ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গণতান্ত্রিক বিকাশে মুক্ত আলোচনার বিকল্প নেই: ভিসি মুনিম


গণতান্ত্রিক বিকাশে মুক্ত আলোচনার বিকল্প নেই: ভিসি মুনিম

 নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম বলেছেন, ইতিহাস চর্চা, রাষ্ট্রচিন্তা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গভীরতর বিকাশে মুক্ত বুদ্ধিবিনিময় ও সমালোচনামূলক বিশ্লেষণের কোনো বিকল্প নেই।

আজ সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের টিটিসি ভবনের কনফারেন্স কক্ষে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সেল এ একাডেমিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষে অনুভূতির কথা তুলে ধরেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ফজলুল হক ও হাফসা ইসলাম মোহ।

আরও পড়ুন: নড়াইলে গা ঘেষে মসজিদ-মন্দিরের অবস্থান, সম্প্রীতির বন্ধনে প্রায় ৪৫ বছর ধরে চলছে দুর্গোৎসব

পাবলিক লেকচারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. নিয়াজ আসাদুল্লাহ।

তিনি গবেষণাভিত্তিক উপাত্তের মাধ্যমে ২০১৩, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও জরিপ বিশ্লেষণ করে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গতিশীলতার সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরেন।

অধ্যাপক ড. নিয়াজ আসাদুল্লাহ তার উপস্থাপনায় উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন কোনো পূর্বপরিকল্পিত ছিল না, বরং শিক্ষার্থীদের হাত ধরে সূচিত এই আন্দোলন অল্প সময়ের মধ্যেই সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এক সর্বজনীন গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়। এই গণ-অভ্যুত্থান দেশের শিক্ষা, অর্থনীতি ও রাজনীতির ক্ষেত্রে এক নতুন বাস্তবতার সূচনা করেছে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আনিছা পারভীন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরীন ইসলাম খান।

আরও পড়ুন: ভালুকায় বিরুনীয়া ইউনিয়নে বিএনপির নেতাকর্মীদের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

বক্তারা ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানকে বাংলাদেশের সমকালীন ইতিহাসের এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে অভিহিত করেন।

আলোচনা পর্ব শেষে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক অধ্যাপক ড. নিয়াজ আসাদুল্লাহর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম।

পরে ভাইস-চ্যান্সেলর ও ট্রেজারার যৌথভাবে আলোচক অধ্যাপক ড. নাহরীন ইসলাম খানের হাতে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও আইকিউএসি সেলের পরিচালক ড. মো. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনটি সঞ্চালনা করেন ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক জনাব ছহীহ্ শাফি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: মধুপুরে ৫ বছরের শিশুকে ধ'র্ষ'ণ'চে'ষ্টার অভিযোগ, বৃদ্ধের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

উল্লেখ্য, নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের টিটিসি ভবনের কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক একাডেমিক অনুষ্ঠান। এর মাধ্যমে স্থায়ী ক্যাম্পাসে গবেষণা, জ্ঞানচর্চা ও মুক্ত একাডেমিক আলোচনার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সন্দ্বীপে মোবাইল কোর্টের কঠোর অভিযান: দুই রেস্টুরেন্টকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সন্দ্বীপ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৯ পি.এম


সন্দ্বীপে মোবাইল কোর্টের কঠোর অভিযান: দুই রেস্টুরেন্টকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত এবং পরিবেশন করার অভিযোগে দুইটি রেস্টুরেন্টকে জরিমানা করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় লাইসেন্স না থাকার দায়ে এসব রেস্টুরেন্টকে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (২৭ জুলাই) সন্দ্বীপের সেনেরহাট এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন সন্দ্বীপ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মামুন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযানে ‘কাচ্চি ডাইন’ এবং ইসলাম সাহেবের খামারবাড়ি সংলগ্ন ‘বে ভিউ রেস্টুরেন্ট’-এ অভিযান চালিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশন এবং প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনার সত্যতা পাওয়া যায়। এ অপরাধে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে পৃথকভাবে ৪০ হাজার টাকা করে মোট ৮০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযান পরিচালনায় সন্দ্বীপ থানা পুলিশের সদস্যদের পাশাপাশি উপজেলা আনসার সদস্যরাও সহযোগিতা করেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামী মাসেই শুরু হচ্ছে ‘প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ’ ফুটবল টুর্নামেন্ট: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৩ পি.এম


আগামী মাসেই শুরু হচ্ছে ‘প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ’ ফুটবল টুর্নামেন্ট: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কিশোর-কিশোরীদের ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণের জাতীয় প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২৬’-এর জাতীয় পর্যায়ের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক আগামী কুঁড়ি স্পোর্টসের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গড়া ‘নতুন কুঁড়ি’ সাংস্কৃতিক আন্দোলনের আদলে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী চিন্তাধারায় ক্রীড়া ক্ষেত্রে এই নতুন ধারার সূচনা হয়েছে।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের খেলোয়াড়দের পেশাদারিত্বের আওতায় আনার জন্য ইতোমধ্যে ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া ভাতা ও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এই পরিধি আরও বাড়িয়ে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে বেতন কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরের অনলাইন নিবন্ধন কার্যক্রম আগামী আগস্ট মাস পর্যন্ত চলমান থাকবে এবং সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রতিযোগিতা শুরু হবে। প্রথম আসরে ৮টি ইভেন্ট হলেও দ্বিতীয় আসরে ভলিবল ও টেবিল টেনিস যুক্ত হয়ে ১০টি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। তৃণমূলের পরিধি আরও বিস্তৃত করে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়ন পর্যায় থেকে খেলোয়াড় বাছাই করা হবে।

জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কৃত ৩১০ জন প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে বিকেএসপিতে দুই মাসের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং সেখান থেকে সেরা প্রতিভা বাছাই করে তাদের খেলাধুলা ও পড়াশোনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব সরকারি খরচে বহন করা হবে।

তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও ডিভাইস আসক্তি থেকে দূরে রেখে সুস্থ জাতি গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৬৪টি জেলায় পর্যায়ক্রমে ‘স্পোর্টস ভিলেজ’ তৈরি করা হবে, যার মধ্যে চলতি বছরই ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি, ঢাকার বাইরে বিভাগের শহরগুলোর বিকেএসপিগুলোকে আরও স্বয়ংসম্পূর্ণ করা হবে।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলা ছড়িয়ে দিতে ২০১ জন উপজেলা ক্রীড়া অফিসার নিয়োগের নির্দেশনা পেয়েছি এবং আরও ২৯৪ জনের নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে আগামী মাসেই ‘প্রাইম মিনিস্টার্স কাপ’ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হতে যাচ্ছে এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন খেলোয়াড়দের জন্যও আন্তর্জাতিক মানের টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কারুর ট্র্যাজেডিতে ক্ষতিগ্রস্তদের বিজয়ের দেওয়া চাকরি স্থগিতাদেশ দিলেন হাইকোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


কারুর ট্র্যাজেডিতে ক্ষতিগ্রস্তদের বিজয়ের দেওয়া চাকরি স্থগিতাদেশ দিলেন হাইকোর্ট

গত বছর ২৭ সেপ্টেম্বর তামিল সিনেমার সুপারস্টার ও বর্তমানে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর, যিনি থালাপাতি বিজয় নামেই অধিক পরিচিত, কারুরে এক সমাবেশে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। সেদিন, মানুষ বিজয়কে এক নজর দেখতে ঢল নেমেছিল। কিন্তু মানুষের সেই ঢল সামাল দেওয়ার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এই কারণে প্রচণ্ড গরম ও হুড়োহুড়িতে ৪১ জন মানুষ মারা যায়। পরে বিজয় নির্বাচনে জয়ী হয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি রাজ্যে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকের মধ্যে দ্রাবিড়ীয় ক্ষমতার পালাবদলের ৫৯ বছরের আধিপত্য ভেঙে দেন।

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেও তিনি পদপিষ্ট হয়ে মারা যাওয়া পরিবারগুলোকে ভুলে যাননি। বিজয় সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সদস্যদেরকে সরকারি চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বিরোধী দল ডিএমকে, এআইএডিএমকে এবং সুশীল সমাজ এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তারা আইনজীবী ও কিছু নাগরিকের মাধ্যমে সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে আদালতে মামলা করে।

১০ জুলাই ঘটনার পর বিজয়ের প্রথম কারুর সফরের দিন আদালত সাময়িকভাবে চাকরির নিয়োগপত্র বিতরণের অনুমতি দেয়। বলাই ছিল, মামলার চূড়ান্ত রায়ের ওপর নিয়োগপত্রের বৈধতা নির্ভর করবে। সাময়িক অনুমতির সুবিধা নিয়ে বিজয় সেদিন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ৩২ জন সদস্যের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন। কিন্তু আজ মাদ্রাজ হাইকোর্ট সরকারের ওই সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে। আদালত জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪ (সমতার অধিকার) এবং অনুচ্ছেদ ১৬ (সরকারি চাকরিতে সুযোগের সমতা)-এর বিরোধী।

হাইকোর্ট আরও উল্লেখ করেছে যে, এই ধরনের পদক্ষেপ অন্যদের জন্যও একসাথে একই জাতীয় চাকরির দাবি জানানোর রাস্তা খুলে দেবে। আদালতে আবেদনকারী আইনজীবীরা বলেন, কোনো দুর্ঘটনা বা রাজনৈতিক সভার ট্র্যাজেডিতে নিহতদের পরিবারকে সরাসরি সরকারি চাকরি দিলে সাধারণ এবং যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের অধিকার খর্ব হয়। তারা আরও জানান, কারুর ট্র্যাজেডি বর্তমানে সিবিআই তদন্ত করছে। বিরোধী দল ডিএমকের পক্ষ থেকে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত চাকরি দেওয়া হলে তা মামলার সাক্ষী ও তদন্তকে প্রভাবিত করবে।

এআইএডিএমকে-এর সিনিয়র নেতা আর বি উদয়কুমার ক্ষতিগ্রস্তদের চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘এই সিদ্ধান্তটি সাধারণ পরিবারের লাখ লাখ যুবকের জীবিকার ওপর আঘাত হানে, যারা সরকারি চাকরি পাওয়ার জন্য বছরের পর বছর ধরে অপেক্ষা করে। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক কারণে নিয়ম লঙ্ঘন করে ক্ষতিপূরণ হিসেবে সরকারি চাকরি দেওয়া একটি ভুল পদ্ধতি। এটি রাজ্যের তরুণদের জন্য একটি মর্মান্তিক এবং ভুল নজির স্থাপন করে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয়ের প্রতীক: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫১ পি.এম


জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয়ের প্রতীক: রিজভী

‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪’ কেবল একটি রাজনৈতিক ঘটনার স্মারক নয়, এটি নাগরিক সাহস, আত্মত্যাগ, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ের প্রতীক। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী এ মন্তব্য করেছেন। সংকটের মুহূর্তে যে সাহস ও সংহতি মানুষের মধ্যে দেখা গেছে, তা প্রমাণ করেছে যে জাতীয় স্বার্থ মুখ্য হলে সব বিভাজন অতিক্রম করা সম্ভব। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই সম্মিলিত চেতনা একটি মূল্যবান সম্পদ। সোমবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-২০২৪ স্মরণানুষ্ঠানে’ তিনি এসব বক্তব্য প্রদান করেন। রিজভী বলেন, সংবিধান সংশোধন বা পার্লামেন্ট অ্যাক্টের মাধ্যমে আইন প্রণয়ন করলেও, দেখা যায় যে ফ্যাসিবাদের আগমন ঘটে কোনো এক ছিদ্রপথে। তখন কাগজে লেখা আইন নিরাপত্তা দিতে যথেষ্ট নয়। উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার জন্য একসময় তীব্র আন্দোলন করেছিলেন, কিন্তু পরে নিজেই তা সংবিধান থেকে মুছে দেন। মূল বিষয় হলো, এটি কোনো আইনগত বিষয় নয়, বরং মানুষের মানসিকতা ও মনস্তাত্ত্বিক বিষয়। বিএনপির এই নেতা রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক ঐক্যের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, মতাদর্শগত আলোচনা-সমালোচনা বা তর্ক থাকলেও রাজনীতিবিদদের একটি ‘কমন পয়েন্টে’ আসা উচিত। রাষ্ট্রব্যবস্থা যেন ধ্বংসস্তূপে পরিণত না হয়, সে দিকে নজর দেওয়া জরুরি। মানসিকতার এই পরিবর্তন ঘটলে সংবিধান সংশোধন বা নতুন আইন প্রণয়ন কার্যকর হবে। রিজভী বলেন, একটি জাতির ভিত্তি শুধুমাত্র ভূখণ্ড, অর্থনীতি বা রাজনৈতিক কাঠামোর ওপর নির্ভর করে না। প্রকৃত ভিত্তি হল ইতিহাস, স্মৃতি এবং মূল্যবোধ। জাতীয় স্মৃতি অতীতচারিতা নয়, এটি আত্মপরিচয়ের ভিত্তি এবং নৈতিক চেতনার উৎস। ইতিহাসকে রাজনৈতিক সুবিধাবাদ বা ক্ষমতার স্বার্থে ব্যবহার করলে সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে ওঠে না। তিনি বলেন, ‘ইতিহাসের প্রতি প্রকৃত দায়বদ্ধতা মানে শুধু স্মরণ নয়, সত্যের প্রতি আনুগত্য এবং সেখান থেকে শিক্ষা গ্রহণের মানসিকতা।’ ছাত্র-তরুণ ও রাজনৈতিক কর্মীদের উদ্দেশে নিজের রাজনৈতিক সংগ্রাম ও অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, সাফল্য অর্জনে ভাগ্যের ওপর নির্ভর না করে কঠোর পরিশ্রমের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। লক্ষ্য অর্জনে কঠোর পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই, এবং বুকে একটি আদর্শিক বোধ থাকলে সাফল্য আসবেই। অনুষ্ঠানে রিজভী জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এর বিভিন্ন ঘটনার স্মৃতিচারন করেন এবং শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%