ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আগস্টের শেষ সপ্তাহে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, জানালেন তথ্য উপদেষ্টা


আগস্টের শেষ সপ্তাহে খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, জানালেন তথ্য উপদেষ্টা

ঢাকা, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : চলতি আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে, এমনটি জানিয়েছেন সরকারের তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি এ নির্দেশনা দেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের ভিত্তিতে দুই দেশের ঐকমত্যের মাধ্যমে সব শ্রমিকের জন্য মালয়েশিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

সরকারের উদ্দেশ্য, অতীতের অনিয়ম ও হয়রানি থেকে মুক্ত, একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কর্মী পাঠানো, যাতে প্রকৃত কর্মপ্রত্যাশীদের সমান সুযোগ দেওয়া যায়।

আরও পড়ুন: যেসব এলাকায় আজ সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন তথ্য উপদেষ্টা।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘আগস্টের শেষ সপ্তাহে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমি জানাতে চাই, দুই দেশের বৈঠকে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সকল শ্রমিকের মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সংবাদ।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার।

আরও পড়ুন: বাগদাদে বায়ুদূষণ শীর্ষে, ঢাকার অবস্থান ১৩তম

দীর্ঘদিন ধরে কর্মী পাঠাতে নানা জটিলতা ও সীমাবদ্ধতার কারণে বহু কর্মপ্রত্যাশী বিদেশে কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। সরকারের আশা, নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে সেই স্থবিরতা কাটিয়ে পুনরায় নিয়মিতভাবে কর্মী পাঠানো সম্ভব হবে।

তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, অতীতে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নানা অনিয়ম, সীমিতসংখ্যক রিক্রুটিং এজেন্সির আধিপত্য, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় এবং সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ ছিল। এসব কারণে অনেক বাংলাদেশি কর্মী আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এবং বিদেশ যাওয়ার আগে নানারকম হয়রানির শিকার হয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, অতীতে এই প্রক্রিয়ায় অনেক অনিয়ম হয়েছিল। কর্মীরা বেশ ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। বর্তমান সরকার সে অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বৈষম্যহীন ব্যবস্থার মাধ্যমে কর্মী পাঠাতে চায়।’

সার্বিকভাবে সরকারের লক্ষ্য হলো, প্রকৃত কর্মপ্রত্যাশীরা যেন কোনো সিন্ডিকেট, অতিরিক্ত অর্থ আদায় বা অনিয়মের শিকার না হন।

আরও পড়ুন: বৃহস্পতিবার ঢাকার মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরীসহ বিভিন্ন এলাকায় দোকানপাট বন্ধ

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বৈদেশিক কর্মসংস্থান শুধু কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে না বরং দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিরা প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠান, যা দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তাহলে সরকার নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি শ্রমিকদের অধিকার ও কল্যাণেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বক্তব্যে বলেন, সরকার চায় বিদেশগামী শ্রমিকরা নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী বৈধ উপায়ে বিদেশে যাতে যান এবং সেখানে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ পান।

আরও পড়ুন: নেসেটে ১৯ আসন পেয়েও সংশয়: নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে তো আরব দলগুলো?

এই লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

তথ্য উপদেষ্টা আরো উল্লেখ করেন, সরকার দেশের অভ্যন্তরেও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে।

শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং বিদেশে নতুন শ্রমবাজার সম্প্রসারণ- সব ক্ষেত্রে সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।

তিনি বলেন, নতুন শ্রমবাজার চালুর ক্ষেত্রে অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যাতে কর্মী নির্বাচন, নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ, ভিসা প্রক্রিয়া এবং বিদেশে পাঠানোর প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী চার দিনের জাপান সফর শেষে আজ দেশে ফিরছেন

কোনো অসাধু চক্র যেন এসব সুযোগ নিয়োগ করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতে না পারে, এটি নিয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

ডা. জাহেদ উর রহমান আশা প্রকাশ করেছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু হলে হাজার হাজার বাংলাদেশি কর্মীর জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

একইসঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার অর্জন বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

তিনি বলেন, সরকার চায় দক্ষ, প্রশিক্ষিত ও যোগ্য জনশক্তিকে বিদেশে পাঠানোর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের সুনাম আরও বৃদ্ধি পাক।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

সেই লক্ষ্যেই প্রয়োজনীয় সংস্কার, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং শ্রমিকবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তথ্য উপদেষ্টা প্রাধান্য দিয়ে বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়া দেশের লাখো কর্মপ্রত্যাশীর জন্য একটি আশাব্যঞ্জক খবর।

সরকার চায়, এ সুযোগের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করা হোক এবং স্বচ্ছ ও সুশাসনভিত্তিক অভিবাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হোক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২০ পি.এম


ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা, ৪ আগস্ট, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের মোট কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা নির্ভুল ও স্বচ্ছভাবে প্রণয়নের জন্য নির্দেশনা উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, কৃষকের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা আবশ্যক।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কৃষক কার্ড-সংক্রান্ত এক সভায় তিনি সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, সভায় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দেন যে, কৃষক কার্ডে কৃষকের পরিচয় উপস্থাপনের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন, সরকারি সহায়তা এবং কৃষি বাজার-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এসব বিষয় নজরে রেখে কার্ড প্রস্তুতির জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়।

উপ-প্রেস সচিব আরও জানান, সভায় জানানো হয় যে, কৃষকদের ব্যাংক হিসাব খোলার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে ধাপে ধাপে কৃষকদের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হবে।

কৃষি খাতে সরকারের ভর্তুকি, সহজ শর্তে ঋণ, প্রণোদনা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধা প্রকৃত কৃষকের কাছে দ্রুত ও সহজে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে কৃষক কার্ড চালু করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষক এ কার্ডের সুবিধা লাভ করবেন। আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের কম-বেশি ২ কোটি কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

সভায় কৃষি ও মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের সভাপতি এস এম আমীর হামজা শাতিলসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন যুবলীগ নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


হাতকড়া পরেই মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন যুবলীগ নেতা

নীলফামারে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় মায়ের জানাজায় অংশ নিয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে রংপুর জেলা কারাগার থেকে ৫ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পান তিনি। পরে পুলিশি নিরাপত্তায় দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে নীলফামারী শহরের ডাকবাংলো সার্কিট হাউস ঈদগাহ মাঠে মায়ের জানাজায় অংশ নেন। জানাযা শেষে তিনি আবার রংপুর জেলা কারাগারে নিয়ে যান। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, ‘মায়ের জানাজায় অংশগ্রহণ করতে তাকে পাঁচ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। শহরজুড়ে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’ প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দুটি হত্যা মামলাসহ পাঁচটি মামলার আসামি শাহিদ মাহমুদ। ২০২৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাতে রংপুর নগরীর ধাপ লালকুঠির একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪০ বছরে ভোজিনহার জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


৪০ বছরে ভোজিনহার জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা

 

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে রাতারাতি তারকাখ্যাতি পাওয়া কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনহার ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায় শুরু হল চিলির ঐতিহ্যবাহী ক্লাব কোলো-কোলোতে। চিলিতে আসার পর মেডিকেল পরীক্ষা এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করেছেন।

বিমানবন্দরে ভোজিনহাকে স্বাগত জানাতে শত শত সমর্থক জড়ো হয়েছিলেন। তার নাম ধরে স্লোগান এবং উচ্ছ্বাস পরিবেশকে মুখর করে তোলে। পরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায় সমর্থকদের উন্মাদনা।

কোলো-কোলো জানিয়েছে, ভোজিনহার সঙ্গে প্রাথমিকভাবে একটি ছয় মাসের চুক্তি হয়েছে। তার পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে চুক্তির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানোর সুযোগ থাকবে।

নতুন ক্লাবে যোগ দেওয়ার পথে নাম নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। ভোজিনহার প্রকৃত নাম জাজিমার জোসে এভোরা দিয়াস। তবে তিনি বিশ্বজুড়ে পরিচিত ‘ভোজিনহা’ নামেই। চিলির নিয়ম অনুযায়ী, জার্সিতে ডাকনাম ব্যবহারের সুযোগ না থাকলেও কোলো-কোলোর বিশেষ অনুরোধে শেষ পর্যন্ত সেই নাম ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়।

চিলির সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৬ আগস্ট কোলো-কোলোর জার্সিতে তার অভিষেক হতে পারে।

২০০৭ সালে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করা ভোজিনহা অ্যাঙ্গোলা, সাইপ্রাস, মলদোভা, স্লোভাকিয়া ও পর্তুগালের বিভিন্ন ক্লাবে খেলেছেন। সবশেষে তিনি পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব শাভেসে ছিলেন। জুনে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ক্লাববিহীন অবস্থায় বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

বিশ্বকাপে স্পেনের বিপক্ষে অসাধারণ পারফরম্যান্স দিয়ে আলোচনায় আসেন ভোজিনহা। পরে উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের বিপক্ষে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে কেপ ভার্দেকে নকআউট পর্বে উঠাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে লড়াকু পারফরম্যান্স করেও ৩-২ গোলে হারে তার দল। চার ম্যাচে ধারাবাহিক দারুণ পারফরম্যান্সের জন্য বিশ্বকাপের সেরা একাদশেও তার জায়গা হয়।

বিশ্বকাপের আগে ইনস্টাগ্রামে ভোজিনহার অনুসারী ছিল প্রায় ৫০ হাজার। স্পেন ম্যাচের পর সেটি দ্রুত বেড়ে কোটি ছাড়ায়। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অনুসারীর সংখ্যা প্রায় তিন কোটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানের সমৃদ্ধ অর্থনীতির নতুন হাতিয়ার হয়ে উঠছে সামরিক শক্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


জাপানের সমৃদ্ধ অর্থনীতির নতুন হাতিয়ার হয়ে উঠছে সামরিক শক্তি

জাপান, যেটি বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম উন্নত মিশ্র অর্থনীতির দেশ। উন্নত শিল্প উৎপাদন, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং শক্তিশালী সেবা খাত হল এর মূল চালিকাশক্তি, কিন্তু বর্তমানে দেশটির নজর রয়েছে সামরিক সক্ষমতায়।

জাপান সরকার বর্তমানে দ্রুতগতিতে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকে কেবল জাতীয় নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির একটি উপায় হিসেবে তুলে ধরছে।

দেশটির সর্বশেষ প্রতিরক্ষা শ্বেতপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রতিরক্ষাশিল্পে বিনিয়োগ ও অস্ত্র উৎপাদন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে পারে। চীন, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার নিরাপত্তা হুমকির বার্ষিক মূল্যায়নে প্রকাশিত এ শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সামরিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে থাকা জাপানকে এখন উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, স্টার্টআপে বিনিয়োগ এবং অস্ত্র উৎপাদনের ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক প্রযুক্তির এবং উপাদানের ব্যবহার বাড়াতে হবে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক উপস্থাপনা নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিরক্ষায় বিনিয়োগ কেবল সামরিক শক্তি বাড়ায় না, বরং সামগ্রিক অর্থনীতি এবং মানুষের জীবনমানেরও উন্নতি ঘটায়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এই বার্তা প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিমুখী রাষ্ট্রীয় ব্যয়নীতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। এবারের শ্বেতপত্রের প্রচ্ছদেও ঘটেছে বড় পরিবর্তন। পূর্ববর্তী সংস্করণগুলোর মতো সেনা, অস্ত্র বা সামরিক প্রতীক না রেখে, এতে উজ্জ্বল আধুনিক নগরীর পটভূমিতে হাস্যোজ্জ্বল একটি পরিবারের অ্যানিমে-শৈলীর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎমুখী জাপানের চিত্র ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

নতুন কৌশলে বাড়তে পারে ব্যয়। এখন প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির সরকার নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সামরিক বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, এতে প্রতিরক্ষা ব্যয় আরো বাড়ানোর সুপারিশ থাকবে। প্রধান উদ্দেশ্য হবে তাইওয়ানকে ঘিরে সম্ভাব্য সংঘর্ষে চীনকে নিরুৎসাহিত করা এবং জাপানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, চীনের সামরিক কার্যক্রম এবং অন্যান্য পদক্ষেপ জাপান ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়, এবং এটি জাপানের সবচেয়ে বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জ। এর আগে, গত নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি বলেছিলেন, চীনের তাইওয়ান আক্রমণ যদি জাপানের অস্তিত্বের জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে জাপান আত্মরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করতে পারে। ওই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বেইজিং তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছিল।

অর্থায়নে চ্যালেঞ্জ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক আধুনিকায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে জাপান কর বৃদ্ধি, ব্যয় সংস্কার এবং এককালীন আয়ের সমন্বয়ে অর্থায়নের ব্যবস্থা করেছে। এর ফলে দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যয়, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) 2 শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

তবে ভবিষ্যতে আরও প্রতিরক্ষা ব্যয় কিভাবে মেটানো হবে, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি। এই অবস্থায় নতুন ব্যয় সরকারি অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত অর্থবছরের জন্য সরকার রেকর্ড ১২২ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ৭৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) বাজেট অনুমোদন করেছে। পরে, জ্বালানির উচ্চমূল্যের প্রভাব মোকাবেলায় পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দিতে অতিরিক্ত ৩ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ইয়েনের প্রণোদনা প্যাকেজও ঘোষণা করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত নতুন প্রতিরক্ষা ব্যয়ের একটি বড় অংশ ব্যয় হয়েছে এক হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহে। ভবিষ্যতে অতিরিক্ত বরাদ্দের একটি বড় অংশ ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ড্রোন এবং অন্যান্য মানববিহীন অস্ত্র ব্যবস্থার উন্নয়নে ব্যয় হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%