আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫১ পি.এম
নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এমপি।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের মধুপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, “বিএনপি সরকারে আসার সাত মাস হয়েছে। আমরা মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। এরই মধ্যে ষড়যন্ত্র শুরু হয়ে গেছে। এ দেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়। শান্তি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। কোনো প্রকার নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বরদাশত করা হবে না।”
সারাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কথিত নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে মধুপুর উপজেলা বিএনপি এ কর্মসূচির আয়োজন করে। বিকেলে উপজেলা বিএনপির কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন মধুপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাকির হোসেন সরকার, সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফজি প্রিন্স, সাধারণ সম্পাদক মো. মোতালিব হোসেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এম রতন হায়দার, পৌর বিএনপির সহসভাপতি লিলি সরকার ও রেজাউল করিম সিদ্দিক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন বাবলু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল লতিফ পান্না, বিএনপি নেতা মো. আনোয়ার হোসেন এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হযরত আলী শেখ, পৌর বিএনপির আহবায়ক সাইফুল ইসলাম সাগর সহ অন্যরা।
বক্তারা আওয়ামী লীগের কথিত নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে সাংগঠনিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
কর্মসূচিতে উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি যুবদল, মহিলা দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বর ও কালিগঞ্জ থানার আশপাশের এলাকায় প্রায় ঘণ্টাব্যাপী থেমে থেমে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দাবি। আহতদের কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য, অপরাজনীতি ও অগ্নিসন্ত্রাসের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে বিক্ষোভ কর্মসূচির প্রস্তুতি নেওয়া হয়। পরে উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান রোকনের নেতৃত্বে বিকেল ৫টায় পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচির প্রস্তুতি নেওয়া হয়। পৃথক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে আগে থেকেই উত্তেজনা তৈরি হয়।
একপর্যায়ে বিকেলে রোকনুজ্জামান রোকনের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে কালিগঞ্জ থানার দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। পরে মিছিলটি সামনে এগিয়ে গেলে অপর একটি পক্ষের মিছিলের সঙ্গে তাদের মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কুশুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শেখ হাসানুর রহমান ও কুশুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ নাজমুল হোসেনের নেতৃত্বে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি মিছিল বের হয়। অপরদিকে রোকনুজ্জামান রোকনের নেতৃত্বে কৃষকদলের নেতাকর্মীরা উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে মিছিল নিয়ে এগিয়ে আসেন। দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
সংঘর্ষে রোকনুজ্জামান রোকন সমর্থিত সবুজ ও ছোটন নামে দুজনকে স্থানীয় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় পরবর্তীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় বলে জানা গেছে। অপর পক্ষের আল ইমরান হোসেন প্রথমে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। পরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিপুল হোসেন ও আজমির হোসেনসহ আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহত সবার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কুশুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শেখ হাসানুর রহমান বলেন, জেলা বিএনপির নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছিলাম। এ সময় রোকনুজ্জামান রোকন সমর্থিত লোকজন আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তিনি দাবি করেন, তারা পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণভাবে মোকাবিলা করেছেন এবং সংঘর্ষ বাড়তে দেননি। অন্যদিকে উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান রোকন অভিযোগ করে বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছিলাম। একপর্যায়ে শেখ হাসানুর রহমানের সমর্থিত লোকজন আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক চেয়ারম্যান শেখ এবাদুল ইসলাম বলেন, গত দুই দিন আগে উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান উপজেলা বিএনপির মূল ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল করার প্রস্তুতি নেন। তখন তাকে কৃষকদলের আহ্বায়ক হিসেবে পৃথক কর্মসূচি পালন না করে মূল দলের ব্যানারে সম্মিলিতভাবে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানানো হয়। তিনি আরো বলেন, মঙ্গলবার সকালে এ নিয়ে আলোচনা চলাকালে রোকনুজ্জামান সমর্থিত লোকজন ইউনিয়ন বিএনপি ও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মনিরুল ইসলাম মনিকে মারধর করলে পরবর্তী সময়ে উত্তেজনা আরও বাড়ে এবং বিকেলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
তবে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ডা. শফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, দলের মূল সংগঠনের একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। পাশাপাশি উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক রোকনুজ্জামানের নেতৃত্বে আরেকটি কর্মসূচি পালন করা হচ্ছিল। একপর্যায়ে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তিনি জানান এসময় উভয় পক্ষের ৫-৬ জন আহত হয়েছেন।
কালিগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) প্রশান্ত কুমার ঘোষ বলেন, কর্মসূচিকে ঘিরে উভয় পক্ষের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সংঘর্ষ এড়াতে উভয় পক্ষকে সরিয়ে দেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তিনি।
ঘটনার পর উপজেলা পরিষদ ও থানার আশপাশে কিছু সময় উত্তেজনা বিরাজ করলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পক্ষের মামলা বা লিখিত অভিযোগের তথ্য পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে উপজেলা কৃষক দল ও কুশুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সদস্য শেখ এবাদুল ইসলাম। সভা সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য শেখ নুরুজ্জামান।সভায় সাম্প্রতিক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা নিয়ে আলোচনা, দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।সভায় উপস্থিত ছিলেন কুশুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ হাসানুর রহমান, চম্পাফুল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল লতিফ, তারালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও ইউপি সদস্য আরশাদ আলী, রতনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান আকাশ, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবু, মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শেখ নাজমুল ইসলাম বাবু এবং ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের সাবেক আহ্বায়ক শেখ রেজাউল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।সভায় বক্তারা বলেন, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলা কৃষক দল ও কুশুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ধরনের ঘটনা দলের ভাবমূর্তি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সদস্য শেখ এবাদুল ইসলাম বলেন, “দলের বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে সংযত, দায়িত্বশীল ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে। কোনো ধরনের মতপার্থক্য বা ভুল বোঝাবুঝি যেন সাংগঠনিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত না করে, সেদিকে প্রত্যেক নেতাকর্মীকে সতর্ক থাকতে হবে।বক্তারা আরও বলেন, দলীয় অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়কে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সেজন্য পারস্পরিক আলোচনা, সহনশীলতা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার মাধ্যমে যেকোনো বিরোধের সমাধান করতে হবে। ব্যক্তিগত কিংবা অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যের কারণে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সেদিকেও নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে।তারা বলেন, দলের ঐক্য, শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে সুসংগঠিত রাখতে প্রত্যেক নেতাকর্মীকে দলীয় সিদ্ধান্ত ও সাংগঠনিক নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক ঘটনায় যারা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে, তাদের বিষয়ে জেলা বিএনপিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সভায় উপস্থিত নেতারা।সভায় আরও বলা হয়, কোনো পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি বা মতপার্থক্য দেখা দিলে তা পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি কিংবা উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মাধ্যমে নয়; বরং দলের সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্যে আলোচনা, সংলাপ ও সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। দলের বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন নেতারা।সভায় উপস্থিত নেতারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে দলীয় নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় বজায় রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন এবং কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটবে না।জরুরি সভায় কালিগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের অধিকাংশ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দফায় দফায় জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির তীব্র প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে খেলাফত মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখা। ২৩ সেপ্টেম্বর-২০২৬ইং, বুধবার বিকাল ৫ টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণ থেকে উক্ত বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলপূর্ব সমাবেশে নেতৃবৃন্দ, সরকার কর্তৃক দফায় দফায় অযৌক্তিকভাবে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং অবিলম্বে বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ, সরকারের জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পণ্যের অযৌক্তিক মূল্য বৃদ্ধি বিশেষত ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে অযৌক্তিক বাসভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানান এবং প্রশাসনকে বাজার মনিটরিং করার জোর দাবি জানান। শিক্ষার্থীদের হাফ পাস নিশ্চিত করার ব্যাপারেও নেতৃবৃন্দ কথা বলেন।
খেলাফত মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি হাফেজ কবির হোসেনের সভাপতিত্বে ও সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতী শেখ শাব্বীর আহমাদের সঞ্চালনায় মিছিলপূর্ব সমাবেশে নেতৃবৃন্দের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস আহমদ, জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা গোলাম রাব্বানী, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা সভাপতি নুর মোহাম্মদ খান, জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান পায়েল, মুফতী আব্দুল গনী, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ, ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাইদুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের মহানগর ওলামা সম্পাদক মাওলানা নুর হুসাইন নূরানী, সদর থানা সাধারণ সম্পাদক আব্বাস সিকদার, ফতুল্লা থানা সভাপতি আবুবকর সিদ্দীক, সহ-সভাপতি আব্দুল করীম মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শরীফ মাহমুদ, মহানগর প্রচার সম্পাদক মুফতী তৌফিক বিন হারিছ, বন্দর থানা সহ-সভাপতি মুহাম্মদ ছানাউল্লাহ, মুহাম্মদ মাসুম, শ্রমিক মজলিসের জেলা সভাপতি ফারুক আহমদ, ইসলামী ছাত্র মজলিসের মহানগর সেক্রেটারি ফজলে রাব্বী, জেলা সেক্রেটারি কামরুল হাসান মিরাজ, প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ