মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫২ পি.এম
রাজশাহী মহানগরীর পবা থানা এলাকার মধ্যে চুরি হওয়া একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করেছে পবা থানা পুলিশ। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন হলো নগরীর পবা থানার মধুসূদনপুর গ্রামের মোঃ গোলাম মোস্তফার ছেলে মোঃ মুনজিল আলী (৩২) এবং অপরজন আলাইবিদিরপুর গ্রামের মৃত লোকমান মন্ডলের ছেলে মোঃ রেজাউল করিম (৩৩)।
আরএমপি সদর দপ্তরের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গত ৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টার দিকে পবা থানার আলাইবিদিরপুর এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান চুরি করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভ্যানটির মালিক বিষয়টি পবা থানা পুলিশকে মৌখিকভাবে অবহিত করেন। পুলিশ খবর পেয়ে ভ্যানটি উদ্ধার এবং চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে তৎপরতা শুরু করে।
এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ৮ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টার দিকে পবা থানা পুলিশ বিদিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মুনজিল আলীকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী চুরি যাওয়া ব্যাটারিচালিত ভ্যানটি উদ্ধার করা হয় এবং তার সহযোগী রেজাউল করিমকেও গ্রেফতার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে মুনজিল আলী ভ্যান চুরি চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পবা থানায় চুরির মামলা রুজু করা হয়েছে এবং মঙ্গলবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের নকলা উপজেলায় সার বিতরণ ব্যবস্থাপনা এবং কৃষি বিভাগের চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন শেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডিডি খামারবাড়ি) কৃষিবিদ মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে সঠিক সময়ে কৃষকদের হাতে সার পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নকলা পৌরশহর ও চন্দ্রকোনা বাজারের বিভিন্ন সার ডিলার ও গুদাম পরিদর্শনের পাশাপাশি সার বিতরণ ব্যবস্থা, ডিলারদের কার্যক্রম এবং কৃষি বিভাগের বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে সার ডিলারদের স্টক রেজিস্টার ও তাদের গুদামে থাকা সারের বর্তমান মজুত পর্যবেক্ষণ পূর্বক যাচাই করেন। সার বিক্রির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম হচ্ছে কিনা, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কৃষকদের কাছে অতিরিক্ত মূল্য আদায় কার হচ্ছে কিনা এবং কৃত্রিমভাবে সার সংকট সৃষ্টি করার সম্ভাবনা তৈরি করা হচ্ছে কিনা এসব বিষয়ে খোঁজ খবর নেন তিনি। পরিদর্শনকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাসহ সার ডিলারদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কৃষকদের মাঝে নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রির ক্ষেত্রে কোন প্রকার অনিয়ম হলে এবং কৃষকদের অযথা হয়রানি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ জানান, উপজেলার কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত সার মজুত ও যথাসময়ে সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ডিলারদের স্টক ও বিক্রয় কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। তিনি কৃষকদের উদ্দেশে বলেন, চলতি মাসে নকলা উপজেলায় সারের বরাদ্দে কোনো ঘাটতি নেই। তাই সার নিয়ে কোনো ধরনের উদ্বেগ বা হতাশার কারণ নেই। তিনি সার ব্যবস্থাপনায় সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান এবং সবাইকে ধৈর্যশীল থেকে নিয়ম মেনে সার সংগ্রহ করার পরামর্শ দেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট সার ডিলারদের প্রতি তিনি সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি প্রতিটি কৃষকের কাছে সার বিক্রির রশিদ প্রদান বাধ্যতামূলকভাবে নিশ্চিত করতে বলেন।
জেলা কৃষি বিভাগের এ পরিদর্শনের মাধ্যমে সার বিতরণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও কৃষকদের সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এসময় উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মরত কর্মকর্তাগন, উপজেলা বিএডিসি সার ও বীজ ডিলার এসোসিয়েশনের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সার ডিলারগন উপস্থিত ছিলেন।
এদিন সার বিতরণ ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন ছাড়াও উপজেলা কৃষি বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষন কেন্দ্রে আয়োজিত বিভাগীয় পাক্ষিক অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কৃষি কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন উপপরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।
এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল ওয়াদুদ, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ তাবাসসুম মকবুলা দিসাসহ কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ব্লকে কর্মরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অতিসম্প্রতি নিজের পছন্দের খাবার তালিকা নিয়ে মন্তব্য করেন টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। যার জেরে বর্তমানে তাকে নিয়ে নেটমাধ্যমে চলছে নানা সমালোচনা। এমনকি অভিনেতাকে ডিম ছোড়ার হুমকিও এসেছে।
চলতি মাসে বাংলাদেশ সফরকালে বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীকে এক সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞেস করা হয়, বাংলাদেশের কোন খাবার তার সবচেয়ে পছন্দের? জবাবে তিনি বলেন, গরুর মাংস এবং ইলিশ মাছ তার পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে। দুপুরে মাংস ভাত খেয়েছেন, আর রাতে যাবেন গরুর মাংস খেতে।
এই ভিডিওটি প্রকাশ পেতেই সামাজিক মাধ্যমে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েন বিশ্বজিৎ। অভিনেতার বক্তব্যের সমালোচনা করে নেটমাধ্যমে এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘কথিত বুদ্ধিজীবী হিন্দুরা আসলে নিজেদের খুব কুল ভেবে এসব বলে। শুনলে আশ্চর্য লাগে।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘এবার কলকাতায় ফিরলে পাবলিক আপনাকে ডিম খাওয়াবে।’ অভিনেতাকে ঢাকাতেই রেখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে অন্য আরেকজন লেখেন, ‘একে ঢাকাতেই পাকাপাকিভাবে রেখে দেওয়া হোক।’
এতসব সমালোচনার ভিড়েও কেউ কেউ অভিনেতার পক্ষ নিয়েছেন। একজন লিখেছেন, ‘এখানে যারা বিরোধিতায় সরব, তারা অনেকেই খেয়েছেন। কিন্তু এটা তাদের মুখোশ। মানুষ কী খাবে, সেটি তার নিজস্ব রুচির বিষয়।
এসব বিতর্কের মাঝে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী জানান, বিষয়টি নিয়ে বিচলিত নন তিনি। পুরো বিষয়টিকে হেসে উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আমার পেট, আমার মন, আমার হাত আর যে খাবারটা খাব তার টাকাটাও আমার। সুতরাং আমি কী খাব, সেটা অন্য কেউ ঠিক করে দেওয়ার কে?
তিনি আরও বলেন, এক বোনের জন্মদিনের আমন্ত্রণে গত ৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে গিয়ে ৫ তারিখেই ফিরে এসেছি। সেখানকার আতিথেয়তায় আমি সত্যিই মুগ্ধ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল ও হুমকির জবাবে কড়া বার্তা দিয়ে বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী জানান, এই বিষয়ে তিনি ইতিমধ্যে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং মামলাটি যেহেতু আদালতের বিচারাধীন, তাই আপাতত এর বেশি কিছু বলতে চান না।
উল্লেখ্য, বাংলা চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও নাট্যজগতের একজন অত্যন্ত পরিচিত মুখ বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। ১৯৯৩ সালে অশোক বিশ্বনাথন পরিচালিত ‘শূন্য থেকে শুরু’ সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। এরপর ধারাবাহিকভাবে ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’, ‘বাই বাই ব্যাংকক’, ‘মিশর রহস্য’, ‘জাতিস্মর’, ‘রাজকাহিনি’র মতো সিনেমায় কাজ করে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নগরীতে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের অভিযোগে কথিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের সাতজন সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে হাটহাজারী থানা পুলিশ।
গতকাল সোমবার রাতে হাটহাজারীর ভুলিয়াপাড়া ও খন্দকিয়া, বায়েজিদ বোস্তামী থানার মাজার এলাকা এবং খুলশীর দামপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির কাজে ব্যবহৃত একটি তলোয়ার, একটি চাপাতি, একটি ছুরি, একটি টিপছোরা ও বিদেশি নম্বর ব্যবহার করা চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— কামরুল হাসান ওরফে সাগর (২৫), মো. রিকু (২৫), তরিকুল ইসলাম ওরফে রোহিত (২০), আহমদুল্লাহ ওরফে মাসুম মেম্বার (৪০), আহমদ রেজা শাকিল (২৫), মো. মানিক (৪০) ও নুরুল আলম (৪০)।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম জানান, গ্রেফতারকৃতরা হাটহাজারী ও বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছে বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে সন্ত্রাসী রায়হান, বড় সাজ্জাদসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসীর নাম ব্যবহার করে চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করতো।
সম্প্রতি হাটহাজারীর আমানবাজার এলাকার এক চিকিৎসকের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। একইভাবে বড়দিঘীর পাড় এলাকার এক ব্যবসায়ীর কাছেও চাঁদা দাবি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের মাধ্যমে চক্রটির সদস্যদের শনাক্ত করা হয়।
তিনি জানান, বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও বিত্তবান ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করে তাদের টার্গেট করা এবং সন্ত্রাসীদের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায় করাই ছিল চক্রটির কৌশল।
গ্রেফতারদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অস্ত্র, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ডাকাতির প্রস্তুতি, অপহরণ ও হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে গাজীপুরে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, জানা ও না জানার মধ্যে পার্থক্য অনেক, কাজেই সাক্ষরতার গুরুত্ব অপরিসীম। যারা জানে তারা ‘ওপেন-আইড’ এবং যারা জানে না তারা ‘ব্লাইন্ড’।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে আজ আমি সবাইকে জানা ও শেখার মাধ্যমে খোলা চোখের মানুষ হতে বলবো।
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ও পুলিশ সুপার গাজীপুরের প্রতিনিধি, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, পিটিআই সুপারসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ