ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

দেশের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী


দেশের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সভা করেছেন দেশের সমতল এলাকায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ২০২৬) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভার সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রথম সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জীব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ৯ বছরের শিশু ওরিন সাফাত প্রধানমন্ত্রীর হাতে উপহার দিলেন নিজ হাতে লেখা কোরআন শরীফ

এ সময় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের নেতারা বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন, যেমন পৃথক ভূমি কমিশন গঠন, সমতলের আদিবাসী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন, ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ শব্দের পরিবর্তে জাতিভিত্তিক পরিচয়ের দাবি, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, আইনগতভাবে ভূমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণসুবিধা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বা রিজার্ভ ফরেস্টের নামে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বসতি থেকে উচ্ছেদ বন্ধের দাবি জানান।

সভায় প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন। প্রধানমন্ত্রী সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি এবং তার সরকার এমন একটি দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন, যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্য থাকবে না। সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান, কাউকে আলাদা মনে করেন না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। এভাবে যদি অর্থ পাচার না হতো, তাহলে আপনাদের (ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর) অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।”

আরও পড়ুন: শিবির সভাপতি: ভারতের মতো সাজানো হয়েছে আমাদের শিক্ষা কাঠামো

“আমাদের সরকার পর্যায়ক্রমে যেগুলো সমাধানযোগ্য, সেগুলো আগে সমাধান করার চেষ্টা করছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। এখানে টিকে থাকতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের দেখতে হবে, আমরা আরও ভালো অবস্থানে কীভাবে থাকতে পারি।”

দেশের বিরাজমান সমস্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশে এত সমস্যা এখনো বিরাজমান দেখে আমি এখনো বিস্মিত হই। কেননা, ১৭ annéesে এগুলোর সমাধান হওয়ার কথা ছিল। সে সময় এগুলো সমাধান করা হলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।”

“আগে এত উন্নয়নের গল্প শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়? এখন সব চাপ এসে পড়েছে আমাদের সরকারের ওপর। এই সরকারের ওপর জনগণের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চেষ্টা করছি সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে।”

আরও পড়ুন: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্প প্রসারের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর

দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে দিয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোর কথাও প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ওরা একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাত্রা শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার সময়ে ৩১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর আমাদের সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই এর উন্নয়ন হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর সেটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এটিকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার।”

“অথচ আগের সরকার ইউনিয়নভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু সেগুলোর কোনো কার্যক্রম নেই।”

২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, কিডনি ডায়ালাইসিস ও হার্টের রিংসহ জরুরি চিকিৎসা-সামগ্রীর ওপর আরোপিত কর হ্রাসের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন।

আরও পড়ুন: অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করেই জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার পাশাপাশি, জুলাই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর। আবু সাঈদ, মুগ্ধসহ সব জুলাই শহীদের স্মৃতি ধারণ করেই রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন উদ্যোগ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে 'জুলাই শহীদ দিবস' উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, 'জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন জেগেছে, তা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে।'

এ সময় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ আজাদ বলেন, 'দীর্ঘদিনের অবহেলিত রংপুর অঞ্চলের শিক্ষা ও উন্নয়নে আঞ্চলিকভিত্তিক বাজেটের মাধ্যমে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে।'

আবু সাঈদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায় কার্যকরে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

স্মরণসভায় আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশের রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চ্যাম্পিয়নদের পাশে আছি, শেষ লড়াইয়ের অপেক্ষা: পূর্ণিমা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


চ্যাম্পিয়নদের পাশে আছি, শেষ লড়াইয়ের অপেক্ষা: পূর্ণিমা

বিশ্বকাপের উত্তেজনাপূর্ণ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ১-২ ব্যবধানে পরাজিত করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ফাইনালে স্থান করে নিয়েছে। আটলান্টা স্টেডিয়ামে হ্যারি কেইন ও বেলিংহামদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠেছে লিওনেল মেসির দল।

আর্জেন্টিনার এই অসাধারণ জয়ে দেশবাসীর পাশাপাশি উচ্ছ্বাসে ভাসছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমাও।

একটি সামাজিকমাধ্যম বার্তায় তিনি তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। ম্যাচ শেষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আর্জেন্টিনার জয় উদযাপন করে তিনি লিখেছেন, ‘চ্যাম্পিয়নদের পাশে আছি। আর্জেন্টিনা আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে। শেষ আরেকটি লড়াইয়ের অপেক্ষা।’

এর পূর্বে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছেছিল আর্জেন্টিনা। সেই জয়ের পরও এই অভিনেত্রী একটি পোস্টে লিখেছিলেন, ‘বিশুদ্ধ আবেগ। বিশুদ্ধ আবেগ। সেমি ফাইনালিস্ট!’

শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচ আগামী ২০ জুলাই বাংলাদেশ সময় সোমবার রাত ১টায় স্পেনের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের এই বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সম্প্রীতি নষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৫ পি.এম


সম্প্রীতি নষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনে বিদেশে নেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুরের নগরকান্দায় শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'হিন্দু, মুসলমান, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ আমরা সকলে ভাই ভাই, আমরা সবাই মিলেমিশে থাকি। বছরগুলো ধরে, যুগের পর যুগ আমাদের এভাবেই একত্রে চলা হয়েছে। আগামী প্রজন্মও আমাদের মতোই মিলেমিশে থাকতে হবে।'

শামা ওবায়েদ বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, 'নির্বাচনের আগে আমাদের ইশতেহারে রংধনুর কথা উল্লেখ ছিল। সাতটি রং নিয়ে যেমন রংধনু হয়, ঠিক তেমনি আমাদের দেশে ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম ও জাতি রয়েছে। আমরা সবাই মিলে এক বাংলাদেশ হয়ে থাকব।'

তিনি আরও বলেন, 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কখনো ধর্ম নিয়ে বিভেদ করে না। আমাদের কাছে সবাই সমান ও কোনো বৈষম্য ও সংখ্যালঘু শব্দে বিশ্বাস করি না। আমাদের বিশ্বাস আমরা একসঙ্গে দেশ গড়ব।'

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'কোনোভাবেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা যাবে না। কেউ যদি এই চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে, সে যেই হোক না কেন।'

তিনি উল্লেখ করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এ সময় দেশের উন্নয়নে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের কথা স্মরণ করে শামা ওবায়েদ বলেন, 'যারা জীবন দিয়ে আজকের এই দিনটিকে এনেছে, তাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। আহত জুলাই যোদ্ধাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য যেকোনো প্রয়োজনে বিদেশে নিয়ে যাওয়া হবে।'

অনুষ্ঠানে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি), নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষায় জাতিসংঘের জোরালো সহায়তা চাইলেন অর্থ উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষায় জাতিসংঘের জোরালো সহায়তা চাইলেন অর্থ উপদেষ্টা

বাংলাদেশের নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের আরো জোরালো সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বৈশ্বিক সংঘাত, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্নের কারণে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এ আহ্বান করা হয়েছে। বুধবার জাতিসংঘের সহকারি মহাসচিব এবং ইউএন উইমেনের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ারাদজাই গুম্বোনজভান্দারের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ কথা বলেন তিতুমীর। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বৈঠকে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। এতে দেশের ওপর উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে ইউএন উইমেনের আরো সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেন। একই সঙ্গে প্রত্যাবাসনের পর রোহিঙ্গা নারী ও কন্যাশিশুরা যেন নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে, সব ধরনের অধিকার ভোগ করতে পারে এবং টেকসই জীবিকার সুযোগ পায়, সেই বিষয়ে সহযোগিতা চান। উপদেষ্টা বলেন, চলমান বৈশ্বিক সংকটের বিভিন্ন প্রভাব বাংলাদেশের আর্থিক সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কঠোর ঋণশর্তের কারণে অনুদান ও স্বল্পসুদে অর্থায়নের সুযোগও সীমিত হয়েছে। তিনি নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরো শক্তিশালী করতে ইউএন উইমেনের সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের নারী-কেন্দ্রিক উন্নয়ন কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরার সময় তিতুমীর বলেন, সরকারের উল্লেখযোগ্য উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিবারের নারী প্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা, প্রজনন ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং জীবনচক্রভিত্তিক সার্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা। লিঙ্গ সমতার অগ্রগতিতে বাংলাদেশের প্রশংসা করেন ইউএন উইমেনের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ারাহদজাই গুম্বোনজভান্দা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ উদ্যোগকে একটি উদ্ভাবনী নারীকেন্দ্রিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি তার কক্সবাজার সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সাথে লিঙ্গ সমতা, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, সামাজিক সুরক্ষা, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ কর্মসূচি এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের অব্যাহত অংশীদারিত্বের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%