বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:১৬ পি.এম
নদীর উপরে নয়, বরং নদীর তলদেশের নিচ দিয়ে ট্রেনে চড়ে পার হওয়া সম্ভব একটি নদী। এটি শুনতে অবাক লাগলেও চীনের সাংহাইয়ে এমন একটি ব্যতিক্রমী পর্যটন আকর্ষণ বিদ্যমান। হুয়াংপু নদীর নিচ দিয়ে নির্মিত বান্ড সাইটসিয়িং টানেলে যাত্রীদের জন্য আলোর, লেজারের এবং শব্দপ্রভাবের সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা রয়েছে। মাত্র ৩ থেকে ৫ মিনিটের এই যাত্রা পর্যটকদের কাছে এক ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
সম্প্রতি, একটি ভ্লগার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এই ট্রেনযাত্রার ভিডিও প্রকাশ করেছেন। সেখানে নদীর তলদেশ দিয়ে যাতায়াতের পাশাপাশি টানেলের ভেতরের আলোকসজ্জা ও ব্যতিক্রমী পরিবেশের চিত্র তুলে ধরেছেন তিনি।
ভিডিওতে দেখা যায়, প্রথমে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামেন ওই ভ্লগার। এরপর ফুল দিয়ে সাজানো একটি দেয়াল পেরিয়ে আরও নিচে এগিয়ে যান। টিকিট সংগ্রহ করে টানেলের ভেতরে প্রবেশের পর শুরু হয় তার বিশেষ এই যাত্রা।
টানেলের ভেতরে ঝলমলে এলইডি আলো, লেজার প্রক্ষেপণ এবং মহাকাশের আবহ তৈরি করা বিভিন্ন শব্দপ্রভাব বিদ্যমান। সব মিলিয়ে কয়েক মিনিটের এই যাত্রায় নদী পারাপারের পাশাপাশি বিনোদনের সুযোগও পান যাত্রীরা।
নিজের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে ওই ভ্লগার মন্তব্য করেন, "এটা সত্যিই দারুণ! চীন কীভাবে প্রতিটি বিষয়কে একটি বিশেষ অভিজ্ঞতায় পরিণত করে, তা আমার ভীষণ ভালো লাগে।"
তার মতে, চীন এখানে সাধারণ একটি ভূগর্ভস্থ ট্রেনপথ নির্মাণ করেই নদী পারাপারের ব্যবস্থা করতে পারত। কিন্তু এর পরিবর্তে যাত্রাপথটিকেও পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় করে তোলা হয়েছে। টানেল পেরিয়ে নদীর অপর পাড়ে পৌঁছে সেখানকার দৃশ্যও ক্যামেরায় ধারণ করেন তিনি।
কোথায় অবস্থিত এই টানেল?
বান্ড সাইটসিয়িং টানেল চীনের সাংহাই শহরে অবস্থিত। প্রায় ৬৪৬ দশমিক ৭ মিটার দীর্ঘ এই টানেল হুয়াংপু নদীর নিচ দিয়ে শহরের ঐতিহাসিক বান্ড এলাকা ও পুডংয়ের লুজিয়াজুই আর্থিক জেলাকে সংযুক্ত করেছে।
এখানে প্রচলিত মেট্রোরেলের পরিবর্তে স্বয়ংক্রিয় যাত্রীবাহী কেবিন ব্যবহৃত হয়। টানেল পার হতে সময় লাগে আনুমানিক ৩ থেকে ৫ মিনিট। এই সময়ে যাত্রীরা আলো, লেজার এবং শব্দের সমন্বয়ে তৈরি মাল্টিমিডিয়া প্রদর্শনী উপভোগ করতে পারেন।
টিকিটের দাম কত?
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, টানেলটির একমুখী যাত্রার টিকিটের দাম ৫০ চীনা ইউয়ান। আর যাওয়া-আসার টিকিটের দাম ৭০ ইউয়ান। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর আনুমানিক মূল্য যথাক্রমে ৯২৬ টাকা ও ১ হাজার ২৯৯ টাকা। তবে বিনিময় হারের পরিবর্তনে টাকার অঙ্কে কিছুটা পার্থক্য হতে পারে।
এক মিটারের কম উচ্চতার শিশুরা বিনামূল্যে ভ্রমণের সুযোগ পায়। আর এক মিটারের বেশি থেকে ১ দশমিক ৩ মিটার পর্যন্ত উচ্চতার শিশুদের জন্য অর্ধেক দামে টিকিটের ব্যবস্থা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ভ্রমণের আগে টিকিটের সর্বশেষ মূল্য, শিশুদের জন্য প্রযোজ্য নিয়ম এবং চলাচলের সময়সূচি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যাচাই করে নেওয়া উচিত।
নদীর তলদেশ দিয়ে যাতায়াতের সুযোগের সঙ্গে চোখ ধাঁধানো আলোকসজ্জা ও শব্দের সমন্বয় সব মিলিয়ে সাংহাইয়ের এই টানেল পর্যটকদের জন্য সাধারণ যাত্রাপথকে বিশেষ অভিজ্ঞতায় রূপ দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রায়বাঙ্গাঁলী গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, ইতালি উত্তর শাখার সদস্য সচিব নুরহুসাইন জমির দেশের মাটিতে নির্মাণ করেছেন একটি সুন্দর বাড়ি।
প্রবাসে থেকেও নিজের জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা ও শেকড়ের টান ধরে রেখে দেশের মাটিতে স্বপ্নের বাড়ি নির্মাণ করেছেন তিনি। তাঁর এই অর্জন পরিবার-পরিজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের জন্য আনন্দের বিষয়।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে মানুষের সেবা করার স্বপ্ন
নুরহুসাইন জমিরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে একসময় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া। তিনি জনপ্রতিনিধি হওয়ার মাধ্যমে এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং তাঁদের সেবা করতে প্রত্যাশা পোষণ করেন। এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, জনকল্যাণমূলক কাজে অংশ নেওয়া এবং মানুষের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখাই তাঁর এই স্বপ্নের অন্যতম লক্ষ্য।
প্রবাসজীবনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে নিজ এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যাশা নিয়ে এগিয়ে যেতে চান তিনি।
নুরহুসাইন জমিরের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হোক এবং তাঁর ভবিষ্যৎ পথচলা সুন্দর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত ১ জন পলাতক আসামি এবং ১ জন মাদকসেবীকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই মাদকসেবীকে ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম, বিপিএম-এর নির্দেশনা এবং জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম-এর তত্ত্বাবধানে গত ২২ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ রাতে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২২ অক্টোবর দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় জোরারগঞ্জ থানার এএসআই (নিঃ) মো. জহির উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল থানার ইছাখালী এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় নারী ও শিশু মামলা নম্বর-৪৫/২৫-এর সিআর ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি জিয়াউল হক হৃদয়কে (৩০) গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত জিয়াউল হক হৃদয় জোরারগঞ্জ থানার পশ্চিম ইছাখালী এলাকার লুদ্দাখালী গ্রামের সুজাউল হকের ছেলে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির নির্দেশনায় এবং ওসি মোহাম্মদ আব্দুল হালিম-এর নেতৃত্বে এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু হয়। গত ২২ অক্টোবর রাত ১২টা ৫০ মিনিট থেকে পরিচালিত ওই অভিযানে মীরসরাই উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীরুল কাদের সশরীরে উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দেন।
অভিযান চলাকালে হাতেনাতে আটক এক মাদকসেবীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনার সড়ক ও মহাসড়কে প্রাণহানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। দুর্ঘটনায় বেঁচে ফিরলেও অনেকেই কর্মক্ষমতা হারাচ্ছেন, ফলে তাদের পরিবারে অনিশ্চয়তা দেখা দিচ্ছে। দ্রুতগতির বাস ও ট্রাকের পাশাপাশি বেহাল সড়ক এবং নিষিদ্ধ ও ধীরগতির যানবাহনের চলাচল ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
খুলনা বিভাগে চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে ৪৫৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৩৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ৫৯৪ জন। দুর্ঘটনায় বেঁচে ফেরার পর আহতদের মধ্যে কেউ কেউ কর্মক্ষমতা হারাচ্ছেন। চিকিৎসার খরচ মেটাতে ঋণ ও অনুদানের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের। দ্রুতগতির বাস ও ট্রাকের সঙ্গে একই সড়কে ধীরগতির যান চলাচল, বেপরোয়া ওভারটেকিং, ফিটনেসবিহীন গাড়ি এবং বেহাল সড়ক দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। খুলনা–সাতক্ষীরা ও খুলনা–মোংলা মহাসড়কে ছোট যানবাহনের জন্য পৃথক লেনের দাবি জানাচ্ছেন যাত্রী ও চালকেরা।
দুর্ঘটনার ফলে একটি পরিবারের জীবন কিভাবে পরিবর্তিত হয়, তার উদাহরণ হলেন বাসের সুপারভাইজার রাজু শেখ। আট মাস আগে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর থেকে তিনি কাজে ফিরতে পারেননি। খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকার ভাড়া বাসায় দিন কাটাচ্ছেন বিছানায় শুয়ে। ডান পায়ে কয়েক দফা অস্ত্রোপচারের পরও স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারছেন না রাজু। চলতে হচ্ছে ক্রাচে ভর দিয়ে। চিকিৎসায় এরই মধ্যে কয়েক লাখ টাকা খরচ হয়েছে। তবে তিনি জানেন না, কবে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে আবার কাজে ফিরবেন।
রাজু জানান, তিনি ছয় সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। দুর্ঘটনার পর আয় বন্ধ হয়ে গেছে। অনুদান ও ঋণের টাকায় চিকিৎসা চলছে। নিজের সুস্থতার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের ভরণপোষণ নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হচ্ছে তাকে। রাজুর মতো দুর্ঘটনায় আহতদের দীর্ঘ চিকিৎসা ও কর্মহীনতা তাদের পরিবারকে সংকটে ফেলছে। আবার কারও মৃত্যুতে পরিবার হারাচ্ছে উপার্জনের প্রধান অবলম্বন। দুর্ঘটনার ক্ষত তাই আহত ব্যক্তির শরীরের বাইরে স্বজনদের জীবনেও প্রভাব ফেলছে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খুলনা বিভাগে ৪৫৯টি দুর্ঘটনায় ৪৩৩ জন নিহত ও ৫৯৪ জন আহত হয়েছেন। খুলনা জেলায় ২৬টি দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ২৮ জনের।
এসব দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে আঞ্চলিক ও জাতীয় মহাসড়কে নিষিদ্ধ যানবাহনের অবাধ চলাচল। বিশেষ করে খুলনা–সাতক্ষীরা ও খুলনা–মোংলা মহাসড়কে দ্রুতগতির বাস-ট্রাকের পাশেই চলছে ধীরগতির যান। গতির পার্থক্যের কারণে বেপরোয়া ওভারটেকিং, ফিটনেসবিহীন গাড়ি এবং সড়কের বেহাল দশায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। বিকল্প সড়ক না থাকায় চালকেরা বাধ্য হয়ে মহাসড়কে যান চালাচ্ছেন।
দুর্ঘটনাপ্রবণ খুলনা–সাতক্ষীরা মহাসড়কে চলাচলকারী বাসচালক রায়হান মোল্লা বলেন, "সড়কটির বিভিন্ন স্থানে ভাঙা। একটু দ্রুত চালালেই হঠাৎ ব্রেক করা যায় না। আর ইজিবাইক, সিএনজির কারণে তো চালানোই যায় না। হঠাৎ সামনে চলে আসে। এদেরকে কিছু বলাও যায় না, বলতে গেলে তারা মারমুখী আচরণ করে।"
বাসের পাশাপাশি পণ্যবাহী ট্রাকও চলাচল করে এই মহাসড়কে। ট্রাকচালক শফিকুল বলেন, "আমাদের গাড়িতে লোড বেশি থাকে, খানাখন্দে ভরা সড়কে মাঝে মধ্যেই বায়ে চাপতে হয়, ইজিবাইক মাহেন্দ্রার জন্য চাপতে পারি না। এতে সময়ও বেশি লাগে, দুর্ঘটনারও ভয় থাকে।"
সাতক্ষীরা বাসের যাত্রী আব্দুল খালেক বলেন, "তিন মাস আগে এমন একটা গাড়িতেই দুর্ঘটনার মধ্যে পড়তে যাচ্ছিলাম। কোনোমতে সে যাত্রায় বেচেঁছি। এখন এই রোডে চলতে গেলে জান হাতে নিয়ে চলতে হয়।"
অন্যদিকে ছোট যানবাহনের চালকেরা বলছেন, বিকল্প সড়ক না থাকায় জীবিকার প্রয়োজনে মহাসড়কে উঠতে হচ্ছে তাদের। স্থানীয় যাত্রী পরিবহন করে সংসার চালালেও দ্রুতগতির বড় যানবাহনের পাশে চলাচলে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। খুলনা–সাতক্ষীরা মহাসড়কে চলাচলকারী ইজিবাইকচালক নুরুল ইসলাম বলেন, "ভেতরের রোডে তো যাত্রী হয় না। এই রোডের মানুষদের তো বাসেও নেয় না। আমরা তো বাধ্য হয়েই চালাই। দুর্ঘটনার ভয় থাকে তাও চালাই। আমাদের জন্য এই রোডে সাইড লেন থাকলে আর দুর্ঘটনা ঘটতো না।"
বিআরটিএ খুলনার পরিচালক তানভীর আহমেদ বলেন, "সড়ক বিভাগ, হাইওয়ে পুলিশ, জেলা প্রশাসনসহ সব স্টেকহোল্ডারদের সাথে নিয়ে আমরা দুর্ঘটনা রোধে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি। তবে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আইন প্রয়োগকারীদের আরও কঠোর হতে হবে। স্বল্প লোকবলে আমাদেরও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ে। তবুও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আমরা আরও নতুন কার্যক্রম হাতে নিচ্ছি।"
হাইওয়ে পুলিশ খুলনার পুলিশ সুপার মো. জাকারিয়াও সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কাজ করার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "খুলনা অঞ্চলের মহাসড়কগুলোতে কোনো ফিডার রোড নাই। আমরা বারবার এ সংক্রান্ত সভায় এই রোডে ফিডার রোডের দাবির কথা জানিয়েছি।"
শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ করে এটি রোধ করা যাবে না। পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধিতেও সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে।
সড়ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা বিভাগে ১৯টি জাতীয় ও ১৮টি আঞ্চলিক মহাসড়ক রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এ ঘটনায় বুধবার রাত ১২টার দিকে মোঃ সেকেন্দার মোল্লা (৬০) নামের এক ব্যক্তি বাদী হয়ে চন্দ্রিম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে সাতজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগের বরাত দিয়ে জানা যায়, বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মহানগরীর চন্দ্রিমা থানাধীন শিরোইল কলোনী পশ্চিমপাড়ায় একটি অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অভিযোগকারীর বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় বাড়ির পাঁচটি বৈদ্যুতিক মিটার ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বাড়ির নিচতলার একটি শয়নকক্ষে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। এ সময় ওয়ারড্রবের ড্রয়ারে রাখা এক লাখ টাকা এবং এক ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, যার আনুমানিক মূল্য আড়াই লাখ টাকা, নিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
এ ছাড়া বাড়ির ড্রয়িংরুমে থাকা একটি সুজুকি ১১০ সিসি মোটরসাইকেল ফেলে দিয়ে এর তেলের ট্যাংক ও লুকিং গ্লাস ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। এতে আনুমানিক ১৪ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী।
ওই সময়, পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
অভিযোগকারী দাবি, এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
জানতে চাইলে বৃহস্পতিবার সকালে চন্দ্রীমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, হামলা, ভাংচুরের ঘটনায় ভুক্তভোগীর দায়ের করা অভিযোগ পেয়েছি। সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ