মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৭ পি.এম
অতিসম্প্রতি নিজের পছন্দের খাবার তালিকা নিয়ে মন্তব্য করেন টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। যার জেরে বর্তমানে তাকে নিয়ে নেটমাধ্যমে চলছে নানা সমালোচনা। এমনকি অভিনেতাকে ডিম ছোড়ার হুমকিও এসেছে।
চলতি মাসে বাংলাদেশ সফরকালে বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীকে এক সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞেস করা হয়, বাংলাদেশের কোন খাবার তার সবচেয়ে পছন্দের? জবাবে তিনি বলেন, গরুর মাংস এবং ইলিশ মাছ তার পছন্দের খাবারের তালিকায় রয়েছে। দুপুরে মাংস ভাত খেয়েছেন, আর রাতে যাবেন গরুর মাংস খেতে।
এই ভিডিওটি প্রকাশ পেতেই সামাজিক মাধ্যমে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েন বিশ্বজিৎ। অভিনেতার বক্তব্যের সমালোচনা করে নেটমাধ্যমে এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘কথিত বুদ্ধিজীবী হিন্দুরা আসলে নিজেদের খুব কুল ভেবে এসব বলে। শুনলে আশ্চর্য লাগে।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘এবার কলকাতায় ফিরলে পাবলিক আপনাকে ডিম খাওয়াবে।’ অভিনেতাকে ঢাকাতেই রেখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে অন্য আরেকজন লেখেন, ‘একে ঢাকাতেই পাকাপাকিভাবে রেখে দেওয়া হোক।’
এতসব সমালোচনার ভিড়েও কেউ কেউ অভিনেতার পক্ষ নিয়েছেন। একজন লিখেছেন, ‘এখানে যারা বিরোধিতায় সরব, তারা অনেকেই খেয়েছেন। কিন্তু এটা তাদের মুখোশ। মানুষ কী খাবে, সেটি তার নিজস্ব রুচির বিষয়।
এসব বিতর্কের মাঝে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী জানান, বিষয়টি নিয়ে বিচলিত নন তিনি। পুরো বিষয়টিকে হেসে উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আমার পেট, আমার মন, আমার হাত আর যে খাবারটা খাব তার টাকাটাও আমার। সুতরাং আমি কী খাব, সেটা অন্য কেউ ঠিক করে দেওয়ার কে?
তিনি আরও বলেন, এক বোনের জন্মদিনের আমন্ত্রণে গত ৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে গিয়ে ৫ তারিখেই ফিরে এসেছি। সেখানকার আতিথেয়তায় আমি সত্যিই মুগ্ধ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল ও হুমকির জবাবে কড়া বার্তা দিয়ে বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী জানান, এই বিষয়ে তিনি ইতিমধ্যে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং মামলাটি যেহেতু আদালতের বিচারাধীন, তাই আপাতত এর বেশি কিছু বলতে চান না।
উল্লেখ্য, বাংলা চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও নাট্যজগতের একজন অত্যন্ত পরিচিত মুখ বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। ১৯৯৩ সালে অশোক বিশ্বনাথন পরিচালিত ‘শূন্য থেকে শুরু’ সিনেমা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। এরপর ধারাবাহিকভাবে ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’, ‘বাই বাই ব্যাংকক’, ‘মিশর রহস্য’, ‘জাতিস্মর’, ‘রাজকাহিনি’র মতো সিনেমায় কাজ করে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নগরীতে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের অভিযোগে কথিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের সাতজন সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে হাটহাজারী থানা পুলিশ।
গতকাল সোমবার রাতে হাটহাজারীর ভুলিয়াপাড়া ও খন্দকিয়া, বায়েজিদ বোস্তামী থানার মাজার এলাকা এবং খুলশীর দামপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির কাজে ব্যবহৃত একটি তলোয়ার, একটি চাপাতি, একটি ছুরি, একটি টিপছোরা ও বিদেশি নম্বর ব্যবহার করা চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— কামরুল হাসান ওরফে সাগর (২৫), মো. রিকু (২৫), তরিকুল ইসলাম ওরফে রোহিত (২০), আহমদুল্লাহ ওরফে মাসুম মেম্বার (৪০), আহমদ রেজা শাকিল (২৫), মো. মানিক (৪০) ও নুরুল আলম (৪০)।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম জানান, গ্রেফতারকৃতরা হাটহাজারী ও বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছে বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে সন্ত্রাসী রায়হান, বড় সাজ্জাদসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসীর নাম ব্যবহার করে চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করতো।
সম্প্রতি হাটহাজারীর আমানবাজার এলাকার এক চিকিৎসকের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। একইভাবে বড়দিঘীর পাড় এলাকার এক ব্যবসায়ীর কাছেও চাঁদা দাবি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের মাধ্যমে চক্রটির সদস্যদের শনাক্ত করা হয়।
তিনি জানান, বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও বিত্তবান ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করে তাদের টার্গেট করা এবং সন্ত্রাসীদের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায় করাই ছিল চক্রটির কৌশল।
গ্রেফতারদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অস্ত্র, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ডাকাতির প্রস্তুতি, অপহরণ ও হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে গাজীপুরে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নূরুল করিম ভূঁইয়া বলেন, জানা ও না জানার মধ্যে পার্থক্য অনেক, কাজেই সাক্ষরতার গুরুত্ব অপরিসীম। যারা জানে তারা ‘ওপেন-আইড’ এবং যারা জানে না তারা ‘ব্লাইন্ড’।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে আজ আমি সবাইকে জানা ও শেখার মাধ্যমে খোলা চোখের মানুষ হতে বলবো।
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ও পুলিশ সুপার গাজীপুরের প্রতিনিধি, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, পিটিআই সুপারসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং সরকারের সার্বিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি স্থায়ী কমিটির তদারকি কার্যক্রমকে আরও জোরদার ও সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত নীতিগত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, এমপি।
বৈঠকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের কার্যাবলির ওপর বিস্তারিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি বর্তমানে চলমান জাতীয় উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও সময়সীমা নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করা হয়।
এ সময় পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেন, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের যথাসময়ে বাস্তবায়ন ও অপচয় রোধে সংসদীয় কমিটির নিয়মিত তদারকির গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংসদীয় কমিটির সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সক্রিয় ও অংশগ্রহণমূলক ভূমিকার মাধ্যমে মন্ত্রণালয়কে সহায়তা করার আহ্বান জানান।
কমিটির সভাপতি জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, জনগণের করের টাকার সঠিক ব্যবহার এবং প্রকল্পের সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সংসদীয় কমিটি তার অর্পিত দায়িত্ব ও তদারকি কার্যক্রম আরও কঠোরভাবে পালন করবে।
বৈঠকের শুরুতে স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সদস্যবৃন্দ এবং মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আনুষ্ঠানিক পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, কাজী রফিকুল ইসলাম, মঈনুল ইসলাম খান, মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, মো. শওকতুল ইসলাম, মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন, মো. সাইফুল আলম এবং মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ অংশগ্রহণ করেন।
এ ছাড়া পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ, পরিকল্পনা বিভাগ এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিবদ্বয়, বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন পরিদপ্তর ও অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রধানগণ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : এমআরটি লাইন-১-এর রোলিং স্টক ও ডিপো সরঞ্জাম সংগ্রহের টেন্ডার ডকুমেন্ট আগামী ১২ অক্টোবর খোলার প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।
প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, ‘কন্ট্রাক্ট প্যাকেজ (সিপি)-১২-এর আওতায় রোলিং স্টক ও ডিপো সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হবে। অন্যদিকে সিপি-১১-এর আওতায় বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে।
বাসসকে তিনি বলেন, দেশের প্রথম আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-১-এর নির্মাণকাজ ১২টি কন্ট্রাক্ট প্যাকেজের মাধ্যমে এগিয়ে চলছে। এদিকে, পিতলগঞ্জ ডিপোর ভূমি উন্নয়নকাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
প্রস্তাবিত সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুযায়ী, আনুমানিক ১ লাখ ২০ হাজার ৭৯৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি ২০৩৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
৩১.২৪১ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১-এর মধ্যে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত ১৯.৮৭২ কিলোমিটার আন্ডারগ্রাউন্ড রুট রয়েছে, যেখানে ১২টি ভূগর্ভস্থ স্টেশন থাকবে। এছাড়া নতুন বাজার থেকে পিতলগঞ্জ ডিপো পর্যন্ত ১১.৩৬৯ কিলোমিটার রুটে সাতটি উড়াল ও দুটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন থাকবে।
প্রাথমিকভাবে ২৫টি ট্রেন সেট দিয়ে মেট্রোরেল পরিচালনা শুরু হবে। প্রতিটি ট্রেনে থাকবে আটটি কোচ। তবে ভবিষ্যতে ট্রেন সেটের সংখ্যা ৩৬টিতে উন্নীত করার ব্যবস্থা রাখা হবে।
প্রতিটি ট্রেনের ছয়টি মধ্যবর্তী কোচে সর্বোচ্চ ৩৯০ জন করে যাত্রী বহন করা যাবে। আর দুইটি ট্রেইলার কোচে সর্বোচ্চ ৩৭৪ জন করে যাত্রী ধারণ করা যাবে। ফলে প্রতিটি মেট্রো ট্রেনে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৮৮ জন যাত্রী বহন করা সম্ভব হবে।
মেট্রো ট্রেনগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন বিরতি বা হেডওয়ে হবে ২ মিনিট ৩০ সেকেন্ড।
এমআরটি লাইন-১ কমিউনিকেশন-বেইজড ট্রেন কন্ট্রোল (সিবিটিসি) ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হবে। ভূগর্ভস্থ অংশে সর্বোচ্চ পরিচালন গতি হবে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার এবং উড়াল অংশে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার।
প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি। উভয় রুটের বিস্তারিত সমীক্ষা, জরিপ, বেসিক ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন এবং পিতলগঞ্জ ডিপোর জন্য ভূমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
প্রস্তাবিত মেট্রো স্টেশন এলাকায় ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ এবং প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রমও দ্রুত এগিয়ে চলছে।
সিপি-১-এর আওতায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পিতলগঞ্জ মৌজায় ৩৫.৯০ হেক্টর বা ৮৮.৭১ একর জমিতে এমআরটি লাইন-১ ডিপোর ভূমি উন্নয়নকাজ চুক্তির নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট সম্পন্ন হয়।
এদিকে, অন্যান্য কয়েকটি প্যাকেজের ক্রয় কার্যক্রমও এগিয়েছে।
সিপি-০২ ও সিপি-০৬-এর ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) আর্থিক প্রস্তাব মূল্যায়ন প্রতিবেদনে সম্মতি দেওয়ার পর সিপি-০৪-এর আওতায় সর্বনিম্ন মূল্যায়িত দরদাতার সঙ্গে কন্ট্রাক্ট-পূর্ব আলোচনা বর্তমানে চলছে।
সিপি-০৫-এর ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন মূল্যায়িত দরদাতা দরপত্রের বৈধতার মেয়াদ বাড়াতে সম্মত না হওয়ায় ডিএমটিসিএল সিপি-০৪ ও সিপি-০৬-এর মধ্যে কাজগুলো ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সিপি-০৭-এর আর্থিক প্রস্তাব মূল্যায়ন প্রতিবেদনেও জাইকা সম্মতি দিয়েছে। এ প্যাকেজের সর্বনিম্ন মূল্যায়িত দরদাতার সঙ্গে চুক্তির আগে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
সিপি-০৮-এর কারিগরি প্রস্তাব মূল্যায়ন প্রতিবেদন সম্মতির জন্য জাইকার কাছে পাঠানো হয়েছে।
ডিএমটিসিএল বোর্ড সিপি-০৯ ও সিপি-১০-এর ক্রয় প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদনের জন্য সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে পাঠাতে প্রস্তাবগুলো সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে পাঠানো হবে।
সিপি-০৯ ও সিপি-১০-এর আওতায় নতুন বাজার থেকে পিতলগঞ্জ পর্যন্ত পূর্বাচল রুটের অবশিষ্ট উড়াল ভায়াডাক্ট ও স্টেশন এবং বিভিন্ন সংযোগস্থলের সিভিল কাঠামো নির্মাণ করা হবে।
অবশিষ্ট প্যাকেজগুলোর টেন্ডার কার্যক্রমও এগিয়ে চলছে। সিপি-১১-এর জন্য ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে টেন্ডার আহ্বান করা হয় এবং তা ২০২৬ সালের ১২ অক্টোবর খোলার কথা রয়েছে। অন্যদিকে, সিপি-১২-এর টেন্ডার ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে খোলা হয়েছে এবং বর্তমানে তা মূল্যায়নাধীন রয়েছে।
প্রকল্পটি শেষ হলে ঢাকায় দ্রুত, নিরাপদ ও আধুনিক গণপরিবহন সেবা চালুর মাধ্যমে জনপরিবহন ব্যবস্থার সংযোগ উন্নত করা এবং যানজট কমাতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ