প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের আরো জোরালো সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বৈশ্বিক সংঘাত, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্নের কারণে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এ আহ্বান করা হয়েছে। বুধবার জাতিসংঘের সহকারি মহাসচিব এবং ইউএন উইমেনের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ারাদজাই গুম্বোনজভান্দারের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ কথা বলেন তিতুমীর। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বৈঠকে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। এতে দেশের ওপর উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক, পরিবেশগত ও নিরাপত্তাজনিত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে ইউএন উইমেনের আরো সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেন। একই সঙ্গে প্রত্যাবাসনের পর রোহিঙ্গা নারী ও কন্যাশিশুরা যেন নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারে, সব ধরনের অধিকার ভোগ করতে পারে এবং টেকসই জীবিকার সুযোগ পায়, সেই বিষয়ে সহযোগিতা চান। উপদেষ্টা বলেন, চলমান বৈশ্বিক সংকটের বিভিন্ন প্রভাব বাংলাদেশের আর্থিক সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কঠোর ঋণশর্তের কারণে অনুদান ও স্বল্পসুদে অর্থায়নের সুযোগও সীমিত হয়েছে। তিনি নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন জোরদার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরো শক্তিশালী করতে ইউএন উইমেনের সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের নারী-কেন্দ্রিক উন্নয়ন কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরার সময় তিতুমীর বলেন, সরকারের উল্লেখযোগ্য উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিবারের নারী প্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা, প্রজনন ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং জীবনচক্রভিত্তিক সার্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা। লিঙ্গ সমতার অগ্রগতিতে বাংলাদেশের প্রশংসা করেন ইউএন উইমেনের ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর নিয়ারাহদজাই গুম্বোনজভান্দা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ উদ্যোগকে একটি উদ্ভাবনী নারীকেন্দ্রিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি তার কক্সবাজার সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সাথে লিঙ্গ সমতা, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, সামাজিক সুরক্ষা, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ কর্মসূচি এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইউএন উইমেনের অব্যাহত অংশীদারিত্বের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন