ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এসএসসি ফলাফলে রাজশাহী বোর্ডে শীর্ষে বগুড়া


এসএসসি ফলাফলে রাজশাহী বোর্ডে শীর্ষে বগুড়া

বগুড়া, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সীমানার ৮ জেলার মধ্যে পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে বগুড়া জেলা।

এই জেলায় এবারের পরীক্ষায় ২৩ হাজার ৩৮৯ জন পরীক্ষার্থী সফলতা অর্জন করেছেন। পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৭২ দশমিক ৬৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন মোট ৪ হাজার ৪৭৮ জন।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষের প্রকাশ করা ফলাফল বিশ্লেষণ করে এদেশের তথ্য পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: বিএমপি কমিশনারের উদ্যোগে পুলিশ লাইন্সের পুকুরে মৎস্যপোনা অবমুক্ত, উৎপাদন বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের প্রত্যাশা

বোর্ডের ৮ জেলার মধ্যে পাসের হারের দিক দিয়ে বগুড়ার পরের অবস্থানে রয়েছে জয়পুরহাট জেলা। জয়পুরহাটে পাসের হার ৬৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৮৪৭ জন। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পাসের হার ৬৫ দশমিক ১৩ শতাংশ, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ১৩৮ জন।

নওগাঁ জেলার জন্য পাসের হার ৬২ দশমিক ৪৯ শতাংশ, এবং এ জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৭৩৪ জন। রাজশাহী জেলার পাসের হার ৬২ দশমিক ২৮ শতাংশ, যেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯৪৯ জন। নাটোরে পাসের হার ৬১ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৯৪ জন।

পাবনার ক্ষেত্রে পাসের হার ৬০ দশমিক ৭৬ শতাংশ, এখানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৯৭০ জন। অন্যদিকে সিরাজগঞ্জে পাসের হার সবচেয়ে নিম্ন, যা মাত্র ৫৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ। কিন্তু জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৯০৭ জন।

জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা বরাবরের মতো বগুড়ার স্থান সবচেয়ে উপরে।

আরও পড়ুন: ৭নং জগদল ইউনিয়ন বিএনপির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত, ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের মূল্যায়নের দাবি

এ জেলার ৪ হাজার ৪৭৮ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। এরপর রাজশাহীতে ২ হাজার ৯৪৯, পাবনায় ১ হাজার ৯৭০, সিরাজগঞ্জে ১ হাজার ৯০৭, নওগাঁয় ১ হাজার ৭৩৪, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ হাজার ১৩৮, নাটোরে ১ হাজার ৯৪ জন এবং জয়পুরহাটে ৮৪৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়ক দুর্ঘটনায় ববি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, প্রশাসনের অবহেলার অভিযোগে ৩ দফা দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


সড়ক দুর্ঘটনায় ববি শিক্ষার্থীর মৃত্যু, প্রশাসনের অবহেলার অভিযোগে ৩ দফা দাবি

সড়ক দুর্ঘটনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যু ঘটেছে। এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তুলে তিন দফা দাবি করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, দাবি মানা না হলে আবারও মহাসড়ক অবরোধ করবেন।

সোমবার বেলা ১১টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে এসব দাবি তুলে ধরেন শিক্ষার্থীরা। যথাক্রমে, নিহত ইয়াসিনের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও হল প্রভোস্টের অবহেলার জন্য জবাবদিহি এবং আহত ইয়াসিনকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা না করার ব্যাখ্যা দাবি করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ ছিল যে, দুর্ঘটনার পর প্রায় দুই ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আহত ইয়াসিনের খোঁজ নেয়নি। আহত ইয়াসিন শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অবহেলার কারণে পড়ে ছিলেন। আন্দোলনকারীরা দাবি করেছেন, দ্রুত তাঁকে ঢাকায় নেওয়ার ব্যবস্থা করা হলে তাঁর জীবন বাঁচানো সম্ভব হতো।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম রাছেল মন্তব্য করেন যে, বিকেল ৫টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও বিআরটিএ কর্তৃপক্ষকে তিন দাবির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানাতে হবে। এরপর তারা আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব জানালেন যে, দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ইয়াসিনের মৃত্যুর দায় প্রশাসন থেকে এড়ানো সম্ভব নয়।

তবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. আবদুল আলিম বছির দাবি করেন, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রক্টর ঢাকায় গিয়ে আহত শিক্ষার্থীর সঙ্গে ছিলেন। পাশাপাশি প্রশাসনের অবহেলা থাকলে তা মেনে নেওয়ার কথাও জানান।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ বলেন, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। যানজট থাকায় ঘটনাস্থলে যেতে কিছুটা সময় লেগেছিল। আহত শিক্ষার্থীকে এসি অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল।

উপাচার্য আরও বলেন যে, প্রক্টর ও হল প্রভোস্টের জবাবদিহির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

এদিকে বৈঠকের সময় বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক এনামুল হাসান তাসনিমের উপাচার্যের কক্ষে উপস্থিতি নিয়ে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করেছেন।

এর পূর্বে রবিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন দপদপিয়া সেতুতে বিআরটিসির বাসের সঙ্গে থ্রি-হুইলারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই ঘটনায় ইয়াসিনসহ পাঁচজন আহত হন। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে একজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গুরুতর আহত ইয়াসিনকে ঢাকায় নেওয়া হলে রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

ইয়াসিনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রবিবার রাত ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। এর আগে রাত ৮টা থেকে পৌনে ১০টা পর্যন্ত তারা মহাসড়ক অবরোধ করেন। এর ফলে ব্যস্ততম মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং যাত্রী ও পণ্যবাহী পরিবহনের চালকদের দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহেদী হাসান জানালেন, সোমবার ভোররাতে ইয়াসিনের মরদেহ পরিবারের সদস্যরা তাঁর গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও নিয়ে যান। বাদ মাগরিব সেখানে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ব্রিটিশ নাগরিক নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৩ পি.এম


পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ব্রিটিশ নাগরিক নিহত

পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরে উত্তাল পরিস্থিতি বিরাজমান। এই বিক্ষোভ দমনে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী বল প্রয়োগ করছে।

এতে অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটছে। এবার সামনে আসলো এক চাঞ্চলকর প্রাণহানির ঘটনা। চলমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভের মধ্যে এক ব্রিটিশ নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

স্থানীয় নির্বাচনকে ঘিরে কয়েক সপ্তাহের সংঘর্ষের পর সোমবার (১০ আগস্ট) অঞ্চলে নির্বাচনের শেষ ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটেছে। আরেকজন দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে আটক রয়েছেন বলেও বিট্রিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিহত ব্রিটিশ নাগরিকের নাম মোহাম্মদ আখতার। ৫০ বছর বয়সী আখতার যুক্তরাজ্যের পিটারবরো এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। ৯ জুন কোটলিতে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর সময় তিনি নিহত হন।

আখতারের পরিবার দাবী করে যে, তিনি ওই বিক্ষোভে অংশ নেননি। বিক্ষোভস্থলের কাছাকাছি অবস্থান করার সময় একটি ছোড়া গুলি তার শরীরে লাগে। তার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ সাদ জানিয়েছেন, আখতারের বুকের পাশে গুলির ক্ষত ছিল।

অপরদিকে আরেক ব্রিটিশ নাগরিক ওয়াকাস আরিফ, ৩৮ বছর বয়সী, গত ৫ জুন মিরপুর থেকে আটক হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তার পরিবার দাবি করেছে যে, তিনিও কোনো বিক্ষোভে অংশ নেননি।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাকে এখনো আদালতে হাজির করা হয়নি এবং তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও জানানো হয়নি। ওয়াকাসের স্ত্রী ভারিশা কামপুলভি জানিয়েছেন যে, ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ তার স্বামীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেনি। তবে ২৬ জুন তাদের জানানো হয়েছে যে, ব্রিটিশ কনস্যুলার কর্মকর্তারা তার যে কারাগারে রয়েছেন সেখানকার কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছেন। পরে ওয়াকাসের শারীরিক অবস্থা ভালো রয়েছে বলেও পরিবারকে জানানো হয়েছে।

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে চলমান বিক্ষোভের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ও অর্থনৈতিক সংস্কার। আন্দোলনকারীরা আইনসভায় ভারত-শাসিত কাশ্মীর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে পাকিস্তানে বসবাসকারী মানুষের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসন বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের অভিযোগ হলো, এই আসনগুলো ওই অঞ্চলের বাইরে বসবাসকারী জনগণের অতিরিক্ত রাজনৈতিক প্রভাব দেওয়ার সুযোগ তৈরি করছে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে যে, নির্বাচনকে সামনে রেখে অঞ্চলটিতে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। সংস্থাটি স্বাধীন ও স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

এদিকে যুক্তরাজ্য সরকার পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তারা পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করেছেন। যুক্তরাজ্যের ভ্রমণ পরামর্শেও আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরে প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ না করার নির্দেশনা রয়েছে।

কাশ্মীর অঞ্চলটি ভারত এবং পাকিস্তান উভয়ের দাবি সম্বলিত একটি বিতর্কিত ভূখণ্ড। এই অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছে এবং স্বাধীনতার পর থেকে এ ইস্যুতে দুই দেশ একাধিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ক্রিকেটারদের নাম প্রকাশে অনীহা পিসিবির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ক্রিকেটারদের নাম প্রকাশে অনীহা পিসিবির

নতুন বেতন ও শ্রেণিবিভাগ পদ্ধতির আওতায় কেন্দ্রীয় চুক্তির জন্য নির্বাচিত ক্রিকেটারদের তালিকা প্রকাশের বিষয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। সাধারণত প্রতি অর্থবছরের জুন থেকে জুলাই পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ থাকায় আগস্টের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই কেন্দ্রীয় চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের তালিকা প্রকাশ করে থাকে পিসিবি।

তবে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়দের নাম জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে কি না, সে বিষয়ে বোর্ড এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। সূত্রটির মতে, পিসিবি নতুন চুক্তিতে আসা ক্রিকেটারদের নাম ঘোষণা করতে চাইছে না। তারা এটিকে বোর্ডের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) মুলতানে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়ার সময় পাকিস্তানের ওয়ানডে অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদিকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। পিসিবি আগেই নিশ্চিত করেছিল, তারা ২০২৬-২০২৭ সালের জন্য ফরম্যাটভিত্তিক কেন্দ্রীয় চুক্তি চালু করবে। কেবল সেইসব পুরুষ খেলোয়াড়ই চুক্তির জন্য বিবেচিত হবেন যারা গত ১২ মাসে চারটি টেস্ট ম্যাচ, ছয়টি ওয়ানডে অথবা সমসংখ্যক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন।

সূত্রটি আরও জানায়, ফরম্যাট অনুযায়ী শ্রেণিভুক্ত করার নতুন কাঠামোটির কারণে বোর্ড খেলোয়াড়দের নির্দিষ্ট শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করতে গিয়ে কিছুটা হিমশিম খাচ্ছে। গত সপ্তাহে একটি সরকারি সংস্থা বোর্ডের হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত যাবতীয় আর্থিক ও অন্যান্য তথ্য চেয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে পিসিবি ইসলামাবাদ হাইকোর্ট থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একটি স্থগিতাদেশ লাভ করেছে।

দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির সভাপতিত্বে পিসিবির বর্তমান প্রশাসন তাদের আর্থিক বিষয়গুলোর ব্যাপারে অস্বাভাবিক গোপনীয়তা বজায় রেখে চলেছে। ২০২৩ সাল থেকে বোর্ডের কোনো নিরীক্ষিত হিসাব বিবরণী (অডিট রিপোর্ট) তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি। অথচ অতীতে এটি ছিল পরিচালনা পর্ষদের একটি স্বাভাবিক চর্চা। উল্টো নিজেদের সুবিধাজনক আর্থিক তথ্য শেয়ার করেছে পিসিবি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাচোলে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, ইউএনও কার্যালয়ে তালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১৮ পি.এম


নাচোলে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, ইউএনও কার্যালয়ে তালা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিএনপির নেতাকর্মীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন।

সোমবার দুপুরে তালা দেওয়ার পর বিকেল ৪টা পর্যন্ত অফিস সময় শেষ হওয়া পর্যন্ত আনুষঙ্গিক কার্যালয়টি তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল।

তালা দেওয়ার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদেরও কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। একই সাথে উপজেলা সমাজসেবা ও সমবায় কার্যালয়েও তালা দেওয়া হয়।

নাচোল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের খোকন অভিযোগ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল সোমবার প্রকাশিত হয়েছে। এতে অভিযোগ করা হয় যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের কর্মীরা নিয়োগ পেয়েছেন।

এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিএনপির নেতাকর্মীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করে নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান। একপর্যায়ে তাঁরা কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন।

আবু তাহের খোকন আরও বলেন, যদি তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের কর্মীরা নিয়োগ পান, তাহলে ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে। এছাড়া এ নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগও তৈরি হতে পারে। তাই তাঁদের নিয়োগ বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। সন্ধ্যায় দলীয় ফোরামে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে।

নাচোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, দুপুরে বিএনপির লোকজন আন্দোলন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা চলে যান।

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রিয়াংকা দাসের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু তাঁকে পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%