ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কীর্তনখোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ড্রেজার জব্দ ও এক লাখ টাকা জরিমানা


কীর্তনখোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ড্রেজার জব্দ ও এক লাখ টাকা জরিমানা

বরিশালের কালিজিরা সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে একটি অভিযানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড একটি ড্রেজার ও একটি বাল্কহেড জব্দ করেছে। একই সঙ্গে এই ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে। পরে, ভ্রাম্যমাণ আদালত ড্রেজার মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন।

মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোনের গণমাধ্যম কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. সালমান বিন শওকত বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড বরিশাল স্টেশনের সদস্যরা কীর্তনখোলা নদীতে অভিযান চালান। অভিযানের সময় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত একটি ড্রেজার ও একটি বাল্কহেড জব্দ করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে আটকের সময় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার কলাকোপা এলাকার মো. জাফর (৩০), নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চর রশিদ এলাকার মো. আব্দুল হাকিম (২৫), ভোলা সদর উপজেলার ডাইয়া গ্রামের মো. মুমিন (১৮) এবং মো. রাকিব (১৮)।

আরও পড়ুন: ৯৬ লাখ টাকা চুরির ঘটনায় ভাগ নেওয়ার অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম গ্রেপ্তার

পরে বরিশাল সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই ড্রেজার মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ড্রেজার ও বাল্কহেডসহ ছেড়ে দেওয়া হয়।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, নদীতীরবর্তী ফসলি জমি এবং বসতভিটা রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই সৈনিকের গল্পে দুই বাংলার আর্তি, শিল্পকলায় বাতিঘরের ‘র‍্যাডক্লিপ লাইন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


দুই সৈনিকের গল্পে দুই বাংলার আর্তি, শিল্পকলায় বাতিঘরের ‘র‍্যাডক্লিপ লাইন’

নাটকের দল বাতিঘর শিল্পকলা একাডেমিতে মঞ্চায়ন করেছে দলের দর্শকনন্দিত নাটক ‘র‍্যাডক্লিপ লাইন’। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার স্টুডিও থিয়েটার হলে নাটকটি মঞ্চায়ন হয়। এটি দলের অষ্টম প্রযোজনার ৩৮তম মঞ্চায়ন হয়ে থাকে।

র‍্যাডক্লিফ হলো একটি রেখার নাম। তবে সেই রেখা শুধু মানচিত্রে নয়; মানুষের ইতিহাস, স্মৃতিতে এবং সম্পর্কের মাঝে আঁকা হয়েছে। নাটকটির কাহিনি ব্রিটিশ ভারতের দেশভাগ এবং দুই বাংলার সীমানা ও মানবতার গল্প নিয়ে বিন্যস্ত হয়েছে।

নাটকের প্রেক্ষাপট ও নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র দুজন, তারা হলেন বাংলাদেশি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) জামাল এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হীরালাল। ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’-এ একটি গরুকে কেন্দ্র করে তাদের আকস্মিক সাক্ষাৎ ঘটে এবং উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তাদের কথোপকথন শুরু হয়। এই কথোপকথনের দ্বারা দুই বাংলার অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি, সীমান্ত হত্যা, এবং দেশভাগের নির্মমতা ও রাজনৈতিক বিভাজনের বিষয়টি উঠে আসে। মানচিত্রের কাঁটাতার সত্যিই মানুষকে কি আলাদা করতে পারে, এই প্রশ্ন নাটকে জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। একজন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী এবং একজন বাংলাদেশি সীমান্তরক্ষীর আকস্মিক সাক্ষাৎ ধীরে ধীরে উন্মোচন করে দুই বাংলার অভিন্ন স্মৃতি, ভাষা, শেকড় এবং হারিয়ে ফেলা মানুষের গল্প।

সীমানা কি সত্যিই মানুষকে আলাদা করতে পারে? একটি একই নদীর জল, একই মাটির গন্ধ, একই ভাষা এবং একই সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা মানুষকে বিভক্ত করেছে রাজনীতি, ক্ষমতার লোভ এবং বিভেদের নির্মম ইতিহাস। কিন্তু মানুষের স্মৃতি, ভালোবাসা ও আত্মপরিচয় কি কখনো কাঁটাতারে আটকে রাখা যায়?

আজও পৃথিবীর নানা প্রান্তে যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি, ঘৃণা ও বিভাজনের গল্প মানুষকে ঘিরে রয়েছে। র‍্যাডক্লিফ লাইন সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তিকে স্মরণ করিয়ে দেয় এবং মানবতার পক্ষেই দাঁড়ানোর আহ্বান জানায়। এটি শুধুমাত্র দুই সৈনিকের গল্প নয়, এটি দুই বাংলার গল্প। এটি মানুষের গল্প।

‘র‍্যাডক্লিফ লাইন’ নাটকটি মূলত কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা সময়ের গণ্ডিতে আটকে না থেকে, দেশভাগের নামে সৃষ্ট সিস্টেম বা ব্যবস্থার জাঁতাকলে পিষ্ট সাধারণ মানুষের ভেতরের মানবিকতা ও বেদনার গল্পকে তুলে ধরে। সিরিল র‍্যাডক্লিফ নামক যে ব্রিটিশ আইনজীবী ভারতবর্ষের মানচিত্রে কলমের আঁচড়ে ভারত ও পাকিস্তানকে বিভক্ত করেছিলেন, তার ফলে সৃষ্ট মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও ট্র্যাজেডি এখানে প্রধান উপজীব্য হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে।

মুক্তনীল রচিত ও নির্দেশিত এই নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন খালিদ হাসান রুমি, স্মরণ বিশ্বাস, সঞ্জয় হালদার ও শিশির সরকার প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের হুঁশিয়ারি: হরমুজ কখনোই আগ্রাসনের কারণে উন্মুক্ত করা হবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


ইরানের হুঁশিয়ারি: হরমুজ কখনোই আগ্রাসনের কারণে উন্মুক্ত করা হবে না

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে হরমুজ প্রণালি কখনোই পুনরায় উন্মুক্ত করা হবে না, এই স্পষ্ট বার্তা ওয়াশিংটনকে দিয়েছে ইরান। গত সোমবার, তেহরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামি-নিয়া এক জনসমাবেশে বক্তব্য প্রদান করার সময়ে বলেন, আমেরিকার যিনি অত্যন্ত আগ্রাসী এবং নীতিভ্রষ্ট প্রেসিডেন্ট, তাকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক আইন, অন্যান্য দেশের অধিকার এবং জনগণের মর্যাদা-কে সম্মান করতে শিখতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ, বৈরিতা কিংবা অন্য কোনো ধরনের আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি কখনোই উন্মুক্ত করা সম্ভব হবে না। জেনারেল আকরামি-নিয়া বললেন, এটি পুনরায় সচল করার একমাত্র উপায় হলো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানি জাতির অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন প্রয়োজন এবং যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী শর্তাবলী যথাযথভাবে পালন করা অতীব জরুরি।

এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান-ইসরায়েল যৌথ আগ্রাসনের পর উদ্ভূত সংঘাতের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে গত মাসে উভয় পক্ষ একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। এই অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির অধীনে ইরান ৬০ দিনের জন্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে শুল্কমুক্ত বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। সেই চুক্তি অনুসারে, প্রতিষ্ঠানটি এই সংকীর্ণ জলপথ অতিক্রম করার জন্য বিশেষ একটি নৌপথ তৈরি করে দেয় এবং নির্ধারিত এই রুট ছাড়া অন্য কোন অবৈধ পথ ব্যবহার না করার জন্য জাহাজগুলোকে সতর্ক করা হয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুন পর্যন্ত ৮৭ লাখ ৫০ হাজার প্রিপেইড বিদ্যুতের মিটার স্থাপন হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২০ পি.এম


জুন পর্যন্ত ৮৭ লাখ ৫০ হাজার প্রিপেইড বিদ্যুতের মিটার স্থাপন হয়েছে

কারিগরি বহির্ভূত সিস্টেম লস কমানোর লক্ষ্যে এবং নির্বিঘ্ন রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করতে সরকারের চলমান কর্মসূচির আওতায় চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত দেশে ৮৭ লাখ ৫০ হাজার প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি বাকী গ্রাহকদের জন্যও মিটার স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রেজাউল করিম আজ বাসসকে জানান, ‘কারিগরি বহির্ভূত সিস্টেম লস কমানো এবং রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সব গ্রাহককে স্মার্ট প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ১০ থেকে ১৫ শতাংশ গ্রাহককে হয়ত স্মার্ট প্রিপেইড মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব হবে না। তবে সর্বোচ্চ সংখ্যক গ্রাহককে এ নতুন ব্যবস্থার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, দেশের ৫ কোটিরও বেশি বিদ্যুৎ গ্রাহককে ধাপে ধাপে স্মার্ট প্রিপেইড মিটারিং ব্যবস্থার আওতায় আনতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় একটি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করছে। তিনি উল্লেখ করেন, মিটারে কারসাজি, অবৈধ সংযোগ এবং অন্যান্য অনিয়মের কারণে গ্রাহক পর্যায়ে ৫ থেকে ৭ শতাংশ কারিগরি বহির্ভূত বিদ্যুৎ অপচয় হয়।

প্রিপেইড মিটার বিদ্যুতের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বিউবোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা পর্যায়ক্রমে স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপন করছে। জুন পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৮৭ লাখ ৫০ হাজার ৮২৩টি প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে।

পাওয়ার সেলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রতি গ্রাহক গড়ে ৬৬১ কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন। এছাড়া ২০২৬ সালের ১৩ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩৩ হাজার ৯২ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। চলতি বছরের ২০ মে সর্বোচ্চ ১৭ হাজার ২০১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।

বিউবো পরিচালকের মো. শামীম হাসান বাসসকে বলেন, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিপিডিবি ৩৫ লাখ ৩৭ হাজার ১২৬টি স্মার্ট ও প্রচলিত একক ও তিনফেজ প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেছে।

তিনি জানান, ‘বাকি প্রিপেইড মিটার স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি) ১৮ লাখ, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ১০ লাখ ৭৯ হাজার ১৮৪, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) ৯ লাখ ১৬ হাজার ৯১০, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) ৯ লাখ ১২ হাজার ২৩৩ এবং নর্দার্ন ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো) ৯ লাখ ৩৯ হাজার ৩০৩টি প্রিপেইড মিটার স্থাপন করেছে।

বিউবো চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও খুলনা অঞ্চলের প্রায় ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার খুচরা গ্রাহককে সরাসরি বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।

ডিপিডিসি ঢাকা সিটি করপোরেশন ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ১৯ দশমিক ৯ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে এবং বিআরইবি সারাদেশে প্রায় ৩ কোটি ৩ লাখ থেকে ৩ কোটি ৬২ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সেবা প্রদান করছে।

ডেসকো প্রায় ১২ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। এর বিতরণ নেটওয়ার্ক মূলত ঢাকা মহানগরের উত্তরাংশ, গাজীপুরের টঙ্গী এবং পূর্বাচল মডেল টাউন এলাকাজুড়ে বিস্তৃত।

রাজ্যায়ত্ত নেসকো রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় আবাসিক, কৃষি ও বাণিজ্যিক খাতের প্রায় ২০ লাখ ১১ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

ওজোপাডিকো খুলনা ও বরিশাল বিভাগ এবং বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের প্রায় ১০ লাখ ৬৮ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে।

বিউবোর উপাত্ত অনুযায়ী, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো ২০২২ সালে ৮ লাখ ৫০ হাজার স্মার্ট প্রিপেইড মিটার স্থাপনের একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। এর আগে ২০১৮ সালে স্মার্ট মিটারিং ব্যবস্থা চালু করা হয় এবং যন্ত্রের মাধ্যমে প্রিপেইড মিটার রিচার্জ (ভেন্ডিং) ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়।

স্মার্ট প্রিপেইড মিটার ব্যবস্থায় বিল পরিশোধ, সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা পুনঃসংযোগের ঝামেলা থাকে না। এতে কোনো ন্যূনতম চার্জ বা জামানত দিতে হয় না এবং বিতর্কিত বিলেরও অবকাশ থাকে না।

এছাড়া স্মার্ট প্রিপেইড মিটার ব্যবহারকারীরা প্রচলিত বিদ্যুৎ বিলের হারের ওপর ২ শতাংশ মূল্যছাড় পান। অফ-পিক সময় ও সরকারি ছুটির দিনে ব্যালেন্স কমে গেলে বা ঋণাত্মক হলে আগাম সতর্কবার্তাও পাওয়া যায়।

এ ব্যবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে ঋণ সুবিধা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে এবং অস্বাভাবিক ভোল্টেজ ওঠানামা প্রতিরোধেও এটি সহায়ক। পাশাপাশি এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করে।

বিউবোর তথ্য অনুযায়ী, মিটারে কারসাজি, অবৈধ সংযোগ এবং অন্যান্য অনিয়মের কারণে গ্রাহক পর্যায়ে ৫ থেকে ৭ শতাংশ কারিগরি বহির্ভূত ক্ষতি হয়। প্রিপেইড মিটার বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বঙ্গোপসাগরে আরেকটি লঘুচাপের সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৩ পি.এম


বঙ্গোপসাগরে আরেকটি লঘুচাপের সম্ভাবনা

বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এক্ষেত্রে দেশে বৃষ্টিপাত বেড়ে যেতে পারে। মঙ্গলবার এ সম্পর্কে পূর্বাভাস প্রদান করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর আগে, গত সপ্তাহে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছিল যা পরবর্তী সময়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছিল। সে অবস্থার প্রভাবের ফলে দেশে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছিল। আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, মৌসুমি বায়ুর বর্ধিত অংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর মধ্যে একটি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বাংলাদেশে মৌসুমি বায়ু কার্যকর রয়েছে, বিশেষ করে দেশের উত্তর অংশে, এবং অন্যত্র এটি মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌসুমি বায়ু মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি নতুন লঘুচাপের সৃষ্টি হতে পারে। বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ দেখা দিতে পারে। সারাদেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশের দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, যদিও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস অনুযায়ী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে দিনের ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং অন্যান্য স্থানে তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা ও ঢাকা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী পাঁচদিনের আবহাওয়ায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%