউন্সের দাম ৪ হাজার ১১৫ ডলার ৫০ সেন্টে নেমে আসে। এর আগের দিন বুধবার দাম কমে ৪ হাজার ১০৪ ডলার ৩৩ সেন্টে দাঁড়িয়েছিল, যা ১৫ অক্টোবরের পর সর্বনিম্ন।

অন্যদিকে, ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণের ফিউচার মূল্য ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৩২ ডলার ৩০ সেন্ট হয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাজার সংশ্লিষ্টদের নজর এখন ২৭ ও ২৮ অক্টোবর ফেডের মুদ্রানীতি নির্ধারণী বৈঠকের দিকে। পাশাপাশি, আগামী সপ্তাহে প্রকাশিতব্য ব্যক্তিগত ভোগব্যয় (পিসিই) মূল্যসূচকের তথ্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতি বুঝতে ফেড এই সূচকটি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে, যার লক্ষ্য মূল্যস্ফীতির হার ২ শতাংশে নামিয়ে আনা।

গণমাধ্যমটির জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় সব অর্থনীতিবিদের ধারণা, অক্টোবরে ফেড সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে। তবে ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা ব্যবসায়ীদের মধ্যে ১৬ শতাংশ। অন্যদিকে, ডিসেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৯০ শতাংশ ধরে নিচ্ছেন তারা।

সাধারণত সুদের হার বৃদ্ধি পেলে স্বর্ণের দামে চাপ সৃষ্টি হয়। কারণ, স্বর্ণ থেকে কোনো সুদ পাওয়া যায় না। ফলে সুদের হার বাড়লে স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগব্যয় বেড়ে যায় এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে সুদ পাওয়া যায় এমন সম্পদ তুলনামূলকভাবে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।

স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও দরপতন ঘটেছে। বৃহস্পতিবার স্পট মার্কেটে রুপার দাম ১.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৭ ডলার ৩৩ সেন্টে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম ১.১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬০৯ ডলার ৯৫ সেন্ট এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৭৮ ডলার ৫২ সেন্ট হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেক্সিকোর আপত্তি উপেক্ষা করে ২৩০০ নাগরিককে গুয়াতেমালায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৫ এম


মেক্সিকোর আপত্তি উপেক্ষা করে ২৩০০ নাগরিককে গুয়াতেমালায় পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র

মেক্সিকো সরকারের আপত্তি সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ২ হাজার ৩০০ মেক্সিকান নাগরিককে গুয়াতেমালায় পাঠিয়েছে। তাদের পরবর্তীতে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসীদের বহিষ্কারের অভিযানের অংশ হিসেবে এই ঘটনা ঘটছে। তৃতীয় দেশে অভিবাসীদের পাঠানোর এই প্রবণতা নিয়ে মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

গুয়াতেমালার প্রেসিডেন্ট বার্নার্দো আরেভালো বুধবার জানিয়েছেন, চলতি বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত ২ হাজার ২৮৪ জন মেক্সিকান নাগরিককে তার দেশ গ্রহণ করেছে।

আরেভালো এক সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন, গুয়াতেমালায় ফেরত আসা নাগরিকদের বহনকারী বিমানে মেক্সিকানদেরও আনা হচ্ছে। মেক্সিকো সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের গুয়াতেমালার মধ্য দিয়ে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। দেশটিতে পৌঁছানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের মেক্সিকোর ভূখণ্ডে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে পাঠানোর ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের গন্তব্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক নাও থাকতে পারে। মার্কিন প্রশাসনের যুক্তি হলো, যাদের বহিষ্কার করা হচ্ছে, তাদের অনেককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব নয়। তবে মেক্সিকোর ক্ষেত্রে এই যুক্তি প্রযোজ্য নয়, কারণ দেশটি নিয়মিতভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত নাগরিকদের গ্রহণ করে আসছে।

সমালোচকদের মতে, তৃতীয় দেশে অভিবাসীদের পাঠানো এক ধরনের শাস্তি। এতে অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীরা নিজ দেশ থেকে অনেক দূরে আটকা পড়ার ঝুঁকিতে থাকেন।

মেক্সিকান নাগরিকদের গুয়াতেমালায় পাঠানোর বিষয়ে আরেভালো জানান, তাদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে খরচ বহন করছে মেক্সিকো অথবা যুক্তরাষ্ট্রের সরকার।

তবে তৃতীয় দেশে নিজেদের নাগরিকদের পাঠানোর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মেক্সিকো সরকার। বৃহস্পতিবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষের কাছে এ চর্চার বিরোধিতা জানিয়েছে মেক্সিকো। একই সঙ্গে দেশটির প্রত্যেক নাগরিকের মেক্সিকোয় প্রবেশের অধিকার রয়েছে বলে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার গুয়াতেমালার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর মেক্সিকোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরো জানায়, দুই দেশ অভিন্ন মূল্যবোধে বিশ্বাসী। এর মধ্যে নিরাপত্তা এবং মর্যাদার সঙ্গে মানুষের চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়টিও রয়েছে।

গুয়াতেমালাই একমাত্র দেশ নয়, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র মেক্সিকান নাগরিকদের পাঠাচ্ছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কিছু মেক্সিকান নাগরিককে হন্ডুরাসেও পাঠানোর খবর পাওয়া গেছে।

হন্ডুরাসে বহিষ্কৃত হয়ে যাওয়া মেক্সিকান নাগরিক আর্তুরো ত্রেখো টেলিভিশন চ্যানেল টেলিমুন্দোকে জানান, তাদের কিছু জানানো হয়নি। শুধু বিমানে উঠতে বলা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র কেন মেক্সিকান নাগরিকদের তৃতীয় দেশে পাঠাচ্ছে, সে বিষয়ে মেক্সিকোর জাতীয় অভিবাসন ইনস্টিটিউট (আইএনএম) বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানায়, মার্কিন কর্তৃপক্ষ এ পদক্ষেপকে অভিবাসীদের নিরুৎসাহিত করার কৌশল হিসেবে ব্যাখ্যা করেছে। আইএনএমের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র চায়, এসব মানুষ যেন আবার দেশটিতে প্রবেশের চেষ্টা না করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ (ডিএইচএস) জানায়, ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বহিষ্কার অভিযান পরিচালনা করতে তারা আইনের আওতায় থাকা সব ধরনের উপায় ব্যবহার করছে।

তবে মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের অনেকে মেক্সিকান নাগরিকদের তৃতীয় দেশে পাঠানোকে ভয় দেখানোর কৌশল হিসেবে দেখছেন। অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ওয়োলা (ডব্লিউওএলএ)-এর মধ্য আমেরিকাবিষয়ক পরিচালক আনা মারিয়া মেন্দেজ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসননীতি ক্রমেই কঠোর হচ্ছে। অভিবাসীদের মধ্যে যেকোনো মূল্যে আতঙ্ক ও ভয় ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে মনে হচ্ছে।

প্রতিবেশী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশ পরস্পরের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য অংশীদার। শুধু ২০২৫ সালেই দুই দেশের মধ্যে সীমান্তপারের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৯৬ হাজার ৪১০ কোটি ডলার।

গত বছর ট্রাম্প আবার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মেক্সিকো সরকারকে কঠিন ভারসাম্য বজায় রাখতে হচ্ছে। একদিকে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হচ্ছে, অন্যদিকে মার্কিন কর্তৃপক্ষের হাতে নিজেদের নাগরিকদের সম্ভাব্য নির্যাতন ও অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হচ্ছে।

অভিবাসন কর্মকর্তাদের অভিযানের সময় অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগও উঠেছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার (আইসিই) হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে বলে উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

ট্রাম্প আবার ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে আইসিইর হেফাজতে অন্তত ১৫ জন মেক্সিকান নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া অভিবাসনবিরোধী অভিযান পরিচালনার সময় আরও তিনজন মেক্সিকান নাগরিক মারা গেছেন।

এসব ঘটনার জেরে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের কৌঁসুলিদের কাছে অভিযোগ করেছে মেক্সিকো সরকার। আইসিইর আটককেন্দ্রগুলোর পরিবেশকে ‘মানবাধিকারের মানদণ্ডের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ’ বলেও নিন্দা জানিয়েছে দেশটি। পাশাপাশি আটককেন্দ্রগুলোতে মেক্সিকোর কনস্যুলার কর্মকর্তাদের নিয়মিত পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে মেক্সিকো সরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%