ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদকবিরোধী সহযোগিতা জোরদারে ট্রাম্পের জোটে যোগ দিচ্ছে পেরু


মাদকবিরোধী সহযোগিতা জোরদারে ট্রাম্পের জোটে যোগ দিচ্ছে পেরু

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’ উদ্যোগে যোগ দেওয়ার জন্য পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে পেরু। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শুক্রবার এ তথ্য তুলে ধরেছেন।

রক্ষণশীল প্রেসিডেন্ট কেইকো ফুজিমোরি দায়িত্ব গ্রহণ করার কয়েক দিন পরেই এ গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা এসেছে।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি দ্বারা প্রকাশিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদি রুটে ১৪৪ ফ্লাইট স্থগিত, ২২ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে

ট্রাম্পের এই মাদক চক্রবিরোধী জোটে লাতিন আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রপন্থি কয়েকটি দেশের সরকার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দেশগুলোর মধ্যে আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর ও এল সালভাদর রয়েছে।

জোটভুক্ত দেশগুলো আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় তথ্য বিনিময় এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় করে থাকে।

পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে গিয়ে কেইকো ফুজিমোরি নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জয়লাভ করেন। মঙ্গলবার দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি এই জোটে যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন।

শুক্রবার লিমায় অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস এসপা বলেন, ‘আমরা ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’-এ আমাদের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে যে অগ্রগতি হয়েছে, তা অব্যাহত রাখব।’

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুকে ঠেকাতে বিদেশ থেকে দেশে ফিরছেন হাজার হাজার ইসরাইলি

তিনি আরও যোগ করেন, ‘কৌশলগত অংশীদার, মিত্র ও বন্ধু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের চমৎকার সম্পর্ক আরও গভীর করব।’

যুক্তরাষ্ট্রের পেরু দূতাবাসে পূর্বে কাজ করা এসপা বলেন, অপরাধ মোকাবিলায় প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ কোকেন উৎপাদনকারী দেশ পেরুতে আন্তর্জাতিক মাদক পাচারকারী চক্র সক্রিয় রয়েছে।

আরও পড়ুন: শাহজালাল রুমিকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান হয়নি: রাশেদ খাঁন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৫০ বছর পর লাইব্রেরিতে বই জমা, গুনতে হলো ১৮.৭ লাখ টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২০ পি.এম


১৫০ বছর পর লাইব্রেরিতে বই জমা, গুনতে হলো ১৮.৭ লাখ টাকা জরিমানা

অস্ট্রেলিয়ার একটি পাবলিক লাইব্রেরি থেকে ধার নেওয়া একটি বই, যা প্রায় দেড় শতক আগে নেওয়া হয়েছিল, অবশেষে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই বইটি ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত অ্যান্টি-কুইটিজ অব অ্যাথেন্স নামে পরিচিত। বাড়ি সংস্কারের সময় এই বইটি একটি বন্ধ চিমনির ভেতরে লুকানো চায়ের কাঠের বাক্সে উদ্ধার করা হয়। হিসাব অনুযায়ী, সময়মতো ফেরত না দেওয়ার জন্য তার উপর যে জরিমানা ছিল, সেটি বর্তমানে প্রায় ১৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা হতে পারত।

কিয়ামার পাবলিক লাইব্রেরি গত সপ্তাহে প্রায় ১৫০ বছর আগে ধার নেওয়া একটি বই ফিরিয়ে পেয়েছে। লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ জানায়, বইটি একজন ব্যক্তির বাড়ি সংস্কারের সময় খুঁজে পাওয়া যায়। বইটি একটি ইট দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া অগ্নিকুণ্ডের (ফায়ারপ্লেস) ভেতরের চায়ের কাঠের বাক্সে লুকানো ছিল।

কিয়ামা লাইব্রেরির ব্যবস্থাপক মিশেল হাডসন বলেন, লাইব্রেরির প্রাচীন নিয়ম অনুযায়ী, এত দীর্ঘ সময় ধরে ফেরত না দেওয়া বইটির জরিমানা, মুদ্রাস্ফীতি সমন্বয় করে, প্রায় ২৮ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলারে দাঁড়ায়, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘এত পুরোনো কোনো বই আমাদের কাছে আগে কখনও ফেরত আসেনি।’ সোশ্যাল মিডিয়াতে তিনি যেসব লাইব্রেরিগুলিকে অনুসরণ করেন, সেখানে সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ বছর পর বই ফেরত আসার ঘটনা দেখা যায়।

এছাড়া, বইটি কে ধার নিয়েছিল, তা আর জানা সম্ভব নয়। কারণ ১৮৭০-এর দশকের ধার নেওয়ার রেজিস্টার, যেখানে ধার নেওয়া বই ও ব্যাক্তির তথ্য ছিল, তা হারিয়ে গেছে। হাডসন বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত আমাদের কাছে সেই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগটি নেই। বইটির ভেতরেও সর্বশেষ কেউ এটি নিয়েছিলেন তার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।’

লাইব্রেরির তৎকালীন নিয়ম অনুযায়ী, ধার নেওয়া বই ফেরত না দিলে নতুন বই নেওয়া যেত না। যদি কোন পরিবারে অন্তত ছয়জন পড়তে জানতো, তারা সর্বোচ্চ তিনটি বই ধার নিতে পারতো। মাতাল অবস্থায় কেউ আসলে তাকে বই দেওয়া হতো না।

লাইব্রেরির প্রাথমিক এক হাজার বইয়ের সংগ্রহে ৫০৬ নম্বর বইটি ছিল। দীর্ঘদিন চিমনির পাশে থাকায় বইটি পানির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, লাইব্রেরির ১৮৭২ সালে চালু হওয়ার কয়েক বছরের মধ্যেই বইটি হারিয়ে যায়।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায়, বইটি এখন কিয়ামা লাইব্রেরির স্থানীয় ইতিহাস সংগ্রহে প্রদর্শন করা হবে। মিশেল হাডসন মজা করে বলেন, ‘এবার আর বইটি কাউকে ধার দেওয়া হবে না। আবার এটি ফেরত পেতে আমি আর ১৫০ বছর অপেক্ষা করতে চাই না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বোমা আতঙ্কে বন্ধ থাকার পর চালু মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


বোমা আতঙ্কে বন্ধ থাকার পর চালু মিরপুর-১০ মেট্রো স্টেশন

শনিবার দুপুরে প্রায় ৫২ মিনিট বন্ধ থাকার পর, মিরপুর ১০ মেট্রোরেল স্টেশন পুনরায় চালু করা হয়েছে। এই বন্ধের কারণ ছিল বোমা সদৃশ সন্দেহজনক বস্তু পাওয়ার খবর। পরবর্তীতে, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের তল্লাশি ও নিরাপত্তা ক্লিয়ারেন্সের পর আবারও স্টেশনটির কার্যক্রম শুরু হয় এবং মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

মেট্রোরেল প্যাসেঞ্জার কমিউনিটির ফেসবুক গ্রুপ ও পেজে এই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

জানানো হয়েছে যে, দুপুর ১২টা ৫৮ মিনিটে স্টেশনের এলাকায় একটি সন্দেহজনক ব্যাগ দেখা পড়ে। নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী, এ moment স্টেশনটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ সময়, যাত্রীদের দ্রুত স্টেশন থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং মিরপুর ১০ স্টেশনে ট্রেনের যাত্রাবিরতি স্থগিত রাখা হয়। ট্রেনগুলো ওই স্টেশনটি এড়িয়ে চলাচল করে।

বাস্তব ঘটনা জানার পর, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে সন্দেহজনক বস্তুটির পরীক্ষা করে। প্রাথমিকভাবে এটি বোমা নয়, এমনই নিশ্চিত করা যায়।

এরপর, নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষ থেকে এলাকা নিরাপদ ঘোষণা করা হলে, দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে স্টেশনের কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা হয় এবং মেট্রোরেল চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ডিএমটিসিএল জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থেই স্টেশনটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাটি নিয়ে আরও তদন্ত করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজপথকে প্রাধান্য দিয়ে গণতন্ত্রের সমৃদ্ধি সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৫ পি.এম


রাজপথকে প্রাধান্য দিয়ে গণতন্ত্রের সমৃদ্ধি সম্ভব নয়: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় জাতীয় সংসদই রাজনৈতিক বিতর্ক, মতবিনিময় ও জাতীয় সমস্যার সমাধানের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। তিনি বলেন, কেউ কেউ জাতীয় সংসদের চেয়ে রাজপথে সমস্যার সমাধান বড় করে দেখছে। কিন্তু সরকার সংসদে জাতীয় সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে। সংসদের পরিবর্তে রাজপথকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে আমরা যখন গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চর্চা করতে চাই এবং জাতীয় সংসদকে একটি কার্যকর সংসদীয় সংস্কৃতির ধারায় এগিয়ে নিতে চাই, তখন দেখা যায় কেউ কেউ সংসদের চেয়ে রাজপথকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। সংসদের ছোটখাটো বিষয়ে রাজপথে এসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অস্থিরতা ও বিভ্রান্তি তৈরির অপচেষ্টা চলছে।

শনিবার (১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর যৌথ উদ্যোগে ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছর ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক একটি ফটো অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন এবং বিশেষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকার ষড়যন্ত্রের গভীরতা সম্পর্কে সচেতন। তবে দায়িত্বশীল সরকার হিসেবে তারা উত্তেজনা নয়, বরং গঠনমূলক সমাধানেই বিশ্বাসী।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা বুঝি বলেই দায়িত্বশীল আচরণ করি এবং অভিভাবকের ভাষায় কথা বলি।

প্রতিক্রিয়াশীল ও উসকানিমূলক বক্তব্য কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দূষিত পরিবেশ সৃষ্টি করে রাষ্ট্র পরিচালনা করা যায় না।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল মানুষের ভোটাধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং একটি স্বাধীন, স্বনির্ভর ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। সেই আন্দোলনের পর্ব শেষ হয়েছে। এখন দেশ গঠনের সময়।

তিনি বলেন, এখন আমাদের প্রধান দায়িত্ব দেশ গড়া। যারা সমস্যা তৈরি করবে, তাদের সঙ্গে প্রথমে গঠনমূলকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তবে রাষ্ট্র, দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রয়োজনে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হবে না।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে আলোকচিত্র গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে কাজ করবে। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতন্ত্র ও আন্দোলনের ইতিহাস জানাতে সহায়তা করবে।

অনুষ্ঠানে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। এই আন্দোলনের ত্যাগ, নির্যাতন ও আত্মদানের বাস্তব চিত্র তিন দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে।

তিনি আরও বলেন, এই প্রদর্শনী অতীতের নির্মমতা স্মরণ করিয়ে দেবে এবং ভবিষ্যতে যেন দেশে আর কোনো স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেই বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। পাশাপাশি তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ১৬ বছরের আন্দোলন, শোষণ, নিপীড়ন ও ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।

শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল শিক্ষা হলো জনগণের ঐক্য। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে হবে।

একই সঙ্গে মব কালচার, সাম্প্রদায়িক হামলা ও সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে তিনি এসব প্রতিরোধে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ এবং সাংবাদিক-সংস্কৃতিকর্মীদের মানবতা ও গণতন্ত্রের পক্ষে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন বলেন, জুলাই আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা একক গোষ্ঠীর অর্জন নয়; এটি ছিল সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত সংগ্রাম। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে কেউ কেউ জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে দাবি করে বিভাজন সৃষ্টি করছেন, যা আন্দোলনের চেতনার পরিপন্থী।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্যাতনের শিকার হলেও তা নিয়ে কখনো রাজনৈতিক প্রচারণা করেননি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেসসচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসির জামাল, বিপিজেএ’র সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার, সহ-সভাপতি মশিউর রহমান সুমনসহ সংগঠনের সদস্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোনো দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ঢাল হলে ‘যুদ্ধের আগুনে পুড়বে’: ইরানি জেনারেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:২৯ পি.এম


কোনো দেশ যুক্তরাষ্ট্রের ঢাল হলে ‘যুদ্ধের আগুনে পুড়বে’: ইরানি জেনারেল

ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের কমান্ডার মেজর জেনারেল আলী আবদুল্লাহি এক সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে যদি কোনো দেশ ওয়াশিংটনকে ‘প্রতিরক্ষামূলক ঢাল’ হিসেবে কাজ করে, তাহলে সেই দেশকে যুদ্ধের পরিণতি ভোগ করতে হবে।

শনিবার তিনি এক বক্তব্যে আঞ্চলিক মুসলিম দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সহযোগিতা ও জোট পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। সংবাদ সূত্র তাসনিম নিউজ।

আবদুল্লাহি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্র এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যে ‘বিস্তৃত যুদ্ধের’ দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তার মতে, এর উদ্দেশ্য হলো পুরো অঞ্চলে সম্প্রসারণকে গতিশীল করা এবং অবৈধ আধিপত্য নিশ্চিত করা।

সম্প্রতি ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে নিয়ে তিনি অভিযোগ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র তার স্বার্থ হাসিল করতে মুসলিম দেশগুলোর স্বার্থ, সম্পদ এবং অবকাঠামোকে ব্যবহার করছে। একই সাথে, ওয়াশিংটন এসব দেশকে নিজেদের সামরিক কার্যক্রমে ‘প্রতিরক্ষামূলক ঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করছে।

ইরানি জেনারেল আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থতার কারণে মার্কিন বাহিনী ও ইসরায়েলকে আঞ্চলিক দেশগুলোর ভূখণ্ড এবং অবকাঠামোর আড়ালে যুদ্ধ পরিচালনা করতে হচ্ছে। তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করেন যে, এর ফলে যুদ্ধের ব্যয় এবং ঝুঁকি আঞ্চলিক সরকারগুলোর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

আবদুল্লাহি তার বক্তব্যে বলেন, ইরান তার অবস্থান স্পষ্ট করেছে। আঞ্চলিক মুসলিম দেশের জন্য প্রয়োজন হল যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা বা জোটবদ্ধতা নতুন করে বিবেচনা করতে হবে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘অন্যথায়, যেকোনো দেশ অপরাধী ও আগ্রাসী আমেরিকার জন্য প্রতিরক্ষামূলক ঢাল হিসেবে নিজেকে ব্যবহার করবে, তা যুদ্ধের আগুনে পুড়ে যাবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%