বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:০৩ পি.এম
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় দুস্থ ও অসহায় ৬০টি পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন, হুইলচেয়ারসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের উপকারভোগীদের হাতে এসব উপকরণ তুলে দেওয়া হয়।
বিতরণ করা উপকরণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল হুইলচেয়ার, সেলাই মেশিন, কীটনাশক ছিটানোর স্প্রে মেশিন, আলমারি ও বাইসাইকেল।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাজ্জাদ হোসেন এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এবং প্রধান অতিথি হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান রনি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে এগিয়ে আসেন বিআরডিবি কর্মকর্তা বাহারুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দবীর উদ্দিন বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম এবং স্থানীয় বিএনপি নেতা সোহাগ খান। এছাড়াও স্থানীয় সাংবাদিক ও এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও অনুষ্ঠানে ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, অসহায় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চলাচলে সহায়তা করতেই সরকারের এ উদ্যোগ পরিচালিত হচ্ছে। বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে বিতরণ করা উপকরণ যথাযথভাবে ব্যবহার করা হলে উপকারভোগী পরিবারগুলো স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে সক্ষম হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামে টানা পাঁচ দিনের ভারি বৃষ্টির ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বেশিরভাগ উপজেলা। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের সরকারি সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু করে উদ্ধার ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কাজ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এসব তথ্য জানিয়েছেন।
জেলা প্রশাসক এ বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, ‘দুর্যোগের এই সময়ে মানুষের জীবন রক্ষাই প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’ তিনি অকপটে জানিয়ে দেন, ‘আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষের জীবন। কোনো প্রাণ যেন সামান্য অসচতনতার কারণেও ঝরে না পড়ে। সবাইকে অনুরোধ করব, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসুন।’
তিনি আরো জানান, পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিতভাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে অবহিত করা হচ্ছে, এবং সেখান থেকে প্রতি ঘণ্টায় পরিস্থিতির হালনাগাদ তথ্য নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে।
ত্রাণ কার্যক্রমের প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে ইতিমধ্যে ২০০ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে ২০ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। প্রথম দফার বরাদ্দ ইতিমধ্যে বিভিন্ন উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে এবং নতুন বরাদ্দও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের চাহিদার ভিত্তিতে দ্রুত বিতরণ করা হবে, যাতে কোনো ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ খাদ্যসংকটে না পড়েন।’
উদ্ধার কার্যক্রমকে দ্রুততর করার জন্য জেলা প্রশাসক সাতকানিয়ার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ১০টি স্পিডবোটের প্রয়োজনীয়তার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় যোগাযোগও করা হয়েছে। স্পিডবোট পাওয়া গেলে পানিবন্দি মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছানো এবং উদ্ধারকাজ আরো কার্যকর হবে, আপাতত নৌকার মাধ্যমে উদ্ধার অভিযান চলছে।’
তিনি উল্লেখ করেন, জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, রেড ক্রিসেন্ট, ইফসা, আনসার বাহিনী, স্বেচ্ছাসেবক এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাকে নিয়ে পৃথক বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। এসব দল যেকোনো দুর্গত এলাকায় দ্রুত পৌঁছে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
জেলা প্রশাসক পাহাড়ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে নিজের উপস্থিতি বজায় রাখার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘লালখান বাজার, পোড়া পাহাড় ও ১ নম্বর ঝিল সহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। সেসব এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং শুকনো খাবার ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।’
বর্তমানে জেলার ৬২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের ভাষ্য, আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষের জন্য চিড়া, মুড়ি, গুড়, শিশুদের জন্য মাফিন, কেক, বিস্কুট, ওরস্যালাইন এবং পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। গর্ভবতী নারী, শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরও জানান, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও চন্দনাইশে প্রায় আট হাজার মানুষ ইতিমধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন। উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো মানুষ অভুক্ত না থাকেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন।
দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রশাসনিক প্রস্তুতির শ্রেষ্ঠ উদাহরণ তুলে ধরে জেলা প্রশাসক স্পষ্ট করেন, ‘প্রতিটি উপজেলায় পৃথক কন্ট্রোল রুম এবং জেলা প্রশাসনের কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম ২৪ ঘণ্টা চালু রয়েছে। সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবেলা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়; এটি পুরো সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। তিনি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, মানবিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।’
শেষে তিনি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকা এবং প্লাবিত জনপদের বাসিন্দাদের দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে। কারণ, মানুষের জীবনের চেয়ে মূল্যবান আর কিছুই নেই।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হওয়া বিতর্কের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন গণ-অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বিএনপি নেতা রাশেদ খান।
তিনি জানিয়েছেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রমাণিত হয়েছে যে, কিছু বিশেষ মহল মীর শাহে আলমকে কেন্দ্র করে সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিতর্কিত করার ফন্দি করছে।
বুধবার (৮ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তার অভিযোগ, যে সক্রিয় মহল সুকৌশলে মীর শাহে আলমকে ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ হিসেবে উপস্থাপন করেছে এবং তা নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে অপকর্ম করছে।
রাশেদ খান ফেসবুক পোস্টে জানান, ‘স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধু বিবেচনায় অনেকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। আমি বিভিন্ন টকশোতে বিরোধী পক্ষের মুখ থেকে এটাই শুনেছি যে, জনাব মীর শাহে আলম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের বন্ধু! বিষয়টি নিয়ে আমি নিজেও কনফিউশনে ছিলাম।’
তিনি আরও জানিয়েছেন, গতকাল মীর শাহে আলম বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন। প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী থেকে বয়সে অনেক ছোট এবং কখনও একই স্কুল-কলেজে পড়েননি। তাদের সম্পর্ক সম্পূর্ণ রাজনৈতিক সূত্রে গড়ে ওঠেছে।
উন্নয়ন বরাদ্দের বিষয়েও রাশেদ খান মন্তব্য করেন, একটি মহল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে যে মীর শাহে আলম সমস্ত বরাদ্দ বগুড়ায় নিয়ে গেছেন। অথচ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় (এলজিআরডি) থেকে উন্নয়ন বরাদ্দের তালিকায় গোপালগঞ্জ ৭ নম্বরে এবং বগুড়া ১৬ নম্বরে রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘তার (প্রতিমন্ত্রী) কোনো ভুল থাকলে আমরা অবশ্যই সেই সমালোচনা করব। কিন্তু সম্মিলিত মিথ্যাচারের পেছনে নিশ্চিত কোনো গভীর ষড়যন্ত্র আছে।’
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে রাশেদ খান জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনায় উন্নয়নমূলক কাজে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও সমন্বয় করছেন। এর অংশ হিসেবে তিনি ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়নের জন্য জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সাথে সমন্বয় সভা করেছেন এবং বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
রাশেদ খানের ভাষ্যমতে, আওয়ামী লীগ এবং তাদের সহযোগীরাও মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে সোচ্চার। তিনি জানান, মাসখানেক আগে প্রতিমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন যে ‘আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না’, মূলত সেই ক্ষোভ এবং বর্তমান বিরোধী দলের রাজনৈতিক কৌশল– উভয়ই মীর শাহে আলমকে টার্গেট করার পেছনে কাজ করছে।
রাশেদ খানের মতে, ‘তাদের (একটি মহলের) চিন্তা হলো মীর শাহে আলমকে বিতর্কিত করতে পারলে বুঝি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার মিশন সফল হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠি শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে জেলা প্রশাসন ও পৌর প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে একটি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরের সময় শহরের কলেজ মোড় এলাকায় ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা প্রায় ২০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার এস. এম. সাইফুল ইসলাম ও এস. এম. আশরাফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার এস এম সাইফুল ইসলাম, এস এম আশরাফুল ইসলাম এবং পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল হাসান।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান চালানো হবে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর অবৈধ দখলের কারণে দীর্ঘদিন ধরে পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল। এই বাস্তবতায় জনদুর্ভোগ কমানো, যান চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং শহরের সৌন্দর্য রক্ষার লক্ষ্যে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনাকারীদের সতর্ক করে পুনরায় ফুটপাত দখল না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, দিল্লি, নিউইয়র্ক, লন্ডন, জেনেভাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন মিশনে বড় ধরনের রদবদল সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ব্যাখ্যা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকরা সাম্প্রতিক রদবদল নিয়ে প্রশ্ন করেন।
জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে চেঞ্জ হবে, রদবদল হবে, নতুন লোক আসবে। এটি তো চলমান প্রক্রিয়া। এটি তো কোনো নতুন বিষয় নয়। যখন সরকারের পক্ষ থেকে একটি স্টেটমেন্ট যাবে, সরকারের পক্ষ থেকে প্রকাশ হবে, তখনই আপনারা জানতে পারবেন কেন, কোথায়, কীভাবে এবং কোন কারণে রদবদল হচ্ছে। কিন্তু এটি চলছে।
এই রদবদলের পেছনে বিএনপি করা বা না করার কোনো বিষয় জড়িত কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, না, না, বিএনপি করা অথবা কোনো বিষয় নয়। তবে বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে, যদি আপনি প্রধানমন্ত্রীর কাজগুলো ফলো করেন, তার সিদ্ধান্তগুলো ফলো করেন— পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয়ে তিনি কাজের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ হলে, দক্ষতাকে (এফিশিয়েন্সিকে) গুরুত্ব দেন। কে কতটুকু কাজে পারদর্শী, কে কতটুকু আন্তরিকভাবে দেশের জন্য কাজ করতে পারছে, দেশের প্রতি কার আন্তরিকতা আছে, সেটাই যেকোনো মন্ত্রণালয়ে বিবেচনার বিষয়।
তিনি আরও জানান, দেশের প্রতি ভালোবাসা, দেশের প্রতি আন্তরিকতা, কাজের প্রতি ডেডিকেশন (উৎসর্গ) এবং এফিসিয়েন্সি— এগুলোর বিচারেই যেকোনো মন্ত্রণালয়ে আমাদের রদবদল হয়। এটি চলমান প্রক্রিয়া; যখন ফাইনাল হবে, তখন সরকারের পক্ষ থেকে গ্যাজেট প্রকাশ হবে, তখন আপনারা জানতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ