প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জ্বালানি নিরাপত্তা নির্বিঘ্ন রাখতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুমোদিত পরিমাণের অতিরিক্ত ৬ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জিটুজি পদ্ধতি ও আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে প্রায় ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকার পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।
বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর সময়ে জিটুজি প্রক্রিয়ায় অনুমোদিত পরিমাণের বাইরে আরও ৬ লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে গ্যাস অয়েল ও জেট ফুয়েল থাকবে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জন্য জিটুজি পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল আমদানির যে পরিমাণ আগে অনুমোদিত হয়েছিল, তার অতিরিক্ত ১০ শতাংশ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর সময়ে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির আরেকটি বড় প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।
জিটুজি চুক্তির আওতায় চীনের ইউনিপেক, ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি ও চীনের পেট্রোচায়না থেকে তেল আমদানি করা হবে। এ জন্য মোট চুক্তিমূল্য ধরা হয়েছে ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। দেশের বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে গ্যাসের চাহিদা মেটাতে এলএনজি আমদানিও অব্যাহত রয়েছে।
বুধবারের বৈঠকে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ১০ নভেম্বর একটি অতিরিক্ত এলএনজি কার্গো কেনার দরপ্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন