প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
থাইল্যান্ডের একটি স্কুলে ঢুকে এক পুলিশ কর্মকর্তা তার শিক্ষিকা স্ত্রীর উপর গুলি চালিয়ে হত্যা করেছেন। বুধবার, কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনাটি ব্যাঙ্ককের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত চোনবুরি প্রদেশের একটি কিন্ডারগার্টেনে ঘটে।তবে, কিন্ডারগার্টেনের সকল শিশু নিরাপদে রয়েছে।
স্ত্রীকে হত্যা করার পর, বন্দুকধারী দক্ষিণ-পূর্ব ব্যাঙ্ককের চোনবুরি প্রদেশে তার নিজ বাড়িতে ফিরে যান। সেখানে, পুলিশ তার আত্মসমর্পণের জন্য তার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছিল। উল্লেখ্য, এক মাস আগে, দেশটিতে এক কিশোর তার দাদা-দাদিকে গুলি করার পর স্কুলের পাঁচজন কর্মী এবং এক ছাত্রকে হত্যা করে।
এরপর, ওই কিশোর নিজেও আত্মহত্যা করে।
এই অঞ্চলে থাইল্যান্ডে বন্দুকের মালিকানার হার অন্যতম সর্বোচ্চ। অতীতে বন্দুক আইন কঠোর করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও, বারবার গোলাগুলির ঘটনা ঠেকানো সম্ভব হয়নি।
নং প্লা লাই উপ-জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সায়ান ক্লোমাওন এএফপিকে জানান, ‘বন্দুকধারী এলাকার একজন পুলিশ সদস্য।
তিনি স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে স্কুলে এসে তার স্ত্রীকে গুলি করেন। গুলি করার পূর্বে তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনাটি শ্রেণীকক্ষে ঘটেনি, তাই কোনো ছাত্রছাত্রী তা প্রত্যক্ষ করেনি। এরপর বন্দুকধারী বাড়ি চলে যান।’ চোনবুরির গভর্নর নারিস নিরামাইওং বলেন, ‘বন্দুকধারী যে বাড়িতে ছিল সেটি ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং তার আত্মসমর্পণের জন্য আলোচনা চলছে।
তবে তার উদ্দেশ্যটি অস্পষ্টই রয়ে গেছে।’
ফেসবুকে একটি বিবৃতিতে, চোনবুরির গভর্নর নারিস নিরামাইওং নিশ্চিত করেছেন, ‘স্কুল থেকে তিনজন শিক্ষক ও অন্য তিনজন কর্মচারীসহ ৪৪ জন শিশুকেই নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।’ গভর্নর রিস কিন্ডারগার্টেনটি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন, ‘টনার প্রত্যক্ষদর্শী শিশু ও কর্মীদের মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা প্রদান করা হবে।’ উল্লেখ্য, এর আগে, বন্দুক ও ছুরি হাতে একজন প্রাক্তন পুলিশ সদস্য উত্তর থাইল্যান্ডের একটি নার্সারিতে হামলা চালিয়ে ২৪ জন শিশু ও ১২ জন প্রাপ্তবয়স্ককে হত্যা করে, যা ছিল দেশটির অন্যতম ভয়াবহ গণহত্যাগুলোর একটি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন