০৯:২৭ পি.এম
পরিবেশবান্ধব কৃষি এবং জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি মন্তব্য করেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সঙ্গে সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা করার জন্য সহনশীলতা গড়ে তোলা জরুরি।
আজ সোমবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে, প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে বাংলাদেশে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) আবাসিক প্রতিনিধি ও কান্ট্রি ডিরেক্টর কোকো এইচ. উশিয়ামা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে, তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।
সাক্ষাতে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অংশীদার হিসেবে ডব্লিউএফপির ভূমিকার প্রশংসা করেন খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা এবং মানবিক সহায়তায়। একই সঙ্গে, সীমিত সম্পদের মধ্যেও বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) জন্য ডব্লিউএফপির অব্যাহত সহায়তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা নির্বিঘ্ন রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ধারাবাহিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: ডিসিদের আদলে ১ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে ইউএনও সম্মেলন
তিনি বাংলাদেশের স্কুল মিলস কর্মসূচিতে ডব্লিউএফপির অবদানও প্রশংসা করেন। জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করার সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া, তিনি পরিবেশবান্ধব কৃষি সম্প্রসারণ এবং সরকার পরিচালিত দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন। এসব উদ্যোগে, বিশেষ করে ডব্লিউএফপির কার্যপরিধির আওতায় থাকা ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিসহ বিভিন্ন সরকারি উদ্যোগে সহযোগিতা কামনা করেন। সংক্ষেপে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান।
জবাবে কোকো এইচ. উশিয়ামা বলেন, ক্ষুধার মূল কারণগুলো মোকাবিলা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির ওপর ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির জন্য, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের সুরক্ষায় ডব্লিউএফপি কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি খুলনা বিভাগ ও হবিগঞ্জে চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, জলবায়ু সহনশীলতা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং ভূমিকম্প প্রস্তুতি বিষয়ে ডব্লিউএফপির বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন: শিক্ষাকে কর্মজীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান
বৈঠকে উভয় পক্ষ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এবং টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ডব্লিউএফপির অংশীদারত্ব আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এছাড়াও, একটি নিরাপদ, জলবায়ু-সহনশীল এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন