মোঃ নাজির খান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি,
১০:৪০ পি.এম
এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ: টানা অতিবৃষ্টির ফলে নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে সৃষ্ট সাময়িক জলাবদ্ধতা নিরসনে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির। নির্দেশনা পেয়ে জনদুর্ভোগ দ্রুত লাঘবের লক্ষ্যে জেলার প্রতিটি উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়নে সমন্বিতভাবে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করেছে।
একটানা ভারী বর্ষণের পর সোমবার সকালেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কাছে জরুরি বার্তা পাঠানো হয়। বার্তায় ড্রেন ও নালা-নর্দমা পরিষ্কার, পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত করা এবং প্রয়োজনীয় স্থানে পাম্প বসিয়ে দ্রুত পানি অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
নির্দেশনা পাওয়ার পরপরই জেলার প্রতিটি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে নেমেছে। ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা স্বেচ্ছাসেবক ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জলাবদ্ধ পয়েন্ট চিহ্নিত করে নিষ্কাশন কাজ তদারকি করছেন। পাশাপাশি খাল ও নর্দমার মুখে জমে থাকা আবর্জনা অপসারণে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মোঃ রায়হান কবির বলেন,এই দুর্যোগে জনদুর্ভোগ লাঘবই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার। প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়। কোথাও পানি জমে থাকার সংবাদ পাওয়া মাত্র তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে সকল উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে পৃথক মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। টিমগুলো নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করে সমস্যাপূর্ণ এলাকার তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জেলা প্রশাসনে পাঠাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের এই দ্রুত ও সমন্বিত উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। অনেকেই আশা প্রকাশ করেছেন, সকলের সহযোগিতায় এবার বৃষ্টির পানি দ্রুত নেমে গিয়ে স্বাভাবিক হবে জনজীবন।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং জেলার সর্বসাধারণের সহযোগিতা এক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে আদালতে মামলা দায়ের করায় একটি বিধবার বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে উঠেছে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ৩ মিনিট ৪৩ সেকেন্ডের একটি ক্লিপের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরের সময় উপজেলার বেলঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের মিতল্লা গ্রামে মরহুম আবদুস সাত্তারের বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, কিছু ব্যক্তি একটি বসতঘরের টিনের বেড়া খুলে রাস্তার পাশে স্তুপ করে রেখেছে। এসময় ওই বিধবা, পেয়ারা বেগম ও তাঁর ছেলেরা কান্নাকাটি করে ঘরের ভাঙচুর বন্ধ করার জন্য অনুরোধ করছে এবং আশপাশের লোকজনকে ঘটনা দেখার জন্য ডাকছেন। তবে ভিডিওতে তাদের পক্ষ থেকে কোনো বাধা দেওয়ার চিত্র দেখতে পাওয়া যায়নি।
পুলিশ, ভূমি অফিস ও ভুক্তভোগী সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মিতল্লা গ্রামের মরহুম আবদুস সাত্তারের স্ত্রী, 60 বছর বয়সী পেয়ারা বেগম তাঁর তিন ছেলে শহিদুল ইসলাম, সুজন ও ইসমাইলকে নিয়ে স্বামীর বসতভিটায় বসবাস করছেন। কিছুদিন আগে, আবদুস সাত্তারের একটি খালি ভিটে জমি তাঁর ভাই আবদুল মান্নান জোরপূর্বক দখল করে সেখানে ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন, বলছেন পেয়ারা বেগম। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি কুমিল্লার আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় মামলা করেছেন।
আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্তের দায়িত্ব লালমাই উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) দেওয়া হয়। তদন্তের প্রেক্ষিতে, দুই সপ্তাহ আগে লালমাই থানার এএসআই নজরুল ইসলাম উভয় পক্ষকে শান্তি ভঙ্গ না করার জন্য নোটিশ প্রদান করেন। মঙ্গলবার উপজেলা সার্ভেয়ার আবু হানিফ সরেজমিন তদন্ত শেষে ফিরে যাওয়ার পর অভিযোগ অনুযায়ী আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে তাঁর ভাই আবুল কালাম ও আবু তাহেরসহ কয়েকজন গ্রামবাসী উপস্থিত হয়ে পেয়ারা বেগমের বসতঘর ভাঙচুর করে।
ভুক্তভোগী পেয়ারা বেগম বলেন, 'আমার দেবর আবদুল মান্নান আমার স্বামীর রেখে যাওয়া জমি দখল করে ঘর নির্মাণ শুরু করেন। তাই আমি আদালতে মামলা করেছি। তদন্ত শেষে কর্মকর্তারা চলে যাওয়ার পর তারা আমাদের বসতঘর ভেঙে দেয়।
এসময় আমার ব্যবহৃত স্বর্ণের চেইন, কানের দুল, ছেলের একটি রেডমি মোবাইল ফোন এবং কিছু নগদ টাকা নিয়ে যায়। আমরা অনেক অনুরোধ করলেও তারা ঘর ভাঙচুর বন্ধ করেনি।'
লালমাই থানার এএসআই নজরুল ইসলাম মন্তব্য করেন, 'আমি ১৪৫ ধারার মামলার নোটিশ উভয় পক্ষকে দিয়েছি, যাতে কেউ শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ না করে। পরে কিভাবে ঘর ভাঙচুর হয়েছে, সেটি আমার দায়িত্বের বিষয় নয়।'
ভুশ্চি বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ প্রদীপ চক্রবর্তী বলেন, 'ঘর ভাঙচুরের ভিডিও দেখে ওসির নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।'
লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, 'সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও দেখে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। ভুক্তভোগী যদি লিখিত অভিযোগ দেয়, তবে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবদুল মান্নানের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহাকাশযাত্রার জন্য প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নভোচারী অনিল মেনন। মঙ্গলবার কাজাখস্তানের ঐতিহাসিক বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে তিনি রাশিয়ার সয়ুজ এমএস-২৯ মহাকাশযানে চড়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ৮টা ১৭ মিনিটে উৎক্ষেপিত সয়ুজ এমএস-২৯ মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণের পর তিন ঘণ্টার কিছু বেশি সময় পরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এই অভিযানে অনিল মেননের সাথে পাশাপাশি রয়েছেন রুশ মহাকাশচারী পিওতর দুব্রভ ও আনা কিকিনা। উল্লেখ্য, তাদের দুজনের জন্য এটি দ্বিতীয় মহাকাশ অভিযান। এই তিন নভোচারী প্রায় ৮ মাস মহাকাশে অবস্থান করবেন। মহাকাশে অবস্থানের এই সময়কাল তারা বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রযুক্তি প্রদর্শনীর কাজ করবেন। তাদের ২০২৭ সালে পৃথিবীতে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে। গবেষণার মধ্যে, অনিল মেনন মহাকাশে কিভাবে মানুষের শরীর খাপ খাইয়ে নেয়, সেটির উপর গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় অংশ নেবেন। গবেষণার মধ্যে অণুমাধ্যাকর্ষণ পরিবেশে রক্তপ্রবাহ, শিরার গঠন এবং রক্তের উপাদানের পরিবর্তন বিশ্লেষণ করা হবে। আরো উল্লেখযোগ্য হল, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের পানযোগ্য পানি ব্যবহার করে শিরায় প্রয়োগযোগ্য (আইভি) তরল তৈরি করার প্রযুক্তির পরীক্ষায়ও তিনি অংশ নেবেন। ভবিষ্যতে চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহে দীর্ঘমেয়াদী মানব অভিযান পরিচালনায় এই প্রযুক্তি বিশেষ গুরুত্ব বহন করতে পারে। নাসার তথ্য অনুযায়ী, অনিল মেনন উন্নত চিকিৎসা ও প্রযুক্তিগত পরীক্ষারও অংশ নিতে যাচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর) প্রযুক্তি ব্যবহার করে আল্ট্রাসাউন্ড পদ্ধতির পরীক্ষা। যা ভবিষ্যতের গভীর মহাকাশ অভিযানে নভোচারীদের চিকিৎসা সহায়তায় কাজে লাগানো হবে। কে এই অনিল মেনন? ৪৯ বছর বয়সী অনিল মেননের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসে। তার বাবা ভারতীয় এবং মা ইউক্রেনীয়। তিনি নিউরোবায়োলজি, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা অর্জন করেছেন। তিনি একজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস ফোর্সের কর্নেল। যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় আফগানিস্তানে 'অপারেশন এন্ডিউরিং ফ্রিডম' এ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া, হিমালয়ান রেসকিউ অ্যাসোসিয়েশন এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে মাউন্ট এভারেস্টে আরোহীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছেন। একসময় তিনি রোটারি অ্যাম্বাসাডোরিয়াল স্কলার হিসেবে ভারতে এক বছর অবস্থান করে পোলিও টিকাদান কর্মসূচিতে কর্মরত ছিলেন। ২০১৪ সালে নাসায় ফ্লাইট সার্জন হিসেবে যোগ দেন এবং আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে অবস্থানরত নভোচারীদের চিকিৎসা সহায়তার দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে তিনি স্পেসএক্সে যোগ দেন এবং সেখানকার চিকিৎসা কর্মসূচি গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রথম মানববাহী মহাকাশ মিশনের প্রস্তুতি এবং চাঁদ, মঙ্গল ও আরো দূরের মহাকাশ অভিযানের জন্য স্টারশিপ মহাকাশযানের উন্নয়ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে তিনি নাসার নভোচারী হিসেবে নির্বাচিত হন এবং পরের মাসে দুই বছরের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে যোগ দেন। অনিল মেননের স্ত্রী আনা ভিলহেল্মও একজন নভোচারী। তিনি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে স্পেসএক্স পরিচালিত একটি বেসরকারি মানববাহী মহাকাশ অভিযানে অংশ নিয়ে প্রায় ৫ দিন মহাকাশে অবস্থান করেছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেবীদ্বার উপজেলা বিএনপির নতুন আহ্বায়ক হলেন মো. জসিম উদ্দিন এবং সদস্যসচিব হিসেবে আবুল কালাম আজাদ। প্রকাশের তারিখ ১৪ জুলাই, ২০২৬, সময় ২১:৪৭।
কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা ও পৌরসভা আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি।
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই বিকেল বেলা, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নবগঠিত আংশিক আহ্বায়ক কমিটির প্রথম সভা শেষে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসেম ভূঁইয়াসহ ৮ জন যুগ্ম আহ্বায়কের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
মো. জসিম উদ্দিনকে আহ্বায়ক এবং আবুল কালাম আজাদকে সদস্যসচিব করে ১৬ সদস্যের দেবীদ্বার উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। অন্যদিকে, মো. শাহজাহান মোল্লাকে আহ্বায়ক এবং মো. আনোয়ার হোসেন ভুলু পাঠানকে সদস্যসচিব করে ১৫ সদস্যের পৌর কমিটি ঘোষণা করা হয়।
উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম সরকার, যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে মজিবুর রহমান সিকদার, আবদুর রউফ, শাহজাহান কবির, আবদুর রহমান, ইউসুফ মিয়া, বিল্লাল হোসেন, হাজী মো. শহীদুল্লাহ, এ বি এম আবুল বাসার, মহসিন সরকার, মোহাম্মদ আলী, মো. আবদুল কাইয়ুম সরকার, মো. ছগির আহম্মেদ ও ইব্রাহিম দিওন।
পৌরসভা আহ্বায়ক কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, মো. আব্দুর রহিম, বশির আহম্মেদ, মিজানুর রহমান মাস্টার, মো. মনির, মো. আসাদুজ্জামান পাঠান, মো. জসিম, মোস্তফা কামাল, এ বি এম আবুল বাশার, মহসিন সরকার এবং মোহাম্মদ আলী।
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবুল হাসেম ভূঁইয়া জানিয়েছেন যে, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেবীদ্বার উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির পূর্বের কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় সেটি বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, দেবীদ্বার দিয়ে শুরু হলেও, বিএনপিকে আরো শক্তিশালী ও সুগঠিত করার লক্ষ্যে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির অন্তর্ভুক্ত সব উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন কমিটিগুলোকে সক্রিয় করার জন্য কাজ করে যাবেন, ইনশাআল্লাহ। তাদের লক্ষ্য আগামী ৩ মাসের মধ্যে জেলা, উপজেলা, পৌর/ইউনিয়ন, ওয়ার্ড এবং গ্রাম কমিটিগুলো সম্পন্ন করা।
কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব এ এফ এম তারেক মুন্সী বলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ৪ বছর দলের জন্য যাদের শ্রম-ত্যাগ ছিল, তাদের নতুন কমিটিতে স্থান না দেওয়া হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, এখন যা করা হচ্ছে তা দলটাকে ধ্বংস করার জন্য। দলের স্বার্থে আন্দোলনে নামা ছাড়া গন্তব্য অনুসরণ করার পক্ষে মন্তব্য করেন। তবে দেশে বন্যা পরিস্থিতির কারণে তিনি এখন চুপচাপ রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় এনসিপি আয়োজনে পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিচ্ছেন উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, গণভোটের রায় উপেক্ষা করে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে এই সরকারের পরিণতি পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের মতোই হবে। এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, এই দেশ দিল্লির তাঁবেদারিতে চলবে না।
তিনি আরো বলেন, শহীদ হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেব না।
জাতীয় নাগরিক পার্টিও (এনসিপির) সারা দেশে পদযাত্রা ও পথসভা উপলক্ষে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় এনসিপি আয়োজনে পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উল্লেখযোগ্য যে, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে সিও অফিস বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
সারজিস আলম তার বক্তব্যে বলেছেন, 'তারেক রহমান এখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।'
তিনি বলেন, বগুড়ার মানুষও গর্ব করতে পারে, বাংলাদেশের মানুষও গর্ব করতে পারে। তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন—আপনি আজকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। আপনি আপনার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হননি। আপনি আপনার যোগ্যতায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হননি। ১৭ বছর পর আপনি যখন দেশে আসেন, দেশের মানুষ যখন আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শেষবারের মতো বিদায় দিয়েছে, তখন তাদের সামনে মেজর জিয়াউর রহমানের মুখখানি ভেসে উঠেছে। মানুষের মুখের দিকে চেয়ে জনগণ ধানের শীষে ভোট দিয়েছে। তিনি আরো বলেন, যদি আপনি এই আমানত রক্ষা করতে পারেন, তাহলে জনগণ আগামীতে ভোট দেবে। কিন্তু যদি আমানত রক্ষা করতে না পারেন, যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে না পারেন, তাহলে আগামীতে ধানের শীষ তথা বিএনপিকে জনগণ ভোট দেবে না।
বগুড়া জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ইজাজ আল ওয়াসী জ্বীমের পরিচালনায় পথসভায় আরো বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম সদস্যসচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীর, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাদিক মাহাদী, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক এমএসএ মাহমুদ, সদস্যসচিব সুলতান মাহমুদ, এনসিপির দুপচাঁচিয়া উপজেলা প্রধান সমন্বয়কারী আবু বক্কর সিদ্দিক প্রমুখ।
এদিন সন্ধ্যায়, বগুড়া মহানগরের সাতমাথায় একটি পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ