০৪:২২ পি.এম
রংপুরে ৪ খুন : মুচলেকায় ছাড়া পেলেন সিদ্ধার্থের বাবা-ভাই
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও বড় ভাইকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
আরও পড়ুন: রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় তিনজন নিহত
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে, সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস এবং বড় ভাই পার্থ দাসকে নগরীর সেন্ট্রাল রোডে অবস্থিত ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রায় কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে তারা ডিবি কার্যালয় থেকে বের হন।
রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও তার ভাই পার্থ দাসকে শনিবার বিকেলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা রেখে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: রংপুরে ডাম্পট্রাকের পেছনে বাসের ধাক্কায় ৩ জন নিহত, ১৮ আহত
জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পুলিশ তাদের কাছে জানতে চেয়েছে। তিনি দাবি করেন, গণমাধ্যমে যে তথ্য তারা দিয়েছেন, পুলিশকেও মূলত সেই বিষয়গুলো জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট রাতে, নিজ বাসা থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) ও ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের সবাইকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: চাঁদা না পেয়ে শ্রমিকদের ওপর হামলা, গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি, থানায় অভিযোগ
এ ঘটনায় পরদিন দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস (২৩) এবং বিনয়চন্দ্র দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস (১৯)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন