প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দুবাই আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতার ২৯তম আসরে বিশ্বজুড়ে অভূতপূর্ব সাড়া মিলেছে। ১৩৫টি দেশ থেকে জমা পড়েছে একটি রেকর্ড ২০ হাজার ৫০০টি আবেদন। সেটিই প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ আবেদন রেকর্ড।
আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও দুবাইয়ের শাসক, শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মকতুমের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার আবেদন গ্রহণ সম্প্রতি শেষ হয়েছে।
সংগঠকরা জানিয়েছেন যে, মূল কাঠামোগত পরিবর্তনের কারণে এবার আবেদনকারীদের মধ্যে একটি অবিশ্বাস্য ঢল নেমেছে। দুবাই আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন পুরস্কারের নতুন উন্নয়নমূলক দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে সুন্দর কোরআন তিলাওয়াতের সন্ধানের আওতায় প্রাতিষ্ঠানিক বা রাষ্ট্রীয় মনোনয়নের পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এই নতুন সুযোগ তৈরির ফলেই রেকর্ডসংখ্যক কারী ও হাফেজ অংশগ্রহণ করেছেন।
আবেদনকারীদের সংখ্যা বিচারে শীর্ষে অবস্থান করছে মিসর, যার জমা পড়েছে ৬৮৩৮টি আবেদন। এর পরেই রয়েছে ইন্দোনেশিয়া (১৯২৩টি), পাকিস্তান (১৮৬২টি) এবং সিরিয়া (১৫১১টি)। বয়স ও লিঙ্গভিত্তিক বিভাগে, ১৬ বছরের ঊর্ধ্বে পুরুষ বিভাগে আবেদনের সংখ্যা ছিল ১৪ হাজার ০৪০টি। অন্যদিকে ১৬ বছরের কম বয়সী ছেলে ও মেয়েদের বিভাগে মোট ৬ হাজার ৪৯৫টি আবেদন জমা পড়েছে, যার মধ্যে ২ হাজার ৩৯৪ জন নারী প্রতিযোগী রয়েছেন।
ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিস ডিপার্টমেন্ট অব দুবাইয়ের ডিরেক্টর জেনারেল এবং পুরস্কারের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারমান আহমেদ দরবেশ আল মুহাইরি জানান, এই রেকর্ড অংশগ্রহণ পুরস্কারটির নতুন দৃষ্টিভঙ্গির সফলতা এবং আন্তর্জাতিকভাবে এর ক্রমবর্ধমান গ্রহণযোগ্যতারই প্রমাণ বহন করে।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করতে এবার পুরস্কারের মোট তহবিল বাড়িয়ে ১ কোটি ২০ লক্ষ দিরহাম (প্রায় ৩৩ লক্ষ মার্কিন ডলার) নির্ধারণ করা হয়েছে। দুটি মূল বিভাগের প্রথম স্থান অধিকারীরা প্রত্যেকে ১০ লক্ষ ডলার করে পাবেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের জন্য রাখা হয়েছে যথাক্রমে ১ লক্ষ ও ৫০ হাজার ডলার করে। এছাড়াও 'গ্লোবাল কোরআন পার্সোনালিটি' অ্যাওয়ার্ডের বিজয়ীকেও দেওয়া হবে ১০ লক্ষ ডলার।
আবেদনকারীদের তাজবীদ, কণ্ঠের মাধুর্য, তিলাওয়াত এবং সামগ্রিক পারফরমেন্সের ওপর ভিত্তি করে প্রাথমিক মূল্যায়ন চলছে। ১৬ বছরের কম বয়সীদের দ্বিতীয় ধাপের বিচারিক কাজ আগামী ১ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর অনলাইনে পরিচালিত হবে। এরপর নির্বাচিত চূড়ান্ত প্রতিযোগীদের দুবাইয়ে ডেকে নেওয়া হবে এবং আগামী বছরের ৮ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে চূড়ান্ত গণভোট। এই আসরের আরেকটি প্রধান আকর্ষণ হলো, নির্বাচিত প্রতিযোগীরা রমজান মাসে দুবাইয়ের প্রধান প্রধান মসজিদে তারাবিহ নামাজে ইমামতি করার সুযোগ পাবেন। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমেই সেই বছরের সবচেয়ে সুন্দর কোরআন তিলাওয়াত নির্বাচিত হবে।
সূত্র: খালিজ টাইমস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন