মোঃ নুর হোসাইন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, নোয়াখালী
০৪:৩০ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুবাই আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতার ২৯তম আসরে বিশ্বজুড়ে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। ১৩৫টি দেশ থেকে জমা পড়েছে একটি রেকর্ড ২০ হাজার ৫০০টি আবেদন। সেটিই প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ আবেদন রেকর্ড।
আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও দুবাইয়ের শাসক, শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মকতুমের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার আবেদন গ্রহণ সম্প্রতি শেষ হয়েছে।
সংগঠকরা জানিয়েছেন যে, মূল কাঠামোগত পরিবর্তনের কারণে এবার আবেদনকারীদের মধ্যে একটি অবিশ্বাস্য ঢল নেমেছে। দুবাই আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন পুরস্কারের নতুন উন্নয়নমূলক দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে সুন্দর কোরআন তিলাওয়াতের সন্ধানের আওতায় প্রাতিষ্ঠানিক বা রাষ্ট্রীয় মনোনয়নের পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এই নতুন সুযোগ তৈরির ফলেই রেকর্ডসংখ্যক কারী ও হাফেজ অংশগ্রহণ করেছেন।
আবেদনকারীদের সংখ্যা বিচারে শীর্ষে অবস্থান করছে মিসর, যার জমা পড়েছে ৬৮৩৮টি আবেদন। এর পরেই রয়েছে ইন্দোনেশিয়া (১৯২৩টি), পাকিস্তান (১৮৬২টি) এবং সিরিয়া (১৫১১টি)। বয়স ও লিঙ্গভিত্তিক বিভাগে, ১৬ বছরের ঊর্ধ্বে পুরুষ বিভাগে আবেদনের সংখ্যা ছিল ১৪ হাজার ০৪০টি। অন্যদিকে ১৬ বছরের কম বয়সী ছেলে ও মেয়েদের বিভাগে মোট ৬ হাজার ৪৯৫টি আবেদন জমা পড়েছে, যার মধ্যে ২ হাজার ৩৯৪ জন নারী প্রতিযোগী রয়েছেন।
ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিস ডিপার্টমেন্ট অব দুবাইয়ের ডিরেক্টর জেনারেল এবং পুরস্কারের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারমান আহমেদ দরবেশ আল মুহাইরি জানান, এই রেকর্ড অংশগ্রহণ পুরস্কারটির নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সফলতা এবং আন্তর্জাতিকভাবে এর ক্রমবর্ধমান গ্রহণযোগ্যতারই প্রমাণ বহন করে।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করতে এবার পুরস্কারের মোট তহবিল বাড়িয়ে ১ কোটি ২০ লক্ষ দিরহাম (প্রায় ৩৩ লক্ষ মার্কিন ডলার) নির্ধারণ করা হয়েছে। দুটি মূল বিভাগের প্রথম স্থান অধিকারীরা প্রত্যেকে ১০ লক্ষ ডলার করে পাবেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের জন্য রাখা হয়েছে যথাক্রমে ১ লক্ষ ও ৫০ হাজার ডলার করে। এছাড়াও 'গ্লোবাল কোরআন পার্সোনালিটি' অ্যাওয়ার্ডের বিজয়ীকেও দেওয়া হবে ১০ লক্ষ ডলার।
আবেদনকারীদের তাজবীদ, কণ্ঠের মাধুর্য, তিলাওয়াত এবং সামগ্রিক পারফরমেন্সের ওপর ভিত্তি করে প্রাথমিক মূল্যায়ন চলছে। ১৬ বছরের কম বয়সীদের দ্বিতীয় ধাপের বিচারিক কাজ আগামী ১ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর অনলাইনে পরিচালিত হবে। এরপর নির্বাচিত চূড়ান্ত প্রতিযোগীদের দুবাইয়ে ডেকে নেওয়া হবে এবং আগামী বছরের ৮ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে চূড়ান্ত গণভোট। এই আসরের আরেকটি প্রধান আকর্ষণ হলো, নির্বাচিত প্রতিযোগীরা রমজান মাসে দুবাইয়ের প্রধান প্রধান মসজিদে তারাবিহ নামাজে ইমামতি করার সুযোগ পাবেন। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমেই সেই বছরের সবচেয়ে সুন্দর কোরআন তিলাওয়াত নির্বাচিত হবে।
সূত্র: খালিজ টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) এ ‘আইইইই এপিএস পালস ১.০’ (IEEE AP-S PULSE ১.০) শিরোনামে একটি দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সকাল বেলা রাবির প্রকৌশল অনুষদ গ্যালারিতে কর্মশালার উদ্বোধন করেন রাবির উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মামুনুর রশীদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইইইই-এর ফেলো ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি সিডনি’র বিশিষ্ট প্রফেসর কারু এসেল।
কর্মশালার আহ্বায়ক ড. ফয়েজ আহমেদ ও আইসিটি সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর মো. হাসনাত কবীরও এতে বক্তব্য দেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর অ্যাকাডেমিক সেশনের বক্তব্য দেন প্রফেসর কারু এসেল ও প্রফেসর আতিফ শামিম। এরপর শিল্প-অ্যাকাডেমিয়া সংলাপ, হাতে-কলমে অ্যান্টেনা ডিজাইন কর্মশালা ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং শেষে অংশগ্রহণকারীদের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ কর্মশালায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করে।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিরা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনায় অংশ নিয়ে কর্মক্ষেত্রে একজন গ্র্যাজুেটের কাছে প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি গবেষণায় শিল্পখাতের ভূমিকা, গবেষণা অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সুবিধা উন্নয়ন এবং যৌথ গবেষণা ও উদ্ভাবনে শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (আইইইই)-এর আইইইই এপিএস-এমটিটিএস বাংলাদেশ জয়েন্ট চ্যাপ্টার ও আইইইই এপিএস রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী শাখার যৌথ উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এই কর্মশালার আয়োজন করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই জনবান্ধব ও মানবিক কর্মকাণ্ডে নজর কেড়েছেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিল্লুর রহমান।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ তিনি এক অসহায় ও বৃদ্ধা নারীর হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বৃদ্ধা নারীটির অসহায়ত্বের কথা জানতে পেরে ইউএনও জিল্লুর রহমান তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
যোগদানের সাথে সাথেই সাধারণ ও অসহায় মানুষের প্রতি তার এই মানবিক মনোভাব স্থানীয় সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রসংশা কুড়িয়েছে।
উপজেলাবাসীর আশা, তার এই দক্ষতা ও মহানুভবতা গোমস্তাপুর উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
আর্থিক সহায়তা প্রদানকালে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন গোমস্তাপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে সালমা রুমা এবং গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নির্বাচন কমিশন ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করেছে। এ নির্বাচনে ভোটাররা প্রকাশ্যে ভোট দিতে পারবেন।
নির্বাচনী কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, অধিবেশন কক্ষে কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালানো যাবে না। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি নিয়ে জাতীয় গণমাধ্যমের সামনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছেন। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে তিনি কথা বলেন।
সিইসি জানান, নির্বাচন কমিশন, জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সমন্বয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
নির্বাচনের প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে দিয়ে সিইসি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন, আর সেই দিনই ক্যাবিনেট ডিভিশন থেকে গ্যাজেট প্রকাশ করা হয়। এরপর সংবিধান ও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১৯৯১ সালের পর, বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতিতে এটি প্রথমবার একাধিক প্রার্থীর মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতার ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় সব মহড়া ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। ১৯৯১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন ও বিধিমালার আলোকে নির্বাচন কমিশন পুরো প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
জাতীয় সংসদের এখন নিয়মিত অধিবেশন না থাকায় সিইসি নিজেই সংসদ সদস্যদের বৈঠক আহ্বান করেছেন। গত ১১ আগস্ট ন্যূনতম সাত দিন সময় ধরে এই সম্পর্কিত গ্যাজেট প্রকাশ করা হয়। সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যরাই এই নির্বাচনের ভোটার।
নির্বাচন কমিশন আগেই ভোটার তালিকা ও তফসিল প্রকাশ করেছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গত ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনে তিনটি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষে দুটি মনোনয়ন জমা দেওয়া হয় ড. অলি আহমদ বীর বিক্রমের নামে এবং বর্তমান সরকারি দল BNP এর পক্ষে একটি মনোনয়ন জমা দেওয়া হয় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামে। ১৬ আগস্ট জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সহায়তায় প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। সংসদ সদস্যদের শপথ নেওয়ার দিনের মূল স্বাক্ষর রেজিস্টারের সঙ্গে প্রস্তাবক ও সমর্থকদের স্বাক্ষর মিলিয়ে দেখে তিনটি মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী একই প্রার্থীর দুটি বৈধ মনোনয়নপত্রের মধ্যে একটি বাড়তি হিসেবে গণ্য হওয়ায় চূড়ান্তভাবে দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৮ আগস্ট মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে কোনো প্রার্থীই নাম প্রত্যাহার করেননি।
ভোটার তালিকার ক্রমিকে কিছুটা বৈচিত্র্যের ব্যাখ্যা দিয়ে সিইসি জানান, সংসদীয় সীমানার সিরিয়াল অনুযায়ী পঞ্চগড়-১ থেকে শুরু হয়ে বান্দরবানে গিয়ে ৩০০ আসন শেষ হলেও এই নির্বাচনে মূলত সংসদের 'বিভক্তি নম্বর' অনুযায়ী ভোটিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। চট্টগ্রাম-৪ আসনের উপনির্বাচন বা শুন্যতার কারণে ভোটার তালিকায় বিভক্তি নম্বরে কিছুটা ডিসকন্টিনিউটি রয়েছে। তবে তা নিয়মানুগভাবেই সমাধান করা হয়েছে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৪৯ জন। ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা এবং সংসদ সদস্যরা এই নির্বাচনে ভোটার হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
নির্বাচন পরিচালনার জন্য স্পিকারের সঙ্গে পরামর্শ করা আইনগত বাধ্যবাধকতা এবং সে অনুযায়ী কমিশন পরামর্শক্রমেই সব সূচি নির্ধারণ করেছে বলে জানান সিইসি। ভোটগ্রহণ শেষে বিকেল ৫টার পরপরই তাৎক্ষণিকভাবে ভোট গণনা শুরু হবে এবং ফলাফলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন সিইসি। পুরো গণনার প্রক্রিয়া থাকবে শতভাগ স্বচ্ছ।
নির্বাচনের সময় সংসদ সদস্যরা কক্ষে উপস্থিত থাকতে পারবেন। ভোটার ও প্রার্থীদের নাম ব্যালট পত্রে স্পষ্ট উল্লেখ থাকায় কে কাকে ভোট দিচ্ছেন তা উপস্থিত সবার কাছে উন্মুক্ত থাকবে। ভিআইপি ভোটারদের ভোটদান এবং ফলাফল গণনার পর্বটি বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিইসি জানিয়েছেন, সংসদ ভবনের ভেতরের পরিবেশ ও বিধিমালা বজায় রাখার দায়িত্ব স্পিকারের। এই নির্বাচনকে ঘিরে অতিরিক্ত বা কোটি কোটি টাকা খরচের খবর গুজব ছাড়া কিছুই নয়, উল্লেখ করে তিনি বলেন, কমিশনের আলাদা কোনো বড় ধরনের আর্থিক ব্যয় বা অতিরিক্ত বাজেট তৈরি হয়নি।
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশ ও আন্তর্জাতিক মহল এই নির্বাচনের দিকে বিশেষ নজর রাখছে। সিইসি নাসির উদ্দীন আশা প্রকাশ করেন, সবার আন্তরিক সহযোগিতায় নির্বাচন কমিশন একটি অত্যন্ত সুন্দর, স্বচ্ছ ও ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জাতিকে উপহার দিতে সক্ষম হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ