১০:৫২ পি.এম
পুরানো ছবি
অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, চালকদের অসদাচরণ ও সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ; বিআরটিএ ও হাইওয়ে পুলিশের কঠোর হস্তক্ষেপ এবং মালিক-ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব নির্ধারণের জোরালো দাবি।নিজস্ব প্রতিবেদকদেশের অন্যতম ব্যস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ যোগাযোগপথ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি এলাকায় আবারও মারছা পরিবহনের বেপরোয়া গতি ও চরম অনিয়মের কারণে ভয়াবহ দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার (৯ মে ২০২৬) চুনতি এলাকার ‘ফোর সিজন’ রেস্টুরেন্টের সামনে মারছা পরিবহনের দুটি বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে।এই দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবহনটির চালকদের নিয়ন্ত্রণহীন বেপরোয়া গতি, যাত্রী নিরাপত্তায় চরম অবহেলা, নির্ধারিত ভাড়ার কয়েক গুণ অর্থ আদায় এবং সাধারণ যাত্রীদের সঙ্গে বাসের স্টাফদের অনাকাঙ্ক্ষিত অসদাচরণের নানা চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে এসেছে। একই সঙ্গে ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’-এর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ধারা লঙ্ঘনের বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ায় পরিবহনটির মালিকপক্ষ ও পরিচালনা কর্তৃপক্ষের আইনি দায় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
প্রাথমিক তথ্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মারছা পরিবহনের একটি বাস অন্যটিকে বিপজ্জনকভাবে ওভারটেকিং করতে গিয়ে এই মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষের তীব্রতায় দুটি বাসেরই সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে বেশ কয়েকজন যাত্রী আঘাত পান এবং মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। দুর্ঘটনায় বড় ধরনের প্রাণহানি না ঘটলেও যাত্রীদের জীবনকে চরম ঝুঁকিতে ফেলার দায়ে চালক ও পরিবহন কর্তৃপক্ষের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে আইনানুগ তদন্ত দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’ লঙ্ঘন ও অপরাধের বিবরণ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে পাস হওয়া ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী মোটরযান চালনা, ভাড়া আদায়, যানবাহনের ফিটনেস এবং পরিচালনা সংক্রান্ত বেশ কিছু বাধ্যতামূলক নিয়ম রয়েছে। মারছা পরিবহনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো আইনটির বিভিন্ন ধারায় সরাসরি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়:১. বেপরোয়া গতি ও নিয়ন্ত্রণহীন চালনা (ধারা ৯৮ ও ৮৪) আইনের ৯৮ ধারায় উল্লেখ রয়েছে, কোনো চালক যদি নির্ধারিত গতিসীমা লঙ্ঘন করে, বেপরোয়াভাবে বা ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংয়ের মাধ্যমে মোটরযান চালনা করে দুর্ঘটনা ঘটান বা সড়ক ব্যবহারকারীদের বিপন্ন করেন, তবে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধারায় তিন বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। চুনতির দুর্ঘটনায় মারছা পরিবহনের চালকদের ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগের দাবি জানিয়েছেন আইন বিশ্লেষকরা। ২. সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় (ধারা ৩৪ ও ৮০) আইনের ৩৪ ধারায় বলা হয়েছে, সরকার বা নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ ব্যাতিরেকে কোনো পরিহন মালিক বা চালক নিজ ইচ্ছামত অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে পারবে না। আইনের ৮০ ধারা অনুযায়ী, নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত দাবি বা আদায় করা হলে অনধিক ১ (এক) মাসের কারাদণ্ড বা ১০,০০০ (দশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার সুযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন: তাহিরপুরে মাটিয়ান হাওরপাড় মাটিয়ান গ্ৰামে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০
যাত্রী সোহাগের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার প্রায় তিন গুণ অর্থ আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট চালক, হেলপার ও কাউন্টার পরিচালকের বিরুদ্ধে এ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।৩. যানবাহনের ফিটনেস ও রুট পারমিট ব্যত্যয় (ধারা ২৫ ও ৭৫) আইনের ২৫ ধারায় ফিটনেস সনদের বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করা হয়েছে। ফিটনেসবিহীন বা কারিগরি ত্রুটিযুক্ত যান মহাসড়কে নামালে আইনের ৭৫ ধারা অনুযায়ী চালক বা মালিকের বিরুদ্ধে অনধিক ৬ (ছয়) মাসের কারাদণ্ড বা ২৫,০০০ (পঁচিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ড প্রদান করা যাবে। চুনতিতে মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত বাস দুটির ফিটনেস সনদ হালনাগাদ ছিল কি না, তা বিআরটিএর মাধ্যমে যাচাইয়ের জোর দাবি উঠেছে।৪. ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত বা অযোগ্য চালক নিয়োগ (ধারা ৪, ৬৬ ও ১১৮)আইনের ৪ ধারা অনুযায়ী বৈধ লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি অযোগ্য বা ড্রাইভিং লাইসেন্সহীন চালককে যানবাহন চালানোর দায়িত্ব দেয়, তবে আইনের ১১৮ ধারা অনুযায়ী সরাসরি পরিবহন পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান বা মালিকপক্ষের বিরুদ্ধেও অপরাধে সহায়তাকারী হিসেবে আইনানুগ ব্যবস্থার স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে।লভ্যাংশ মত্ততা বনাম পরিচালনা কর্তৃপক্ষের আইনি দায়একটি পেশাদার পরিবহন সংস্থা কেবল টিকিট বিক্রি ও লভ্যাংশ বণ্টনে তাদের দায়িত্ব সীমাবদ্ধ রাখতে পারে না। ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’-এর আলোকে চালকদের পেশাগত যোগ্যতা, কর্মঘণ্টা ও মানসিক সতেজতা নিশ্চিত করা কর্তৃপক্ষের আইনি দায়িত্ব।অভিযোগ উঠেছে, মারছা পরিবহনের পরিচালনা পর্ষদ চালকদের অতিরিক্ত ট্রিপ মারতে বাধ্য করে এবং দীর্ঘ পথ একটানা গাড়ি চালানোর ফলে চালকরা শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। পরিশ্রান্ত ও ঘুমন্ত চোখে স্টিয়ারিং ধরার কারণে বারবার এমন দুর্ঘটনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কেবল চালকের ওপর দোষ না চাপিয়ে পরিবহনটির শীর্ষ ব্যবস্থাপনা কমিটি, রুট নিয়ন্ত্রক ও মালিকদেরও আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।ট্রিপের নামে চরম হয়রানি: ভুক্তভোগী সোহাগের অভিজ্ঞতায় অনাচারমারছা পরিবহনের বিরুদ্ধে যাত্রী হয়রানির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনেছেন ভুক্তভোগী যাত্রী সোহাগ। তাঁর অভিযোগ অনুযায়ী, বাসে ওঠার আগে যে ভাড়ার অঙ্গীকার করা হয়েছিল, যাত্রাপথে সেই কথা ভঙ্গ করে তাঁর কাছ থেকে অন্যায়ভাবে মূল ভাড়ার প্রায় তিন গুণ অর্থ দাবি করা হয়।এই অতিরিক্ত অর্থ দাবির প্রতিবাদ জানালে বাসের সুপারভাইজার ও চালক তাঁর সঙ্গে চরম কটূক্তি ও দুর্ব্যবহার করেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে পরিবহনটির কর্মীরা আইন ও যাত্রী অধিকারের কোনো পরোয়া করে না। এই অভিযোগের রসিদ ও বাসের নম্বরসংক্রান্ত তথ্য হাইওয়ে পুলিশ ও বিআরটিএর তদারকি সেলে জমা দিয়ে তদন্তের জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে।যাত্রীসেবার নামে শিডিউল বিপর্যয় ও সাধারণ ভোগান্তিমারছা পরিবহনের বিরুদ্ধে সময়সূচি বা সিডিউল না মানার অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
নির্ধারিত সময়ে কাউন্টার থেকে গাড়ি না ছাড়া, মাঝপথে দীর্ঘক্ষণ অপ্রয়োজনীয় বিরতি দেওয়া এবং যাত্রীদের অভিযোগ আমলে না নেওয়া তাঁদের প্রতিদিনের অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। যাত্রী অধিকার রক্ষায় কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই পর্যটন রুটে যাতায়াতকারী সাধারণ যাত্রী ও পর্যটকরা প্রতিনিয়ত জিম্মি হচ্ছেন।হাইওয়ে পুলিশ, বিআরটিএ ও প্রশাসনের প্রতি জোরালো দাবিসচেতন নাগরিক ও ভুক্তভোগী যাত্রীরা অবিলম্বে নিমোক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণের জন্য প্রশাসন ও বিআরটিএর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন:১. আইনি তদন্ত ও মামলা দায়ের: চুনতিতে সংঘর্ষে লিপ্ত মারছা পরিবহনের বাসের চালকদের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের ও গ্রেফতার নিশ্চিত করা। ২. অতিরিক্ত ভাড়ার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: যাত্রী সোহাগের মতো ভুক্তভোগীদের অভিযোগ আমলে নিয়ে কাউন্টারগুলোতে বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও জরিমানা আদায়। ৩. ফিটনেস ও লাইসেন্স স্ক্রিনিং: চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে চলাচলকারী মারছা পরিবহনের সকল বাসের ফিটনেস সনদ এবং চালকদের লাইসেন্স সরেজমিনে পুনঃপরীক্ষা করা। ৪. মালিকপক্ষের দায় নির্ধারণ: দুর্ঘটনায় মালিকপক্ষ বা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের অবহেলা প্রমাণিত হলে ধারা ১১৮ অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।কর্তৃপক্ষের উত্তর অনুপস্থিতদুর্ঘটনা, বেপরোয়া চালনা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং আইন লঙ্ঘনের এসব গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে মারছা পরিবহন কর্তৃপক্ষের কোনো দায়িত্বশীল প্রতিনিধির আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আজ রবিবার পরিবহন কর্তৃপক্ষের একজনের সঙ্গে কথা বললে তিনি বিভিন্নভাবে আইনি জটিলতার হুমকি দেন এবং ক্ষমতার দাপট দেখান। এ সময় তিনি তাঁর নাম নিজাম নম্বর 0183xxx4326 উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।
এদিকে, ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলাচলকারী মারসা পরিবহনের একটি বাস থেকে অতীতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনাও আলোচনায় এসেছে।
আরও পড়ুন: ভৈরবে দোকান ও বাড়ি ভাঙচুর-লুটপাটের ঘটনায় বিকাশে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নেন ওসি মাহবুবুর রহমান
পূর্বের ঘটনা: ২৮ আগস্ট ২০২৩
২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট ঢাকা-কক্সবাজার রুটের মারসা পরিবহনের একটি বাসে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে চালক ও হেলপারকে গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন বাসচালক মো. হানিফ (৫৪) ও হেলপার মো. রানা (২৭)। হানিফ চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মুন্সিরহাট এলাকার মৃত আব্দুল মোন্নাফের ছেলে এবং রানা বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের একটি দল ২৮ আগস্ট ভোরে মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের টোল প্লাজায় অভিযান চালায়। এ সময় মারসা পরিবহনের একটি বাস (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৮৪৭৬) থেকে ১২ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয় এবং বাসটির চালক ও হেলপারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন: সাজেকে সশস্ত্র হামলার অভিযোগ, আটকা ৩ হাজার পর্যটক; সেনাবাহিনী-পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার
তৎকালীন উপপরিচালক মো. মাসুদ হোসেন জানান, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে রাজধানীতে মাদক পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ওই বাসে অভিযান চালানো হয়।
তৎকালীন ডিএনসির বক্তব্য অনুযায়ী, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হেলপার রানা এর আগেও কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ইয়াবা পৌঁছে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
মানবাধিকার সংগঠনের বক্তব্য: এ বিষয়ে মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ সিটিজেন লিগ্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল হেলাল গণমাধ্যমকে বলেন, “নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা, যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং মানবাধিকার ও জনস্বার্থ রক্ষার জন্য পরিবহনসংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রচলিত আইন মেনে চলতে হবে। কোনো পরিবহন কর্তৃপক্ষ বা শ্রমিক আইন লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “জনস্বার্থে পরিবহন খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনের ঊর্ধ্বে নয়।”
আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে শান্তি-সম্প্রীতিতে দুর্গাপূজা উদ্যাপন
” চলবে............
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন