মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৪৪ পি.এম
নরসিংদী জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয় পুনঃনিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই প্রতিষ্ঠানে এবং এর অধীনে বিভিন্ন স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠানসমূহে ৮টি পদে মোট ১১৭ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায়, যা চলবে ৩০ অক্টোবর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনে গ্রহণ করা হবে। এসএসসি পাস প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি-
পদের বিবরণ
আবেদন শুরু: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সকাল ১০টা
আবেদনের শেষ তারিখ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫টা পর্যন্ত
আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে
চাকরির ধরন: স্থায়ী ও অস্থায়ী
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ। তবে প্রার্থীদের অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
কর্মস্থল: নরসিংদী
বয়স: প্রার্থীদের ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ১৮-৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন। আবেদনপত্রের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি এবং ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরে এবং অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র গ্রহণযোগ্য হবে না।
আবেদন ফি: পরীক্ষার ফি বাবদ টেলিটক প্রি-পেইড সিমের মাধ্যমে ১-৭ নং পদের জন্য ১১২ টাকা এবং ৮নং পদের জন্য ৫৬ টাকা অফেরতযোগ্য হিসেবে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাঠাতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মালি সেনাবাহিনী এবং রাশিয়ার আধাসামরিক বাহিনী ওয়াগনার গ্রুপের সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা ও নির্যাতনের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছে। এই তথ্যটি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি নতুন প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।
২০২০ ও ২০২১ সালে দুটি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা মালির সামরিক জান্তা জিহাদি গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য রাশিয়ার সহায়তা গ্রহণ করে। এই সময় তারা ওয়াগনার গ্রুপের আধাসামরিক সদস্যদের নিয়োগ করে, যা পরে আফ্রিকা কোরে রূপান্তরিত হয়।
বার্তা সংস্থা এএফপি ডাকার থেকে এ খবরটি জানায়।
বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এর আগে মালিতে অভিযান চলাকালীন সময়ে মালি সেনাবাহিনী ও রুশ আধাসামরিক বাহিনীর হাতে বেসামরিক নাগরিকদের নিহত হওয়ার অভিযোগ তুলেছে।
অ্যামনেস্টির নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের জুন থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মধ্যাঞ্চলের সেগু ও মপতি এবং উত্তরের টিমবুকটু অঞ্চলের সাতটি স্থানে অন্তত ৩৪ বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর তথ্য তারা নথিবদ্ধ করেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহতদের কেউই মৃত্যুর সময় সরাসরি কোনো সংঘাতে অংশ নিচ্ছিলেন না।
এতে বলা হয়েছে, পালিয়ে যাওয়ার সময় বা গ্রেপ্তারের পর কয়েকজনকে ইচ্ছাকৃতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়। কারও গলা কেটে দেওয়া হয় এবং কাউকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়। কিছু মরদেহও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে টিমবুকটু অঞ্চলের ছোট একটি জনপদ টিন আদান্দার ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনী ও ওয়াগনারের যৌথ টহলের সময় চারজন নিহত হন।
অ্যামনেস্টি একই অঞ্চলে ২০২৫ সালের মার্চ ও নভেম্বরে পরিচালিত দুটি ড্রোন হামলার কথাও উল্লেখ করেছে। ওই হামলায় অন্তত ২৩ জন নিহত হন, যার মধ্যে অন্তত পাঁচটি শিশু ছিল।
সংস্থাটি জানায়, যৌথ সামরিক ও ওয়াগনার বাহিনীর টহলের সময় অথবা লেরে ও নামপালা সামরিক ঘাঁটিতে আটক অবস্থায় নির্যাতন বা দুর্ব্যবহারের শিকার ১৫ জন পুরুষের সাক্ষ্য তারা সংগ্রহ করেছে।
সাক্ষীরা টহল ও সামরিক ঘাঁটিতে ৩০ জনকে নির্যাতনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা জানিয়েছেন, নির্যাতন অথবা ঘাঁটির অমানবিক পরিস্থিতির কারণে সেখানে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
অ্যামনেস্টির মতে, নিহত ও নির্যাতনের শিকারদের মধ্যে অধিকাংশই ফুলানি, আরব ও তুয়ারেগ যাযাবর সম্প্রদায়ের সদস্য।
সংস্থাটি বলেছে, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে যোগসাজশের সন্দেহে কিছু ব্যক্তিকে তাদের জাতিগত পরিচয় এবং ওই গোষ্ঠীগুলো সক্রিয় এমন এলাকায় তাদের উপস্থিতির কারণে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
এপ্রিল মাসে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর হিউম্যান রাইটস (এফআইডিএইচ) সহ তিনটি নাগরিক অধিকার সংগঠন মালি সেনাবাহিনী ও ওয়াগনারের বিরুদ্ধে কথিত নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে আফ্রিকান ইউনিয়নের মানবাধিকার আদালতে মামলা করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা শওকত হোসেন হাওলাদার জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিতে পারেন—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে।
তবে শওকত হোসেন হাওলাদার জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিচ্ছেন—এমন কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা নিশ্চিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে তার পক্ষ থেকেও প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে কলসকাঠী ইউনিয়নে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের মধ্যে তৎপরতা বাড়ছে। এরই মধ্যে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শওকত হোসেন হাওলাদারকে ঘিরে দল পরিবর্তনের গুঞ্জন স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
বিএনপির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কলসকাঠীতে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফাহাদ খন্দকারে বিএনপিতে যোগদান ঘিরে চেয়ারম্যান পদে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলের কেউ কেউ বলছেন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কলসকাঠীতে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী হতে যাচ্ছেন ফাহাদ খন্দকার। যে কারনেই মনোনয়ন বঞ্চিত হতে পারেন শওকত হোসেন হাওলাদার। আর তাই মনোনয়ন বঞ্চিত হলে শওকত হোসেন হাওলাদার জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিতে পারেন বলে মনে করছেন দলের একাংশ।
একটি সুত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ আর জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার ভোটের ব্যবধান ছিল এক হাজার। সেদিক থেকে বিবেচনায় শওকত হোসেন হাওলাদার যদি জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেয় তাদের দলীয় ও ব্যক্তিগত ভোট মিলিয়ে তিনি একটা ভাল অবস্থানে থাকবেন বলে মনে করছেন তার সমর্থকরা। আর তাই চেয়ারম্যান নিবাচিত হতে তিনি বিএনপি থেকে জামায়াতে যোগ দেয়ার খবরটি অমূলক নয় বলেও মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে শওকত হোসেন হাওলাদারের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তবে এসব বিষয় থেকে তার জামায়াতে যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা থাকলেও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এটিকে গুঞ্জন হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
তবে এখন পর্যন্ত শওকত হাওলাদারের জামায়াতে যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত নয়; এটি স্থানীয় পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়া একটি রাজনৈতিক গুঞ্জন।
এ বিষয় বিএনপি নেতা শওকত হোসেন হাওলাদার জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি বিএনপি রাজনীতি করছেন। দল থেকে কাকে মনোনয়ন দিবে সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের বিষয়টিও তিনি নিছক সমালোচনা বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে 'রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই' বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, দেশে এলপিজির সংকট নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, যদি কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে এলপিজি মজুত করে, তাহলে সরকার তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় সরকারের উন্নয়ন ও অগ্রগতি কার্যক্রমসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বক্তব্য দেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্যের ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, আগস্ট মাসে দেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে। সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, দেশে এলপিজির সরবরাহ ও মজুতের পরিস্থিতি সন্তোষজনক রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের বাজারে এলপিজির সংকট নেই, যা নিশ্চিত করেছেন এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটররা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে। সম্প্রতি এলপিজির আমদানি, মজুত, সরবরাহ পরিস্থিতি এবং বাজারদর পর্যালোচনা করতে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তারা এই নিশ্চয়তা প্রদান করেন।
উপদেষ্টা জানান, পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও কোথাও কোথাও এলপিজির দাম বাড়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিনি সতর্ক করেছেন যে, অসৎ উদ্দেশ্যে কেউ যেন মজুত করে জনঅসন্তোষ সৃষ্টি না করেন, সে বিষয়ে মন্ত্রী সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছেন।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বজুড়ে পণ্যের বাজারে এক ধরনের জল্পনামূলক প্রবণতা তৈরি হচ্ছে, যা দাম বাড়ানোর কারণ হতে পারে। সরকার এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, বিগত সময়ের তুলনায় নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি থেকে দেশ অনেকটাই বেরিয়ে এসেছে এবং বর্তমানে সহিংসতা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তি সহযোগিতা চুক্তি হয়েছে, যা শান্তিপূর্ণ উপায়ে জ্বালানি ও শক্তির ব্যবহারে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
অনলাইন নিরাপত্তা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো রোধের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি যুগোপযোগী ও কার্যকর সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা হলে সমাজে অপতথ্য ও গুজবের বিস্তার অনেকটাই কমে আসবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে। সাক্ষাৎকারটি অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে।
বিদায়ী সাক্ষাৎকালে, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা চীনা রাষ্ট্রদূতের গঠনমূলক ভূমিকা ও অবদানের জন্য প্রশংসা করেন, যা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ছিল। তিনি চীনের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান, যা বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পেশাগত উন্নয়নে সহায়ক হয়েছে। একই সঙ্গে, তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা, সামরিক প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত যৌথ উদ্যোগের পরিধি আরও বেগবান ও সুদৃঢ় হবে।
বিদায়ী চীনের রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ চীনের একটি অত্যন্ত বিশ্বস্ত বন্ধু এবং গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও কৌশলগত অংশীদার। তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ও সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতে দুই দেশের পারস্পরিক বিশ্বাস, ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও কৌশলগত অংশীদারি বৃদ্ধির ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ