০৪:৫৮ পি.এম
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ছয় মাস আগে গঠিত মন্ত্রিসভায় আজ যে সংযোজন ঘটেছে, বিশ্বের সব দেশে এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই সংযোজনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের যে সমস্যাগুলো সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে ওয়াকিফহাল, এসব সমস্যা দূর করার লক্ষ্যে দেশকে গতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা এবং বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করাই মূল লক্ষ্য।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. মঈন খান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৯৮১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অকাল বিদায়ের পরে ৮২ সালে বিএনপির হাল ধরেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ১৯৮২ সালে তিনি নতুন করে দেশের হাল ধরেন এবং রাজপথে সংগ্রাম করে আপসহীন নেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ১৯৯১ সালে তিনি জনগণের ভোটে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালে এসে আবার নতুন করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই দেশকে নতুনভাবে ইনশাআল্লাহ গড়ে তোলা হবে।
আরও পড়ুন: ঢাকায় ১ নভেম্বর থেকে ৬ রুটে চালু হচ্ছে ‘এক রুট এক কম্পানি’ বাস পরিষেবা
তিনি উল্লেখ করেন, এটি দেশের জন্য একটি দ্বিতীয় ক্রান্তিকাল। এর আগে আরেকটি ক্রান্তিকালে, যখন দেশের সমগ্র মানুষ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিল, তখন স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় এ দেশের একটি রাজনৈতিক দল, যারা নিজেদের স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বলে দাবি করে, তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা বর্তমানে রয়েছে। সেই সময় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। নতুন প্রজন্মের জন্য আজ এই ইতিহাসগুলো বলা প্রয়োজন, কেননা বারবার বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পরিক্রমা ব্যাহত হয়েছে এবং প্রতিবারই বিএনপি দেশকে নতুন গণতন্ত্রের পথে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা করেছে।
এ সময় ড. মঈন খানের সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এবং দুই নতুন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ও মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন (ধর্ম মন্ত্রণালয়) উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন