মোঃ সোহেল রানা, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি
০২:০২ পি.এম
১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি পূরণ না করায় রাঙামাটি শহরের উপকণ্ঠে একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন পেঁপে বাগানের প্রায় ৮০০টি ফলন্ত গাছ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে বাগানমালিকের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। চাঁদার দাবিতে ফলন্ত গাছ কেটে দেওয়ার এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (১ আগস্ট ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পিসিএনপির কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ রানা ও মহাসচিব মোহাম্মদ সোলায়মান এ দাবি জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি, অপহরণ, চাঁদার দাবিতে মারধরসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে।
তারা বলেন, *চাঁদার দাবি পূরণ না করায় ব্যক্তিমালিকানাধীন বাগানের শত শত ফলন্ত গাছ কেটে দেওয়ার অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক।* এ ধরনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
পিসিএনপির নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সক্রিয় সকল সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের জানমাল ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জনগণের রায়ে নবনির্বাচিত সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালি ও পাহাড়ি সকল জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে প্রত্যাশা করছে সংগঠনটি। সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে জনজীবনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরিয়ে আনারও প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
নেতৃবৃন্দ সতর্ক করে বলেন, অনতিবিলম্বে এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে পার্বত্য চট্টগ্রামের ভুক্তভোগী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পিসিএনপি কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী জুলাই আন্দোলন কোনো একক ব্যক্তি বা দলের কৃতিত্ব নয়; বরং এটি দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত আন্দোলনের ফলাফল। তিনি অস্তিত্ববান ভালোবাসা ও সম্মানের সাথে সকলের অংশগ্রহণের প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করেন। এই আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে দাবি করে অন্যদের অবদান খাটো করতে না করার জন্য তিনি সকলকে আহ্বান জানান।
শনিবার (১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ এবং বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজেএ) আয়োজিত ‘বুলেটের মুখে বাংলাদেশ, ফ্যাসিবাদের হলো শেষ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীর সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেছেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
আতিকুর রহমান রুমন উল্লেখ করেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে কারাবরণ করতে গিয়ে এবং বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর পাশাপাশি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতনের ফলে নির্বাসিত জীবন অতিবাহিত করেছেন। তবে তারা কখনো নিজেদের ব্যক্তিগত ত্যাগের ভিত্তিতে আন্দোলনের একক কৃতিত্ব দাবি করেননি।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত প্রচার-প্রসারে কোনো কৃতিত্ব নেই। বিএনপি কখনো বলেনি যে তারা একা সব কিছু করেছে। আজ যারা নিজের একক কৃতিত্ব দাবি করছেন, তারা জনগণের কাছে একদিন প্রত্যাখ্যাত হবেন। ইতিহাসও তাদের স্থান বরাদ্দ করবে না।
সাংবাদিকদের ভূমিকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময়ে অনেক সাংবাদিক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে BNP এর নেতাকর্মীদের সহায়তা করেছেন। তিনি বলেন, বেশ কিছু সাংবাদিক তাদের মোটরসাইকেল ও গাড়িতে তুলে আমাকে এবং বিএনপির অন্যান্য নেতাদের নিরাপদ স্থানে পৌঁছাতে সাহায্য করেছেন। এজন্য তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতে পাচারের আগে বর্তমানে দায়িত্বে থাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকেও টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন সেল (টিএফআই সেল) বা ‘আয়নাঘরে’ রাখা হয়েছিল, এমনটি জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
শনিবার (১ আগস্ট) সকালে র্যাবের গোপন বন্দিশালা টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
আমিনুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যবিধির রুল ৪৬এ, রোম সংবিধির সংশ্লিষ্ট বিধান এবং দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচারকদের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সুযোগ রয়েছে। প্রসিকিউশনের আবেদনের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল বিচারিক পরিদর্শনের অনুমতি দিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, এত দিন ‘আয়নাঘর’ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা হলেও, বিচারকদের শুধু নথি কিংবা সাক্ষ্যের ওপর নির্ভর না করে সরেজমিনে ঘটনাস্থল দেখানোর উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পরিদর্শনের পর্যবেক্ষণ একটি মেমোরেন্ডামে লিপিবদ্ধ হবে, যা মামলার বিচারিক নথির অংশ হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, পরিদর্শনে ভবনের ভিতরে মোট ২২টি ছোট-বড় কক্ষের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, কয়েকটি কক্ষের সাইজ এতটাই ছোট যে সেখানে একজন মানুষের স্বাভাবিকভাবে শুয়ে থাকাও সম্ভব নয়। তদন্তে পাওয়া সাক্ষ্য অনুসারে, এসব কক্ষে ব্যক্তিদের হাত ও চোখ বেঁধে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর আটকে রাখা হতো। তাদের ওপর বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন চালানোর অভিযোগও রয়েছে। পরে অনেককে বিভিন্ন মামলায় আদালতে সোপর্দ করার পরও অনেকে আর ফিরে আসেননি।
তিনি আরও বলেন, এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই শতাধিক গুম হওয়া ব্যক্তির কোনো সন্ধান মেলেনি এবং তাদের মধ্যে বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীসহ আরও অনেকে রয়েছেন। গত বছরের আগস্টের পর কয়েকজন ভুক্তভোগী ফিরে এসে যে বর্ণনা দিয়েছেন, তার সঙ্গে মিলিয়ে আয়নাঘরের কিছু নির্দিষ্ট কক্ষ শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
আমিনুল ইসলাম জানান, ব্যারিস্টার আরমানকে যে কক্ষে রাখা হয়েছিল বলে তিনি বর্ণনা দিয়েছেন, তদন্তকারীরা সেটিও শনাক্ত করেছেন। একইভাবে, বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদকে র্যাব-১ এর এই স্থাপনায় একটি কক্ষে আটকে রাখার এবং পরে তাকে ভারতে নিয়ে যাওয়ার তথ্যও প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
আমিনুল ইসলাম আরও জানান, র্যাব-১ এর টিএফআই সেল পরিদর্শনের পর, এবার ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরে ডিজিএফআই-সংশ্লিষ্ট কথিত আরেকটি গোপন আটককেন্দ্র, জেআইসি, পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউশনের আবেদনের ভিত্তিতে, আগামী শনিবার বিচারকেরা সেখানে বিচারিক পরিদর্শনে যাবেন।
আইনগত বিষয় তুলে ধরে আমিনুল ইসলাম বলেন, সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কাউকে গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হয় এবং গ্রেপ্তারের কারণ জানাতে হয়। একই বাধ্যবাধকতা রয়েছে ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ও ১৬৭ ধারায়। কিন্তু আয়নাঘরে আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এসব সাংবিধানিক ও আইনগত বিধান অনুসরণ করা হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, অবৈধভাবে দীর্ঘ সময় আটকে রাখা, গুম, নির্যাতন ও হত্যার মতো অভিযোগগুলো শুধুমাত্র আইন লঙ্ঘনের বিষয় নয়; এগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। এসব অভিযোগের উপর ইতিমধ্যে বিচার চলছে এবং আরও অনেক ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
প্রসঙ্গত, র্যাবের টিএফআই সেল পরিদর্শন করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর তিন বিচারপতি, প্রসিকিউশন টিম এবং টিএফআই সেলের গুমের মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। সকাল সাড়ে ১০টার পরে তারা রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ এর কার্যালয়ে পৌঁছান।
এছাড়া, টিএফআই সেলের গুমের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় মোট আসামি ১৭ জন রয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জন অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তা গ্রেফতার রয়েছে। তারা তখন র্যাবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে জানা গেছে।
এ মামলার আসামি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, এম খুরশীদ হোসেন, মো. হারুন অর রশিদ এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।
এর আগে, ২১ জুলাই চিফ প্রসিকিউটরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ টিএফআই সেল পরিদর্শনের আবেদন মঞ্জুর করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, রাঙ্গাবালী উপজেলা শাখা।
গণমিছিলটি উপজেলার একটি নির্ধারিত স্থান থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা অংশ নেন।
সমাবেশে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, রাঙ্গাবালী উপজেলা শাখার সভাপতি কবির মাওলানা । এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শাখার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা রয়েছে। তারা আরও দাবি করেন, দেশের জনগণ অতীতের অন্যায়, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক সহিংসতার পুনরাবৃত্তি দেখতে চায় না এবং সুশাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকার দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সব বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বলে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম জানিয়েছেন। তিনি বিশেষ করে উল্লেখ করেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে মির্জাপুরের ঐতিহ্যবাহী এই বন্ধ কারখানাটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মির্জাপুরে বেশ কিছু ঐতিহ্যবাহী গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে, এবং স্থানীয় এমপির সহযোগিতায় সেসব প্রতিষ্ঠানকে আরো আধুনিকায়ন করা হবে। প্রতিমন্ত্রী শনিবার সকালে দীর্ঘ ২৯ বছর যাবৎ বন্ধ থাকা মির্জাপুরের ‘টাঙ্গাইল কটন মিল’ কারখানাটি পরিদর্শন করতে গিয়ে এ কথাগুলো বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমান সরকার স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু করেছেন। বিশেষ করে সোলার বিদ্যুতের বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার, যাতে দেশের ব্যবসায়ীরা এবং শিল্পপতিরা ইন্ডাস্ট্রিগুলো সঠিকভাবে চালানোর সক্ষমতা অর্জন করতে পারেন।
বিটিএমসির সচিব এবং পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) প্রকল্প পরিচালক কাজী ফিরোজ হোসাইন জানান, স্বাধীনতার আগে প্রায় ২৫ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত টাঙ্গাইল কটন মিল কারখানাটি চালু করা হয়।
১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশে কারখানাটি জাতীয় করণ করা হয়। ১৯৮২ সাল পর্যন্ত বিটিএমসি দ্বারা প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয় এবং এরপর ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ভাড়াসহ বিভিন্ন পদ্ধতিতে কারখানাটি চালু থাকে। তবে ১৯৯৮ সাল থেকে কারখানাটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে বলে জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের চেয়ারম্যান বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খান সালমান হাবীব, মির্জাপুর থানার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আরিফ, সহসভাপতি আলী এজাজ খান চৌধুরী রুবেল, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আব্দুল কাদের শিকদার, উপজেলা বিএনপির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক আবুল হোসেন, গোড়াই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান জুয়েল, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান স্বপন প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ