ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পরিবেশবান্ধব কৃষি ও জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিতের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর


পরিবেশবান্ধব কৃষি ও জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিতের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

পরিবেশবান্ধব কৃষি এবং জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি মন্তব্য করেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সঙ্গে সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা করার জন্য সহনশীলতা গড়ে তোলা জরুরি।

আজ সোমবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে, প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে বাংলাদেশে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) আবাসিক প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো এইচ. উশিয়ামা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে, তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।

সাক্ষাতে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অংশীদার হিসেবে ডব্লিউএফপির ভূমিকার প্রশংসা করেন খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা এবং মানবিক সহায়তায়। একই সঙ্গে, সীমিত সম্পদের মধ্যেও বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) জন্য ডব্লিউএফপির অব্যাহত সহায়তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা নির্বিঘ্ন রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ধারাবাহিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: ডিসিদের আদলে ১ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে ইউএনও সম্মেলন

তিনি বাংলাদেশের স্কুল মিলস কর্মসূচিতে ডব্লিউএফপির অবদানও প্রশংসা করেন। জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করার সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়া, তিনি পরিবেশবান্ধব কৃষি সম্প্রসারণ এবং সরকার পরিচালিত দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন। এসব উদ্যোগে, বিশেষ করে ডব্লিউএফপির কার্যপরিধির আওতায় থাকা ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিসহ বিভিন্ন সরকারি উদ্যোগে সহযোগিতা কামনা করেন। সংক্ষেপে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান।

জবাবে কোকো এইচ. উশিয়ামা বলেন, ক্ষুধার মূল কারণগুলো মোকাবিলা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির ওপর ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির জন্য, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের সুরক্ষায় ডব্লিউএফপি কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি খুলনা বিভাগ ও হবিগঞ্জে চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, জলবায়ু সহনশীলতা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ে ডব্লিউএফপির বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: শিক্ষাকে কর্মজীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান

বৈঠকে উভয় পক্ষ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এবং টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ডব্লিউএফপির অংশীদারত্ব আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এছাড়াও, একটি নিরাপদ, জলবায়ু-সহনশীল এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্দোলন থামতেই মোদিবিরোধী পোস্টের বিরুদ্ধে অভিযানে দিল্লি পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ পি.এম


আন্দোলন থামতেই মোদিবিরোধী পোস্টের বিরুদ্ধে অভিযানে দিল্লি পুলিশ

ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে চলা ছাত্র আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে কথিত অশালীন ও আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টগুলোর বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে কয়েকটি প্ল্যাটফর্মকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং চিহ্নিত করা বেশিরভাগ ভিডিও, মন্তব্য ও পোস্ট ইতোমধ্যেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

সাইবার পুলিশের একটি বিশেষ দল নিয়মিত অনলাইন কনটেন্ট পর্যবেক্ষণ করছে, এবং নতুন কোনও আপত্তিকর পোস্ট দেখা মাত্রই প্ল্যাটফর্মগুলোকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলছে।

সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলনের ইতি টানার পরদিনই পুলিশের এই সাইবার অভিযানের বিষয়টি সামনে এলো।

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং সরকার আন্দোলনকারীদের অন্যান্য প্রধান দুটি দাবি মেনে নেওয়ার পর শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয় কাকরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করার পরপরই অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বাধীন সিজেপি তাদের দাবির তালিকায় নতুন দাবি যুক্ত করেছিল।

এর মধ্যে ছিল আত্মহত্যা করা নিট পরীক্ষার্থীদের পরিবারকে ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ প্রদান, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়া এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স ও পুলিশের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা।

দিল্লির কন্সটিটিউশন ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, “ককরোচ জনতা পার্টি ঘোষণা করছে যে, সম্মত হওয়া শর্তাবলি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে- এই বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে আমরা আমাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিচ্ছি।”

সিজেপি জানায়, কেন্দ্রীয় সরকার আত্মহত্যা করা নিট পরীক্ষার্থীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে এবং ভারতের যেকোনও স্থানে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর প্রত্যাহার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সরকার কি সব এফআইআর নাকি কেবল শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর প্রত্যাহার করতে রাজি হয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে সিজেপির আরেকজন মুখপাত্র রাঙ্কা এনডিটিভিকে বলেন, “আমি নিশ্চিত যে আমরা গুরুতর অপরাধী এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের মধ্যে পার্থক্য করতে পারি।

সিজেপি প্রথম দিন থেকেই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের পক্ষে ছিল এবং গত ৩৭ দিনে আমরা ঠিক সেটাই অর্জন করেছি।

যে চুক্তিটি হয়েছে এবং আমি নিশ্চিত যে, খুব শিগগির লিখিত চুক্তিও হয়ে যাবে।

তবে যে চুক্তিটি হয়েছে তা হলো সব আন্দোলনকারী ও সংগঠকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর প্রত্যাহার এবং সিজেপির সংগঠক ও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে নতুন কোনও এফআইআর না দেওয়া।”

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের কড়াকড়ির বিষয়ে সিজেপি এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

ভারতে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের মাধ্যমে সেই বিতর্কের অবসান ঘটল, যা মে মাসের শুরু থেকেই দানা বাঁধছিল, যখন নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে প্রথম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

সেই ক্ষোভ পরবর্তীতে ভারতের পরীক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহিতা ও সংস্কারের এক বৃহত্তর দাবিতে রূপ নেয়।

গত মে মাসে অভিজিৎ দীপকের প্রতিষ্ঠিত অনলাইন ব্যাঙ্গাত্মক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে রাজপথে নেমে আসে।

রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় অনির্দিষ্টকালের অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে।

জুলাইয়ের ২০ তারিখ সরকারের সঙ্গে সিজেপির আলোচনা শুরু হয়।

ততদিনে আন্দোলনটি নতুন গতি পেয়েছিল সমাজকর্মী সোনাম ওয়াংচুকের অংশগ্রহণে, যিনি ২৮ জুন এতে যোগ দিয়ে আন্দোলনকে এক নতুন মাত্রা দেন।

২০ জুলাই সিজেপির ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচির পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জ ব্যবহার করে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এসময় ব্যাপক সংঘর্ষে বিক্ষোভকারী ও পুলিশ- উভয় পক্ষের বহু মানুষ আহত হন।

পুলিশ আন্দোলনকারীদের মারধর করছে ও টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে- এমন কিছু ক্লিপ দ্রুত অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে, যা পুরো বিষয়টি সামলানোর পুলিশি পদ্ধতি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লোহিত সাগর হয়ে বিকল্প রুটে জ্বালানি রফতানি অব্যাহত সৌদির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


লোহিত সাগর হয়ে বিকল্প রুটে জ্বালানি রফতানি অব্যাহত সৌদির

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হুমকি ও আক্রমণের মুখে বৈশ্বিক তেল বাণিজ্য আরও অস্থির হয়ে ওঠার আশঙ্কা সত্ত্বেও, সৌদি আরবের লোহিত সাগর উপকূল থেকে লাখ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বিশ্ববাজারে পরিবহন অব্যাহত রয়েছে।

ইরান সমর্থিত এই গোষ্ঠীটি সৌদি আরবের ওপর অবরোধ (ব্লকেড) ঘোষণার কয়েক দিন পর, পশ্চিমা জাহাজ মালিকেরা লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রান্তের বাব এল-মান্দেব প্রণালি এড়িয়ে চলার অথবা তাঁদের জাহাজের ট্রান্সপন্ডার (অবস্থান ট্র্যাকিং ব্যবস্থা) বন্ধ রেখে ওই প্রণালি অতিক্রম করার পরিকল্পনা করছেন বলে মনে হচ্ছে। অন্যদিকে চীনসহ যেসব দেশের সঙ্গে ইরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, সেসব দেশের মালিকানাধীন জাহাজগুলো রিয়াদের তেল বহন করে এখনও এই প্রণালি পাড়ি দিচ্ছে।

গত সোমবার হুথিদের অবরোধ ঘোষণার যে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, তার পরবর্তী প্রসঙ্গে অন্তত একটি সৌদি জাহাজে হামলার ঘটনার পর—এই অঞ্চলে নৌ-পরিবহন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় তেলবাহী ট্যাঙ্কার মালিক ও ব্যবসায়ীরা চরম সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলের প্রবাহ বন্ধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান, আর এই পরিস্থিতির মাঝে, আন্তর্জাতিক তেল বাজারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে লোহিত সাগরে সৌদি ইয়ানবু বন্দর। অবরোধ ঘোষণার দুদিন পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেওয়া সর্বশেষ স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, সৌদি আরবের অপরিশোধিত তেল রফতানির সাতটি বার্থের (জাহাজ ভেড়ানোর স্থান) মধ্যে চারটিতে তেলবাহী ট্যাঙ্কার নোঙর করে রাখা ছিল।

সৌদি অপরিশোধিত তেল বহনকারী একটি গ্রিক ট্যাঙ্কার সংকীর্ণ বাব এল-মান্দেব প্রণাল অতিক্রম করার সময় নিজের ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে লোহিত সাগর থেকে বের হয়ে যায়। জাহাজ ট্র্যাকিং সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, 'মেরবাবু' নামের এই ট্যাঙ্কারটি লোহিত সাগরে নিজের অবস্থান সম্প্রচার করার পর বৃহস্পতিবার আরব সাগরে দৃশ্যমান হয়। অর্থাৎ, যাত্রাপথের মাঝের সময়টায় বন্ধই ছিল জাহাজের ট্রান্সপন্ডার। ভেসেল চার্টারতালিকা থেকে জানা যায়, জাহাজটি ভারতের দিকে যাচ্ছে।

এ ছাড়া, সৌদি অপরিশোধিত তেল বহনকারী হংকংয়ের মালিকানাধীন সুপারট্যাঙ্কার 'নিউ এক্সপ্লোরার' গত মঙ্গলবার থেকে অলস বসে থাকার পর বাব এল-মান্দেব প্রণালির দিকে যাত্রা শুরু করে। এর আগে চীনের দুটি ট্যাঙ্কার একই পথে বের হয়ে যায়। তবে সৌদি আরব ব্যতীত অন্যান্য দেশের তেল পরিবহনে এই নৌপথে বেশ চাঙ্গা ভাব দেখা গেছে; একাধিক জাহাজ রুশ তেল বহন করে ভারতসহ অন্যান্য গন্তব্যে নিয়ে যাচ্ছে।

ঝুঁকি নিয়ে বাব এল-মান্দেব দিয়ে জাহাজ পরিচালিত করবেন, নাকি এশিয়ার গন্তব্যগুলোতে পৌঁছাতে আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে তুলনামূলক ব্যয়বহুল ও দীর্ঘ পথ বেছে নেবেন— সৌদি তেল পরিবহনকারী পশ্চিমা নিয়ন্ত্রিত জাহাজগুলোর ক্ষেত্রে মালিকদের এই কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। পথ পরিবর্তনের ফলে তাদেরকে সুয়েজ খাল হয়ে উত্তর দিকে ঘুরে যেতে হচ্ছে, যা কোনো কোনো জাহাজের যাত্রার সময় প্রায় দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

লোহিত সাগরের পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকায় ডেনমার্কের মালিকানাধীন ট্যাঙ্কার 'টর্ম ইনোভেশন' ইয়ানবু বন্দরে তেল লোড করার পর সুয়েজ খালের উত্তর রুটের দিকে মুখ ঘুরিয়ে নেয় বলে ট্র্যাকিং ডেটায় দেখা গেছে। জাহাজ ভাড়ার তথ্য অনুযায়ী, এই ট্যাঙ্কারটির জাপানের দিকে যাওয়ার কথা রয়েছে।

'টর্ম ইনোভেশন' যদি সুয়েজ খাল হয়ে বের হয়, তবে তা এশিয়াগামী তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী জাহাজ 'গ্যাস কিং'-এর নেওয়া পদক্ষেপের অনুরূপ হবে। দুদিন আগে পথ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল গ্যাস কিং এবং ইতোমধ্যেই ট্যাঙ্কারটি সুয়েজ খাল অতিক্রম করা শুরু করেছে।

লোহিত সাগরের এই অনিশ্চয়তার কারণে, কিছু এশীয় তেল ক্রেতা লোহিত সাগরের বাইরে থেকে সৌদির অপরিশোধিত তেল সংগ্রহের কথা বিবেচনা করতে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। কেউ কেউ তেল পরিবহন আফ্রিকা হয়ে নতুন পথে ঘুরিয়ে দিতে সৌদি আরামকোর সঙ্গে আলোচনাও চালাচ্ছে।

ব্লুমবার্গের দেখা বুকিং সংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিসরের উত্তর উপকূল থেকে তেল সংগ্রহ করে উত্তমাশা অন্তরীপ (কেপ অব গুড হোপ) হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য অন্তত একটি বিশাল অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজকে (ভিএলসিসি) সাময়িকভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে, যা গত কয়েক বছরের মধ্যে এ ধরনের প্রথম চার্টার বা চুক্তি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১২ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে রিহ্যাব সামার ফেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ পি.এম


১২ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে রিহ্যাব সামার ফেয়ার

 

দেশের আবাসন খাতের অন্যতম বৃহৎ আয়োজন ‌‘রিহ্যাব সামার ফেয়ার-২০২৬’ আগামী ১২-১৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আজ সোমবার রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর স্ট্যান্ডিং কমিটি ফর প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া (২০২৬-২০২৮)-এর প্রথম সভা শেষে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

আজ সোমবার বিকেল ৫টায় রিহ্যাব সচিবালয়ের (৭ম তলা) সভাকক্ষে স্ট্যান্ডিং কমিটি ফর প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া (২০২৬-২০২৮)-এর প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কমিটির সভাপতি হিসেবে রিহ্যাব পরিচালক তাসনোভা মাহবুব সালাম সভাপতিত্ব করেন।

সভায় চেয়ারম্যান তাসনোভা মাহবুব সালাম স্ট্যান্ডিং কমিটি ফর প্রেস অ্যান্ড মিডিয়ার (২০২৬-২০২৮) বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা, গণমাধ্যমের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার, রিহ্যাবের কার্যক্রমের ইতিবাচক প্রচার, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে উপস্থিতি বৃদ্ধি, তথ্যভিত্তিক যোগাযোগ, গুজব প্রতিরোধ এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

সভায় রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল গণমাধ্যমের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আবাসন খাতের উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং সাধারণ মানুষের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে দায়িত্বশীল ও ইতিবাচক গণমাধ্যমের বিকল্প নেই।

তিনি রিহ্যাবের কার্যক্রমকে আরো কার্যকরভাবে জনগণের কাছে তুলে ধরার জন্য স্ট্যান্ডিং কমিটি ফর প্রেস অ্যান্ড মিডিয়ার সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় রিহ্যাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক, ভাইস প্রেসিডেন্ট এ. এফ. এম. ওবায়দুল্লাহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) ড. মো. হারুন অর রশিদ, স্ট্যান্ডিং কমিটি ফর প্রেস অ্যান্ড মিডিয়ার কো-চেয়ারম্যান তৌহিদা সুলতানা, এম. ছাখাওয়াত হোছাইন ও মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, স্ট্যান্ডিং কমিটি ফর প্রেস অ্যান্ড মিডিয়ার সদস্য এম. মমিনুল ইসলাম সংগ্রাম, শামিমা আলম, ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জয় চক্রবর্তী, শরীফ উদ্দিন আহমেদ, মিজানুর রহমান চৌধুরী এবং মো. আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপস্থিত সবাই নিজেদের অভিজ্ঞতার আলোকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন এবং কার্যক্রমকে আরো ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে গঠনমূলক মতামত, পরামর্শ ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

সভায় আসন্ন রিহ্যাব সামার ফেয়ার-২০২৬ সফলভাবে আয়োজন, ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় এবং আবাসন খাতের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য, রিহ্যাব সামার ফেয়ার-২০২৬ আগামী ১২ থেকে ১৫ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ঢাকার শহীদ আবু সাঈদ আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। চার দিনব্যাপী এ মেলায় দেশের শীর্ষস্থানীয় রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান, আবাসন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানসমূহ অংশগ্রহণ করবে।

মেলায় দর্শনার্থীরা একই ছাদের নিচে বিভিন্ন আবাসন প্রকল্প, ফ্ল্যাট, প্লট, গৃহঋণ সুবিধা এবং বিনিয়োগ-সংক্রান্ত তথ্য জানার সুযোগ পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণতান্ত্রিক বিকাশে মুক্ত আলোচনার বিকল্প নেই: ভিসি মুনিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৩ পি.এম


গণতান্ত্রিক বিকাশে মুক্ত আলোচনার বিকল্প নেই: ভিসি মুনিম

 নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম বলেছেন, ইতিহাস চর্চা, রাষ্ট্রচিন্তা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গভীরতর বিকাশে মুক্ত বুদ্ধিবিনিময় ও সমালোচনামূলক বিশ্লেষণের কোনো বিকল্প নেই।

আজ সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের টিটিসি ভবনের কনফারেন্স কক্ষে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সেল এ একাডেমিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষে অনুভূতির কথা তুলে ধরেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ফজলুল হক ও হাফসা ইসলাম মোহ।

পাবলিক লেকচারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়াজ আসাদুল্লাহ।

তিনি গবেষণাভিত্তিক উপাত্তের মাধ্যমে ২০১৩, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও জরিপ বিশ্লেষণ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গতিশীলতার সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরেন।

অধ্যাপক ড. নিয়াজ আসাদুল্লাহ তার উপস্থাপনায় উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন কোনো পূর্বপরিকল্পিত ছিল না, বরং শিক্ষার্থীদের হাত ধরে সূচিত এই আন্দোলন অল্প সময়ের মধ্যেই সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক সর্বজনীন গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এই গণ-অভ্যুত্থান দেশের শিক্ষা, অর্থনীতি ও রাজনীতির ক্ষেত্রে এক নতুন বাস্তবতার সূচনা করেছে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আনিছা পারভীন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরীন ইসলাম খান।

বক্তারা ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানকে বাংলাদেশের সমকালীন ইতিহাসের এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে অভিহিত করেন।

আলোচনা পর্ব শেষে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক অধ্যাপক ড. নিয়াজ আসাদুল্লাহর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম।

পরে ভাইস-চ্যান্সেলর ও ট্রেজারার যৌথভাবে আলোচক অধ্যাপক ড. নাহরীন ইসলাম খানের হাতে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও আইকিউএসি সেলের পরিচালক ড. মো. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনটি সঞ্চালনা করেন ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক জনাব ছহীহ্ শাফি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের টিটিসি ভবনের কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক একাডেমিক অনুষ্ঠান। এর মাধ্যমে স্থায়ী ক্যাম্পাসে গবেষণা, জ্ঞানচর্চা ও মুক্ত একাডেমিক আলোচনার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%