প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে নিয়ে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হওয়া বিতর্কের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন গণ-অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বিএনপি নেতা রাশেদ খান।
তিনি জানিয়েছেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে প্রমাণিত হয়েছে যে, কিছু বিশেষ মহল মীর শাহে আলমকে কেন্দ্র করে সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিতর্কিত করার ফন্দি করছে।
বুধবার (৮ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান এই বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তার অভিযোগ, যে সক্রিয় মহল সুকৌশলে মীর শাহে আলমকে ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ হিসেবে উপস্থাপন করেছে এবং তা নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে অপকর্ম করছে।
রাশেদ খান ফেসবুক পোস্টে জানান, ‘স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধু বিবেচনায় অনেকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। আমি বিভিন্ন টকশোতে বিরোধী পক্ষের মুখ থেকে এটাই শুনেছি যে, জনাব মীর শাহে আলম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের বন্ধু! বিষয়টি নিয়ে আমি নিজেও কনফিউশনে ছিলাম।’
তিনি আরও জানিয়েছেন, গতকাল মীর শাহে আলম বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন। প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রী থেকে বয়সে অনেক ছোট এবং কখনও একই স্কুল-কলেজে পড়েননি। তাদের সম্পর্ক সম্পূর্ণ রাজনৈতিক সূত্রে গড়ে ওঠেছে।
উন্নয়ন বরাদ্দের বিষয়েও রাশেদ খান মন্তব্য করেন, একটি মহল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে যে মীর শাহে আলম সমস্ত বরাদ্দ বগুড়ায় নিয়ে গেছেন। অথচ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় (এলজিআরডি) থেকে উন্নয়ন বরাদ্দের তালিকায় গোপালগঞ্জ ৭ নম্বরে এবং বগুড়া ১৬ নম্বরে রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘তার (প্রতিমন্ত্রী) কোনো ভুল থাকলে আমরা অবশ্যই সেই সমালোচনা করব। কিন্তু সম্মিলিত মিথ্যাচারের পেছনে নিশ্চিত কোনো গভীর ষড়যন্ত্র আছে।’
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে রাশেদ খান জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনায় উন্নয়নমূলক কাজে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও সমন্বয় করছেন। এর অংশ হিসেবে তিনি ঢাকা-১৫ আসনের উন্নয়নের জন্য জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সাথে সমন্বয় সভা করেছেন এবং বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
রাশেদ খানের ভাষ্যমতে, আওয়ামী লীগ এবং তাদের সহযোগীরাও মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে সোচ্চার। তিনি জানান, মাসখানেক আগে প্রতিমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন যে ‘আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না’, মূলত সেই ক্ষোভ এবং বর্তমান বিরোধী দলের রাজনৈতিক কৌশল– উভয়ই মীর শাহে আলমকে টার্গেট করার পেছনে কাজ করছে।
রাশেদ খানের মতে, ‘তাদের (একটি মহলের) চিন্তা হলো মীর শাহে আলমকে বিতর্কিত করতে পারলে বুঝি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার মিশন সফল হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন