বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:২৩ পি.এম
মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যের তেলুপিডে একটি যাত্রীবাহী গাড়ির সঙ্গে লরির সংঘর্ষে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে তেলুপিডের কাম্পুং গামবারন এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
সাবাহ ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ ডিপার্টমেন্টের অপারেশন সেন্টার জানায়, বিপরীত দিক থেকে আসা দুটি গাড়ির সংঘর্ষের ফলে সকাল ৭টা ২৮ মিনিটে জরুরি কল তাদের কাছে আসে। খবর পাওয়ার পর বেলুরান ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ স্টেশনের সাতজন দমকলকর্মী ৯৩ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে, টেলিফোন নেটওয়ার্ক ও সরকারি ইন্টিগ্রেটেড রেডিও নেটওয়ার্কের সংযোগের অভাবে উদ্ধারকাজে কিছুটা সমস্যা সৃষ্টি হয়।
দমকলকর্মী, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ এবং সিভিল ডিফেন্স ফোর্সের সদস্যরা গাড়িতে আটকে থাকা চারজনকে উদ্ধার করেন। পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চিকিৎসাকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের পরিচয় এবং লিঙ্গ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাদের মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেলুরান জেলা পুলিশ প্রধান সুপারিনটেনডেন্ট হাসান মজিদ জানান, নিহতদের মধ্যে ৬৩ বছর বয়সী একজন স্থানীয় নাগরিক এবং তিনজন বিদেশি নাগরিক ছিলেন। দুর্ঘটনায় ৪৪ বছর বয়সী লরি চালকও আহত হয়েছেন। সূত্র: মালয় মেইল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
থাইল্যান্ডের একটি স্কুলে ঢুকে এক পুলিশ কর্মকর্তা তার শিক্ষিকা স্ত্রীর উপর গুলি চালিয়ে হত্যা করেছেন। বুধবার, কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনাটি ব্যাঙ্ককের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত চোনবুরি প্রদেশের একটি কিন্ডারগার্টেনে ঘটে।তবে, কিন্ডারগার্টেনের সকল শিশু নিরাপদে রয়েছে।
স্ত্রীকে হত্যা করার পর, বন্দুকধারী দক্ষিণ-পূর্ব ব্যাঙ্ককের চোনবুরি প্রদেশে তার নিজ বাড়িতে ফিরে যান। সেখানে, পুলিশ তার আত্মসমর্পণের জন্য তার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছিল। উল্লেখ্য, এক মাস আগে, দেশটিতে এক কিশোর তার দাদা-দাদিকে গুলি করার পর স্কুলের পাঁচজন কর্মী এবং এক ছাত্রকে হত্যা করে।
এরপর, ওই কিশোর নিজেও আত্মহত্যা করে।
এই অঞ্চলে থাইল্যান্ডে বন্দুকের মালিকানার হার অন্যতম সর্বোচ্চ। অতীতে বন্দুক আইন কঠোর করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও, বারবার গোলাগুলির ঘটনা ঠেকানো সম্ভব হয়নি।
নং প্লা লাই উপ-জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সায়ান ক্লোমাওন এএফপিকে জানান, ‘বন্দুকধারী এলাকার একজন পুলিশ সদস্য।
তিনি স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে স্কুলে এসে তার স্ত্রীকে গুলি করেন। গুলি করার পূর্বে তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনাটি শ্রেণীকক্ষে ঘটেনি, তাই কোনো ছাত্রছাত্রী তা প্রত্যক্ষ করেনি। এরপর বন্দুকধারী বাড়ি চলে যান।’ চোনবুরির গভর্নর নারিস নিরামাইওং বলেন, ‘বন্দুকধারী যে বাড়িতে ছিল সেটি ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং তার আত্মসমর্পণের জন্য আলোচনা চলছে।
তবে তার উদ্দেশ্যটি অস্পষ্টই রয়ে গেছে।’
ফেসবুকে একটি বিবৃতিতে, চোনবুরির গভর্নর নারিস নিরামাইওং নিশ্চিত করেছেন, ‘স্কুল থেকে তিনজন শিক্ষক ও অন্য তিনজন কর্মচারীসহ ৪৪ জন শিশুকেই নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।’ গভর্নর রিস কিন্ডারগার্টেনটি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন, ‘টনার প্রত্যক্ষদর্শী শিশু ও কর্মীদের মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা প্রদান করা হবে।’ উল্লেখ্য, এর আগে, বন্দুক ও ছুরি হাতে একজন প্রাক্তন পুলিশ সদস্য উত্তর থাইল্যান্ডের একটি নার্সারিতে হামলা চালিয়ে ২৪ জন শিশু ও ১২ জন প্রাপ্তবয়স্ককে হত্যা করে, যা ছিল দেশটির অন্যতম ভয়াবহ গণহত্যাগুলোর একটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহাসড়কে স্লিপার বাস চালানোর অনুমতি চেয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এর কাছে বাস মালিক সমিতির করা আবেদন গ্রহণ করেনি হাইকোর্ট। আদালতের বক্তব্য হলো, যেসব বাস বিআরটিএ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে, কেবল সেসব বাসই মহাসড়কে চলাচল করতে পারবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের নেতৃত্বে হাইকোর্টের বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।
বিআরটিএর পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী মো. রাফিউল ইসলাম। তিনি পরে জানান, স্লিপার বাস মালিক অ্যাসোসিয়েশন সড়কে এসব বাস চালানোর অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল। শুনানির সময় তিনি আদালতকে অবহিত করেন, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৪০ ধারায় যানবাহনের কারিগরি বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করা হয়েছে। যদি নির্ধারিত কারিগরি বৈশিষ্ট্য লঙ্ঘন করা হয়, তাহলে তা আইন অনুযায়ী ৮০ ও ৮৪ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড এবং তিন লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২৮ ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রুট পারমিট ছাড়া কোনো গাড়ি সড়কে চলাচল করতে পারবে না।
আইনজীবী মো. রাফিউল ইসলাম বলেন, ‘আদালত বলেছেন, শুধুমাত্র বিআরটিএ যেসব বাস চলাচলে পারমিশন দিয়েছে, সেগুলোই রাস্তায় চলাচল করবে। স্লিপার বাস চালানোর তো পারমিশন নেই। হাইকোর্টও পারমিশন দেয়নি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে। সাক্ষাতের শুরুতে, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এবং ভারতীয় হাইকমিশনার পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে, দুই দেশের সামরিক ও নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে উঠে আসে সশস্ত্র বাহিনীর পেশাগত মানোন্নয়নে যৌথ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, সামরিক কর্মকর্তাদের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ বিনিময়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, আঞ্চলিক শান্তি এবং সমুদ্র নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো।
এসময় ভারতীয় হাইকমিশনার বাংলাদেশের সরকারের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে গৃহীত কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গভীর সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়।
ভারতের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তাসংক্রান্ত অভিন্ন স্বার্থের ক্ষেত্রগুলোতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে অব্যাহত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং অভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিবেশী দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে চম্পকনগর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর মাঝে চারা গাছ বিতরণ করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন তরী বাংলাদেশ, বিজয়নগর উপজেলা শাখা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় চম্পকনগর মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অ্যাসেম্বলি শেষে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যে চারা গাছ প্রদান করা হয়। এই কর্মসূচিটি তরী বাংলাদেশ, বিজয়নগর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. সাদেকুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক শামীম আহমেদের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তরী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সোহেল রানা ভূঁইয়া ও সুশান্ত পাল, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জহিরুল ইসলাম এবং বিজয়নগর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তফা কামাল উদ্দিন চৌধুরী এবং সংগঠনের সদস্য কাজী লোকমান হোসেন, রুবেল মিয়া, শাহজাহান সরকার, কামরুল ইসলাম, জুনায়েদ হাসান, অপু চন্দ্র ও রুমেনা বেগম।
বক্তারা উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীদের হাতে চারা গাছ তুলে দেওয়ার মাধ্যমে তারা শুধু বৃক্ষরোপণের উদ্যোগই নয়, বরং প্রকৃতি সংরক্ষণের দায়িত্ববোধও তাদের মধ্যে সঞ্চারিত করতে চান। তারা আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি রোপিত গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণ অপরিহার্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ