মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০৪ পি.এম
পশ্চিমবঙ্গের সিনেমায় দীর্ঘকাল ধরে সফলতার সঙ্গে অভিনয় করে আসছেন কোয়েল মল্লিক। বাবা রঞ্জিত মল্লিকের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তিনি অভিনয়ে প্রবেশ করেন এবং দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দর্শকদের জন্য একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। তবে এত দীর্ঘ ক্যারিয়ারে টেলিভিশনের ধারাবাহিক নাটকে তাকে কখনো দেখা যায়নি। এবার সেই অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে।
জীবনের ৪৪ বছরে এসে কোয়েল প্রথমবারের মতো ধারাবাহিকে অভিনয় করতে যাচ্ছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার একটি জনপ্রিয় সিরিয়ালের আদলে বাংলায় নির্মিত হতে যাচ্ছে নতুন একটি ধারাবাহিক। এই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করবেন কোয়েল।
তবে ধারাবাহিকটির নাম এবং পরিচালকের বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। শোনা যাচ্ছে, এটি সনি আট চ্যানেলে প্রচারিত হতে পারে। যদিও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি।
এর আগে টেলিভিশনের পর্দায় কোয়েল একাধিকবার উপস্থিত হয়েছেন। বিভিন্ন রিয়েলিটি শোতে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। পাশাপাশি ‘কথা ও কাহিনী’ শিরোনামের একটি টক শোও উপস্থাপন করেছেন। তবে ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করা এবারই প্রথম।
২০০৩ সালে ‘নাটের গুরু’ সিনেমার মাধ্যমে কোয়েলের বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে। এরপর ‘বন্ধন’, ‘নীল আকাশের চাঁদনি’, ‘হিরো’, ‘প্রেমের কাহিনী’, ‘মন মানে না’, ‘বলো না তুমি আমার’, ‘সাত পাকে বাঁধা’, ‘দুই পৃথিবী’, ‘পাগলু’, ‘হেমলক সোসাইটি’, ‘রংবাজ’, ‘বেশ করেছি প্রেম করেছি’সহ একাধিক জনপ্রিয় সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছেন।
অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও কোয়েল নাম লিখিয়েছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। তবে সর্বশেষ নির্বাচনে দলটির পরাজয়ের পর মাস দুয়েকের মধ্যেই রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান এই অভিনেত্রী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধা, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও লেখক আবু সাঈদ খানের শাশুড়ি সালেহা খাতুন মারা গেছেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৮৬ বছর।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টায় তিনি রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সালেহা খাতুন ঢাকার ধামরাইয়ের বাসিন্দা ছিলেন এবং তিনি ব্যবসায়ী মরহুম মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, তিন মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার দুই ছেলে বর্তমানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন এবং ছোট মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।
মরহুমার নামাজে জানাজা আগামীকাল বুধবার বাদ আসর আজিমপুর কবরস্থান মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। শহীদদের আত্মত্যাগ ও মূল্যবোধকে ধারণ করে একটি সমৃদ্ধ দেশ গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের শহিদ ফারহান ফাইয়াজ খেলার মাঠে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের ১৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা আলহাজ শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া ও মা ফারহানা দিবা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে জনগণের নিরন্তর ও আপসহীন সংগ্রামের মধ্য দিয়েই আমরা আজকের এই বাংলাদেশ পেয়েছি, যার সুবাদে আজ আমরা মুক্ত ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে কথা বলতে পারছি।’
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে, যেখানে মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং সুশাসন থাকবে।
অনুষ্ঠানে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তার মা-বাবা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। সন্তানের ফেলে যাওয়া স্মৃতি মনে করে তাদের কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে এলে পুরো অনুষ্ঠানস্থলে এক হৃদয়স্পর্শী ও নিস্তব্ধ পরিবেশ নেমে আসে।
অনুষ্ঠানে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পরবর্তীতে তার জন্মদিন উপলক্ষে কেক কেটে এতিম শিশুদের মাঝে বিতরণ করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ফারহান ফাইয়াজ (মোহাম্মদ ফারহানুল ইসলাম ভূঁইয়া) শহীদ হন। তিনি ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
২০০৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া ১৭ বছর বয়সী এই তরুণ গবেষণামূলক কাজের প্রতি আগ্রহী ছিলেন এবং উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখতেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ন্যায়সংগত দাবিতে উদ্বুদ্ধ হয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে তিনি ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ধানমণ্ডি এলাকায় রাজপথে নামেন। সেখানে শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত হামলায় তিনি সরাসরি বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। সহপাঠীরা দ্রুত তাকে ধানমণ্ডির সিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ন্যায়ের পক্ষে নির্ভীক আত্মত্যাগের মাধ্যমে শহীদ ফারহান ফাইয়াজ আজ দেশের নতুন প্রজন্মের কাছে এক চিরস্মরণীয় প্রেরণার প্রতীক।
অনুষ্ঠানে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘লাল’ ও ‘সবুজ’ দলের মধ্যে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে বিজয়ী দল ‘লাল’-এর খেলোয়াড়দের হাতে মন্ত্রী ও শহীদ ফারহান ফাইয়াজের মা-বাবা চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তরিকুল আলম। অনুষ্ঠানে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি জোসেফ বিজয়কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ডিএমকের তিন নেতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন দলের উপমহাসচিব এ রাজা, সাবেক মন্ত্রী পি কে সেকার বাবু এবং বিধায়ক বসন্তম কার্তিকেয়ান।
মঙ্গলবার, দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে এক কর্মকর্তা জানান, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দলীয় বিক্ষোভ কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কথিত আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনে মামলা করা হয়েছে।
দলীয় বিক্ষোভের সময় মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে চেন্নাইয়ের বি১ নর্থ বিচ থানায় সেকার বাবুর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তিনি ডিএমকের হারবার আসনের বিধায়ক এবং চেন্নাই ইস্ট জেলার দলীয় সম্পাদক।
এদিকে, টিভিতে নেতা কার্তিকের অভিযোগের ভিত্তিতে সাইদাপেট থানায় এ রাজের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা বক্তৃতার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভে এ রাজা জ্বালানি সম্পদ ও আইনমন্ত্রী আর এন নির্মল কুমারকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
কল্লাকুরিচি পুলিশ ঋষিবন্ধিয়াম আসনের বিধায়ক বসন্তম কার্তিকেয়ানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তার বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি বিধানসভায় বিজয়ের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ডিএমকেতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ডিএমকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলার সময় মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিনের জরুরি অবস্থার সময় মিসা আইনে গ্রেপ্তার হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন এবং চোয়ালের অঙ্গভঙ্গি করেন। এর প্রতিবাদে ডিএমকের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
এর পর, বিজয়ের বক্তব্যের পক্ষে অবস্থান নেন মন্ত্রী নির্মল কুমার। তিনি দাবি করেন, জরুরি অবস্থার সময় স্ট্যালিনকে মিসা আইনে আটক করা হয়েছিল—এমন দাবির পক্ষে কোনো সরকারি আদেশের কপি নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ