মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫১ পি.এম
জাতীয় ফুটবল দলের নতুন হোম ও অ্যাওয়ে জার্সি উন্মোচন করা হয়েছে। নতুন জার্সির মূল্য ১৬০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সমর্থকদের জন্য ৭০০-৮০০ টাকার মধ্যে ফ্যান এডিশন আনার পরিকল্পনা করছে কিট পার্টনার ‘দৌড়’।
আজ দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক নতুন জার্সি উন্মোচন করেন। তিনি বলেন, "আমরা যখন খেলতাম, তখন কর্মকর্তারা বাজার থেকে জার্সি কিনে এনে দিতেন। এত ব্র্যান্ডিং ও আনুষ্ঠানিকতা করে কখনও জার্সি পড়া হয়নি। এ রকম ব্যবস্থার জন্য বাফুফে সভাপতিকে ধন্যবাদ।"
নতুন জার্সি তৈরি করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কিট পার্টনার ‘দৌড়’। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আবিদ আলম চৌধুরি জানান, "দাম ১৬০০ টাকা হওয়ার কারণ ফেব্রিকের কারণে। তবে সামনে আমরা ফ্যান এডিশন করছি, যেটা ৭০০-৮০০ টাকার মধ্যে হতে পারে। বাফুফের অনুমোদন পেলে এটা বাজারে ছাড়া হবে।"
‘দৌড়’এর আনুষ্ঠানিক কোনো শোরুম নেই। তবে এবার ইনফিনিটিতে বাংলাদেশের জার্সি রাখা হবে। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল সমর্থকদের সুবিধার জন্য অফলাইন বিক্রির ব্যবস্থারও দাবি জানান। তিনি বলেন, "অনলাইনে জার্সি বিক্রি হচ্ছে। আমরা চাই অফলাইনে দৌড়ের শোরুম থেকেও যেন সমর্থকরা জার্সি সংগ্রহ করতে পারে।"
বাফুফের সঙ্গে ‘দৌড়’এর চুক্তির মেয়াদ দুই বছরের। ইতোমধ্যে দেড় বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নতুন জার্সি উন্মোচন করা হয়েছে। তাবিথ আউয়াল প্রতি দুই বছর পরপর জার্সিতে পরিবর্তন আনতে আগ্রহী।
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে তুলনামূলক নতুন ব্র্যান্ড ‘দৌড়’। হামজা-সামিতদের বদৌলতে প্রতিষ্ঠানটি এখন দেশের ও প্রবাসী অনেক সমর্থকের কাছে পরিচিতি পেয়েছে। বাফুফের সঙ্গে চুক্তির সুফল সম্পর্কে মার্কেটিং কমিটির চেয়ারম্যান ফাহাদ করিম বলেন, "দৌড়ের সঙ্গে আমাদের যে চুক্তি- তারা জার্সি বিক্রি করলে সেখান থেকে লভ্যাংশ দেবে। সেটা প্রতি মাসে তারা পরিশোধ করছে। বছর শেষে সেটা ভালো অঙ্কই। এর পাশাপাশি বিগত সময়ে জার্সি কিনতে যে খরচ হতো সেটাও হচ্ছে না।"
জার্সি বিক্রির বিষয়ে আবিদ আলম চৌধুরি জানান, "গত এক বছর আমরা বিশ হাজারের মতো জার্সি বিক্রি করেছি। প্রতি মাসে বাফুফের রয়্যালিটি বুঝিয়ে দিয়েছি। বাফুফের সঙ্গে যখন চুক্তি হয়, তখন অনেক খেলা বা টুর্নামেন্ট সূচিতে ছিল না। অতিরিক্ত খেলার জন্য আমরা চুক্তির বাইরেও বাফুফেকে কয়েক হাজার জার্সি অতিরিক্ত সরবরাহ করেছি। পাশাপাশি বাজারে লোগো ব্যবহার করে বিক্রি হওয়ায় বাস্তবিক অর্থে আমরা সেভাবে লাভ করতে পারিনি।"
জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে কমলাপুর ও সিলেট স্টেডিয়াম নিয়ে বাফুফে ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বাফুফের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পক্ষে পরিচালক ক্রীড়া জাহেদ পারভেজ চৌধুরি এতে স্বাক্ষর করেন।
সমঝোতা স্মারক নিয়ে তাবিথ আউয়াল মন্তব্য করেন, "এই দুই স্টেডিয়ামের মালিকানা অবশ্যই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের। বাফুফে সিকিউরিটি ও অন্য ব্যবস্থাপনা দেখাশোনা করবে। এই স্টেডিয়ামে অন্য ফেডারেশনও খেলাধূলা আয়োজন করতে পারবে, সেটা বাফুফের সঙ্গে সমন্বয় করে। এই স্টেডিয়াম দুটো শুধু ফুটবল কিংবা বাফুফের ভাবার কোনো কারণ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘মানুষ,পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য স্বাক্ষরতা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক বকশিগঞ্জে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবসে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আয়োজনে দিবসটি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বকশিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন।
দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত র্যালিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় স্বাক্ষরতার গুরুত্ব, শিক্ষার প্রসার এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণে করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু হাসান মোঃ রেজাউল করিম,সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোছাঃ কনিকা খাতুন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মানিক সওদাগর,ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি ম্যানেজার মোঃ শহিদুল ইসলাম সহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
বক্তারা বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য শিক্ষার বিকল্প নেই। নিরক্ষরতা দূর করে একটি জ্ঞানভিত্তিক ও দক্ষ সমাজ গঠনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটি শহরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে পাঁচজন কথিত মাদক কারবারি ও দুইজন মাদকসেবীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। এ সময় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ২০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএমের নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার (ওসি) মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি আভিযানিক দল পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে সেতু চাকমা (৪০), মো. আরমান (২৩) ও তরপন চাকমা (৫০)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে ২০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদক সেবন ও ক্রয়-বিক্রয়ে সহায়তার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ছাড়া আরাফাত ইসলাম তারেক (২৯) ও সাইফুল ইসলাম (৩১)কে মাদক কারবারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। অপর অভিযানে মো. কামাল উদ্দিন (৪১) ও মো. নুর মিয়া (৪৪)কে মাদকসেবী হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরে তাদের বিধি অনুযায়ী আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অভিনেত্রী সাফা কবির ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ও তার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, একজন শিল্পীকে দেশের বাইরে গিয়ে কেন বারবার এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় সাফা বাঁধনের ঘটনার প্রতি তার ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং বাঁধনের জন্য ন্যায়বিচার দাবি করেন।
সাফা মন্তব্য করেন, বাঁধন ও তার পরিবারের যে পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে, সেটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একজন শিল্পী যখন দেশের বাইরে চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের সিনেমা ও দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যান, তখন তার প্রাপ্য হওয়া উচিত সম্মান ও নিরাপত্তা।
অপমান, হয়রানি কিংবা আতঙ্ক নয়, বরং নিরাপত্তা প্রত্যাশা করা উচিত।
সাফা দেশের শিল্পীদের রাজনৈতিক টানাপোড়েনে টেনে আনার বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, একজন শিল্পীর স্বাধীনতা হচ্ছে সত্য, ন্যায় ও মানুষের কথা বলা। তবে কেন একজন শিল্পীকে বারবার মূল্য দিতে হবে তার কণ্ঠ ও মত প্রকাশের জন্য, সেই প্রশ্ন তিনি উত্থাপন করেন।
কিছু মানুষের আচরণের কারণে পুরো দেশের মানুষকে বিচার করার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন সাফা। তিনি বলেন, কিছু মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে বিদেশে বাংলাদেশিদের হিংস্র, উগ্র কিংবা অসভ্য হিসেবে বিবেচনা করা হলে, তার প্রভাব সাধারণ মানুষের ওপরও পড়ে। এমনকি দেশের বাইরে তাদের সম্মান, ভিসা কিংবা চলাচলের ক্ষেত্রেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সাফা বাঁধনের ঘটনার পর কয়েক দিনের আলোচনা ও প্রতিবাদের বিষয়টি হারিয়ে না যাওয়ার জন্য সতর্ক করেন। নতুন কোনো ঘটনা সামনে এলে আগের ঘটনা চাপা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি সবাইকে বিষয়টি মনে রাখার আহ্বান জানান।
একজন শিল্পীর নিরাপত্তা, সম্মান ও স্বাধীনতা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত বিষয় নয়, বরং এটি সমাজ, দেশ ও জাতীয় পরিচয়ের বিষয়ও। তাই কোনো শিল্পীর কণ্ঠ, সম্মান ও নিরাপত্তা কখনোই রাজনৈতিক বিরোধের মূল্য হওয়া উচিত নয়।
প্রসঙ্গত, সোমবার রাতে ইতালির ভেনিসের মেস্ত্রে এলাকায় হামলার শিকার হন আজমেরী হক বাঁধন। এ সময় তিনি তার ভাই ও শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে ছিলেন। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন নিজেদের ‘ভেনিস ছাত্রলীগ’ ও ‘বঙ্গবন্ধুর সৈনিক’ পরিচয় দেয়। তারা বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে গালিগালাজ ও হেনস্তা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার পর বাঁধন ফেসবুক লাইভে এসে জানান, তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে, শরীরে পানি ছুড়ে মারা হয়েছে এবং তার মোবাইল ফোন ফেলে দেওয়া হয়েছে। পরে এ ঘটনায় স্থানীয় ভেনিস থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার ধামরাইয়ে সুবিধাবঞ্চিত ৪০ বেদে পরিবারকে খাসজমি এবং ২৫ সদস্যকে সেলাই মেশিন দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এ ছাড়া সড়ক নির্মাণের জন্য ৫ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম এই সহায়তা প্রদান করেন।
তিনি বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত বেদে সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নের উদ্দেশ্যে এসব সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে জেলার অন্যান্য উপজেলার বেদে সম্প্রদায়ের পরিবারগুলোকেও সহযোগিতার আওতায় আনা হবে।
ফরিদা খানম উল্লেখ করেন, একটি সেলাই মেশিনের মাধ্যমে একটি পরিবারের অন্তত পাঁচজন সদস্যের জীবিকা নির্বাহের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
সেলাই মেশিনের পাশাপাশি বেদে পল্লির বাসিন্দাদের বাড়ির আঙিনার ফাঁকা জায়গায় ফলমূল ও সবজি চাষ এবং হাঁস-মুরগি পালনের জন্যও উৎসাহিত করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বেদে পল্লির সদস্যরা। তারা জানান, খাসজমি, সেলাই মেশিন ও আর্থিক সহায়তা তাদের জীবনযাত্রায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার দাবি জানান তারা।
বেদে পল্লির পূর্ণিমা আক্তার বলেন, ‘আপনারা বেদে সম্প্রদায়ের দিকে তাকিয়েছেন, সে জন্য ধন্যবাদ। সেলাই মেশিন দিয়েছেন। এটা দিয়ে আমরা পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করতে পারব। আগে থেকে কাজ জানতাম। কিন্তু মেশিন না থাকার কারণে কাজ করতে পারতাম না। এখন করতে পারব।’
হেনা নামে আরেকজন বলেন, ‘এত কিছু পেয়ে আমরা খুশিতে আত্মহারা। চাওয়ার আগে আমরা পেয়ে যাই। ঘরবাড়ি দিয়েছেন, মেশিন দিয়েছেন। রাস্তাও করে দিয়েছেন। এর আগে অনুদানও দিয়েছেন। কী আর চাইব। চাওয়ার আগেই পাই।’
এ সময় বেদে পল্লির পক্ষ থেকে ফরিদা খানমকে একটি ব্যাগ উপহার দেওয়া হয়। উপহার পেয়ে ফরিদা খানম উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ