০৮:৪৭ পি.এম
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাস্টবিন-সংলগ্ন এলাকা থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া এক কন্যা নবজাতক যে দম্পতি রবিউল ইসলাম ও সুমাইয়া আক্তার, তাদের কাছে বৈধ অভিভাবকত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে। শিশুটির সর্বোত্তম স্বার্থ, নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও সার্বিক কল্যাণ বিবেচনায় প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
গত ২৯ জুন গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাস্টবিন-সংলগ্ন স্থানীয় এলাকা থেকে কন্যা নবজাতকটিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: কুলিয়ারচরে পূর্ব গাইলকাটা জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে আকাশ-নিলয় একাদশ চ্যাম্পিয়ন
শিশুটির চিকিৎসার পাশাপাশি নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসন, সমাজসেবা অধিদপ্তর, উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।
গত ৬ জুলাই জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফীর সভাপতিত্বে জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় গজারিয়ায় উদ্ধার হওয়া নবজাতকের সর্বোত্তম স্বার্থ বিবেচনা করে বৈধ অভিভাবকত্ব প্রদানের বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
৯ জুলাই জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সদস্যরা তাদের মতামত ও সুপারিশ উপস্থাপন করেন। সদস্যদের সুপারিশ এবং শিশুটির নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও সার্বিক কল্যাণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে নবজাতকের বৈধ অভিভাবকত্ব প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা ভবেরচর ইউনিয়নের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম ও সুমাইয়া আক্তার দম্পতির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অসহায় শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিতকরণের জন্য মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ শিশুর অধিকার সংরক্ষণ ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকারের দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকার প্রতিফলন।
আরও পড়ুন: পূর্বধলায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ এর উদ্বোধন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন