বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৪ এম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদলের নবীনবরণ অনুষ্ঠানের কনসার্ট চলাকালীন সংগঠনটির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের ফলে তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে দুজন হলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রুমির অনুসারী এবং একজন হলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন সরদারের অনুসারী। আহত তিনজনকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ভবনসংলগ্ন মাঠে ছাত্রদলের আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানের কনসার্ট চলাকালে সংঘর্ষটি ঘটে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের (২১তম আবর্তন) নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করার জন্য দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবসহ কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, কনসার্ট চলাকালীন সুমন সরদারের নেতৃত্বাধীন পক্ষের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মোস্তাফিজুর রহমান রুমির অনুসারীদের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে এটি হাতাহাতি ও সংঘর্ষে পরিণত হয়। উভয় পক্ষের নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে অনুষ্ঠানস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় রুমির অনুসারী ১২তম ব্যাচের শাওন ও আলিফ গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের দুজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, সুমন সরদারের নেতৃত্বাধীন পক্ষের একজন কর্মীও গুরুতর আহত হয়েছেন। আহত তিনজনকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার সময় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যেই অনুষ্ঠানস্থলের একাংশে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আজম খান বলেন, "একটু আগে একজন আমাকে ফোন করে মারামারি হওয়ার কথা জানিয়েছেন। এ জন্যই শুনেছি। আমি এখনো বিস্তারিত জানি না। আমি বাসায় আছি। বিষয়টি আসলে কী হয়েছে, তা খোঁজ নিচ্ছি।"
সংঘর্ষের কারণ এবং আহতদের বিষয়ে ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দায়িত্বশীল নেতাদের তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বুধবার দিনব্যাপী বিভিন্ন আয়োজন ছিল। রাতে অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে কনসার্টের আয়োজন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্বালানি নিরাপত্তা নির্বিঘ্ন রাখতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুমোদিত পরিমাণের অতিরিক্ত ৬ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জিটুজি পদ্ধতি ও আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে প্রায় ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকার পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।
বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর সময়ে জিটুজি প্রক্রিয়ায় অনুমোদিত পরিমাণের বাইরে আরও ৬ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে গ্যাস অয়েল ও জেট ফুয়েল থাকবে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জন্য জিটুজি পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল আমদানির যে পরিমাণ আগে অনুমোদিত হয়েছিল, তার অতিরিক্ত ১০ শতাংশ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর সময়ে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির আরেকটি বড় প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।
জিটুজি চুক্তির আওতায় চীনের ইউনিপেক, ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি ও চীনের পেট্রোচায়না থেকে তেল আমদানি করা হবে। এ জন্য মোট চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। দেশের বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে গ্যাসের চাহিদা মেটাতে এলএনজি আমদানিও অব্যাহত রয়েছে।
বুধবারের বৈঠকে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ১০ নভেম্বর একটি অতিরিক্ত এলএনজি কার্গো কেনার দরপ্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জবের আলীর বসবাস তিস্তাপারে। ২০২০ সালে কুড়িগ্রামের রাজারহাটের বুড়িরহাট ক্রসবাঁধটির অংশ বিশেষ ভেঙে গেলে খিতাবখা গ্রামের জবের আলীর ভিটেও গিলে খায় তিস্তা। তার পর থেকে বাঁধের ধারে মাথা গুঁজে রয়েছেন ৮৫ বছরের এই বৃদ্ধ।
সপ্তাহ দুয়েক আগে হঠাৎ ফুঁসে ওঠা তিস্তার তোপে বিলীন হয় ক্রসবাঁধের অংশবিশেষ। এরপর ফের আতঙ্ক ভর করে জবের আলীর চোখে-মুখে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের স্বপ্ন দেখা এই প্রবীণ ব্যক্তিটি ভেবেছিলেন, এবার খনন আর পাড় বেঁধে তিস্তাকে বাগে আনা হবে; ভিটেমাটি সুরক্ষিত করে চাষবাস করে জীবনধারণ করতে পারবেন তারা।
কিন্তু প্রতিশ্রুতি আর আশ্বাসে ভরসা করতে পারছেন না পোড়খাওয়া এই বৃদ্ধ। বলেন, ‘এই তিস্তা হামার দুঃখ। যখন ব্যারাজের গেট ছাড়ি দেয়, নদী পাক দেয়, ডুকরি ওঠে। হামার বুক কাঁপে। চপুর আইত নিন্দ হয় না (সারা রাত ঘুম ধরে না)। শুনি বোলে তিস্তা বাইন্ধবে। সগাই (সবাই) আশা দেয়, কাম হয় না।’
৩০ বছর আগে ভিটে হারিয়ে বাঁধের ধারে বসত গড়েছেন রাজারহাটের তিস্তাপারের রামহরি গ্রামের আব্দুল মজিদ। তাও তিস্তার চোখ রাঙানিতে বিপন্ন।
ফসলি জমি তিস্তার গর্ভে। মহাপরিকল্পনা তাদের জমি ফিরিয়ে দেওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছিল। কিন্তু ভরসা পাচ্ছেন না।
একরাশ হতাশা নিয়ে আব্দুল মজিদ বলেন, ‘৩০ বছর ধরি শুনি নদী খুঁড়বে, পাড় বাইন্ধবে। সরকার আইসে, সরকার যায়—হামার আশা পূরণ হয় না।’
নির্বাচনের আগে তিস্তার পাড়ে ‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ নামে একটি বড় আন্দোলনে শামিল হয়েছিল তিস্তাপারের মানুষ। মশাল মিছিল, গানের সুরে জেগে উঠেছিল তিস্তাপার। সেই আন্দোলনের সফলতা নিয়ে সংশয় কাটেনি সেখানকার মানুষের।
খিতাবখা গ্রামের গৃহবধূ মমতা বেগম তাই আক্ষেপ নিয়ে বলেন, ‘ভোটের আগে তিস্তা বাঁচাই। ভোট বের হইলে তিস্তা মরে।’
রাজারহাটের গতিয়াশাম, রামহরি, খিঁতাবখা, গাবুরহেলান, ডাংরা, রতি, উলিপুরের ঠুটাপাইকর, হোকডাঙা, চিলমারীর চর বজরা-সব গ্রামেই ভাঙন আতঙ্ক। এসব গ্রামের অনেকগুলো শুধু নামেই টিকে আছে, বেশিরভাগই তিস্তার গর্ভে। বাকি অংশের মানুষও সব সময় থাকে ভাঙন আতঙ্কে, ঘর-বাড়ি হারানোর ভয়ে।
কয়েকদিন আগে বুড়িরহাটের ক্রসবাঁধের ৪০ মিটার অংশ ভেঙে যায়। ফলে ভাটির দিকে ৮-১০টি গ্রামে ভাঙন আতঙ্ক দেখা যায়। পানি উন্নয়ন বোর্ডে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙা অংশ মেরামতের কাজ করছে। নাজিমখান ইউনিয়নের সোমনারায়ণ পলাশপুর গ্রামের বিস্তীর্ণ ধানি জমি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। প্রবল স্রোতে প্রবাহিত হচ্ছে নদীর তীর ধরে। হাসারপাড় এলাকার উজান ও ভাটিতে ভাঙছে প্রতিনিয়ত।
তিস্তাপারের মানুষ বলছে, দীর্ঘদিন খননকাজ না করায় নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে আছে। ফলে মে মাস থেকে অধিকাংশ সময় তিস্তার পানি থাকছে বিপৎসীমার কাছাকাছি। এতে ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে কুড়িগ্রামের অংশের ২০ কিলোমিটার এলাকা। জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙন ঠেকানোর প্রাণান্ত চেষ্টায় ব্যস্ত থাকতে হয় পানি উন্নয়ন বোর্ডকে। কিন্তু কোথাও কোথাও জিও ব্যাগ, ক্রসবাঁধে ধস নামায় আতঙ্ক কাটেনি।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, ১৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে তিস্তার আরও ৫-৬টি পয়েন্ট ভাঙনপ্রবণ। অর্থ বরাদ্দ সাপেক্ষে সেসব পয়েন্টে ভাঙনরোধের চেষ্টা করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০০ জন শিশুকে নিয়ে যৌথ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক), এসপেরিয়া হেলথ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) পেডিয়াট্রিক রিসার্চ গ্রুপ। গবেষণায় দেখা গেছে, হাম আক্রান্ত শিশুদের বড় একটি অংশ রোগী হিসেবে হাসপাতালে গিয়ে সংক্রমিত হয়েছে। এছাড়া শিশুদের শারীরিক জটিলতা ও হামে আক্রান্ত হওয়ার পেছনের কারণ হিসেবে অপুষ্টির বিষয়টিও উঠে এসেছে। এসব শিশুর দেহে শতভাগ ক্ষেত্রে ‘বি৩ জেনোটাইপ’ ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।
বুধবার দুপুরে চমেকের কনফারেন্স হলে ‘মিজলস আউটব্রেক ২০২৬ ইন সাদার্ন বাংলাদেশ: এপিডেমিওলজিক্যাল প্রোফাইল, ক্লিনিক্যাল ক্যারেক্টারিস্টিকস, জেনেটিক অ্যানালাইসিস উইথ ম্যাটারনাল অ্যান্ড চাইল্ড অ্যান্টিবডি স্ট্যাটাস’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চমেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. মো. জসিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও গবেষকেরা।
জানা গেছে, গবেষণায় থাকা আক্রান্ত ৩০০ জন শিশুর মধ্যে ৮৫ দশমিক ২ শতাংশই ছিল টিকাবিহীন। প্রায় ৫৯ দশমিক ৪ শতাংশই কোনো না কোনো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বা হাসপাতাল থেকে হামের ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে, যা হাসপাতালগুলোর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার দুর্বলতাকে নির্দেশ করে। আর ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ শিশু পূর্বে হামে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে এসেছে বলে তথ্য মিলেছে। এছাড়া ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানো হয়নি। এসব শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুবই দুর্বল। গবেষণার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক দিক ছিল ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষায় শতভাগ নমুনায় ‘বি৩ জেনোটাইপ’ শনাক্ত হওয়া। যা আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে পূর্বে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
চসিক ও চমেকের পেডিয়াট্রিক রিসার্চ গ্রুপের সহযোগিতায় এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের অর্থায়নে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। এতে মূল গবেষক ছিলেন চমেকের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কামরুন নাহার। গবেষণার উপদেষ্টা হিসেবে ছিলেন চমেকের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুসা মিয়া ও চমেক মেডিসিন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান এমএ হাসান। এছাড়া সহযোগী হিসেবে ছিলেন ডা. সেলিনা হক, ডা. আয়েশা বেগম, ডা. মোহাম্মদ জাবেদ বিন আমিন চৌধুরী, ডা. সায়েদা হুমায়দা হাসান, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ডা. আসমা ফেরদৌসী ও ডা. সানজানা ইসলাম, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. মিয়া মনজুর আহমেদ এবং কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. এম এস জামান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তুরাগ কার্যালয়ে দালালবিরোধী অভিযানে এক ব্যক্তিকে আটকের পর এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেলের তুরাগ কার্যালয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৬-এর নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের সতর্কতা ও সক্রিয় সহযোগিতায় দালাল চক্রের ওই সদস্যকে আটক করা সম্ভব হয়।
অভিযানের সময় আনসার সদস্য পিসি মো. অপু সারোয়ার ও মো. রাসেল মিয়া দালাল চক্রের কার্যক্রমের ওপর নজর রেখে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেন। এ সময় আটক ব্যক্তির কাছ থেকে বিভিন্ন গাড়ির নতুন রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস ও মালিকানা বদলসংক্রান্ত কাগজপত্র জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তির নাম মো. বিল্লাল হোসেন (৪৮), পিতা মো. আব্দুল মান্নান, বাসিন্দা কামারপাড়া, তুরাগ, ঢাকা। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করার পর তাঁকে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমের জন্য পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ